ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক ট্যাংকলরী শ্রমিক কর্তৃক মহাসড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও – ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ ও টায়ারে অগ্নি সংযোগ করে বিক্ষোভ করেছে ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিকরা ।
ঠাকুরগাঁওয়ের ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবিকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সোমবার রাত সাড়ে ৮ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত শ্রমিকরা এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় শহরের চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করায় ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ও তার ২ সঙ্গির সাথে পুলিশের বাক বিতন্ডা বাধে। এক পর্যায়ে শ্রমিক নেতাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এর প্রতিবাদে টায়ারে আগুন জালিয়ে ঠাকুরগাঁও ঢাকা মহাসড়ক আবরোধ করে রাখে তারা। এতে দূর্ভোগে পড়ে সাধারন যাত্রিরা। ৩ ঘন্টা পর পুলিশ ওই নেতাকে ছেড়ে দিলে অবরোধ তুলে নেয় তারা।
জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জয়নুদ্দীন জানান, আমাদের সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিকে হয়রানি করার জন্য পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তাকে মুক্তির দাবিতে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে । পরে ৩ ঘন্টা পরে তাকে ছেড়ে দিলে আমরা এ অবরোধ প্রত্যাহার করি।

সাদুল্যাপুরে প্রতারণার অভিযোগে আটক ১

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার ভূয়া প্রশ্নপত্র বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে গোলাম আজম (১৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব। গত সোমবার রাতে উপজেলার বকশিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন খোদাবকস্ গ্রামের পশ্চিমপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক গোলাম আজম ওই এলাকার তারা মিয়ার ছেলে।
র‌্যাব গাইবান্ধা ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোর্ত্তূজা জানান, গোলাম আজম বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) টাকার বিনিময়ে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কথা বলে বিক্রির নামে প্রতারণা করে আসছিল। ভূয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাধিক গ্র“প, পেজের এডমিন হিসেবে সে দায়িত্ব পালন করত। এজন্য সে বিভিন্ন লোকজনকে প্রলুদ্ধ করে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনও করে আসছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম আজম তার কর্মকান্ডের কথা স্বীকার করেছে। সাদুল্যাপুর থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানান, গোলাম আজমের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালুকদার আব্দুল খালেকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি

খুলনা : খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে (কেসিসি) আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছে বিএনপি নেতৃবৃন্দ। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে খুলনাবাসীর সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জু নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করার প্রতিবাদে নগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নেতৃবৃন্দ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি বলেন, বিএনপি সিটি নির্বাচন নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে। আমরা অপপ্রচারের রাজনীতি করিনা। বিধি মেনেই সকল কাজ করবো। বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।
নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আমি ৭৭ সাল থেকেই নির্বাচন করছি। সব নির্বাচনেই আমি হলফনামা দিয়েছি। কোনো সময় কোনো তথ্য গোপন করে হলফনামা জমা দেইনি। আমি ও আমার স্ত্রী একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। লাভজনক যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে আমি জড়িত রয়েছি, সব কিছুর হিসাব দাখিল করেছি। এখানে চাতুরতার কোনো বিষয় নেই।
তিনি আরও বলেন, আমি হলফনামায় সাউথ-বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের বিষয়ে উল্লেখ করেছি। আমার এলাকায় লখপুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠান থাকায় সুপারিশ করে এলাকাবাসীর চাকরির ব্যবস্থা করেছি। লখপুর গ্রুপের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন)’র নিয়মানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কোন আর্থিক সুবিধা পাইনা। পেলে অবশ্যই তা হলফনামায় উল্লেখ করতাম।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে। আমরা এমন রাজনীতি করিনা। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমরা এখন ঐক্যবদ্ধ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ে পাজেরো গাড়ি চালিয়ে, আলিশান বাড়িতে থেকে, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়ে ১৫/১৬ হাজার টাকায় চলা যায় না তা সবাই জানেন। তাহলে কি আমরা ধরে নেবো যে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অবৈধ ব্যবসা আছে? অথবা তালুকদার আব্দুল খালেক মেয়র থাকা অবস্থায় যে ৭শ’ কোটি টাকা রেখে এসেছিলেন তা বর্তমান মেয়র মনি ও মঞ্জু ভাগবাটোয়ারা করে খেয়েছেন?
নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা নৌকার প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই আমরা কাজ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাজি আমিনুল হক, এমডিএ বাবুল রানা, মকবুল হোসেন মিন্টু, মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, মফিদুল ইসলাম টুটুল, মোস্তফা সরোয়ার, যুবলীগ নেতা শফিকুর রহমান পলাশ, আ’লীগ নেতা আলমগীর সরদার প্রমুখ।

