হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি’র সুস্থ্যতা কমনায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপির সুস্থ্যতা কমনা করে নিজ গ্রাম হেতালবুনিয়া মধ্যপাড়া মাতৃমন্দির প্রাঙ্গনে এক প্রার্থনা সভা শিক্ষক মহানন্দ মিস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী দীপঙ্কর মন্ডলের পরিচালনায় প্রার্থনা সভায় বক্তৃতা করেন কৃষ্ণপদ রায়, শিবপদ রায়, বিরেন মন্ডল, রবীন্দ্রনাথ গোলদার, কৃষ্ণপদ বৈরাগী,বিন্দু গোলদার, অনিল মন্ডল, প্রহ্লদ মন্ডল, প্রভাত দাস, তপন বৈরাগী, বিপুল রায়, সৈকত রায়, লক্ষীকান্ত গোলদার, প্রমূখ।

হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি’র সুস্থ্যতা কামনা

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : খুলনা ১ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি অসুস্থ্য হয়ে ঢাকা স্কায়ার হাসপাতালে চিচিৎসাধীন আছেন। তার আশু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃত প্রদান করেছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ হালদার, সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান,মীর মহাম্মদ আলী, প্রদীপ বিশ্বাস, পলাশ রায়, রবীন দত্ত, বিবেক বিশ্বাস, অনুপ গোলদার, চয়ন বিশ্বাস, বি.এম মাসুদ রানা,স্বপন সরকার, প্রসাদ রায়, চঞ্চলা মন্ডল, কিংকর রায়, অসিম মন্ডল, গোবিন্দ রায়, নারায়ন চন্দ্র সরকার, পংকোজ বিশ্বাস, মানষ পাল, চেয়ারম্যান মিলন গোলদার, মুশিবর রহমান, আবুল কালাম, গোবিন্দ মল্লিক, প্রকাশ রায়, কার্তিক টিকাদার, গৌর দাস ঢালী, মোস্তাফিজুর রহমান, মিজানুর রহমান, বিদ্যুৎ বিশ্বাস, অরিন্দম গোলদার, সুরজিৎ মন্ডল, ইব্রাহীম শেখ, ইসতেমার, রানা,অনিমেশ মল্লিক, সাইফুর,সোহাগ, প্রমুখ। অপর দিকে উপজেলা আওয়ামীলীগে উদ্যেগে আগামী ২৩ রমজান বুধবার ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি মুলক সভা গতকাল সোমবার বেলা ১১ টায় দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আশরাফুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনায় রাজনৈতিক মামলা বন্ধ হলেও বন্ধ হয়নি পুলিশী হয়রানি

