নোয়াখালী ও জয়পুরহাটে নারী ও শিশুকে ধর্ষণ

ঢাকা অফিস : নোয়াখালীর সুবর্ণচরের পর এবার সোনাইমুড়িতে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার মধ্যরাতে, নির্যাতিতা নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, নাটেশ্বর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে রাতে আর বাড়ি ফেরেনি নির্যাতনের শিকার ওই নারী।  পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বুধবার সকালে সোনাইমুড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এরপর বুধবার মধ্যরাতে, দৌলতপুর গ্রামের একটি পুকুর পাড় থেকে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তার ওপর।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ওই নারী।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আরএমও সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম বলেন, ‘আমাদের এখানের চিকিৎসকরা তার সকল ধরনের শারীরিক পরীক্ষা করেছেন। কিন্তু উনি মানসিকভাবেও অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে আছেন। তাই আমাদের মানসিক ডাক্তারও তার চিকিৎসা শুরু করেছেন।’

এ ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার সোনাইমুড়ি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। পরে, আমিনুল ইসলাম ও নিজাম উদ্দিন নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খিষা জানান, মামলার এজাহার দায়ের হওয়ার পর আমরা ইতিমধ্যেই দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকী আসামিদের ধরার জন্যও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে, জয়পুরহাটের কালাইয়ে এক বাক প্রতিবন্ধী  শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জয়পুরহাটের কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমন রায় বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে ধর্ষককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।’

আপনার মতামত জানানঃ