বিদেশি সিগারেট আসলো গার্মেন্টস পণ্যের ঘোষণায়

চট্টগ্রাম ব্যুরো:ঘোষণা ছিল গার্মেন্টসের কাঁচামাল, বাস্তবে দেখা গেল নিয়ে আনা হয়েছে পুরো এক কনটেইনার বিদেশি বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট। পোশাকখাতকে দেওয়া সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি দিতে এমন কাণ্ডের আশ্রয় নিয়ে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান। জব্দ করা সিগারেটগুলো মুন ও ৩০৩ ব্রান্ডের।

চট্টগ্রাম বন্দরে বিপুল পরিমাণ এই সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমসের গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা। পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ঘোষণা দিয়ে চীন থেকে সাড়ে ১৮ মেট্রিক টন সিগারেট আমদানি করে ঢাকার সাভারের হপ-ইক লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

গত ৩ নভেম্বর পণ্য খালাসের জন্য সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চট্টগ্রামের দক্ষিণ আগ্রাবাদের চান্দু করপোরেশন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে বিল অফ এন্ট্রি (সি-নং ২০০৪৮২) দাখিল করে।

জানা গেছে, তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য দেওয়া শুল্কমুক্ত সুবিধায় পোশাকশিল্পের কাঁচামাল আমদানির কথা থাকলেও বাস্তবে পাওয়া গেছে বিদেশি বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট। বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের সবচেয়ে বড় খাত হিসেবে তৈরি পোশাকশিল্পের কাঁচামালগুলো শুল্কমুক্তভাবে দ্রুত খালাস দেওয়া হয়।

এই সুযোগের অপব্যবহার করে পোশাকশিল্পের কাঁচামাল ঘোষণায় আমদানি করা হয় এসব সিগারেট। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ টিম (এআইআর) ও কাস্টমস গোয়েন্দা শাখা একটি কন্টেইনার জব্দ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করীম বলেন, ‘এ বিষয়ে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাছাড়া এ ঘটনায় কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

কাস্টমসের এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ইমরুল ইসলাম বলেন, ‘জব্দকৃত সিগারেটগুলো মুন ও ৩০৩ ব্রান্ডের। এগুলো গুণতে একটু সময় লাগবে। পরে জানা যাবে এখানে কী পরিমাণ সিগারেট রয়েছে এবং কী পরিমাণ শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।’

আপনার মতামত জানানঃ