গোলাপগঞ্জের চিহ্নিত অপরাধী কুখ্যাত সন্ত্রাসী দিদার এখন কারাগারে

শাহান ,গোলাপগঞ্জ(সিলেট) প্রতিনিধি : গোলাপগঞ্জের চিহ্নিত অপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী দিদারকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনাল থেকে দিদারকে আটক করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার গোলাপগঞ্জের অন্যতম অপরাধি দিদারকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। দিদারের মত একজন অপরাধী ধরা পড়ায় নিজ এলাকা সহ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন স্বস্থি প্রকাশ করছেন। সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানীকর কাজে লিপ্ত দিদারকে পুলিশ আটক করে জেলে পাঠালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন মহল থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
উপজেলার পৌর এলাকার রনকেলী নয়াগ্রামের অধিবাসী মৃত মজন আলীর পুত্র দিদার (২৮) গোলাপগঞ্জের একজন চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে বেশ ক’টি মামলা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় গত ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারীতে সন্ধ্যায় চৌমুহনীতে প্রকাশ্য দিবালোকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে দৈনিক আমাদের সময় গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর উপর দিদার ও তার অপকর্মের সহযোগিরা হামলা চালায়। এতে সাংবাদিক মাহবুবের বাম হাত ভেঙ্গে গেলে গুরুতর আহত হন। এ মামলায় সন্ত্রাসী দিদার কিছুদিন জেলে ছিল। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধিন রয়েছে। সম্প্রতি সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর সচিব, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি ও গোলাপগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সেক্রেটারী আব্দুল আহাদ কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বিভিন্ন বাক্য লিখে ফেইসবুকে তার নিজস্ব আইডি থেকে প্রচার করতে থাকলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এদিকে সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর দায়েরকৃত মামলার ধার্য্য তারিখে সন্ত্রাসী দিদার হাজিরা না দেয়ায় মাননীয় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। এতে সে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। সন্ত্রাসী দিদারকে ধরতে গোলাপগঞ্জ থানার পুলিশ বেশ তৎপর হয়ে সিলেটের বিভিন্ন থানা ও পুলিশ স্টেশন গুলোতে ম্যাসেজ পাঠায়। গত সোমবার বিকেলে পুলিশ জানতে পারে সন্ত্রাসী দিদার তার অপকর্মের আরও দু’জন সহযোগীকে নিয়ে কদমতলী বাস টার্মিনালের আশপাশে অবস্থান করছে, বিষয়টি বাস টার্মিনাল পুলিশ ফাঁড়িকে অবহিত করলে তারা তাকে আটক করে। এ সময় পুলিশ তার নাম জিজ্ঞেস করলে দিদার তার নাম গোপন করে বলে সুমন। একপর্যায়ে পুলিশ তার ছবি দেখে নাম সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পুলিশের কাছে নাম গোপন রাখার বিষয়টিও ছিল রহস্যজনক। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে অপরাধ করতে গিয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে সন্ত্রাসী দিদার ছদ্মনাম ব্যবহার করতো। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার দিদারকে পুলিশ আদালতে হাজির করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে গোলাপগঞ্জের কুখ্যাত সন্ত্রাসী চিহ্নিত অপরাধী দিদার কারাগারে রয়েছে।

সেশনজটের কবলে রাবির চারুকলা অনুষদ

আহমেদ ফরিদ, রাবি প্রতিনিধি: সুবাস পাল পড়ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি)। চারুকলা অনুষদের এই ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে। সেই হিসেবে এবছর স্নাতকোত্তর শেষ করার কথা ছিল তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগের বন্ধুরা পড়াশুনা শেষে ঠিকই কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন। কিন্তু সেশনজটের কারণে তিনি এখনো চতুর্থ বর্ষেই রয়েছেন।
চিত্রটি শুধু সুবাসের জন্য নয়। চারুকলা অনুষদের সব বিভাগেরই একই অবস্থা। শিক্ষকদের গাফিলতিসহ নানা কারণে ওই অনুষদের শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নতকোত্তর শেষ করতে এখন সময় লাগছে সাত থেকে আট বছর।
অনুষদ সূত্রে জানা যায়, ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থীদের স্নাতক শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৪-১৫ সেশনে। কিন্তু ২০১৭ তে এসে তাদের স্নাতক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। ২০১৩-১৪ সেশনে শিক্ষার্থীরা কেবল তৃতীয় বর্ষ শেষ করেছে। বর্তমানে চতুর্থ বর্ষের ব্যাচ ২টা; ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪। ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর পরীক্ষা ২০১৪ সালে শেষ হয়। তবে এখন পর্যন্ত তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। ২০০৯-১০ সেশনের স্নাতক পরীক্ষা ২০১৩ সালে হওয়ার কথা থাকলেও শেষ হয় ২০১৫ সালে। তবে এখনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এভাবেই সেশন জটে ভুগতে শুরু করে চারুকলা অনুষদ। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
২০১৫-১৬ সেশনে চারুকলা বিভাগকে ভেঙে নতুন তিনটি বিভাগ নিয়ে চারুকলা অনুষদ গঠিত হয়। সেশনজট দূরীকরণে বিভাগের পুরতন শিক্ষার্থীদের ভাগ করে নিয়ে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন চারুকলা অনুষদের মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কনক কুমার পাঠক বলেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অনুষদের সেশনজট থাকায় ঠিকমতো ক্লাস নিতে পারছি না। অনুষদের নতুন শিক্ষার্থীরা তিন বিভাগে অন্তর্ভূক্ত কিন্তু যারা পুরাতন শিক্ষার্থী তারা অনুষদের অধীনে থাকায় অবিভাবকহীন রয়েছে। তাছাড়া সবার পরীক্ষা একসঙ্গে হওয়ায় বেশি জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। জটমুক্ত করতে বিভাগ অনুযায়ী পুরাতন শিক্ষার্থীদের ভাগ করে দেওয়া হলে সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই অনুষদের এক মাষ্টার্সের শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষকদের গাফিলতি, শিক্ষক ও ক্লাসরুম অপর্যাপ্ত থাকায় নতুন বিভাগ খোলাতে সেশনজটে পড়তে হয়েছে। খোলা স্থানে ক্লাস করতে হচ্ছে।’
অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি অফিসের মধ্যে তিনটি বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সকল বিভাগের কাগজ-পত্র একত্রে রেখে কাজ করতে হয় অফিসের স্টাফদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, অফিসের যাবতীয় কাজ একটি কক্ষে করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত কোনো কাগজ-পত্র খুঁজতে গেলে বিপাকে পরতে হচ্ছে। ফলে ব্যবস্থাপনায় বাজে পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
নতুন বিভাগের কোনো সেশনজট নেই। তবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এ সকল সমস্যা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করছেন শিক্ষকরা। চারুকলা অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চারুকলা অনুষদের অনেক সমস্যা রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে এসব সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দ্রুত তা কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করেন তিনি। #

