ডুমুরিয়ায় গ্রামবাসীর জমি অবৈধ দখল নিয়ে ইটভাটা নির্মাণ

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়ায় গ্রামবাসীর জমি দখল নিয়ে অবৈধ ইট ভাটা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই জমির হারি (ভাড়া) চাওয়ার অপরাধে প্রকৃত জমির মালিক ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল দুপুরে উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়ীয়া গ্রাম এলাকায়।
জানা গেছে, উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া গ্রাম এলাকায় গতকাল বুধবার দুপুরে গ্রামবাসী তাদের জমির হারি (ভাড়া) না পেয়ে তাদের জমির সীমানা নির্ধারণ করতে ‘মেসার্স এ কে বি ব্রিকস্’ ফিল্ডে যান। এ সময় ডুমুরিয়া থানা পুলিশ জমির মালিক আজিজুর গাজী (৫০) হাফিজুর গাৃজী (৪৫) আব্বাস আলী শেখকে (৫০) আটক করে থানায় আনা হয়। খবর লেখা পর্যান্ত কথিত ইট ভাটা মালিক সিরাজ খান থানায় অবস্থান করছিলেন।
একাধিক সূত্র জানায়, ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া গ্রামের জিএম আক্তারুউজ্জামান (টুটুল) ২০১২ সালে এলাকার বিভিন্ন জনের নিকট থেকে ৩০ বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রাম এলাকায় গ্যাংরাইল নদীর চরে ‘মেসার্স একেবি ব্রিকস্’ গড়ে তোলে। সে থেকে ইট ভাটা পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল সরকারি নিয়মকানুন ঠিকঠাক ছিলো বলে জানা যায়। ঘটা করে ২০১৪ সালে ওই ইট ভাটায় শেয়ার বনে যান সিরাজ খান নামে জনৈক ব্যক্তি। পবর্তীতে কৌশলে ওই ভাটার প্রকৃত মালিক জিএম আক্তারুউজ্জানকে ভাটা থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। এরপর সিরাজ খান থেকে ওই ভাটার একক মালিক বনে যান সিরাজ খান। তবে ভাট পরিচালনার ক্ষেত্রে যাবতীয় কাগজ পত্র রয়ে গেছে পূর্বের মালিকের নামে। বর্তমান সিরাজ খানের বৈধ কোনো কাগজ পত্র দেখানে পারিনি। তবে ওই ভাটার নাম পরিবর্তণ করে ‘মেসার্স এসকেবি ব্রিকস্’ নাম করণ করা হয়েছে। গত ২০১৪ সাল থেকে সিরাজ খান স্থানীয় গ্রামবাসী জমির মালিকদের জমির হারি (ভাড়া) না দিয়ে বরং তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজী, জাল টাকা ও চুরি’র অভিযোগ এনে এ যাবৎ ১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া একের পর এক গ্রামবাসীর উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
‘মেসার্স একেবি ব্রিকস্’ এর মালিক জিএম আক্তারুউজ্জামান জানান, ভাটার মালিকানা তার। সিরাজ খানের কোনো বৈধতা নেই। সিরাজ শুধু পুলিশের নাম ব্যবহার করে ভাটা মালিক হতে চায়। তাছাড়া পুলিশ ও ডিবি তার কথায় ওঠে বসে এমনও প্রচার এলাকায় বেশ জনশ্রুতি হয়ে উঠেছে। তার প্রমাণ গতকাল বুধবার।
এ ব্যপারে কথিত ইট ভাটা মালিক সিরাজ খান বলেন, তিনি জিএম আক্তার উজ্জামানের নিকট থেকে ভাটাটি কিনে নিয়েছেন। জমির মালিকদের হারি (ভাড়া) বেশ কয়েক জনকে দিয়েছেন আর কয়েক জনকে টাকা নিতে বলছি তারা টাকা নিচ্ছে না। আর নিজের নামে ভাটার নাম করণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাগজ পত্র জমা দেয়া হয়েছে।
ডুমুরিয়া থানার ওসি মোঃ হাবিল হোসেন জানান, ভাটা থেকে ৩ জনকে থানায় আনা হয়েছে। তার মধ্যে আব্বাস আলী জামায়াতে নাশকতা মামলার আসামী। বাকি ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।

