ডুমুরিয়ায় মিকশিমিল রুদঘরা উচ্চ বিদ্যালয় পরিত্যক্ত ভবনে চলছে পাঠদান

ডুমুরিয়া (খুলনা) : খুলনার ডুমুরিয়ার মিকশিমিল রুদঘরা উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেনী কক্ষ সংকটে ১১৮ বছরের পুরাতন পরিত্যাক্ত ভবনে আজও চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। ফলে ঝুঁকি ও ভোগান্তী মাথায় নিয়ে চলছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। শ্রেনী কক্ষ সংকটে বাধ্য হয়ে চুন-সূরকির গাথনী অতি ঝুঁকিপূর্ন এই ভবনটি পাঠদানের ক্ষেত্রে ব্যাবহার করতে হচ্ছে এমনটি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আর কবে নাগাত এই ভোগান্তী দূরহবে, জানা নেই কর্তৃপক্ষের। তবে আশার কথা হল শিঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহন করাহবে এমনটি জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী। সরোজমিনে গিয়ে কথা হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসির সাথে। তারা জানান ডুমুরিয়া উপজেলার ৬৩ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম তালিকায় এটি। ১৮৮৭ সালে ছোট একটি কুঁড়ে ঘর দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তৎকালীন আমলের স্থানীয় হিরাময় কুমার মিত্র নামের এক ব্যাক্তি। শুরুতে মাত্র ৩ জন শিক্ষক শিথানাথ চক্রবর্ত্তী, প্রিয়নাথ ঘোষ ও মৌলভী আঃ রহমান অত্র বিদ্যালয়ে শিক্ষাকতার দায়িত্ব ভারগ্রহন করেন। এরপর ১৯০০ সালে ভবন চুন-সূরকীর গাথনী একটি দ্বিতলা ভবন নির্মানের মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ভবনটি২০০৮ সালে পরিত্যাক্ত বলে ঘোষনা দেয়া হয়। কিন্তু তার পরও থেমে নেই ভবনটিতে পাঠদান। কিন্তু কেন ঝুঁকি ও ভোগান্তী মাথায় নিয়ে পরিত্যাক্ত এ ভবনে পাঠদান চলছে ? এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামজায়াদ্দার জানান,বিদ্যালয়টিতে এখন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্য ৭৫০। যে কারনে প্রতিটি শ্রেনী ক,খ,ও গ এই তিনটি গ্রুপে বিভাক্ত করা হয়েছে। যেখানে ২১টি শ্রেনী কক্ষের প্রয়োজন সেখানে রয়েছে মাত্র ১৫টি শ্রেনী কক্ষ। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ন ভবনটি পাঠদানের ক্ষেত্রে ব্যাবহার করতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন এখানে নেই বিজ্ঞানাগার, পুস্তাকাগার ও কম্পিউটার ল্যাব। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রনালয়, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে জানিয়েও কোন ফল হয়নি। কথা হয় বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র জয়, দশম শ্রেনীর ছাত্রী রিয়াসহ অনেক ছাত্র-ছাত্রীর সাথে। তারা জানান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্য বেশী হওয়ায় শুধু ঝুঁকিপূর্ন ভবন নয়, অনেক সময় তিন গ্রুপ এককরে ক্লাস নেয়া হয়। এতে ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়। এটি যেমনি ভোগান্তীর তেমনি লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট হয়। বিষয়টি স্যারদের জানিয়েও কোন ফল হয়নি। কথা হয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ তকিম উদ্দিন সরদার, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ রোস্তম আলী সরদার, অধির কুমার সাহাসহ স্থানীয় অনেকের সাথে। তারা জানান বিদ্যালয়টি সুনামে প্রথম শ্রেনীর হলে কি হবে,ভবন ও অন্যান্য উপকরনে বড় পিছিয়ে আছে। এমন একটি বিদ্যালয়ের অবস্থা এমন হওয়ার কথা ছিলনা, জানিনা কবে এর উন্নতি ঘটবে। এ প্রসংগে উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর জানান বিষয়টি মাথায় আছে। কথা হয় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দের সাথে, তিনি জানান শিঘ্রই বিদ্যালয়টিতে একটি নুতন ভবনের ব্যবস্থা করা হবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭৩ প্রতীক চূড়ান্ত

