ডিমলার ধর্ষক গ্রেফতার

এস কে রায় নীলফামারী প্রতিনিধিঃ ডিমলার এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে রংপুর নগরীর লালবাগ কলেজপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মদ (২৩) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার দক্ষিন ঝুনাগাছ চাপানী গ্রামের মো. শফিয়ার রহমানের ছেলে। আজ বুধবার পিবিআই রংপুর অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। পিআইবি ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী রংপুর পুলিশ লাইন্স কলেজে পড়াকালীন সময় একই গ্রামের নূর মোহাম্মদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরবর্তীতিতে ওই কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রংপুরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে ২০১৫ সালের ১৪ এপ্রিল ধর্ষণ করে। ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও করা হয়। পরে ওই ভিডিও এবং ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নূর মোহাম্মদ ছাত্রীটির ওপর মানসিক অত্যাচার করত এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করতো। ভিকটিম এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদের কুপ্রস্তাব রাজী না হলে তার অশ্লীল কিছু ছবি পরিচিত রুমমেটদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে এবং হোয়াটসএ্যাপে পাঠায়। এঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বাদী হয়ে রংপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করে। পিবিআই রংপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, গ্রেপ্তারকৃত নূর মোহাম্মদের কাছ থেকে ঘটনা সংশ্লিষ্ট সকল আলামত জব্দ করা হয়েছে মেমোরী কার্ডে ধর্ষণের ভিডিও এবং স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

আটোয়ারীর আব্দুল্লাহ আল মামুন বাঁচতে চায়

এ রায়হান চৌধূরী রকি, আটোয়ারী, পঞ্চগড়ঃ “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটুখানি কি সহানুভুতি পেতে পারে না ও বন্ধু——। পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৩) এর শরীরের একটি ভাল্ব জন্মগতভাবে অকেজো হয়ে গেছে। দীর্ঘ ৭/৮ বছর হতে অপর ভাল্বটিও প্রায় অকেজো হওয়ার পথে এমনকি ৭/৮ বছর থেকে ব্রেন স্টক হয়ে বর্তমানে শয্যাশায়ী। মামুনদের ভিটেবাড়ি ছাড়া আর কোন জমিজমা নেই। মামুনের বড়ভাই আখতারুল হাসান নিজেই একজন শারীরিক প্রতিবন্ধি হওয়ার পরো শুধুমাত্র ফ্লেক্সিলোড ব্যবসা করে পরিবারের সদস্যদের ভরনপোষন চালাচ্ছেন। ফ্লেক্সিলোডের সীমিত আয়ে মানবেতর অবস্থায় সংসার চালানোর পরো আপন ছোট ভাইয়ের জীবন বাাঁচাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা: বদরুল হাসান, রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: এমদাদুল হক, জিয়া হার্ড ফাউন্ডেশনের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: শফিক আহম্মেদ এবং ঢাকার ডা: নারায়ন কুন্ডুর চিকিৎসা নেয়া হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন, রোগীর ব্রেন স্বাভাবিক রেখে একটি ভাল্ব রিপ্লেসমেন্ট করলে রোগীকে সুস্থ্য করা সম্ভব হতে পারে, তবে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে। ডাক্তারের কথা শুনে রোগী মামুন আশ্বস্ত হলেও তার ভাই আখতার অর্থের বিষয়টি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন। আখতার জানান, আমার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে বিত্তবান ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা প্রয়োজন। শয্যাশায়ী মামুন বলেন, আপনারা আমাকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন, আমিও আপনাদের মত এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চাই। আল্লাহর অসীম রহমত আর আপনার সহানুভুতিই মামুনের প্রাণ বাঁচাতে পারে। আর্থিক সহযোগিতা ও যোগাযোগের জন্য ঃ (বিকাশ) ০১৭১২৪৮৩৬২৯, অথবা জনতা ব্যাংক আটোয়ারী শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নং ৪৩০৯ ।

