দাকোপে সামাজিক বন গড়তে ‘সিএনআরএসর’ অবহিতকরণ কর্মশালা

দাকোপ (খুলনা) : সামাজিক বন গড়ে তোলা হবে নদীতে জেগে ওঠা চরে। মূলত নদীভাঙন রোধ, উপকূলীয় এলাকায় সবুজবেষ্টনী গড়ে তোলা, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে এলাকা রক্ষা, সরকারি জমি অবৈধ দখলদারমুক্ত রাখা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পশুপাখির আবাসস্থল গড়ে তোলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা এবং স্থানীয়ভাবে জ¦ালানির চাহিদা মেটানো ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করার জন্য সামাজিক বনায়ন করা খুবই দরকার।
রোববার সকাল ১০টার দিকে খুলনার দাকোপ উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে ‘বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি-১) অংশগ্রহনমূলক পানি ব্যবস্থাপনা, সামাজিক বনায়ন ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে’ অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব কথা উঠে আসে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নদীর পুর্ণজীবন ও নিষ্কাষণ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে জোয়ারের পানিতে আসা পলি পরিকল্পিতভাবে অবক্ষেপনের মাধ্যমে ভূমি গঠনের কোন বিকল্প নেই। বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কারিগরি বিষয়ে অভিজ্ঞ হলেও সামাজিক বিরোধগুলো নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাদের সামর্থ্য বা দক্ষতা নেই। এ কারণে পাউবো’কে সহযোগিতা করার জন্যে একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হবে।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় লোনা পানির প্রভাবে ফসল, গবাদিপশু ও গাছপালা রক্ষা করা সম্ভব হয়না। সুপেয় পানি আনতে হয় প্রায় চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের পথ হেঁটে। এসব সমস্যা দূরীকরণ করতে হলে নির্দিষ্ট জলাধার খনন করতে পারলে অংশগ্রহনমূলক পানি ব্যবস্থাপনা সম্ভব।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্সেস স্টাডিস (সিএনআরএস) প্রকল্প এই কর্মশালার আয়োজন করেন।
আলোচনা সভায় মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, নদীভাঙন রোধ করতে না পারলে চর বনায়ন করে লাভ হবে না। প্রভাবশালীরা নদী-খালগুলো ইজারা নেওয়ায় কৃষি কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। খাস জায়গা বন্দোবস্ত দেওয়ায় পানি সরবারহ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। ‘দ্য ফার্ষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো অব হেনান ওয়াটার কনজারভেন্সি’ নামের চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উপজেলার ৩২ ও ৩৩ নম্বর পোল্ডারে এ প্রকল্পের কাজগুলো করছে। কিন্তু কাজের মান ভাল হচ্ছে না উল্লেখ করে বলেন দুর্নীতি আর ধীরগতিতে যেখানে বেড়িবাঁধ সংস্কার সম্পন্ন হচ্ছে সেখানে দখল নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করছে প্রভাবশালীরা। আর বনায়নের গাছ বড় হলে নিজেদের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করবে। তাই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের নিয়ে একটি দল গঠন করা দরকার। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা প্রভাবশালীরা দখল করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রশাসনের সহযোগিতায় নদীর ধারে গড়ে তুলতে হবে বন।
অবহিতকরণ কর্মশালায় খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (সিইআইপি-১) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ, যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপপ্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, সিএনআরএস’র আঞ্চলিক সমন্বয়কারি মলায় কুমার সরকার, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, খাদিজা আক্তারসহ আরও অনেকে।
কর্মশালায় দাকোপ উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্য, বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সিএনআরএস প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন। প্রকল্প পরিচিতি করেন সিএনআরএস টিম লিডার এসএম মনজুরুল আহসান।

