প্রতিপক্ষের হামলায় মা-ছেলে গুরুতর আহতঃ হাসপাতালে ভর্তি

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধিঃ নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন যাব্দীপুরে পুর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্র মোঃ ফয়সালের উপর চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষ এ সময় তার মা ঠেকাতে আসলে তাকেও মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত ফয়সালকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানাগেছে, পুর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল শুক্রবার বিকালে ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে মহিলা মেম্বর হাফিজা খাতুনের ভাইপো জাব্দিপুর এলাকায় শেখ শাহাদাৎ হোসেনের পুত্র ও ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্র মোঃ ফয়সাল(১৩)কে কাঠের বার্তা এবং রড দিয়ে পিটিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন প্রতিপক্ষ। এ সময় ফয়সালের মা ফাতেমা এগিয়ে আসলে তাকে মারপিট করে। তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা ফুলবাড়ীগেট ক্লিনিকে আনলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। আহত ফয়সালের পিতা জানান, জাব্দিপুর এলাকার লাল মিয়ার ছেলে আনোয়ার(৪০) এবং আনোয়ারের ছেলে অলি(২৪) ও রিফাত(১৮) পুর্ব শত্রুতায় জেরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তার ছেলের উপর হামলা চালায়। হামলায় ফয়সালের মাথা ফেটে যাওয়ায় ৪টি সেলাই দেওয়া হয়েছে এবং তার হাত ও পায়ে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় আমার স্ত্রী ঠেকাতে আসলে তাকেও মারপিট করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।

খুলনা সিটিতে ধানের শীষের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী গয়েশ্বর রায়

খুলনা : কেসিসি নির্বাচনে কেন্দ্র গঠিত ২০দলীয় জোটের সমন্বয়কারী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নৌকার মাঝি যতোই ভাল হোক না কেন, নৌকার তলা যেখানে ঠিক নাই সে নৌকা পার করা বড় কষ্ট। আমি শতভাগ নিশ্চিত খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ফলাফলে যে আমরা জয়ী হবো সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন।

প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনে স্থানীয় ইস্যুর থেকেও জাতীয় ইস্যু স্থান পাবে। সে কারণেই বিএনপি’র প্রার্থী ধানের শীষ’র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে খুলনাবাসী ভোট দেবে। যারা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আস্তাশীল তারা স্থানীয় ইস্যুগুলো বা বিষয়গুলো গুরুত্ব না দিয়ে জাতীয় বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্ব দেবে।

প্রশ্নোত্তর ওই জাতীয় নেতা বললেন, “আমরা নির্বাচনী মাঠে থাকতে চেষ্টা করবো। তারপরে মাঠে থাকতে চাইলেও অনেক সময় থাকা যায় না, থাকতে দেয়া হয় না। সরকার এবং তার প্রশাসন উভয় শক্তি যদি আমাদের মাঠ থেকে না তাড়ায়, নিম্মতম রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজমান থাকে তাহলে আমরা শেষ পরিস্থিতি দেখবো। আর স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে জয়-পরাজয়, থাকা-না থাকাটা বেশি গুরুত্ব দিতে চাই না একারণেই যে এই নির্বাচন সরকার নির্ধারণ করে না। বাংলাদেশের সবকয়টা স্থানীয় সরকার যদি বিরোধী দল পায়, তবুও তারপরও তাদের সরকারের নির্দেশ নেমেই চলতে হবে।”

কেসিসি নির্বাচন পরিচালনায় খুলনা ২০দলীয় জোটের সমন্বয়ক জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবীব, রবিউল ইসলাম খান রবি, মোঃ মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক ডাঃ গাজী আব্দুল হক, মনিরুজ্জামান মন্টু, বিজেপি নেতা সিরাজুল ইসলাম সেন্টু, বিএনপি নেতা আশরাফুল আলম নান্নু ও শফিকুল আলম তুহিন প্রমুখ।

আ’লীগের মেয়র প্রার্থী খালেকের পথসভা

খুলনা : খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতাস্থ হরিজন সম্প্রদায়ের সাথে নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন। পরে তিনি হরিজন কলোনী পূজা কমিটি আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় বক্তৃতা করেন। এসময় শত শত হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন স্বত:স্ফুর্তভাবে পথসভা ও গণসংযোগে অংশ নেন।