সুন্দরবনে বনদস্যুর আস্তানা ধ্বংস, আগ্নেয়াস্ত্র-গুলি, নৌকা ও জিম্মি উদ্ধার

মোংলা প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ড পৃথক অভিযান চালিয়ে দস্যু বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস, আগ্নেয়াস্ত্র-গুলি ও জিম্মি উদ্ধারসহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত নৌকা আটক করেছে। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন’র (মোংলা) অপারেশন অফিসার লে: কমান্ডার এম ফরিদুজ্জামান খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে পূর্ব সুন্দরবনের চাদপাই রেঞ্জের শেলা নদী (মোংলা) এলাকা থেকে অপহৃত ৭ জেলেকে উদ্ধার ও দস্যুদের ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুইটি নৌকা আটক করেছে কোস্ট গার্ড সদস্যরা। এছাড়া কোস্ট গার্ডের অপর আরেকটি দল বনের কালাবগী খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বনদস্যু বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস করে দিয়েছে। এর আগে ওই আস্তানা হতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা ফরিদ্জ্জুামান বলেন, উদ্ধারকৃত জেলেদের নিজ নিজ বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আর উদ্ধার হওয়া অস্ত্র-গুলি দাকোপ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সাগর-সুন্দরবনে অপহৃত জেলে উদ্ধার ও দস্যু দমনে কোস্ট গার্ডের সকল ষ্টেশন হতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাক, ৫৭ ধারা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ বাক স্বাধীনতা মুক্তি পাক মুক্ত চিন্তার চর্চা অব্যাহত থাক শ্লোগানকে সামনে রেখে ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে ৫৭ ধারা বাতিলের দাবিতে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টাস ইউনিটি ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভূলতা গাউছিয়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহা-সড়কের পাশে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন ক্লাব থেকে প্রায় ৩’শতাধিক সাংবাদিকরা অংশ নেন। প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে মহা-সড়কের পাশে এ কর্মসূচি পালন করেন। এতে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরিফউদ্দিন সবুজ, নজরুল ইসলাম বাবুল, আসাদুজ্জামান নূর (কালের কণ্ঠ), মুকবুল হোসেন (মাইটিভি), খলিল সিকদার (ইনকিলাব),জাহাঙ্গীর আলম হানিফ(বাংলাদেশ প্রতিদিন), জিএম সহিদ (সকালের খবর), আশিকুর রহমান হান্নান (জিটিভি),। বক্তারা বলেন, বাক স্বাধীনতা রোধ করা ও অন্যায়ভাবে সাংবাদিকদের হয়রানি করার জন্য যে ৫৭ ধারা আইন করা হয়েছে তা অবিলম্বে বাতিল করার দাবি করেন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিল্লাল হোসেন রবিন (মানবজমিন), মোস্তাক আহাম্মেদ শাওন ভোরের ডাক), খলিলুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন স্বপন (আরটিভি), তরিকুল ইসলাম নয়ন, এসএম শাহাদাৎ (কালের কণ্ঠ), আব্দুল আলীম, সাইফুল ইসলাম (বাংলা নিউজ), দুলাল ভূইয়া (আমাদের অর্থনিতী, আহাম্মেদ রাসেল (জাগরণ), আল-আমিন মিন্টু (প্রতিদিনের সংবাদ), রুবেল মাহামুদ (নওরোজ), মীর শফিকুল ইসলাম সোজাসাপটা), বিপ্লব (নবচেতনা) মাসুদ পাভেজ, প্রমূখ।

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেলের সুস্থতা কামনা

বিজ্ঞপ্তিঃ খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল কিছুদিন যাবৎ পিত্ত থলিতে পাথর জনিত কারনে খুবই অসুস্থ। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ল্যাপারোস্কোকপি সার্জনের তত্বাবধানে বুধবার (০৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় টায় তার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এখন ডাক্তারের পরামর্শে পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার ইউনিটে নিবিড় তত্বাবধানে রয়েছেন। তার আশু সুস্থতা ও দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি ও খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহেল বিশ্বাস, তাজমুল হক তাজু, রেজাউল করিম সবুজ, আসাদুজ্জামান বাবু, মাসুদ হোসেন সোহান, রণবীর বাড়ই সজল, হিরক কুমার গাইন, এখতিয়ার মোল্লা, জি এম সালাউদ্দীন, শেখ মোহাম্মদ, খ ম হেলালুজ্জামান, জব্বার আলী হীরা, ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসানুল করিব অমি, কামরুজ্জামান ইমরান, আলিমুল জিয়া, সোহান হোসেন শাওন, আরাফাত মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাজেস, তরিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শাহীন আলম, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক দিবাকর সাহা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আহানাফ অর্পন, সমাজ সেবা সম্পাদক মোঃ রাজু হোসেন, পরিবেশ সম্পাদক আজিম হোসেন জয়, পাঠাগার সম্পাদক জোয়েব সিদ্দিকী, উপ প্রচার সম্পাদক মশিউর রহমান বাদশা সহ মহানগর ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নবীগঞ্জে ১১৬টি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক সংকট