 

রাবিতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন চালু

আহমেদ ফরিদ, রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের জন্য একটি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) চালু করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাসের উত্তর-পশ্চিম এলাকায় যৌথভাবে এর উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন ও রাবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা। এরপর সেখানে কয়েকটি গাছের চারা রোপন করা হয়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এ সময় রাসিক প্যানেল মেয়র-১ আনোয়ারুল আমিন আজব, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এমএ বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. সিরাজুম মুনীর, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক মো. মশিহুর রহমান, রাসিক প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুনসহ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের সাথে মতবিনিময়ে মিলিত হন। সেখানে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ক্যাম্পাসে নাগরিক সুবিধা বাড়ানো ও তার আধুনিকায়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।#

ঝালকাঠিতে উন্নয়নকর্মীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে উন্নয়নকর্মী মিরাজ খানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকার শতশত মানুষ। মঙ্গলবার সকালে জেলার রাজাপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রাজাপুর উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ণ সংগঠন অগ্রদূত সংস্থার নির্বাহী সদস্য মিরাজ খান সম্প্রতি বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নামে একটি প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। আর এরপর থেকেই এলাকার জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চাঁদাবাজ মহল মিরাজের কাছে মোটা অংকের চাঁদার দাবী করে আসছে। এতে অসম্মত হলে মিরাজ ও তার প্রতিবন্ধী স্কুলের ওপর নানারকম শড়যন্ত্র ও হয়রানী করে আসছে এ প্রভাবশালী চক্রটি। তারাই ধারাবাহিকতায় স্কুলে হামলাও চালানো হয়। সর্বশেষ উন্নয়নকর্মী মিরাজ খানের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে এই চিহ্নিত চাঁদাবাজচক্রটি। মানবন্ধন থেকে মিরাজ খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ চাঁদাবাজ চক্রটির বিচার দাবী করা হয়। মানববন্ধনে এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উন্নয়নকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতশত নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে হতদরিদ্রদের ৪৩ মেট্রিকটন চালসহ ব্যবসায়ী আটক

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে ৪৩ মেট্রিক টন রিলিফের চালসহ এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি ঝালকাঠি শহরের বিসমিল্লাহ চাল আড়ৎ মালিক । আজ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের পালবাড়ি এলাকার বাসন্ডা নদীতে একটি কার্গো থেকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলনের সময় এ চাল আটক হয়।
পুলিশ ও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহাবল থেকে ৩০ কেজি করে আশ্রায়ণ প্রকল্পের হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের জন্য এ চাল বরাদ্দ হয় ভোলা জেলায়। সেখান থেকে ঝালকাঠির এ ব্যবসায়ী চালগুলো ক্রয় করে সকালে নিজের আড়তে মজুত করছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদে পুলিশকে সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে চালসহ ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। বৈধ ভাবে এ চাল ক্রয় করা হয়েছে বলে ব্যবসায়ী দাবী করেছেন। তবে অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিষ্ট্রেট জানিয়েছেন, এ চাল বাইরে ক্রয় বিক্রয় সম্পূর্ন বেআইনি। তাই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য চালসহ আটক ব্যবসায়ীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে চাল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার রাজঘাট জাফরপুর মাধ্যমিক স্কুল পরিদর্শন

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি: যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম টুকু মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঐতিহ্যবাহি রাজঘাট জাফরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে তিনি বিদ্যালয়ের ১০ম ও ৯ম শ্রেণীতে পাঠদান ও শিক্ষক মিলনায়তনে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএ শামীম আরা’র পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অভয়নগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ ফিরোজ আহম্মদ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ শামসুল হক, সদস্য গোলাম আজম মিঠু, এনামুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক দেবদাস সরকার, আইসিটি শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, শিক্ষক সৈয়দা ফারহানা ইয়াসমিন, ঝর্না মন্ডল, মোঃ রফিকুল হাসান, সুজন কুমার মল্লিক, মোঃ হুমায়ুন বাশার, এমএ রশীদ, মোঃ নাজিম উদ্দিন, সমীর কুমার দত্ত, মোঃ আমিনুল ইসলাম, নেপাল দত্ত, আবুল বাশার সুজন, বেদজানী রায়, অফিস সহকারী সবুজ মন্ডল প্রমুখ। পরে জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম টুকু কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থায়ীভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শতাব্দী বিজয়ী এ বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।