পথসভায় তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘আমি মেয়র থাকাকালে কেসিসিতে সুইপার পদে শুধুমাত্র হরিজনদের নিয়োগ করা হয়েছে। তাদেরকে নিজেদের যোগ্যতানুযায়ী বিভিন্ন পদে চাকরী দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন দেখা যায় সুইপার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে হরিজনদের বঞ্চিত করা হয়।’ তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে আমি মেয়র পদে নির্বাচিত হলে নিয়োগের ক্ষেত্রে হরিজনদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে।

পথসভার বক্তৃতার জবাবে হরিজন সম্প্রদায়ের লোকেরা আসন্ন কেসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার ব্যাপারে অঙ্গীকার করেন। এসময় শত শত হরিজন ছেলে-মেয়ে মেয়র প্রার্থী তালুকদার খালেকের আশীর্বাদ গ্রহণ এবং দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন।

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসান ইফতেখার চালু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক এ্যাড. আনিসুর রহমান পপলু, যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মনিরুজ্জামান সাগর, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ ফারুক হাসান হিটলু, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নূর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী খান, আ’লীগ নেতা তাজুল ইসলাম খান, নূর ইসলাম ফরাজী, মিথুন রহমান, যুবলীগ নেতা রকিবুল ইসলাম, মাসুদ হাসান, পূজা কমিটির সভাপতি অসিত দাশ ফেলা, সাধারণ সম্পাদক রাজু দাশ, ছাত্রলীগ নেতা জনি বসু, জয়নাল ফরাজী, রোমেল চৌধুরী, শামীম তালুকদার প্রমুখ।

সিপিবির মেয়র প্রার্থীর বাবু’র ১৭ দফা ইশতেহার ঘোষণা

খুলনা : খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি মনোনীত ও বাসদ-বাম গণতান্ত্রিক মোর্চ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবু ১৭ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর লোয়ার যশোর রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারের এক নম্বরেই স্বশাসিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিষয়টি রাখা হয়েছে।

ইশতেহারের অন্যান্য পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- অনিয়ম-দুর্নীতিমুক্ত সিটি কর্পোরেশন, জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ, বন্ধ কলকারখানা চালু ও হকার পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরিসেবা ও চিকিৎসা, দরিদ্রবান্ধব আবাসন, সুপেয় পানি, বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন, স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা, সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার, যানজট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অপরাধ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পরিবেশ, নারী সমাজের উন্নয়ন, সকলের ধর্ম পালনের অধিকার, শিশু কিশোরদের সুরক্ষা, নিজস্ব নতুন আয়ের উৎস ও অন্যান্য এবং সুন্দরবন রক্ষা।

ইশতেহার ঘোষণা শেষে মিজানুর রহমান বাবু বলেন, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে তার মূল লক্ষ্যই হবে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে জবাবদিহিমূলক স্বশাসিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি কর্পোরেশনকে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, আত্মীয়করণ, টেন্ডার ব্যবসা ও আমলাতান্ত্রিকতা থেকে মুক্ত করবেন। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব সুষম উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার মাধ্যমে কর্পোরেশনকে ‘নাগরিক সেবা কেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলবেন।

অবাধ, সুষ্ঠু ও রিপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বাম দলের এ মেয়র প্রার্থী বলেন, কালো টাকা, পেশিশক্তি, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার চলছে। লোক ভাড়া করে জনগনের ভোট আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও তিনি দলীয় বলয়ভূক্ত বলে মন্তব্য করে এর থেকে বেরিয়ে এসে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে দলের জেলা সভাপতি ডা. মনোজ দাস, নগর সভাপতি এইচএম শাহাদাত, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএ রশিদ, নগর সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার, সুতপা বেদজ্ঞ, কাজী দেলোয়ার হোসেন, ড. এমএ ফরিদ, জনাধন দত্ত নান্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় বৃক্ষ মানব আবুলের যাতায়াতের পথ উদ্ধারে পাশে দাঁড়ালেন ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব

