পাইকগাছায় পাউবো’র বেঁড়িবাধে ফাটল : হুমকিতে বিকল্প বাঁধ!

স্নেহেন্দু বিকাশ, পাইকগাছা : পাইকগাছার সুন্দরবন সংলগ্ন ১০/১২পোল্ডাস্থ উত্তর কুমখালীর শিবসা নদীর ভাঙনকুলে পাউবো’র পুরানো বেঁড়িবাধের ফাটলে ভিতরের রিংবাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী বলছেন দ্রুত বাঁধ মেরামত না করলে বর্ষা মৌসুমে বিপদ দেখা দিতে পারে। পার্শ্ববর্তী ঘের মালিক হালিম শিকারী বলছেন রেকর্ডীয় জমিতে হারী দিয়ে ঘের করছি তাঁর পরেও পাউবো’র নোটিশ,অন্যদিকে বাঁধের উপর বসবাসরত একটি পরিবার ও ইউপি সদস্যোর অ-সহযোগিতার কারণে ফাঁটলে মাটি ফেলা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে গেলে স্থানীয়া জানান,গড়ইখালী ইউপি’র পুর্বের ভাঙন কুলে শিবসা নদীর পাড়ে উঃ কুমখালীতে পানিউন্নয়ন বোর্ডের পুরাতন বেঁড়িবাধে ফাঁটল দেখা দেওয়ায় ভিতরের বিকল্প রিংবাঁধ ঝুকিতে পড়েছেন। স্থানীয়রা জানান,ইতোপুর্বে ভাঙনে বহু মানুষের জমি,ঘরবাড়ী,সম্পদ নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। সর্বশেষ সরকার ব্যাপক অর্থ ব্যয় করে পুরানো ওয়ার্দার গোড়ায় ব্লক ও ভিতরে রেকর্ডীয় জমির উপর দিয়ে রিংবাঁধ দিয়ে বিকল্প বাঁধ দিয়েছেন। জানাগেছে পুরানো বেঁড়ি ও বিকল্প রিংবাঁধের ভিতর অংশে কুমখালীর বাসিন্দা অচিন্ত মন্ডল, জয়ন্ত মন্ডল, লিয়াকত মোড়ল,কেরামত ফকির গংদের ১১ বিঘা জমিতে ডিড নিয়ে হালিম শিকারী দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ ও ফসল ফলাচ্ছেন। এ কথা স্বীকার করে হালিম জানান, ন্যায্য হারী ও লাখো টাকা ব্যায় করে পুরানো বেঁড়িবাধে মাটি দিয়ে মৎস্য চাষ করছি। অথচ পাউবো’র এসও নোটিশ দিয়ে হয়রানী চেষ্টা করছেন।অন্যদিকে ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দীনের বুদ্ধিতে ফাটল বাঁধের ধারে বসবাসরত নুরবান গাজীর পরিবার মাটি ফেলতে অ-সহযোগিতার করছেন। তবে ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দীন গাইন এ অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবী করে বলেন,ঘেরের বিষয়ে আমি ইতোপুর্বে হালিম শিকারীকে যথেষ্ট সহয়তা করেছি। পাউবোর উপসহকারী মোঃ ফরিদ উদ্দীন জানান,এ সম্পর্কে ঘের মালিকের নিকট নোটিশ পাঠিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তবে তিনি বিকল্প রিং ও পুরানো বেঁড়িবাধের ভিতরে ঘেরের মধ্যে কিছু সরকারী ও স্থানীয়দের জমি থাকার কথা স্বীকার করেণ।

আপনার মতামত জানানঃ