গাইবান্ধায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় মঙ্গলবার সরকারি-বেসরকারিভাবে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ও জেলা আওয়ামী লীগ পৃথক পৃথক কর্মসূচী গ্রহণ করে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরে র‌্যালী ও পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মান্নান মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম সাদিকুর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার সাবিহা আকতার লাকী, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার প্রমুখ।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ-শামস-উল আলম হীরুর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মন্ডলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে শহিদুল ইসলাম আবু, মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু, সাইফুল আলম সাকা, রেজাউল করিম রেজা, আমিনুর জামান রিংকু, শাহ সারোয়ার কবীর, সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, শাহ আহসান হাবিব রাজিব, খায়রুল ইসলাম, দীপক কুমার পাল, মাহমুদা পারুল, নির্বানেন্দু বর্মণ ভাইয়া, তানজিমুল ইসলাম জামিল, মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু, নাহিদ আহমেদ শিমুল, আব্দুল লতিফ আকন্দ প্রমুখ।

তৃতীয় দিনেও শুরু হয়নি হাড়বাড়িয়ায় ডুবন্ত কয়লা জাহাজ উদ্ধারের কাজ

আবু হোসাইন সুমন, মোংলা : তৃতীয় দিনেও শুরু হয়নি মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়ায় ডুবন্ত কয়লা বোঝাই কার্গো জাহাজের উদ্ধার কাজ। মালিকপক্ষ ডুবন্ত জাহাজটি উদ্ধারের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৭দিনের সময় নিলেও কোন কাজ ছাড়াই ইতিমধ্যে ২ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের বেধে দেয়া ১৫ দিনের মধ্যেও কার্গো জাহাজটি আদৌ উদ্ধার করা সম্ভব হবে কিনা এ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। কারণ এর আগে বন্দর চ্যানেলে যে সব নৌযান ডুবির ঘটনা ঘটেছিল তাতে সময় লেগেছিল কোনটির মাসের অধিক আবার কোনটির কয়েক মাস। তবে ডুবন্ত কার্গো জাহাজের ফিটনেস ও ধারণ ক্ষমতা সার্টিফিকেট, ইনস্যুরেন্সের কাগজপত্রসহ উত্তোলনের কাজে ব্যববহৃত নৌযান এবং প্রয়োজনী যন্ত্রপাতি সংগ্রহে বিলম্ব হওয়াতেই মুলত মালিকপক্ষ কাজ শুরু করতে পারছেনা বলে জানিয়েছেন কার্গো জাহাজের ড্রাইভার মো: আমির হোসেন। এদিকে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে হাড়বাড়িয়ায় কয়লার জাহাজ ডুবিতে বনের জলজ-প্রাণীজ ও জীববৈচিত্রের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে চাদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: শাহিন কবিরের সোমবার বন বিভাগের বিভাগীয় (বাগেরহাট) কার্যালয়ে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও সময়মত তা দিতে পারেনি। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: মাহামুদুল হাসান বলেন, মঙ্গলবার সকালেও ডুবন্ত কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে কাজ শুরু করতে পারেনি মালিকপক্ষ। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্গোটি উত্তোলনের জন্য মালিকপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। উদ্ধারের নামে সময়ক্ষেপন করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া মঙ্গলবার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়েছেন তিনি।