পাইকগাছা প্রতিনিধি : এবার বৃক্ষ মানব আবুল বাজনদারের পাশে দাঁড়িয়ে আবারো আলোচনায় এসেছেন পাইকগাছা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। অবরুদ্ধ বৃক্ষ মানব পরিবারের যাতায়াতের পথ উদ্ধারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন থানার মানবিক হিসেবে পরিচিত ওসি আমিনুল। তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতায়াতের পথ ছেড়ে দিতে আবুলের প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলামকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে তিনি অসহায় গৃহবধু পূর্ণিমার সম্পত্তি উদ্ধার, অভাবে তাড়নায় বিক্রি করা নবজাতককে তার পরিবারের নিকট ফেরত এবং সম্প্রতি প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত অসহায় রাসেলের পরিবারকে পরিবহন সহ ময়না তদন্তের খরচের টাকা ব্যক্তগতভাবে বহন করে মানবিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। সর্বশেষ যাতায়াতের পথ নিয়ে বিপাকে থাকা বৃক্ষ মানব আবুল বাজনদারের পাশে দাঁড়ানোই কবি হিসেবে পরিচিত ওসি আমিনুল আবারো মানবিকতার জন্য আলোচনায় এসেছেন। তার ধারাবাহিক এ ধরণের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি মানবিক ওসি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। উল্লেখ্য, পাইকগাছা পৌরসভার সরল গ্রামের মানিক বাজনদারের ছেলে বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজনদার ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে সরকারি তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডাঃ শামন্ত লাল সেনের তত্ত্বাবধায়নে গত ২ বছর ৪ মাসে এ পর্যন্ত আবুল বাজনদারের ২৫ বার অপারেশন করা হয়েছে। যদিও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে এখনও অনেক সময় লাগতে পারে এমনকি অপারেশন করা হাত ও পা থেকে তার মাংসপেশীগুলো পূর্বের ন্যায় বাড়তে শুরু করায় সুস্থতা নিয়ে অনেকটাই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বৃক্ষমানব আবুল বাজনদার ও তার পরিবার। এদিকে আবুল ও তার পরিবারের মাথা গোজার কোন ঠাই না থাকায় দীর্ঘদিন ভাড়াটিয়া খুবড়ে ঘরে বসবাস করে আসছিল। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এ খবর জানতে পেরে তার চিকিৎসাধীন মেডিকেল টিমের অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ডাঃ কবির চৌধুরী আবুলের বসবাসের জন্য জমি কিনে বাড়ী করার জন্য সহযোগিতা করে। চিকিৎসকের আর্থিক সহায়তা পেয়ে আবুল ২০১৬ সালের জুন মাসের দিকে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সরল মৌজায় শিক্ষক মাখন লাল গংদের নিকট থেকে ২টি কোবলা দলিল মূলে এস,এ ৬৩০ দাগ সহ ভিন্ন দাগে প্রায় ১১ শতক জমি ক্রয় করে কোন রকমে বসত বাড়ী তৈরী করে নতুন এ বাড়ীতে গত ৩ মাস বসবাস শুরু করেছেন। কিন্তু বাড়ী হতে রাস্তায় ওঠার যাতায়াতের পথ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন আবুল ও তার পরিবার। তার জমির পাশের প্রতিবেশী প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম যাতায়াতের পথে একটি খুবড়ে ঘর তৈরী করায় অনেকটাই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন আবুলের পরিবার। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ স্থানীয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন আবুল। অবশেষে গত বুধবার বিষয়টি থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে অবহিত করলে ওসি আমিনুল তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিপক্ষ নজরুলকে ডেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতায়াতের পথ ছেড়ে দেয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ দেন। এ ব্যাপারে আবুল বাজনদার বলেন, আমার দলিলে যাতায়াতের পথ উল্লেখ করা থাকলেও প্রতিপক্ষ নজরুল জোরপূর্বক পথের উপর একটি গোলের ঘর তৈরী করে আমাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিষয়টি ওসি স্যারকে বলার পর উনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন। ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, বৃক্ষ মানব জমি কেনার পর থেকেই যাতায়াতের পথ নিয়ে প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলামের সাথে বিরোধ চলে আসছে। বুধবার থানায় এসে বিষয়টি আবুল আমাকে অবহিত করে। পথ উদ্ধারের জন্য এ সময় অনেকেই আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতেও চেয়েছিল। কিন্তু অসহায় আবুলের মানবিক দিক বিবেচনা করে তার যাতায়াতের পথ উদ্ধারের ব্যাপারে প্রতিপক্ষ নজরুলকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছি। এ সময়ের মধ্যে আশা করি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ফুলতলায় গলায় রশি দিয়ে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ফুলতলার দক্ষিণডিহি গ্রামের ইউনুচ গাজী (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে ঐ গ্রামের মৃতঃ আব্দুল গাজীর পুত্র। পুলিশ জানায়, বুধবার বিকালে শারিরীক অসুস্থ্যতার কারণে নিজ বাড়িতে ঘরের আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে ঐ দিনই তিনি মারা যান। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। দুপুরে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করলে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মোংলায় যুবলীগ নেতা জাহিদের ইন্তেকাল