কেশবপুরে মেধাবীদের শিক্ষার্থীদের মাঝেশিক্ষাবৃত্তি প্রদান

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন কেশবপুরে শাখার উদ্যোগে বুধবার সকালে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের এলাকা ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে ও শাখা ব্যবস্থাপক সৈয়দ উজির আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সদস্য পরিবারের মেধাবী ৩২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক আনিসুর রহমান, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের হিসাবরক্ষক মফিজুর রহমান, মেধাবী শিক্ষার্থী রাবেয়া সুলতানা, নাইম আশরাফ, মাসুদুজ্জামান, আফরোজা খাতুন, জুই চক্রবর্তী প্রমুখ। এছাড়াও জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন কেশবপুরে শাখার উদ্যোগে ১৩০ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ শত টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

গাইবান্ধায় ধান কাটা উৎসব

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ঠাকুরের দিঘি পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশন সংলগ্ন জমিতে বুধবার বোরো ধান কাটা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ওই এলাকার শাহীন মিয়া ও দুখু মিয়ার দু’বিঘা জমিতে ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল।
পরে ঠাকুরের দিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ গাইবান্ধার উপ-পরিচালক আ.কা.মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু, খোলাহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহমুদ সারওয়ার মুক্তা প্রমুখ। এবার জেলায় ১ লাখ ৩০ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ৮শ’ ১৩ হেক্টর বেশি।

কেশবপুরে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  : কেশবপুরে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ভরতভায়না গ্রামের তৌহিদুর রহমানের বাড়িতে আতœীয়তার সূত্রে মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক গাজীর পূত্র এক সন্তানের জনক বাবলুর রহমান গাজী (৩৩) এর যাতায়াত ছিল। তারই সূত্র ধরে বাবলুর রহমান তৌহিদুর রহমানের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী মিতা খাতুন (৩০) কে প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিত। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাবলুর রহমান মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় সূযোগে গৃহবধূ মিতা খাতুনকে চোখ-মুখ বেধে পাশের বাশ বাগানে নিয়ে সমস্ত শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুণ ধরিয়ে দেয়। ধস্তা-ধস্তির এক পর্যায়ে লম্পট বাবলুর গায়েও আগুণ ধরে যায়। সঙ্গে আগুণের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুণ নিভালেও গৃহবধূ মিতার সমস্ত শরীর পড়ে যায়। এসময় লম্পট বাবলুকে আটক করে এলাকাবাসি থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ককটেল, একটি খেলানা পিস্তল ও দুটি কাচের বোতল উদ্ধার করে। মারাতœক আহতাবস্থায় গৃহবধূ মিতাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের বার্ন ইউনিটে এবং লম্পট বাবলুকেও চিকিৎসার জন্য ঐ বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এব্যাপরে থানায় অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্লাহ জানান, গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় ২ ইটভাটা মালিকের আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার ইটভাটা মালিককে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম.এ. মুহাইমিন আল জিহান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর দায়ে তাদের এ জরিমানা করা হয়। তিনি জানান, সরকারি নিষেধ অমান্য করে কাঞ্চনপুর এলাকায় দুইটি ইটভাটায় অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর প্রমাণ পাওয়ায় দুই ইটভাটা মালিককে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ইটভাটায় কাঠ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মিজানুর রহমানসহ র‌্যাবের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো: মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধওে ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো হচ্ছিলো। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নিদের্শনায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। এসময় কাঞ্চনপুর এলাকায়র বিশ্বাস ব্রিকসের মালিককে এক লাখ টাকা ও রায়হান ব্রিকসের মালিককে দেড় লাখ জরিামানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।

দাকোপে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপ উপজেলা পরিষদ মাঠে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধনী খেলায় ডুমুরিয়া বান্দা ফুটবল একাডেমি আনন্দ নগর ফুটবল একাদশের মোকাবেলা করে।
আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে দাকোপবাসীর মাঝে সেই উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুধবার বিকেলে দাকোপ উপজেলা পরিষদ মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় চালনা পৌরসভা যুব সংঘের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন। দাকোপ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক চালনা যুব সংঘের সমন্বয়ক আজগর হোসেন ছাব্বিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফুল আলম, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়, খুলনা জেলা পরিষদ সদস্য কে,এম কবির হোসেন, কামারখোলা ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল, দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহাবুদ্দিন চৌধুরী ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র এস এম আব্দুল গফুর। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজগর হোসেন বাপ্পি, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল কাজী, ছাত্রলীগনেতা রাহুল রায়, ইমদাদুল হক মিলন, সুকান্ত মন্ডল, ইকরামুল কবির, রাজু সানা, সোহেল মোল্যা, মিঠু শেখ, দেবব্রত রায়, মিঠু গাজী, অরিন্দম রায়, দীপ রায়, আমিরুল শেখ, নাহিদ সানা, আব্দুর রাজ্জাক, বসির গাজী প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রতন কুমার মন্ডল। তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন উদ্বোধনী খেলা নির্ধারীত সময় গোল শুন্য অমিমাংসিত থাকে। পরে ট্রাইবেকারে ডুমুরিয়া বান্দা ফুটবল একাডেমি ৪-২ গোলে আনন্দ নগর ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে।