তালায় অসমাপ্ত বেড়িবাঁধ নিয়ে আতংক : দূর্ণীতির অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি : কপোতাক্ষ নদীর পাড়ে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার এক অংশ বালিয়া ভাঙ্গনকূলে ৪ কোটি ৮২ লাখ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মান করা হয়েছে টেকসই ক্ষুদ্রাকার বেড়িবাঁধ। তবে অপরিকল্পিত আর দায়সারা মানহীন এ বাঁধ কোন কাজেই আসবেনা বলে স্থানীয়দের দাবী। ফলে নদীর পাড়ের মানুষের মাঝে রয়েই গেল আতংক। প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় সিডর ও আয়লায় ক্ষতি হয়েছিলো সাতক্ষীরার অন্যান্য উপজেলার মত তালা উপজেলাতেও। এ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলে প্লাবন হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল তার মধ্যে বালিয়া ভাঙ্গনকুল উল্লেখযোগ্য। এতে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও শতশত বিঘা জমির পাকা ধান এবং হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের তলিয়ে ঘটেছিলো এলাকার মানুষের সর্বশান্তের ঘটনা।
এই সংকট কাটাতে ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ৪ কোটি ৮২ লাখ ২৩ হাজার ১৯১ টাকা ব্যয়ে উপজেলার বালিয়া, ডুমুরিয়া, শাহাজাতপুর ও খেশরা এলাকার বেড়িবাঁধের ভাঙ্গনরোধ ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ৫২ টি এলসিএস দলের অধিনে ১১০০ শ্রমিকের ৪ মাসের মধ্যে টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। যার মধ্যে ১২ কিঃমিঃ ভেড়িবাঁধ এবং ৭.৫ কিঃমিঃ খাল খননের কাজ ছিলো। এছাড়া ঠিকাদারের মাধ্যমে ৩টি রেগুলেটর, ৪টি পাইপ স্লুইস এবং সমিতির অফিস ঘর নির্মাণ কাজ উল্লেখ করা হয়। যেটি বাস্তবায়নে বালিয়া ভাঙ্গনকূল (এসপি নং-৬১০০১) সাব প্রজেক্ট হাতে নেন। যা ঐ বছরের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অদ্যবধি শেষ করা হয়নি। তবে যেটুকু বাঁধ নির্মান করা হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট নয় স্থানীয় এলাকাবাসী। কারণ অপরিকল্পিত এবং মানহীন বাঁধ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন তারা। কাজের বিপরীতে ৩০ শতাংশ টাকা উত্তোলন হলেও বিল পাননি এমনি অভিযোগ এলসিএস দলের। তবে এ কাজে অনিয়মের জন্য এলসিএস দলের একটি বড় অংশ অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন বালিয়া ভাঙ্গনকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতির দিকে। দূর্ণীতির মধ্যদিয়ে কাজ শেষ না করেও সম্প্রতি আরও একটি বিল উত্তোলন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে যে ভাবে বাঁধটি দেওয়া হয়েছে তাতে জলোচ্ছাস বা প্লাবন হলে সহজেই বাঁধটি ধুয়ে আবারও চলে যাবে নদী গর্ভে। কাজে আসবেনা সাধারণ মানুষের, ফলে অপচয় হবে সরকারের অর্থ। তবে এই বাঁধে স্থানীয়দের দাবী ছিলো সমিতির লোকজন দিয়ে ঝুড়ি-কোঁদালের মাধ্যমে কাজ করলে বাঁধটি টেকসই হবে। আবার বাঁধটি দেওয়ার সময় সিড়ি আকারে উঠানো এবং বাঁধের উপরে ঘাস লাগানোর কথা থাকলেও সেটি করা হয়নি। পরিকল্পিত ভাবে সিড়ি আকারে বাঁধ দিয়ে ঘাস লাগালে বাঁধটি স্থায়ী হতো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ব্যস্ততার জন্য এসকেভেটর দিয়ে কাজ করা হলেও কেন আজও সেই প্রকল্পের কাজ শেষ হলো না এমন প্রশ্ন করেছেন তারা। বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অনিয়ম ও দূর্ণিতির সঠিক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন রাজু বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ প্রকল্পের কাজে সংশ্লিষ্ঠ্যতা রয়েছে। কিন্তু প্রকল্প সভাপতি কোন দিন কোন ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করেনি। সে নিজের মত নিজে করেছে। সমিতির সদস্যদেরও তার এই কাজের প্রতি অভিযোগ রয়েছে।
প্রকল্পের উদ্যোক্তা বালিয়া ভাঙ্গনকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম জানান, কাজ সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু এখনও বিল পায়নি। ২০১৮ সালে ৩০ মে ফাইনাল বিল জমা দেওয়ার আবেদন করেছি কিন্তু তার সমাধান এখনও না করে ঢাকা থেকে সার্ভের টিম এসেছিলো তারা আবারও আমাকে দিয়ে কাজ করিয়েছে। বিলা না পাওয়ায় চরম দূর্ভোগে আছি।
তালা উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মোঃ জসিম জানান, প্রকল্পের কাজে কোন নিদ্রিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে এটাও উল্লেখ করা আছে যে, খুব স্বল্প সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু সেটি এখনও শেষ করা হয়নি মর্মে এলাকাবসীরও অভিযোগ রয়েছে।

