ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ

জয় মহন্ত অলক, ঠাকুরগাঁও : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারা মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিতো কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারন মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরন করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি।

রোবাবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা বিএনপির আয়োজনে তাদের নিজেস্ব কার্যালয়ের সামনে থেকে সাধারন মানুষ,পথচারি,ব্যাবসায়ী সহ সকল স্থরের মানুষের দারে দারে এই লিফলেট বিতরণ করেন স্থানীয় জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

লিফলেটে উল্লেখ করেন : খালোদা জিয়াকে মিথ্যা অভিযোগে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। হাইকোর্ট জামিন পেলেও ৭৩ বছর বয়সী এই অসুস্থ নেত্রীর জামিনের আপীল শুনানীর জন্য দেড় মাসেরও বেশী সময় দেয়ার ঘটনাকে প্রবীন আইনজীবীগণ অস্বাভাবিক ও অভূতপূর্ব বলে বর্ণানা করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্বিত করার সরকারী অপচেষ্টার ত্রীব্য নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার এবং অন্যান্য সব নেতা কর্মীদের মুক্তির দাবী করছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ সভাপতি নূর করিম,সাংগঠনিক সম্পাদক নূরনবি,যুবদলের সভাপতি আবু নূর,মহিলা দলের সভাপতি ফুরাতুন নাহার প্যারিস সহ জেলা বিএনপির সকল নোতর্মীরা।

ঝালকাঠিতে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: হাতের মেহেদীর রং মুছে যেতে না যেতেই বিয়ের মাত্র এক মাসের মধ্যেই শ্বশুর বাড়ি ফ্যানের সাথে ওরনা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে নববধূ মিম আক্তার (২১) বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাত সারে ১১ টার দিকে ওই নববধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার সকালে ওই নববধূর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও নববধূর স্বজনরা জানায়, কৃষ্ণকাঠি এলাকার ফারুক মিনার ছেলে আটোরিকশা চালক রাকিব মিনার সঙ্গে পৌরসভা খেয়াঘাট এলাকার ইলেকট্রিশিয়ান দুলাল গাজীর মেয়ে মিম আক্তারের সাথে এক মাস পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে থাকতো মিম। শনিবার রাত ১১টার দিকে স্বামী রাকিব মিনা ফোন করে মিমের বাবাকে জানায়, তাঁর মেয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে আতœহত্যা করেছে। খবর পেয়ে মিমের বাবা দুলাল গাজী গিয়ে দেখেন তাঁর মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে রাকিবের কক্ষের বিছানায়। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ওই নববধুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঝালকাঠি থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম জানান, আমরা শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। ময়না তদন্তের পরে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।