দলিত স্কুলের শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ শুরু

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ায় বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দলিত-এর আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার চুকনগরস্থ দলিত হাসপাতাল মিলনায়তনে দলিত শিক্ষা কর্মসূচীর লিটেিরসী প্রোগ্রাম ফর মার্জিনালাইজ্ড কমিউনিটি প্রকল্পের আওতাধীন তালা ও পাইকগাছা উপজেলার ১২টি এবং এডুকেশন সাপোর্ট প্রোজেক্ট ফর এইড অব দলিত কমিউনিটি প্রকল্পের আওতাধীন খুলনা সদর, ডুমুরিয়া ও কেশবপুর উপজেলার ১১টি দলিত স্কুলের মোট ২৩ জন শিক্ষক নিয়ে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দলিত-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস ধরা দেবী দাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুুমরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার জি.এম. আলমগীর কবীর। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারনা প্রদান করেন। উদ্বোধনী দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ দাস। এছাড়া কেস স্টাডি ও ডকুমেন্টারী বিষয়ে ক্লাশ পরিচালনা করেন দলিত-এর স্পন্সরশীপ অফিসার সুজান্না লোপা বাড়ৈ ও সিডিও বিপ্লব মন্ডল । উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন চুকনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র মন্ডল, সিডিও নেপাল চন্দ্র দাশ, সিডিও চিন্তা রানী দাস। সিডিও উত্তম দাসের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি সঞ্চালিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

মোংলায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস পালিত

আবু হোসাইন সুমন মোংলা : মোংলায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুন নাহার। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আ: সালাম, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আব্দুস সালাম, সাধরণ সম্পাদক শেখ আ: রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন মিলন, পৌর যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজান তালুকদার ও পৌর ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পারভেজ খান। এর আগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন নেতা-কর্মীরা।

ডুমুরিয়ার শরাফপুরে ড. মাহবুবের বাশেঁর সাঁকো নির্মান

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি,বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আওয়ামীলীগ নেতা-প্রফেসর ড.মাহাবুব-উল ইসলাম মঙ্গলবার ও পরশু শরাফপুর ইউনিয়নের ঝালতলা গ্রাম ও ঝালতলা বিলের মধ্যখানে ঘ্যাংরাইল নদীতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৬০ ফুট বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন।উক্ত বিলে প্রায় ২৫০একর জমি রয়েছে। কালিকাপুর, সেনপাড়া ও ঝালতলা এলাকার লোকজন ধান আনা নেওয়া,ঘেরে যাতায়াত করতে কয়েক শতাধিক পরিবার উপকৃত হবেন।উক্ত সাঁকো নির্মাণ করায় এলাকার কানু রায় বলেন-আমাদের বহু দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করলেন ড.মাহাবুব-উল ইসলাম। অমর সরকার বলেন-বিলে যাতায়াত করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিলেন,যা আমরা আজীবন স্বরণ রাখবো,মহাদেব গাইন বলেন-বাঁশের চারে পার হতে আমাদের খুব কষ্ট হতো,আনেক সময় ধানের বোঝা নিয়ে মানুষ নদীতে পড়ে যেত-সেই সমস্যার সমাধান করলেন গরীবের বন্ধু প্রফেসর ড.মাহাবুব-উল ইসলাম,নুরল ইসলাম শেখ বলেন-এই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ সাঁকো নির্মাণ করাতে উপকৃত হবেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন-আওয়ামীলীগ নেতা-জবেদ আলী খাঁ,আরব আলী শেখ,শেখ জহুরুল ইসলাম,শেখ নুরল ইসলাম,ডাবলু মন্ডল,শেখ মুজিবুর রহমান,গোকুল হালদার,পলাশ বাগচী কাজী জসীমউদ্দীন মুক্ত,শেখ আঃজব্বার,মহাদেব গাইন,শ্যামল দাস,নিরঞ্জন মন্ডল,অধীর মন্ডল,শ্রীবাস সরদার,মৃত্যুন মন্ডল,মানিক রায়,স›িজত মন্ডল,বিন্দাবন সরদার,সন্তোষ মন্ডল,পরিমল সরদার,অমিত মন্ডল,কানু রায় রবীন মন্ডল প্রমূখ।

ডুমুরিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক ব্যক্তির ঘর ভেঙ্গে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা

ডুমুরিয়া(খুলনা)প্রতিনিধি: জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ডুমুরিয়ার দক্ষিন মিকশিমিল গ্রামে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির ঘর ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি লুৎফর রহমান গাজী গত সোমবার ডুমুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিন মিকশিমিল গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমান গাজীর সাথে একই এলাকার বিবাদী মৃত নোয়াব আলী গাজীর স্ত্রী মোসাঃ ছামিরুন্নেছা বেগম এবং তার পুত্রদের সাথে মিকশিমিল মৌজার এস,এ খতিয়ান নং ১৮৭০,ডিপি ১২৯৭,দাগ নং ৩২৯০,৩২৯১,মোট জমি ০.২১ একর এর মধ্যে হতে ০ ০৮৫০ একর জমি নিয়ে
দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।এক পর্যায়ে বিবাদী ছামিরুন্নেছা বেগম খুলনার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪/১৪৫ ধারা মোতাবেক একটি মামলা করেন যার এম,পি নং ৩৯৬/১৫। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে শুনানী শেষে লৎফর রহমানের পক্ষে রায় দেন। এমতাব¯হায় গতকাল সোমবার সকালে বিবাদীরা বে- আইনী জনতাবদ্ধ হয়ে লোহার রড,শাবল, কোদাল নিয়ে বাদীর জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে জমিতে থাকা একটি আধা-পাকা গোয়াল ঘর ভেঙ্গে ফেলে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে। বাধা দিতে গেলে লুৎফরের স্ত্রী নিলুফা বেগমকে মারতে উদ্যাত হয় এবং জীবন নাশ সহ বিভিন্ন ক্ষতি সাধন করবে বলে হুমকি দেয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছামিরুন্নেছা বেগম মুঠো ফোনে জানান, তাদের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে লুৎফররা গোয়াল ঘর বেধে দখল করে রেখেছিলো। তাদের বার বার বলা সত্বেও না নেয়ায় আমরা ঘর সরিয়ে দিয়েছি। এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিল হোসেন জানান,
একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে ঘটনা স্হলে থানার একজন অফিসারকে পাঠিয়ে ঘর ভাঙ্গা বন্দের ব্যবস্হা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।

মাদকে ঝুঁকছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা!