খুলনা : খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৭৩ ধরনের প্রতীক চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বরাদ্দকৃত প্রতীকের মধ্যে রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীদের জন্য ৩৯টি, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য ১০টি ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য ১২টি প্রতীক নির্ধারিত রয়েছে। এসব প্রতীক আগামী ২৪ এপ্রিল বরাদ্দ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্বাক্ষরিত ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় তফসিল-২, ৩, ৪ ও ৫- এ উল্লিখিত প্রতীকের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সূত্র মতে, রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীদের জন্য চূড়ান্ত করা ৩৯টি প্রতীকের মধ্যে রয়েছে নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল, ছাতা, বাইসাইকেল, চাকা, গামছা, কাস্তে, কবুতর, কুঁড়েঘর, হাতুড়ি, কুলা, মশাল, তারা, গোলাপ ফুল, মই, গরুর গাড়ি, ফুলের মালা, বটগাছ, হারিকেন, আম, খেজুর গাছ, উদীয়মান সূর্য, মাছ, বাঘ, গাভী, কাঁঠাল, চাবি, চেয়ার, হাতঘড়ি, মিনার, রিকশা, হাতপাখা, মোমবাতি, হুক্কা, কোদাল, দেওয়াল ঘড়ি, হাত (পাঞ্জা) ও ছড়ি। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি প্রতীকের মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট ব্যাট, ঘোড়া, চরকা, টেবিল ঘড়ি, টেলিস্কোপ, ডিস এন্টেনা, দিয়াশলাই, ফ্লাক্স, বাস, ময়ূর, হরিণ ও হাতি।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য ১০টি প্রতীকের মধ্যে রয়েছে আনারস, গ্লাস, চশমা, জিপ গাড়ি, ডলফিন, বই, বেহালা, মোবাইল ফোন, স্টিল আলমারি ও হেলিকপ্টার এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত ১২টি প্রতীকের মধ্যে রয়েছে এয়ারকন্ডিশনার, করাত, কাঁটা চামচ, ঘুড়ি, ঝুড়ি, টিফিন ক্যারিয়ার, ট্রাক্টর, ঠেলাগাড়ি, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, মিষ্টি কুমড়া, রেডিও ও লাটিম।
খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশন ৭৩টি প্রতীক চূড়ান্ত করেছে। আগামী ২৪ এপ্রিল প্রার্থীদের মধ্যে এসব প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

পাবনায় ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

ফারুক হোসেন, পাবনা : পাবনা ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সদরুল আলম পিন্টু (৩২) কে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা । রবিবার (০১ এপ্রিল ) রাতে প্রতিপক্ষের গুলিতে গুরুতর আহত হন পিন্টু । স্থানীয়রা প্রথমে তাকে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থা গুরুতর হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । গতকাল সোমবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে পিন্টুর মৃত্যুর খবরে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা । তারা সকাল থেকে ঈশ্বরদী-পাবনা ও কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাকশীর রুপপুর মোড় অবরোধ করে রেখেছিল। বিক্ষোভকারীরাবেঞ্চ ওগাছের গুড়িফেলে অবোরোধ করায় পাবনাÑনাটোর- কুষ্টিয়া মহাসড়কে আধঘন্টা যাচলাচল বন্ধ থাকে। সদরুল হক পিন্টু পাকশি ইউনিয়নের চর-রুপপুর তিনবটতলা গ্রামের আজাদের ছেলে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি-ঈশ্বরদী সার্কেল) জহুরুল হক জানান , আহত পিন্টুর কোমড়ে দু’টি গুলি বিদ্ধ হয় । এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত ছিল । অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সুরতাহাল ও ময়না তদন্তের শেষে মরদেহ পরিবারের লোক জনের কাছে হস্তান্তর করা হবে । এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বাগেরহাটে সড়ক দর্ঘনায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