মিজানুর রহমান সোহেল নবীগঞ্জ থেকে ॥ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষক সংকটের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে । এমনকি দীর্ঘদিন যাবত ওই উপজেলার ৪৩টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিহীন থাকায় শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে ৭৩টি। সব দিক মিলিয়ে উপজেলার ১শত ৮২ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১শ ১৬টি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জান গেছে ওই উপজেলায় প্রায় পৌনে তিনশ গ্রামের মধ্যে ১৪ টি গ্রামে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়নি। এসব গ্রামের কোমলমতি শিশু- কিশোররা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে ,ওই উপজেলায প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১শ ৮২টি। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে (চলতি) বছরে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধলক্ষ। এমন ও দেখা গেছে কোন কোন বিদ্যালয়ে একজন বা দ,ুজন শিক্ষক থাকায় তাদের পক্ষে এক সঙ্গে তিনটি ক্লাস নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। দায়িত্বরত শিক্ষকের ক্লাস ছাড়া ও তাদের দ্বারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশু জরিপ, উপবৃত্তি তথ্য সংগ্রহ সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের নানা তথ্য সংগ্রহ কাজের ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের । শুধু তাই নয় শিক্ষকদের দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন ধরণের ট্রেনিং(প্রশিক্ষনে) অংশ নিলে প্রতিষ্টানের পাঠদান ঠিকমতো না হওয়ায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষর্থীরা আসা বন্ধ করে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। একদিকে যেমন শিক্ষক সংকট,অন্যদিকে যারা প্রতিষ্টানে আছেন তারা নিয়মিত পাঠদান না করায় শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান সচেতন মহল। আরো জানা গেছে অনেক নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি অন্য জেলায় ও উপজেলায় হওয়ায় তারা নির্ধারিত সময়ে স্কলে পৌছা সম্ভব হচ্ছে না । সম্প্রতি সময়ে বদলীর জটিলতা খোলার পর শিক্ষকরা তাদের সুবিধাজনক স্কুলে যাবার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে ধর্ণা দিতে গিয়ে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা সময় অতিবাহিত করতে হচ্ছে । ফলে পাঠদানে ব্যাহত হচ্ছে এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী শিক্ষক জানা, প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য থাকায় প্রায়ই প্রতিষ্টানের কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাকের সাথে আলাপ কালে, তিনি জানান নবীগঞ্জ উপজেলায় বর্তমানে ৪৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শুণ্য রয়েছে। তাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে । এবং অনেকটা পদোন্নতির প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এবং ১৪ টি গ্রামে বিদ্যালয় বিহীন এর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একাধিকবার সভায় আলোচনা করে তালিকা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে।

কেশবপুরে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনায় গৃহহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণ

এস আর সাঈদ, কেশবপুর, যশোরঃ কেশবপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে জলাবদ্ধতায় গ্রহহীনদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন। বুধবার দুপুরে কেশবপুর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের আশ্রয় কেন্দ্র ও কেশবপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় কেন্দ্রে জলাবদ্ধতায় গ্রহহীন ৪ শত পরিবারে মাঝে নিজ হাতে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন ও তাঁর সহধর্মিনী আইরিন হোসেন লিপি।

কেশবপুরে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ভাতার কার্ড বিতরণ

এস আর সাঈদ, কেশবপুর, যশোরঃ কেশবপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ভাতার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকালে সদর ইউনিয়নের মধ্যকুল ওয়ার্ডের অর্ন্তগত মধ্যকুলের মান্দার তলা নামক স্থানে উক্ত ভাতার কার্ড বিতরণ করেন কেশবপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম বিশ্বাস। বিতরণ কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বয়স্ক ভাতার কার্ডধারী সুমন্ত কুমার রায়, আনছার আলী, মকছেদ আলী গাজী, আনছার আলী, সবিতা রানী, কফিরুন নেছা, আঃ সামাদ গাজী, বিষ্ণপদ বিশশ্বাস ও হাতেম আলী সরদার, প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডধারী লিটন হোসেন, রিনা পারভীন, সিরাজুল ইসলাম, নারগিস খাতুন, আহাদ আলী প্রমুখ।

