টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

গোপালগঞ্জ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এরই মধ্যে তিনি এ দেশের শিশুদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক করে দিয়ে যান, মেয়েদের শিক্ষা মাধ্যমিক পর‌্যন্ত অবৈতনিক করে দেন। শিশুদের অধিকার যাতে নিশ্চিত হয়, তার জন্য জাতির পিতা বাংলাদেশে শিশু আইন প্রণয়ন করেন। তখনও জাতিসংঘ শিশুদের অধিকার সংরক্ষনের জন্য আইন প্রণয়ন করেনি। জাতিসংঘ আইন করেছিলো ১৯৮৯ সালে। আর জাতির পিতা করেন ১৯৭৪ সালে। ২০১১ সালে আমরা জাতীয় শিশুনীতি করেছি। শিশুর অধিকার সুরক্ষা, শিক্ষা, খেলাধূলা, শারিরীর চর্চ্চা, সাংস্কৃতিক চর্চ্চা সব দিকে যেন তারা পারদর্শিতা অর্জন করতে পারে, সে জন্য আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি। আজ রোববার সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সমাধী সৌধ কমপ্লেক্সে মসজিদ প্রাঙ্গনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রাণালয় আয়োজিত শিশু সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের আধুনিক প্রযুক্তি, কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও কম্পিউটার ল্যাব তৈরী করে দিচ্ছি। আমাদের শিশুরা সাথে যাতে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। তাছাড়া আমরা প্রতিটি জেলায় একটি করে মোট ৬৫ টি ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাবসহ সারা দেশে ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছি। যাতে প্রযুক্তি শিক্ষাতে আমাদের শিশুরা আরও পারদর্শিতা অর্জন করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমি শুধু এতটুকুই বলতে চাই, আমাদের ছেলে-মেয়েরা যে শিক্ষা গ্রহন করছে, আমরা একেবারে তৃণমূল পর‌্যায় থেকে শিশুদেরকে, বাংলাদেশের সব শিক্ষার্থীদেরকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি। দৃষ্টি প্রতিবন্ধিদের জন্য বেল বইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য তাদের ভাষায় বই দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া প্রাইমারী থেকে মাধ্যমিক পর‌্যন্ত বিনামূল্যে বই ও বৃত্তি দিচ্ছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তির টাকা আমরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মায়ের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। যেন মা তার শিশুকে স্কুলে পাঠায়। স্কুলে টিফিনের ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। যাতে ঝরে পড়া বন্ধ হয় এবং তারা পড়াশোনা শিখতে পারে। মেয়েদের জন্য আমরাও বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ছোটবেলার কথা স্মরন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ছোট বেলা থেকেই মানব দরদী ছিলেন। আমার দাদীর কাছে গল্প শুনেছি বঙ্গবন্ধু নিজের বই গরীব ছাত্রদের বিলিয়ে দিতেন। নিজের ছাতাও বিলিয়ে দিতেন। অনেক সহপাঠি বিভিন্ন বাসায় লজিং থেকে পড়াশোনা করতেন, তাদেরকে বাড়িতে ডেকে এনে বঙ্গবন্ধু নিজের খাবার ভাগ করে খেতেন। আমার দাদা-দাদী সব সময় আমার বাবাকে বকা-ঝঁকা না করে উৎসাহ দিতেন। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন যে রাজনীতি করেছেন তাঁর বাবা-মা সেই সমর্থনটা দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে তিনি যে ভাবে দেখতে চেয়েছিলেন, উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, সেই বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে আজকের প্রতিপাদ্য “বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রংগিন”। আমি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বলতে চাই, আমরা জাতির পিতার ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী পালন করছি। আগামী বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করবো। ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। ২০২০ থেকে ২০২১ এ বছরটাকে আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যে নেতার জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্ম-পরিচয়ের সুযোগ পেতাম না। যে নেতা জন্ম না হলে আজ আমরা একটি দেশ পেতাম না। সে নেতার জন্ম বার্ষিকী এমন ভাবে উদযাপন করতে চাই। তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ ছিলো শোষিত বঞ্চিত, ছিলো ক্ষুধার্ত, দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত। ছোট বেলা থেকে তিনি দারিদ্র পীড়িত মানুষ গুলোকে দেখে তাঁর হƒদয় কাঁদতো। তাই তিনি নিজের জীবনের সব কিছু বিলিয়ে দিয়েছেন এদেশের মানুষের জন্য। আর এ কারণেই বছরের পর বছর কারাজীবন ভোগ করেন। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে কারাগারে যান, বাংলার মানুষের অধিকারে কথা বলতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে নির‌্যাতন। কোন অত্যাচার নির‌্যাতন বা ফাঁসির দড়িও তাকে বাঁধা দিতে পারেনি। তিনি তার সংগ্রাম অব্যাহত রেখে আমাদের স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলবেন। যে দেশে প্রতিটি শিশু তার জীবন মান উন্নত করতে পারবে, শিক্ষা-দিক্ষা-চিকিৎসা সব দিক থেকে উন্নত জীবন পাবে। এই ছিলো তাঁর জীবনের এক মাত্র লক্ষ্য। কিন্তু, সে কাজটাও তিনি করে যেতে পারলেন না। ‘৭৫ এর ১৫ আগষ্ট কতিপয় বিশ্বাসঘাতকের বুলেটের আঘাতে জাতির পিতাকে নিমর্মভাবে হত্যা করা হয়। আমার মা, আমার ছোট তিন ভাই, আমার একমাত্র চাচা শেখ আবু নাসেরকে হত্যা করা হয়। আমার তিন ফুফুর বাড়িতেও আক্রমণ করা হয়। প্রতিটি বাড়িতেই তারা হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো। আমরা দু’বোন বিদেশে ছিলাম বলে বেঁচে যাই। আমরা আমাদের পিতাকে