ওজনে কম দেওয়ার দায়ে কুষ্টিয়ায় ৩টি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এস এম জামাল, কুষ্টিয়া: ওজনে কম দেওয়ার দায়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ৩টি ফিলিং স্টেশনকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার দুপুরে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মখর্তা (ইউএনও) মারুফ সোহেল অভিযান চালিয়ে ওই জরিমানা করেন।

জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো- ভেড়ামারার খালেক ফিলিং স্টেশন, বারমাইল এলাকার মিজান ফিলিং স্টেশন ও শাহার ফিলিং ষ্টেশন। তাদের মোট ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তেলের পাম্প তিনটি ওজনে কম তেল দিয়ে আসছিল। ওই অভিযোগে বুধবার সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযোগের সত্যতা মেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ও দি স্টান্ডার্ডস অব ওয়েট এন্ড মেজার্স অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুসারে শাহার ফিলিং স্টেশনকে ৩০ হাজার, মিজান ফিলিং স্টেশনকে ৩০ হাজার ও খালেক ফিলিং স্টেশনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান আদালতের বিচারিক ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ সোহেল।

খুলনায় ৮শ’ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী কালু আটক

খুলনা : খুলনা নগরীতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন কালু (৩০) কে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে রায়েরমহল ডিগ্রী কলেজের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে আড়ংঘাটায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ, এম কামরুল ইসলাম পিপিএম জানান, পুলিশ পরিদর্শক এস এম নাফিউর রহমান, এসআই মোঃ বাহাউদ্দিন মোল্লা ও ফোর্সের বিশেষ অভিযানে রায়েরমহল পশ্চিম পাড়া এলাকার মোঃ চান মিয়া হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন কালুকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, ইতোপূর্বে উক্ত আসামী ১৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২০০ পিস ইয়াবা ট্যালেটসহ মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক আটক হয়। ১৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক হওয়ার মামলায় বিজ্ঞ আদালত আসামীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। আসামী উক্ত মামলায় ৭ মাস জেল খেটে আপিলের মাধ্যমে জামিনে বের হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করেছে।

বাড়ছে ডায়রিয়া প্রতিদিন গড়ে ২০ জন আক্রান্ত : চাহিদার তুলনায় স্যালাইন সরবরাহ কম