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদারের ভাইপো সোনাইলতলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি, আমড়াতলা-চাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য জাহিদ হাওলাদার (৩৪) শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হৃদ-রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। শুক্রবার সকালে আমড়াতলার নিজ বাড়ীতে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে খুলনা নেয়ার পথে মোংলা-খুলনা মহাসড়কের দিগরাজ এলাকায় জাহিদ মৃত্যুবরণ করেন। শুক্রবার আসরের নামাজের পর মরহুমের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জাহিদের অকাল মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুন নাহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, পৌর যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা। যুবলীগ নেতা জাহিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ও স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। জাহিদ মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদারের সেজো ভাই আলহাজ্ব নওশের আলী হাওলাদারের বড় ছেলে। জাহিদ মৃত্যুকালে স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও পিতা-মাতাসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন এবং গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তালায় ভূয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম বৃদ্ধি : এলাকাবাসী অতিষ্ঠ!

সেলিম হায়দার, তালা : সাতক্ষীরার তালায় সম্প্রতি অপ ও হলুদ সাংবাদিকদের দৌরাতœ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে! প্রতি দিন সকাল থেকে মধ্য রাত অবধি সাংবাদিকতার পরিচয়ে ঘাড়ে ক্যামেরা,গলায় আইডি কার্ড ও দামি বাইক চেপে দাপিয়ে বেড়ায় উপজেলার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলেই হানা দেয় তার দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানে। এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজির হয় ঐ চক্র। নিজেদের অপকর্মকে আঁড়াল ও অযোগ্যতায় অল্প সময়ে বিনা পরিশ্রমে অধিক অর্থ উপার্জনের সহজতর পন্থা হিসেবে নাম সর্বস্ব পত্রিকা কিংবা অনলাইন পোর্টালের কার্ড সংগ্রহ করে তারা তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগীরা জানায়,এসব ভূঁই-ফোঁড় অপ-সাংবাদিকদের কাতারে রয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী,মেকানিক,চা বিক্রেতা থেকে শুরু করে সেটেল মেন্ট’র দালাল,ভাড়ায় চালিত মোটর চালক ও অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্তরা রয়েছেন এ কাতারে। এদের প্রত্যেকেই নিজেদের মূল পেশায় মন্দা ও আঁড়াল করতে নিজেদের নাম লিখিয়েছে মফস্বল সাংবাদিকতায়। এদের অনেকে আবার স্কুলের গন্ডি পেরুতে পারেনি।
অনেকে আবার গলায় কার্ড ঝুলিয়ে দালালির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে খবরদারির পাশাপাশি শালিশ-বিচার করে বেড়ান। বিবাদমান জমি কিংবা ঘের জবর দখলেরও টেন্ডার নেন কেউ কেউ। ঐসকল ভূঁই-ফোঁড় মিডিয়ার কার্ড ঝুলিয়ে তারা নিজেদের এলাকায় বিশেষ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান করে ছাড়ছেন। এদের ভয়ে সম্মানি ব্যক্তিরাও রয়েছেন আতংকে।
তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যেকোন সম্মানি ব্যক্তির সম্মানহানির চেষ্টা করেন। এমনকি কোথাও কোন ঘটনা ঘটলে নিজেরাই বানোয়াট অভিযোগ পত্র লিখে হানা দেন অভিযুক্তর বাড়িতে। এদের অপতৎপরতায় মূল পেশাজীবিরাই আজ কোন-ঠাঁসা হয়ে পড়েছেন। এদের নিজেকে বড় মাপের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও তার নিজের কোন কাগজ বা মিডিয়ার সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই সারা দিনের আয়োজন দালালির খোরাক সন্ধ্যা নামতেই পৌছে দেন সমমনা বিভিন্ন সাংবাদিকদের মেইলে।

