১০ কেজি চালে আর কয় দিন চলে?

ঢাকা অফিসঃ করোনাভাইরাসের কারণে এক মাস ঘরে বসে আছেন হাতুন্ডা গ্রামের প্রতিবন্ধী আব্দুল হামিদ। হামিদ বলেন, তার এক টাকাও সঞ্চয় বা জমা নাই। স্ত্রী ছেলে-মেয়েসহ ৬ জনের সংসার চলে আমার একার রোজগারে। ত্রাণের ১০ কেজি চালে কয়দিন চলা যায়। সরকারের নির্দেশ মেনে ঘরে আছি।

হামিদের মতো হবিগঞ্জ চুনারুঘাটের শতাধীক প্রতিবন্ধী ভিকুকের একই কথা। রহমান, বাদশা, আকছির, ফুলবানু, মতিন, রমজান ও আব্দুল হকের মতো প্রতিদিন শতাধীক ভিকুক পৌর শহরের দোকান মালিক, শহরের আসা লোক জনের কাছে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করে।

লকডাউনের জন্য এক মাস ধরে শহরে লোকজন নেই, দোকানপাট বন্ধ। সারা দিন শহরে ঘুরে আয় রোজগার নেই। সরকারের ত্রাণ সহায়তার জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সহায়তা যা পাচ্ছেন তা নগণ্য। এ অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটছে তাদের পরিবারের। এদের খাদ্য সহায়তায় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য সচেতনমহল আহবান জানিয়েছেন।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সত্যজিত রায় দাশ বলেন, সরকারি ত্রাণ পৌরসভা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক মেয়র চেয়াম্যানদের মাধ্যমে বণ্টন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের আবারও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ

আপনার মতামত জানানঃ