কামরুল হোসেন মনি : দাবদাহ বাড়ছে,বাড়ছে ডায়রিয়া। গরমে তেষ্টা মেটাতে দূষিত পানি পান, বাজারের বাশি-পচা খাবার খেয়ে ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে। চলতি মাসে এ পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৮৭ জন।মার্চ মাসে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে ৪১৩ জন। দাবদাহে খুলনাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ডায়ারিয়া প্রকোপ বেড়েছে। সংক্রামক হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হচ্ছে ২০ জনেরও বেশি।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল সূত্র মতে, প্রতি বছর এ সময় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দেয়। চলতি সপ্তাহ জুড়ে হাসপাতালে আসছে রোগী। বেড স্বলতায় রোগীদের বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে গরম বেড়ে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ডাক্তারদের অভিমত। ওই সূত্র মতে, জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে ২৪ তারিখ পর্যন্ত শিশুসহ মোট ১ হাজার ৪১৩ জন ডায়রিয়া রোগীদের সেবা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত কছেশ মাসের তুলায় চলতি মাসে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ১৯০ জন ডায়রিয়া আক্রান্তদের সেবা প্রদান করা হয়। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ৩২৩ জন, মার্চ মাসে ৪১৩ জন আক্রান্ত হন এর মধ্যে একজন মারা যান। এছাড়া চলতি মাসে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪৮৭ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদান করা হয়েছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ উম্মে সালমা বলেন, বছরের দু’বার ডায়রিয়া প্রকোপ দেখা যায়, গ্রীষ্মে ও শীত মৌসুমে। গরম বেড়ে যাওয়ায় ডায়রিয়া প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় ডায়রিয়া স্যালাইন কম রয়েছে। এছাড়া অন্য সব ওষুধের কোন ঘাটতি নেই। তিনি বলেন, অসেচতনতা ও দারিদ্র্যের কারণে কেউ বাসি খাবার খান। গরমে একটু পরিত্রাণের আশায় অনেকে রাস্তার ধার থেকে কিনে শরবত খেয়ে নিচ্ছেন। গ্রীষ্মের তাপদাহ যথাসম্ভব এগুলো আমাদের এড়িয়ে চলতে হবে।
মঙ্গলবার নগরীর মীরের ডাঙ্গা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল রোগীর ভিড়। বেড খালি না থাকায় অনেকেই মেঝেতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। মারাত্মক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নেতিতে পড়া এক শিশুটিকে কোলে নিয়ে তার মা আমেনা ডাক্তারের চেম্বারের প্রবেশ করলেন। গত তিন ধরে ডায়রিয়া আক্রান্ত হলেও এখনো পর্যন্ত তার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। বমির পাশাপাশি একাধিকবার পাতলা পায়খানা হয়েছে।
নগরীর গগণবাবু রোডে এলাকার বাসিন্দা সুমি আক্তার, গেল সোমবার একটি সন্তান জন্ম দেন। ঔদিনই তাঁর ডায়রিয়া শুরু হয়।তবে কেন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তা তিনি বুঝতে পারেননি। দিঘলিয়া সেনহাটি এলাকার থেকে রহিম খা(৫৫) ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার সকালে ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। পেশায় তিনি একজন রিক্সা চালক। সোমবার দুপুরে বাইরে থেকে একটি পাউরুটি খান। এর পর বিকেল থেকে পেট ব্যাথা শুরু হয়। এরপর বমি। তারপর একাধিক বার পায়খানা আরম্ভ হয়। রাত টুকু কোন মতে পার করে সকালে এখানে ভর্তি করা হয়েছে। একাধিক রোগী অভিযোগ করেন, ভর্তি হওয়ার পরপরই হাসপাতাল থেকে মাত্র একটি স্যালাইন আর গ্যাসে ও ব্যাথার ট্যাবলেট দিচ্ছেন। এর বাইরে অন্যসব ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনা লাগছে। অথচ হাসপাতালে ফার্মাসিস্ট অরিন্দ্র কুমার মল্লিক বলেন, ডায়রিয়া রোগীর চাহিদার তুলনায় স্যালাইন সাপ্লাই কম। গত ৬ মার্চ এক হাজার ব্যাগ (১ হাজার সিসি) স্যালাইন সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন ৫শ’ ব্যাগ রয়েছে। চলতি মাসে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ৫ হাজার ব্যাগ সালাইনের চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে। অন্য ওষুধের সংকট নেই বলছেন চিকিৎসকরা!
খুলনা সরকারি আবওয়া অফিস সূত্র মতে, গত ২-৩ দিনের তাপমাত্রা উঠানামা করছে। এর মধ্যে গত ২২ এপ্রিল খুলনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এর পর ২৩ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ছিল ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াম ও সর্বোনি¤œ ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলিসিয়াস। মঙ্গলাবর বাতাসের গতিবেগ থাকায় আগের দিনের তুলনায় একটু তাপমাত্রা কম বলে খুলনা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবীদ আমিরুল আজাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী ২-১ দিনের মধ্যে ঝড়ো হাওয়া অথবা দমকা হাওয়াসহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে।

খুলনাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত তিলোত্তমা নগরী হিসাবে গড়ে তুলবো