খুলনায় জুট মিলের শ্রমিককে কুপিয়ে জখম : ধারালো অস্ত্র উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : দিঘলিয়া উপজেলা স্টার জুট মিলের সর্দার মো: আবুল বাশার বুলু(৪৯)কে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে অর্থোপেডিক্সে বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। গত বুধবার দিঘলিয়া উপজেলা সেনহাটি ইউনিয়নের গোলদার পাড়া এলাকায় রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার বাম কাধে ও ডান হাত ও পায়ে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। ৫০-৬০টি সেলাই দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময় হুমকিÑধামকি অব্যাহত রেখেছে। ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্টার জুট মিলের শ্রমিকদের সর্দার মো: আবুল বাশার বুলু এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার রাত ১০টার দিকে স্টার জুট মিল থেকে সাইকেলে যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। জুট মিলের একটু সামনে গোলদার পাড়ায় আসলে চন্দ্রনী মহল এলাকার বাসিন্দা লিয়াকত আলীর পুত্র হাসিব তার সাইকেলে ধাক্কা দেয়। এ সময় সে সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার সাথে হাসিব তাকে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। এ সময় হাসিবের সাথে আরও ৫-৬ জন ছিলো। প্রথম কোপটি হাত দিয়ে ঠেকালে তার আঙ্গুল কেটে যায়। এরপর এ্যালোপাতাড়ি ভাবে তাকে ঘাড়ে ও পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপাতে থাকে। এ সময় জীবন বাচাতে সে পাশের পুকুরের মধ্যে ঝাপ দেন। এ সময় বুলু চিৎকার দিলে আশে পাশে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
মো: আবুল বাশার বুলু জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মামলা না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। তিনি গুরুত্বর জখম হওয়ার কারণে এখনো মামলা দায়ের করতে পারেননি। ঘটনাস্থলে দিঘলিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শন করেছেন। সেখান থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস রঞ্জন দাস রোববার বিকেলে এ প্রতিবেদককে ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুত্বর জখম স্টার জুট মিলের সরদার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এখনো মামলা হয়নি। মামলা হলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে তানজিনার হত্যকারীর ফাঁসির দাবিতে সড়কে বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে তানজিনার নৃশংস হত্যাকা-ের সাথে জড়িত জীবনের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও সড়কে পুশপুত্তলিকায় আগুন জ্বালিয়ে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলাবাসী।

রোববার সকালে শহরের চৌরাস্তা মোড়ে সাধারণ জনগনের ব্যাণারে এই মানববন্ধন করে জেলাবাসী।

মানববন্ধনে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্থরের সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহ তরুণ ছাত্র সমাজ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় জণগন ক্ষিপ্ত হয়ে জীবনের ফাঁসির দাবি জানিয়ে তার পুশপুত্তলিকায় জুতা দিয়ে থাপ্পর দিয়ে আগুন জ¦ালিয়ে দেয়।