হারিয়েছি। কিন্তু, বাংলাদেশের মানুষ হারিয়েছে সব সম্ভবনা, স্বাধীনতার চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। প্রধানমন্ত্রী ‘৭৫ এর ১৫-আগষ্টের কথা উল্লেখ করে বলেন, কি দূর্ভাগ্য আমাদের ’৭৫-এর পর আমাদের দেশের শিশুরা জানতে পারিনি মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় অর্জন ইতিহাস। সে সময়ে ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়েছিলো। তবে সত্যকে কখনো কেউ মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখতে পারেনি। সত্যের জয় এক দিন হয়। আর সেটাই প্রমান হয়েছে আজকে। সেই সত্য আজকে উদ্ভাসিত হয়েছে। আজ বাংলাদেশের ইতিহাস, আমার দেশের মানুষ জানতে পারছে। প্রধানমন্ত্রী ৭ মার্চের ভাষণের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণ ‘৭৫ এর পর নিষিদ্ধ ছিলো। সে ভাষণ ২১ বছর এ দেশের কোথাও বাজানো যেত না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মিরা এ ভাষন বাজাতে গিয়ে অনেকে জীবন দিয়েছে, অনেকে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। তাদের এ আতœত্যাগের মধ্যদিয়ে সারা বিশ্বে ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব মর‌্যাদা পেয়েছে। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক প্রামান্য দলিলে এটা স্থান করে নিতে পেরেছে। যা বাংলাদেশের ভাব মূর্তি উজ্জ¦ল হয়েছে। যা বিশ্বের আড়াই হাজার বছরের ভাষণ, মানুষকে উজ্জীবিত করবার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসাবে ৭ মার্চের ভাষণ সেই মর‌্যাদা পেয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ যদি ভাল থাকে, উন্নত জীবন পায়, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। সে কারণেই আমরা দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। যেখানে আজকের শিশু আগামী দিনের সুন্দর একটা ভবিষ্যৎ পায়। সুন্দর একটা জীবন পায়। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই কাজ করে যাচ্ছি। ভাষনের শেষ পর‌্যায়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সুকান্তের ছাড়পত্র কবিতার কয়েকটি লাইন পড়ে শুনান-“এই বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নব জাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার। ”প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ জাতির পিতার ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী। টুঙ্গিপাড়ার এ মাটিতে বঙ্গবন্ধু জন্ম গ্রহন করেছিলেন আর এই মাটিতেই তিনি চির নিদ্রায় শায়িত আছেন। এ মার্চ মাস আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। এই মাসে জাতির পিতা সেই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। এই মাসে তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন আর এ মাসেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র পায়। এ অুনষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জ জেলা শহরের মালেকা একাডেমীর পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী লামিয়া সিকদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশু আরাফত হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথা সাহিত্যক সেলিনা হোসেন। এ সময় অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার ও গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গোপালগঞ্জ জেলা ব্রাডিং এর লোগোর রেপ্লিকা প্রদান করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “বঙ্গবন্ধুকে লেখা চিঠি” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। বঙ্গবন্ধুকে লেখা শ্রেষ্ঠ চিঠি পাঠ করেন শুনান যশোরের কেশবপুর স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেলাই মেশিন বিতরণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী “আমার কথা শোন” শীর্ষক ভিডিও প্রদর্শন ও জাতীয় কাব্যনৃত্যগীতি আলেখ্যানুষ্ঠান উপভোগ করেন। প্রধানমন্ত্রী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, গল্প বলা প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রযোগিতা ও ৭ মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এরপর শিশুদের ফটোসেশনে অংশগ্রহন এবং বই মেলা উদ্বোধন ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের আঁকা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এরআগে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে উপস্থিত হন। সকাল ১০ টা ১৯ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বঙ্গবন্ধুর সমাধী সৌধের বেদীতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বেজে ওঠে বিগউলের সুর। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে সেনা-নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফাহেতা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নিহত সদস্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত ৩০ লক্ষ শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এটিএম ফজলে রাব্বি মিঞা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, তোফায়েল আহমেদ এমপি, আমির হোসেন আমু এমপি, লে কর্ণেল (অব)ফারুক খান এমপি, কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এমপি, তথ্যমন্ত্রী হাচান মাহমুদ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপিসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১ টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ হেলিকপ্টার যোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বেলা ৩ টায় হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

আপনার মতামত জানানঃ