জি এম রাসেল, খুলনা : খুলনায় রাজনৈতিক মামলা বন্ধ হলেও নতুন করে আবারও পুলিশি হয়রানি শুরু হয়েছে। কোন কর্মসূচি না থাকলেও নেতা-কর্মীরা গণগ্রেফতারের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ খুলনা বিএনপি’র। বিএনপি নেতাদের দাবী ঈদকে সামনে রখে পুলিশ বিরোধী নেতা-কর্মীদের টার্গেট করেছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলটির নগর ও জেলার শীর্ষ পর্যায়ের নেতাসহ সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা হয়। এসব মামলায় উচ্চ আদালতের জামিন নিয়েও হয়রানীর শিকার হচ্ছে তারা।
সম্প্রতি খুলনা নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আসলাম ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আরিফ হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। তাদেরকে আবার গ্রেফতার করলে পরিবারের পক্ষ থেকে জামিনের কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ জানায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে আরও মামলা আছে।
নগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম বলেন, মামলায় জামিন নিয়েও নেতা কর্মীরা পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছে। এটা অমানবিক।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নেতা কর্মীদের নামে যেসব গায়েবী মামলা হয়েছিল সেখানে অপ্সাতনামা আসামী করা হয়েছিল কয়েক হাজার। বর্তমানে ওই সব অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিদের খুঁজতে পুলিশ আবারও মাঠে নেমেছে। এটা হয়রনীর নতুন কৌশল।’
জেলা বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘জেলার নয়টি থানায় অসংখ্য মামলা হয়েছে। এসব মামলায় সহ¯্রাধিক নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র না দিয়ে এ মুহুর্তে নেতা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে।’
তিনি জানান, দেশের বাইরে থেকেও মামলায় আসামী হয়েছেন তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের বয়ারগাতি গ্রামের শেখ আশরাফুজ্জামান। দীর্ঘদিন বাড়ীতে না থাকলেও নাশকতার দুটি মামলায় এজাহারভূক্ত আসামী তিনি। নির্বাচন পরবর্তীতে আশরাফুজামানের বাড়ীতে হামলা হয়েছে। তার পরিবারের অভিযোগ আশরাফুজ্জামান দেশের বাইরে থাকলেও তার নামে মামলা হওয়ায় বাড়িতে বার বার পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
পুলিশি হয়রানির ব্যাপারে কেএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, অহেতুক গ্রেফতারের অভিযোগ ঠিক নয়। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এসএম সফিউল্লাহ এ প্রসংগে বলেন, জেলার কোথাও পুলিশী হয়রানির অভিযোগ আমার জানা নেই। অহেতুক কেউ পুলিশি হয়রানীর শিকার হলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফুলতলায় বিদেশী পিস্তুল গুলি ও ৮০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ফুলতলা অফিসঃ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শনিবার দিবাগত রাতে ফুলতলার যুগ্নিপাশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিদেশী পিস্তল, ১রাউন্ড গুলি ও ৮০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আশরাফুল ইসলাম মাসুম (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঐ চক্রের আরও ২/৩ ব্যক্তি প্রাইভেট কারসহ পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ফুলতলায় থানায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভয়নগরের নওয়াপাড়া এলাকার রবিউল ইসলাম বিশ্বাস পুত্র ও একটি অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম মাসুম (২৮) ও বেনাপোল এলাকার সালাম (৩০) সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভারত থেকে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য এনে খুলনা ও যশোর এলাকায় বিভিন্ন পয়েন্টে সরবরাহ করে । শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার দিকে যুগ্নিপাশা পশ্চিমপাড়া এলাকায় মাদক ও অস্ত্র সরবরাহ করা হবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে খুলনার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কনি মিয়া ও এসআই মুক্ত রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ ঐ এলাকায় অবস্থান নেয়। যথাসময়ে তারা যুগ্নিপাশা তিন রাস্তার মোড়ে পৌছে প্রাইভেট কারের পেছন থেকে আশরাফুল ইসলাম মাসুম একটি প্লাষ্টিকের বস্তা নামানোর সময় তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়। এ সময় প্রাইভেট কারে থাকা তার সহযোগিরা দ্রুত গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ প্লাষ্টিকের ঐ বস্তা থেকে বিদেশী পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ম্যাগজিন ও ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে এসআই মুক্ত রায় চৌধূরী পিপিএম বাদি হয়ে আশরাফুল ইসলাম মাসুম, সালাম ও অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনকে আসামি করে ফুলতলা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা (নং-১০ ও ১১ ) দায়ের করেন। এদিকে রোববার আসামী আশরাফুল ইসলাম মাসুমকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়েছে।

ফুলতলায় ব্যবসায়ী জাকিরের বিরুদ্ধে পিডিবিএফ’র ৮ লাখ টাকা ঋন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

ফুলতলা অফিস।। খুলনার ফুলতলা বাজারের ব্যবসায়ী সৈয়দ জাকির হোসেন (৪৫) এর বিরুদ্ধে পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) ফুলতলা শাখা অফিস থেকে ৮লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি ফুলতলার দক্ষিণডিহি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত- সৈয়দ আঃ রহমান এর পুত্র। এদিকে (পিডিবিএফ) এর টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপন করায় বিপাকে পড়েছে অফিস কর্মকর্তাসহ সাধারণ গ্রাহকেরা।
অফিস সূত্রে জানা যায়, ফুলতলা বাজারের মেসার্স রিফাত ট্রেডার্স সত্ত্বাধিকারী ও মুক্তিযোদ্ধা মৃত- সৈয়দ আঃ রহমান এর পুত্র সৈয়দ জাকির হোসেনের আবেদনের ভিত্তিতে ২৮ মে ২০১৮ তারিখে ফাউন্ডেশনের মাঠ পরিচালক ৮ লাখ টাকা ঋন মঞ্জুর করেন (স্মারক নং মাঠ পরিচালন /পরি-৬০/২০০২/২৮৮৪)। তার পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দ জাকির হোসেন শতকরা সাড়ে ১২.৫০ সুদে ১২ মাসের কিস্তি মেয়াদী গত ৩জুন ২০১৮ ইং তারিখে ৮ লাখ টাকা ঋণ গ্রহন করে। ১ম কিস্তিসহ মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদানের পর তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে এবং বাড়ি থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে সেলপ কর্মকর্তা বিএম আতাউর রহমানের অভিযোগ। এদিকে ফাউন্ডেশন’র বকেয়া টাকা আদায়ে ব্যর্থ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। অপরদিকে ব্যবসায়ীক ঋন অনাদায়ী হওয়ার কারণে নতুন গ্রাহকেরা চাপের মুখে পড়েছে । এ ব্যাপারে উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা রেহানা আকতার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সৈয়দ জাকির হোসেনের নিকট খেলাপী ঋন ৮লাখ ৯৭ হাজার ৩’শ এক টাকা পরিশোধের জন্য চুড়ান্ত নোটিশ (স্মারক নং-৪৭,০৫,৪৭৬৯,০০০,৯৯.০০.৮৯৬ ) প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।