বাগেরহাট অফিস : ঢাকা মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাটের সীমান্ত মোল্লাহাটের মাদ্রাসাঘাট এলাকায় মটরসাইকেলে কেড়ে নিয়েছে আবু রায়হান (৮) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের প্রান। ঘটনাটি গতকাল সোমবার সকাল ৮টায় উক্ত এলাকায় ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোল্লাহাটের গাওলা এলাকার শামসুল হকের পুত্র আবু রায়হান মাদ্রাসা থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় মোল্লাহাটগামী একটি দ্রæতগামী অজ্ঞাত মটরসাইকেল তাকে সাজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে মারাত্বক আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে উপস্থিত কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। হৃদয় বিদারক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফরিদপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ঢাকা অফিস :  ফরিদপুর কারাগারের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেমায়েত সর্দার (৬০) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার দিবাগত রাত ১টা ২০মিনিটে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। হেমায়েত ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কোদালীয়া শহীদ নগর ইউনিয়নের ছাগলদি গ্রামের মৃত তাহেজউদ্দিনের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাইসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে। এ কারাগারে ৪০৯/১৮ নম্বর হাজতি ছিলেন হেমায়েত। ফরিদপুর কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক আবদুর রহিম বলেন, গত শুক্রবার কারাগারে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় অসুস্থ হয়ে পড়েন হেমায়েত। ওই দিনই তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। রবিবার রাত ১টার ২০ মিনিটের দিকে প্রিজন সেলে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান হেমায়েত। এ ব্যাপারে ফরিদপুর কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক আবদুর রহিম বাদী হয়ে সোমবার সকালে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলাদায়ের করেছেন। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে বিকালে মৃতের লাশ তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

রাজধানীতে গৃহবধূর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ

ঢাকা অফিস :  রাজধানীর হাজারিবাগ এলাকায় আকলিমা আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূ অ্যাসিড দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার সকালে বড় মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় হাজারিবাগ ঝাউচর শাজাহান মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে তিনি অ্যাসিড দগ্ধ হন। দগ্ধ গৃহবধূর স্বামী জুবায়ের হোসেন বলেন, সকালে বড় মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় হাজারিবাগ ঝাউচর শাজাহান মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একব্যক্তি আকলিমাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। এতে আকলিমার ডান গাল, বুক ও গলা ঝলসে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তাদের সঙ্গে শত্রুতা রয়েছে। তবে কে বা কারা আকলিমাকে এডিস নিক্ষেপ করেছে না জেনে এখনই বলা যাচ্ছে না। হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. কবির হোসেন জানান, অ্যাসিড দগ্ধ গৃহবধূর ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। শুনেছি মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে কারা যেন তাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছেন।

ফকিরহাটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১২ লক্ষাধীক টাকার ক্ষতি

বাগেরহাট অফিস : বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একটি গোডাউন ও বসতঘর পুড়ে সম্পূন্ন ভস্মিভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১২লক্ষাধীক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের শ্যামবাগাত গ্রামে। স্থানীয়রা জানান, উক্ত গামের জাহাংগীর হোসেনের বসতঘরের এক পার্শ্বে বড় একটি গোডাউন তিনি একই গ্রামের সঞ্জয় দেবনাথ এর কাছে ভাড়া দেন। যেখানে সঞ্জয় দেবনাথ ফ্যাস্ট ফুডের বিপুল পরিমানে মালামাল রাখতেন। অন্য ঘরে বাড়ীর মালিক ও তার পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার দিন সকালে বিদ্যুতের সটসার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত ঘটে। মুহুত্বের মধ্যে আগুনের লেলিহান সমগ্র গোডাউন ও বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়লে বিপুল পরিমানে মালামাল সম্পূন্ন পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এতে গোডাউন মালিকের ১০লক্ষ টাকা ও বাড়ির মালিকের ২লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলেও তাঁরা দাবী করেন। অগ্নিকান্ডের খবর পেলে খুলনার টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিস এর একটি দল ১ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