মানববন্ধনের বক্তব্য দেন সাধারন জনগণ নিহত তানজিনার ভাই সোহেল রানা ,জেলা শ্রমীক ঐক্যপরিষদের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন জেলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহাবুব হাসান রনি,সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মানিক প্রমুখ ।

হত্যাকারী ও মাদক সেবনকারী আসামী জীবনের ফাঁসির দাবি জানান বক্তরা। সেই সাথে যদি অন্য কেউ জড়িত থাকে তাহলে তাদের আইনের আত্ততায় আনার জন্য বক্তরা প্রশাসনের কাঝে অনুরোধ করেন ।
পরে চৌরাস্তা থেকে একটি বিক্ষোভ বেড় করেন সর্বস্থরের জণগন
গত ২০ জুন সকালে সেই একই ভাবে বাবা মা পরিবারের সকলের সাথে আনন্দ করে বেরিয়ে পরে নিজ কর্মস্থলে। হঠাৎ পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে শুরু করে প্রতিবেশী জীবন।

ওসি মোয়াজ্জেম আদালতে হাজির

ঢাকা অফিস : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য গ্রেপ্তার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

এর আগে ১৭ই জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস-সামছ জগলুল হোসেন মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন।

১৫ই এপ্রিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন বাদী হয়ে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন। এরপর বিচারক মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।

গত ২৭শে মে পিবিআই মামলার ১২৩ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দেন ট্রাইব্যুনালে। আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে। ১৬ই জুন দুপুরে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ।

৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পাস

ঢাকা অফিস : জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হয়েছে। আজ রবিবার ১০টায় শুরু হয় সংসদ অধিবেশন। মঞ্জুরি দাবি ও ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত হয় ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট।

টানা তৃতীয় মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম বাজেট। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আহম মুস্তফা কামালেরও এটি প্রথম বাজেট।

এর আগে শনিবার কয়েকটি কর প্রস্তাবে পরিবর্তন এনে পাস করা হয়েছে অর্থবিল। গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ও অর্থবিল-২০১৯ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

এবারের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। আজকের অধিবেশনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নিয়ে মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন মন্ত্রীরা।

রিফাত হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

ঢাকা অফিস : বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রাতে রাজধানী থেকে সাগর নামে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। রিফাত হত্যার ঘটনায় আলোচিত ফেসবুক গ্রুপ জিরো জিরো সেভেনের অন্যতম সদস্য সাগর।

পুলিশ জানায়, আটক সাগর সম্প্রতি পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তবে এখনো যোগদান করেননি।

এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মূল আসামি নয়ন বন্ডকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ পলাতক। গ্রেপ্তার ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আলোচিত এই হত্যার পরের দিন আসামি চন্দন ও হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার ১০ নম্বর আসামি রফিকুল ইসলাম রিফাতকে বরগুনা সোনালি পাড়া থেকে আটক করে র‌্যাব। এছাড়াও পটুয়াখালি থেকে সাইমুলকে আটক করেছে পুলিশ। এরমধ্যে চন্দন ও হাসানকে ৭দিন এবং নাজমুলকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বাকিদের ধরতে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে হামলা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার এবং বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরে রেড এলার্ট চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

রিট আবেদনটি করেছেন আইনজীবী ইউনুস আলী আখন্দ। আলোচিত এই হত্যার পরের দিন আসামি চন্দন ও হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার ১০ নম্বর আসামি রফিকুল ইসলাম রিফাতকে বরগুনা সোনালি পাড়া থেকে আটক করেছে র‌্যাব।

গত ২৬শে জুন স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। তারা রিফাতকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

রিফাত হত্যা: আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের জন্য রিট

ঢাকা অফিস : বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার মূল ৩ আসামিসহ ৯ জন এখনো পলাতক। গ্রেপ্তার ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এই হামলা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার এবং বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরে রেড এলার্ট চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

রিট আবেদনটি করেছেন আইনজীবী ইউনুস আলী আখন্দ। আলোচিত এই হত্যার পরের দিন আসামি চন্দন ও হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার ১০ নম্বর আসামি রফিকুল ইসলাম রিফাতকে বরগুনা সোনালি পাড়া থেকে আটক করেছে র‌্যাব।