এছাড়া আরেক টাউট জনৈক সম্প্রতি নিজেকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি জোরদার রেখেছেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে তিনি একটি অনলাইন টিভি পোর্টালের সংবাদদাতা হিসেবে ঐমিডিয়ার একটি কার্ড সারাক্ষণ গলায় ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ান উপজেলার এপ্রান্ত থেকে শুরু করে ও প্রান্ত পর্যন্ত।

সূত্র জানায়,সম্প্রতি নিজস্ব অর্থায়নে তিনি ঐ চ্যানেলটির একটি বুম তৈরী করে তা জনসম্মুখে দেখিয়ে বেড়ান আর ভাব নেন যে তিনি একজন বড় মাপের একজন সাংবাদিক। এরকম জানা অজানা অনেকেই রয়েছেন যারা কাক ডাকা ভোরে বেরিয়ে মধ্য রাত অবধি দাপিয়ে বেড়ান মফস্বলের তৃণমূল পর্যন্ত।
এলাকার প্রকৃত সাংবাদিক থেকে শুরু করে তাদের দ্বারা নির্যাতিতরা এসকল অপসাংবাদিকদের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে স্থানীয় প্রশাসন,সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও তাদের স্ব স্ব পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল মালিকদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতিদিনিই বিভিন্ন এলাকা থেকে ভূক্তভোগীরা নানা অভিযোগ জমা হচ্ছে আমাদের দপ্তরে। যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে পত্রিকার পাতায় ততক্ষণে আমাদের সাথেই থাকুন।

সাতক্ষীরায় ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবা সহ ৪জনকে ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। শুক্রবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মধ্য কাটিয়া,আমতলা,মাষ্টারপাড়া,সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ জন কে আটক করেছে জেলা গয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় আটকৃতরা হলেন সাতক্ষীরা কাটিয় মষ্টার পাড়া শেখ আব্দুল আজিজের ছেলে শেখ ফারুক ইসলাম (৩২),মুনজিতপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে সুজন হোসে(২৬),ঘুটিরডাঙ্গী গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে তৈৗহিদুল ইসলাম (২৮),মধ্যকাটিয়া গ্রামের শেখ আজাহারুল ইসলামের ছেলে মুনজুরুল ইসলাম (৩৪)কে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশেরএকটি দল।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক মো: শাহারিয়ার হাসানের নেতৃত্বে এসআই মনজুরুল হাসান,এসআই মিজানুর রহমান,এএসআই রাজু ও এএসআই জিয়াকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো: শাহারিয়ার হাসান জানান আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা শহরের শহরের মধ্য কাটিয়া,আমতলা,মাষ্টারপাড়া,সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে ৮৫০ ইয়াবা সহ পিস আটক করতে সক্ষম হয় তিনি আরও জানান এরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত রয়েছে।