রামপালে চাষীদের মাঝে পাওয়ার টিলার বিতরণ

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : রামপালে চাষীদের মাঝে ভর্তুকী পাওয়ার ৭টি টিলার বিতরণ করা হয়েছে। রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাসরুল মিল্লাতের সভাপতিত্বে। সোমবার সকালে রামপাল উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে, বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাষীদের মাঝে পাওয়ার টিলার বিতরন করেন। এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আবু সাঈদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সেক্রেটারি জামিল হোসেন জামু, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জিন্নাহ, বিবেকানন্দ পাল প্রমুখ। বাংলাদেশের দক্ষিন- পশ্চিম অঞ্চলের ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য কৃষি সহায়ক প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় রামপাল উপজেলা কৃর্ষি অফিসের আয়োজনে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯শ টাকা মূল্যের প্রতিটি পাওয়ার টিলার ৭০ ভাগ ভর্তুকী মূল্যে ৩৮ হাজার ৩শ ৭০ টাকায় বিতরণ করা হয়। বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন ভাবে চাষীদের সহায়তা দিয়ে ফসল উৎপাদনে উৎসাহ প্রদান করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় ভর্তুকী মুল্যে এই পাওয়ার টিলার বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু

ঢাকা অফিস :  গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। সোমবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত রাশেদ ড্রাইভারের আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম শুনানি শুরু করেন। ২০০০ সালে কোটালীপাড়া সফরের অংশ হিসেবে সেখানকার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সমাবেশের দু’দিন আগে ২০ জুলাই কলেজ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে ওই কলেজের উত্তর পাশে সন্তোষ সাধুর দোকান ঘরের সামনে থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থেকে ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলা করা হয়। ২০১০ সালে মামলা দু’টি ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মামলার একটিতে ১০ আসামিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন আদালত। এছাড়া একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও তিনজনের ১৪ বছর করে কারাদন্ডও দেন ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম। অন্য মামলায় নয়জনকে ২০ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স, রায় ও মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর এ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে। এ মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মারফত আলী, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই ও মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবদুর রাজ্জাক ওরফে ওমর। যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। আসামি আনিসুল ইসলাম, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও সারোয়ার হোসেন মিয়াকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদন্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদন্ডের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। জঙ্গি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০ বছর করে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন (পলাতক), আনিসুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খান, ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মারফত আলী, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, শাহনেওয়াজ ওরফে আজিজুল হক ও শেখ এনামুল হক (পলাতক)।

মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ভোট চাওয়া তামাশা ছাড়া কিছু নয়: রিজভী

ঢাকা অফিস :  যে প্রধানমন্ত্রী মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়, তার মুখে ভোট চাওয়া জনগণের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার সকাল ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভোট চাওয়া রাজনৈতিক অধিকার প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তাহলে দলের সভাপতি হিসেবে ভোট না চেয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেন ভোট চাচ্ছেন? এটা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি বলেন, যে প্রধানমন্ত্রী মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়, তার মুখে ভোট চাওয়া জনগণের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। রিজভী বলেন, দু’দিন আগে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানেও দলীয় প্রতীকে ভোট হবে। এখন প্রধানমন্ত্রী যেখানেই ভোট চাইবেন তা নির্বাচনী তফসিলের মধ্য পড়ে? এটা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের নির্বাচনী আইন ভঙের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের ‘রিপভ্যান উইংকেল’ মতো দীর্ঘ নিদ্রায় শায়িত থাকে। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আগামি ৩ এপ্রিল পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে সারাদেশের সব ইউনিয়নে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে। ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায়ও মিছিল হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী সদস্য রফিক সিকদার, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।