এছাড়াও পটুয়াখালি থেকে সাইমুলকে আটক করেছে পুলিশ। এরমধ্য চন্দন ও হাসানকে ৭দিন এবং নাজমুলকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। বাকিদের ধরতে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ২৬শে জুন স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। তারা রিফাতকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

ফুলতলায় এমপি তন্ময়ের জন্মদিন পালিত

ফুলতলা অফিসঃ বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় এর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মঈনুল ইসলাম নয়ন, সাধারণ সম্পাদক এস কে সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রনেতা ইনামুল কবির, তুহিন কুন্ডু, তানভীর ভুইয়া, আহসান ইমন, সাজ্জাদ হোসেন, তাসমীর হোসেন, বিপুল সরদার, আলাউদ্দিন আকতার, ইলাহী, ইমন, মাসুদ, শান্ত, ইউসুফ প্রমুখ।

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিঃ সরকারের তালিকা প্রস্তুত

ঢাকা অফিসঃ চূড়ান্ত হয়েছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা। অপেক্ষা কেবল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির অনুমোদনের। তিনি অনুমোদন দিলেই তা ঘোষণা করা হবে। জানা গেছে এক সপ্তাহের মধ্যেই এ ঘোষণা আসতে পারে। সূত্র জানায়, এমপিওর চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে আগামী সপ্তাহে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যরা। এ বৈঠকের পরই তালিকাটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদনের জন্যও পাঠানো হবে। সেখানেই চূড়ান্ত হবে তালিকা। মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নীতিমালার কঠোর শর্তের কারণে যেন সুবিধাবঞ্চিত বা অনগ্রসর হাওর বাওড়, বিল অঞ্চল, নারী শিক্ষাসহ বিভিন্ন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদ না পড়ে, সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নীতিমালার কোনো কোনো শর্ত শিথিল করা হতে পারে। এ ছাড়া নীতিমালার শর্তেন কারণে যেসব উপজেলায় কোনো প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে চিহ্নিত করা যায়নি, সেসব উপজেলায় অন্তত একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে শর্ত শিথিল করে হলেও। এসব ক্ষেত্রে সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ও অনুমোদন নেয়া হবে। বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজারের বেশি। এগুলোতে কর্মরত প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর প্রতি মাসে বেতন ও কিছু ভাতা সরকার দিয়ে থাকে। এমপিওভুক্তি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি কর্মসূচি। এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষাবোর্ড স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে ৫ হাজারের মতো। এখানে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৮০ হাজারের মতো শিক্ষক-কর্মচারী। গত বছরের জুলাইয়ে জারি করা এমপিও নীতিমালা অনুসারে, এমপিওর জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়েছে ২ হাজার ৭৬২টি। এর মধ্যে বিদ্যালয় ও কলেজ ১ হাজার ৬২৯টি, মাদরাসা ৫৫১টি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান ৫৮২টি। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানের কয়টিকেই এবার এমপিওভুক্ত করতে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে মন্ত্রণালয়। এর বাইরে রাজনৈতিক বিবেচনায় আরো কিছু প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেয়া হবে। সর্বমোট ৩ হাজার প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দিতে প্রস্তুতি রয়েছে মন্ত্রণালয়ের। নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদন্নবী ডলার মুঠোফোনে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব কয়টি প্রতিষ্ঠানকেই যেন এমপিওর আওতায় নেয়া হয়। কারণ ২৫-২৬ বছর ধরে বহু শিক্ষক বিনা বেতনে চাকরি করছেন। তাদের বয়স প্রায় শেষের দিকে। এমপিও না মিললে এসব শিক্ষক পরিবার পরিজন নিয়ে ভয়ানক ক্ষতির মুখে পড়বেন।’
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ) সালমা জাহান বলেন, এমপিওর জন্য তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বসব। মন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই দু-এক দিনের মধ্যে এমপিওর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।