ডুমুরিয়ায় অসহায় পরিবারের মেয়ের সুখের সংসার ভাঙ্গা চেষ্টা

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ডমুরিয়ায় অসহায় পরিবারেরএকমাত্র মেয়ের সুখের সংসার ভাঙ্গা চেষ্টায় বগুড়ার এক নেশাখোরফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপিয়ে হয়রানী করছে। এর প্রতিবাদে তিনি তার পিতামাতাকে নিয়ে পিতার বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার আরশনগর গ্রামের আব্দুল হামিদ সরদারের কন্যা আয়েশা আইরিন মুন্নি (২৫) সোমবার বেলা ২টার দিকে তারলিখিত অভিযোগে বলেন,এখান দু‘বছর আগে তিনি ফ্লাক্রিলোডের দোকান থেকে ২০টাকা নয়,(পত্রিকায় দেয়া হয়েছে২০টাকা) তার নম্বরে ৪৯টাকা রিচার্জ করেন। কিন্তু লোডের দোকানদার তার নম্বর লিখতে গিয়ে ভুলবশতঃ একটি সংখ্যাপরিবর্তন হয়ে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার পাঁচদে ওলী গ্রামের মৃত আবির হোসেনের পুত্র ফিরোজ হোসেন বকুল (৫৫) এর নম্বরে চলে যায়। তখন তিনি ঐ নম্বরটি লোডের দোকান থেকে মুন্নী নিয়ে মোবাইল করে টাকা ভুল নম্বরে টাকা যাওয়ায় কথা জানতে চাইলে তিনি তা স্বীকার করে টাকাটি ফেরত দেন। এর ৪/৫ দিন পর ঐ নম্বরথেকে তার নম্বরে কল আসে। এভাবে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়েতাদের পরিচয় হয়। পরিচয়ে বকুল বলেন, তিনি অবিবাহিত এবং তিনি বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়েন। ঘটনাক্রমে বকুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। এ সময় মুন্নিতার পিতা মাতার সাথে কথা বলে ছোট ভাই মিলনকে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য বকুলের বাড়িতে পাঠান। কিন্তু সুচতুর বকুল তার ভাই মিলনকে বাড়িতে না নিয়ে বগুড়ার একটি হোটেল থেকে ভাত খাওয়ায়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। মিলন বাড়িতে এসে বকুলে রবয়স,প্রতিনিয়ত নেশাগ্রস্থ অবস্থায় থাকা এবং তার সাথে খারাপ আচরণের কথা পরিবারকে জানায়। তখন মু্িধসঢ়;ন্ন বকুলের কাছে ফোন করে তাকে মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণ জানতে চাই। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য তিনি বকুলের নম্বরে মোবাইল করা মাত্রই ফোনটি বকুলের স্ত্রী রিসিভ করেন। কথা বলার এক পর্যায়ে মুন্নী জানতে পারেন বকুল পূর্বে ২টি বিবাহ করেছে। তার ১ছেলে ও ২মেয়ে আছে। তিনি একজন মাদকাসক্ত মাতাল ব্যক্তি। বড় মেয়ে বিবাহিত,ছোট মেয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ে ও ছেলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। সেই থেকে তিনি বকুলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। এরপর প্রায় ৮মাস আগে পারিবারিকভাবে তার বিবাহ হয়। লেখাপড়া শেষ করে স্বামীকে নিয়ে সুখেই আছেন (রেজিষ্ট্রি বিবাহের মূল কপি আছে)। তিনি আরও বলেন,বকুলের সাথে কোনদিন তার দেখা সাক্ষাত হয়নি। তিনি কিভাবে তাকে সোনার গহনা,কলেজে ভর্তি,লেখাপড়ার খরচ ও মোবাইল কিনে দিলেন ? যার সাথে কোনদিন দেখা সাক্ষাত হল না,সে কিভাবে তাকে এগুলো দিলেন,নাকি বাতাসের মাধ্যমে তার কাছে উক্ত জিনিস পত্র পৌছে দিলেন এটাই তার প্রশ্ন ? মুলত্র তার মামা রনি সাথে করে নিয়ে তার পিতার টাকায় খুলনা সিটি কলেজে ভর্তি করে দিয়ে আসেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি তার ভাইয়ের জন্য পিত্ধসঢ়;া পাটকেলঘাটা বাজারের মেসার্স এস এম টেলিকম মোস্তফা সরোয়ার মিন্টুর দোকান থেকে ক্রয় করেন (যার মূলকপি আছে)। তাছাড়া বকুলের ভরি ভরি সোনা তো দূরের কথা এক আনা সোনা কাউকে দেয়ার সামর্থ্য আছে বলে তার মনে হয় না। তিনি বলেন,যার সাথে কোনদিন দেখা সাক্ষাত হল না তার সাথে কিভাবে বিবাহ হল এটা একটা হাস্যকর বিষয়। তিনি কোন দিন বিবাহের সঠিক কোন কাগজ দেখাতে পারবেন না। মুন্নি বলেন,যদি তিনি বিবাহের কাগজ নিয়ে চলে আসেন। তাহলে তার প্রশ্ন বকুল কোট থেকে এফিডেভিটের আরও একটি কাগজ তুলে দেখাক? তাছাড়া তিনি তার মেয়ের বয়সী হয়ে কিভাবে পিতার চেয়ে বেশী বয়সী একজন লোককে বিবাহ করবেন। কিন্তু প্রায় ১বছর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর গত ৪/৫দিন ধরে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে নেশাখোর মাতাল বকুল তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে মানুষিকভাবে হয়রানী,সমাজে তাদের মানহানী,তার সুখের সংসার ভাঙ্গার চেষ্টা করেছেন। তাই তিনি আগামী ১/২দিনের মধ্যেই তার পরিবারকে নিয়ে এই তার বিরুদ্ধে মামলা করবেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার পিতা আব্দুল হামিদ সরদার,মাতা রনজিদা বেগম,ভাই মিলন সরদার প্রমুখ।