রামপালে ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ জনকে জরিমানা

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ রামপালে ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতে পৃথক ৩ টি মামলায়, বুধবার দুপুর ১ টায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তুষার কুমার পাল । তার কার্যালয়ে আদালত বসিয়ে ৩ জনকে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন সকাল ১০ টায় ফয়লা বাজারের মেসার্স কৃষি ভান্ডারে মালিক মোঃ আঃ হান্নান ও তার পুত্র মোঃ আল আমীন অবৈধভাবে সার মজুদ ও বিক্রয় করছেন। ওই সময় কৌশলে আঃ হান্নান পালিয়ে যায়। তার পুত্র মোঃ আল আমীন (২৬) কে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে সার ও কীটনাশক নিয়ন্ত্রন অধ্যাদেশ আইনে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে সবুজ কৃষি ভান্ডার দীর্ঘ দিন অবৈধভাবে বিভিন্ন কৃষি পন্য বিক্রয় করে আসছিল। অপর দিকে পারগোবিন্দপুর আশ্রায়ন কেন্দ্র এলাকার পান্না শেখের পুত্র শামীম হাসান (১৯) কে জুয়া আইনে ২ শত টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। আরও এক অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে সরকারি নদী, খালে বাঁধা জাল ধরার অপরাধে মোঃ আরিফ শেখ (২২) কে ৫ শত টাকা জরিমানা করা হয়।

রাবিতে শিবির সন্দেহে ১২ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো ছাত্রলীগ

আহমেদ ফরিদ, রাবি প্রতিনিধিঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে শিবির সন্দেহে ১২ শিক্ষার্থীকে ধরে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে তিন ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এসময় ১২ শিক্ষার্থীকে আটক করে বেধড়ক পিটিয়ে ভোর ৪টার দিকে আহত অবস্থায় তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। আটককৃতরা পুলিশের তত্বাবধানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আটককৃতরা হলেন- শিবিরের রাবি শাখার সাহিত্য সম্পাদক নাবিউল ইসলাম (আরবি, মাস্টার্স), শিবিরের সাথী সাহারুল আলম হিমেল (পরিসংখ্যান, চতুর্থ বর্ষ), ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সভাপতি সাহেব রানা (আইসিই, তৃতীয় বর্ষ), জোহা হলের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন (ইসলামের ইতিহাস, তৃতীয় বর্ষ), শিবির কর্মী আশিকুল হাসান নাফিস (নৃবিজ্ঞান, চতুর্থ বর্ষ), আরিফুল ইসলাম (ফার্সি, মাস্টার্স), রাকিব আহমেদ (আইন, দ্বিতীয় বর্ষ), মাহমুদুল হাসান (উদ্ভিদবিজ্ঞান, চতুর্থ বর্ষ), শরীফুল ইসলাম (পরিসংখ্যান, চতুর্থ বর্ষ), আব্দুর রাকিব (ইসলামিক স্টাডিজ, তৃতীয় বর্ষ), অলিউল (আরবি, মাস্টার্স) এবং গোলাম রাব্বানি (আরবি, দ্বিতীয়)।
হল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী হল থেকে শিবিরের রাবি শাখার সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক নাবিউল ইসলাম এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সভাপতি সাহেব রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়ে হলের ১৫০, ১৫৫, ২৫৪, ২৭৬ ও ৩৫৮ নম্বর কক্ষ থেকে শিবির নেতা জাকির হোসেন, সাহারুল আলম, শিবির কর্মী আশিকুল হাসান, আরিফুল ইসলাম, রাকিব আহমেদ, মাহমুদুল হাসান, শরীফুল ইসলাম, আব্দুর রাকিব, অলিউল ও গোলাম রাব্বানিকে ধরে হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে আসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এসময় আটককৃতদের কক্ষ থেকে দুইটি কম্পিউটার, শিবিরের রিপোর্ট ও জিহাদী বইসহ বিপুল পরিমান সাংগঠনিক কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। কম্পিউটারে শিবিরের গোপন পরিকল্পনার তথ্য আছে বলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তবে ছাত্রলীগের এই অভিযান চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কোন সদস্য কিংবা হল প্রশাসনের কোন কর্মকর্তাই উপস্থিত ছিলেন না। পরে শিবির নেতাকর্মীদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে শিবির নেতাকর্মীদের পুলিশে দেয়ার পর রাত ৪টার দিকে হলে এবং ক্যাম্পাসে শিবিরবিরোধী মিছিল করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১২টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ১৪৮ নম্বর কক্ষ থেকে শিবির নেতা নাবিউল এবং ১৪৩ নম্বর কক্ষ থেকে সাহেব রানাকে আটক করি। পরে হলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে আরও ১০ জনকে আটক করি। ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা হলে অবস্থান করছিল। তাদের সবাইকে পুলিশে সোপর্দ করেছি।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) মাহবুব আলম বলেন, ছাত্রলীগ অভিযান চালানোর সময় আমরা হলে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু হল প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় আমরা অভিযানে অংশ নিতে পারিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা শিবিরের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের কক্ষ থেকে কম্পিউটার, আটককৃতদের মুঠোফোন, রিপোর্ট বই এবং জিহাদী বইসহ সাংগঠনিক কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানান থানার এই কর্মকর্তা।