প্রতিরোধে ৬৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন

কামরুল হোসেন মনি : নগরীর সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেশার করার টাকা জোগাড় করতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে মারধর করে কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। ২০১৪ সালের ৩০ আগস্ট এই ঘটনায় অভিভাবকরা ওই সময় জেলাপ্রশাসকের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি তোলেন। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ায়, মামলাও হয়। এ ঘটনার পর বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও মাদকে ঝুঁকে পড়েছে। শুধু ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নয় নগরীর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রাইমারি স্কুলে ছাত্ররাও মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বিধ্বংসকারী মাদকের বিস্তার সমাজে যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে সচেতন অভিভাবকমহল উদ্বিগ্ন। আসক্ত হওয়ায় তাদের অভিভাবকরা গোপনে ছেলে-মেয়েকে মাদক নিরাময় চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা করাচ্ছেন।
এদের মধ্যে কয়েকজনের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠনে নির্দেশ প্রদান করেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনাঞ্চলের উপ-পরিচালক নিভারানী পাঠক সার্বিক বিষয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমে দরকার মোটিভেশন। শিক্ষার্থীদের শুধু লেখাপড়া না, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক এই সব দিকে তাদেরকে একটু ব্যস্ত রাখা। সেটা হতে হবে পরিচ্ছন্ন, নিরপক্ষে এবং সিস্টেম অনুযায়ী। এলোমেলোভাবে করলে হবে না। শিক্ষার্থীদের শুধু মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিষয় তুলে ধরলে হবে না, তাদেরকে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয় প্রতি বৃহস্পতিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদেরকে তুলে ধরা হয়। এটি প্রতিনিয়ত হয় কি না তারও মনিটরিংয়ের প্রয়োজন আছে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় এর উপ-পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান এ প্রতিবেদককে বলেন, মহানগরীসহ খুলনা জেলা ও উপজেলাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্কুলে ৪০৬টি, কলেজ ৭৮টি, মাদ্রাসা ১২৮টি, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৯টি ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯টি মোট ৬৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে প্রধান করে ৫ সদস্য কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই সব কমিটি মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক সভা করে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকের কুফল সম্পর্ক তুলে ধরবেন।
এ ব্যাপারে খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, মাদক প্রতিরোধসংক্রান্ত কমিটিতে তাকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর কমিটিতে দুই শিফটের একজন করে দুইজন শিক্ষক ও দুইজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এদেরকে নিয়ে প্রতি মাসে ও সপ্তাহে মাদক প্রতিরোধমূলক সভায় পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি বলেন, শুধু শিক্ষকদের ওপর ছেলে-মেয়েকে ছেড়ে দিলে হবে না অভিভাবকদেরও তাদের ছেলে-মেয়েদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন।
জেলা শিক্ষা অফিসার খোঃ রুহুল আমীন সোমবার এ প্রতিবেদককে বলেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের নির্দেশনানুযায়ী মাধ্যমিক স্কুল থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের কমিটির সদস্য মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও তা শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরবেন। এ সংক্রান্ত প্রতিমাসে প্রতিবেদন তৈরি করে সংরক্ষণে রাখতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি, বন্ধুদের কুপ্ররোচনা, অসৎ সঙ্গ, নানা রকম হতাশা ও আকাশ-সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার মূল কারণ। জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এর হার বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। অতীতে মাদকের সাথে ছেলেদের সম্পৃক্ততা বেশি পরিলক্ষিত হলেও বর্তমানে গত কয়েক বছরে মাদক সেবনের মতো একটি আত্মঘাতী নেশার ছোবল থেকে উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেয়ে শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে নেই। নগরীর বেসরকারিভাবে পরিচালিত মাদক নিরাময় চিকিৎসাকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে মাদকাসক্তের একটি অংশ স্কুলের শিক্ষার্থীরা। প্রাইমারীতে পড়–য়া তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ রকম প্রায় ১৫-২০ জনকে এ সেবা দেওয়া হয়েছে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় সূত্র মতে, প্রতিদিন কোন না কোন জায়গায় মাদক বিক্রেতাদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত মার্চ মাসে খুলনা জেলায় ৬৩টি অভিযান পরিচালনা করেন। এর মধ্যে রুজুকৃত নিয়মিত মামলার সংখ্যা ১২টি ও মোবাইল কোর্ট ৭টি। এছাড়া নিয়মিত আসামির সংখ্যা ১৫টি ও ৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এছাড়া গোয়েন্দা বিভাগে নিয়মিত মামলা ৪টি ও ৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে গাঁজা ১ কেজি ৯৫০ গ্রাম, গাঁজা গাছ একটি, চোলাই মদ ২০ লিটার, বিদেশি মদ ৭ বোতল, বিয়ার ৬৫ ক্যান, ফেন্সিডিল ১৩ বোতল, ইয়াবা ৪০০ পিস ও মাদক বিক্রির ৪০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় এর প্রসিকিউটর (ভারপ্রাপ্ত) পারভীন আক্তার বলেন, যারা মাদকসহ আটক হচ্ছেন তারা আইনের ফাঁকফোঁকর দিয়ে আবার জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় মাদক বিক্রি করছেন। যার কারণে একদিকে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে ধরা হচ্ছে, অন্যাদিকে আইনের মারপ্যাঁচে তারা বেরিয়ে আসছেন। তিনি মাদক বিক্রেতারা যাতে সহজেই জামিনে বেরিয়ে আসতে না পারেন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।