খুলনা : জলাবদ্ধতা দূরীকরন, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যাবস্থার উন্নয়ন, হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স ফি সহনশীল পর্যায়ে রাখা, যাতায়াত ব্যাবস্থার উন্নয়ন চিত্ত বিনোদনের সুযোগ বৃদ্ধি, নগরীর সম্প্রসারন সহ মহানগরীকে আধুনিক ও পরিকল্পিত তিলোত্তমা নগরী হিসাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার সহ ৩১ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ও ১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক।
গতকাল বুধবার দুপুর ১২ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের শহীদ সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি নগর বাসীর জন্য এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করেছেন । এসময় তিনি লিখিত ইশতেহারে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে আমি কেসিসি’র ওয়ার্ড কমিশনার হিসেবে ১২ বছর যাবৎ দায়িত্ব পালন করেছি। রামপাল-মোংলা নির্বাচনী এলাকা থেকে আমি ৪ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি এবং দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আপনারা আমাকে কেসিসির মেয়র নির্বাচিত করেছেন। এজন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সেসময় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করেছিলাম। ওই ৫ বছরে আমার দেওয়া অঙ্গিকার ও প্রতিশ্রুতি অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে। বিশেষ করে খুলনা মহানগরীর রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরনে বেশ সাফল্য অর্জিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ২০১৩ সালে আমি মেয়র নির্বাচিত হতে পারিনি। তাই আমার অঙ্গিকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার সুযোগ ছিল না।
তিনি আরো বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর ওই সময় মহাজোট সরকারের আমলে খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সর্বাধিক ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। ২৭৫ কেটি টাকা ব্যায় হয়েছিল, প্রায় ৭’শ কোটি টাকা রেখে এসেছিলাম। কিন্তু গত ৫ বছরে নগরবাসী কাঙ্খিত সেবা ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কেসিসিতে আমার আগের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে আপনারা যদি আমাকে আবারো মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন তাহলে সকলের সহযোগীতায় খুলনাকে একটি উন্নত, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে পারব বলে আমি আশা করি।
তিনি নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিপূর্বে ৫ বছর কেসিসির মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে কেসিসি ও নগরবাসীর স্বার্থের বাইরে জ্ঞাতসারে কোন কাজ করিনি। কারো প্রতি অহেতুক কোন খারাপ আচরন করিনি। তারপরও মানুষ মাত্রই ভূল হয়। মেয়র হিসেবে অথবা অন্যকোন সময় নগরবাসীর কেউ যদি আমার আচরনে মনে কষ্ট বা দুঃখ পেয়ে থাকেন তবে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি সবসময় মানুষের ভালোবাসা দোয়া আর্শিবাদ নিয়ে সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা রেখে জনকল্যানে কাজ করে যাচ্ছি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নির্বাচনী ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতির মধ্য রয়েছে সিটি গভর্ণমেন্ট ব্যাবস্থ প্রবর্তনের উদ্দ্যোগ, পরিকল্পনা গ্রহনে পরামর্শ কমিটি গঠন, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যাবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ সেবার মান উন্নয়ন, হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, কবরস্থান ও শ^শান ঘাটের উন্নয়ন, মাদক ও চাদাবাজ মুক্ত নগর গড়ে তোলা, নতুন আয়ের উৎস সৃষ্টি, সিটি সেন্টা নির্মান করা, বিনা মূল্যে তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহারের সুযোগ সৃষ্টি, পার্ক উদ্দান নির্মান ও বনায়ন সৃষ্টি, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটানো, মুক্তিযুদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদেও নামে রাস্তার নামকরন, প্রতিটি ওয়ার্ডে ক্রিয়া উন্নয়নে উদ্দোগ গ্রহন, সোলার পার্ক আধুনিকায়ন, বধ্য ভুমিগুলোর স্মৃতি সংরক্ষন, কেসিসিকে দুর্নীতি মুক্ত কারা, যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যাবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যাবস্থার উন্নয়ন, নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্টায় সহযোগীতা প্রদান, সুইমিং পুল স্থাপন, বয়স্ক ও প্রতিবন্দিদের সহায়তা প্রদান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহন, নতুন তিনটি থানা পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা, আধুনিক কসাইখানা নির্মান, খালিশপুর ও রূপসা শিল্প অঞ্চলের উন্নয়ন, ওয়াসা, কেডিএ, রেল, টেলিকমিউকেশন ও বিদ্যুৎ পরিশেবা উন্নয়ন, খুলনা মহানগরী সম্প্রসারনে উদ্দোগ গ্রহন।
খুলনা প্রেসক্লাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনার সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শেখ হারুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক কাজি আমিনুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সাংসদ এ্যাড. সোহরাব আলী সানা, বঙ্গবন্ধরু ভ্রাতুষপুত্র, বিসিবি পরিচালক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য শেখ সোহেল, ডা. শেখ বাহারুল আলম, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, হাফেজ মোঃ শামিম, মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, এ্যাড. আনিসুর রহমান পপলু, চয়ন বালা প্রমুখ।
নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ করার পর তিনি যাতে আসন্ন ১৫ মে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নগরবাসীর সেবা করতে পারেন তার জন্য নগরবাসীর কাছে দোয়া ও নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছেন।