প্রেমের ফাঁদ: তরুণীকে গণধর্ষণ

ঢাকা অফিস : প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক গার্মেন্টস্কর্মীকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় এনে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়নের মালিখিল এলাকার একটি মৎস্য খামারের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ রবিবার বিকালে দাউদকান্দির বলদাখাল এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশ ও আসামিদের সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় গোলাম রাব্বি ও রাব্বি আহাম্মদ নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। সন্ধ্যায় তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় দুই এএসআই ও দুই কনস্টেবলসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পাইপগান, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর আগে আল আমিন নামে অভিযুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহরের পদ্মা গার্মেন্টসে অপারেটর পদে কর্মরত এক কর্মীর (২০) সাথে প্রায় এক বছর আগে ফেসবুকের সূত্র ধরে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মালিখিল গ্রামের রমিজ মিয়ার ছেলে গোলাম রাব্বীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত শুক্রবার রাব্বী ওই গার্মেন্টসকর্মীকে বিয়ে করবে, এ ব্যাপারে তার বাবা-মা সম্মতি দিয়েছেন, এজন্য সরাসরি দেখতে চায়- একথা বলে তাকে মোবাইল ফোনে দাউদকান্দি চলে আসার জন্য বলে। এতে গার্মেন্টসকর্মী ওইদিন বিকাল ৪টার দিকে বাসযোগে চট্টগ্রাম থেকে রওয়ানা করে রাত ১২টার দিকে দাউদকান্দি বাস স্টেশনে এসে পৌঁছেন। এসময় প্রেমিক গোলাম রাব্বী, তার বন্ধু আল আমিন ও রাব্বি আহাম্মদসহ কয়েকজন তাকে নিয়ে একটি সিএনজিযোগে রওনা করে। এরপর ওই গার্মেন্টসকর্মীকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ফিরে দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের মালিখিল এলাকার একটি মৎস্য খামারের অফিসকক্ষে নিয়ে যায়। তাদের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে গার্মেন্টসকর্মী শোর-চিৎকার শুরু করে। এসময় তারা ওড়না দিয়ে গার্মেন্টসকর্মীর মুখ চেপে ধরে প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শনে ভোর রাত ৪টা পর্যন্ত তাকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়। এদিকে এ ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মালিখিল গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে আল আমিনকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রবিবার বিকালে দাউদকান্দির বলদাখাল সুইস গেইট এলাকায় অভিযানে গেলে আসামিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায়। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে গোলাম রাব্বী ও রাব্বি আহাম্মদ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এসময় থানার এএসআই আমির হোসেন ও প্রদীপ এবং দুই কনস্টেবলসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে আহত গোলাম রাব্বী ও রাব্বি আহাম্মদকে সন্ধ্যায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, ৩ রাউন্ড গুলি, একটি রাম দা, একটি চাকু ও একটি ছোড়া উদ্ধার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নড়াইলে ছুরিকাঘাতে মোটর সাইকেল চালক নিহত

নড়াইল : নড়াইলে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক মোটর সাইকেল চালক নিহত হয়েছে। রবিবার মধ্যরাতে নড়াইল ফুলতলা সড়কের মাছিমদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মান্নান শেখ নড়াইলের বল্লারটোপ গ্রামের মৃত ইয়াকুব শেখের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটর সাইকেল চালানোর পাশাপাশি নড়াইল হোমিও কলেজের নাইট গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নড়াইলের কালনা ঘাট থেকে দুই যাত্রীকে ভাড়ায় ঠিক করে মির্জাপুরের দিকে যাচ্ছিল মান্নান শেখ। পথে মাছিমদিয়া জোড়া তেল পাম্পের সামনে মোটর সাইকেল থামিয়ে মান্নানকে ছুড়িকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। এসময় মান্নানের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নড়াইল সদর থানার এস আই হাবিব জানান, ‘নিহতের সুরতহাল রিপোট হয়েছে, ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে’।

সাতক্ষীরায় হাত-পা বাঁধা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার বাইপাসের কুচপুকুর এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সকালে কুচপুকুর এলাকার একটি ইটভাটা থেকে মুকুল হোসেন নামের ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফসিার ইনর্চাজ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন তারা। মুকুল হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় দুই ডজনের বেশি চুরির মামলা রয়েছে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি।

৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ

ঢাকা অফিস : রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয় বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।  সোমবার সকালে, রাজধানীর খামারবাড়িতে ‘বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিদপ্তর সংরক্ষণের এ উপপরিচালক জানান, ‘গেল এক বছরে নিয়মিত বাজার তদারকির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের প্রায় ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।’

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনের বিভিন্ন ধারায় অনেক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার পাশাপাশি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় বলেও জানান মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

এ অভিযান পরিচালনা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রতারণা রোধে ভোক্তা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সারা দেশেই তদারকি টিম গঠন করা হয়েছে। এই তদারকি টিম কখনো ক্রেতা সেজে, কখনো ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে ফার্মেসিগুলোর কার্যক্রম নজরদারির আওতায় রেখেছে।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি মনিটরিং করা হলেও জনবহুল এই দেশে তা নিশ্চিত করাটা কঠিন। এ সময়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ হামিদুর রহমান বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত কারো একার দায়িত্ব নয়, সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা ও আইনের শক্ত অবস্থান জরুরি।’

আলোচনায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সুপারমার্কেটের কর্ণধাররা উপস্থিত ছিলেন। ৭ই জুন সারা বিশ্বে ‘নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হয়। আর এবারই প্রথম বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ সুপারমার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এ দিবসটি পালন করে। এ উপলক্ষ্যে ওই দিন থেকেই সারা দেশের সুপার মার্কেটগুলোয় সপ্তাহব্যাপী ‘ভোক্তা সেবা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

ঘুষ নেয়ার অভিযোগে দুদক পরিচালক এনামুল বাছির বরখাস্ত

ঢাকা অফিস : ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। পুলিশের বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি  ঘুষ নেবার অভিযোগের তদন্তের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। একই সঙ্গে, এনামুল বাছিরকে ডিআইজি মিজানের তদন্ত থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তার স্থলে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেয়া হবে বলেও জানান দুদক চেয়ারম্যান।

সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ঘুষ দেয়া যেমন অপরাধ তা প্রকাশ করাও অপরাধ। এছাড়া প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজান। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

প্রায় দুই বছর আগে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিআইজি মিজানকে বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিললেও এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ঠাকুরগাঁওয়ে মাইক্রোবাস-মোটরসাকেল সংঘর্ষে নিহত ১

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিপুল রায়(২২) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে মোটরসাইকেলে থাকা আরেক আরোহী।

সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ঠাকুরগাঁও-সেতাবগঞ্জ রোডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সদর থানার এস.আই সিরাজ উদ দৌলা।

নিহত বিপুল রায়(২২) উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের রথিন রায়ের ছেলে ও আহত অনিমেশ রায় (১৪) একই গ্রামের পরিমল রায়ের ছেলে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার এস আই সিরাজ উদ দৌলা জানান, সকালের দিকে মাইক্রোবাসটি শহর থেকে সেতাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় অপর দিক থেকে আসা মোটরসাইকেল আরোহী দুইজন খোচাবাড়ির দিকে আসলে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলে মারা যায় চালক বিপুল। পরে আহত অনিমেশকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

এদিকে সেই মাইক্রোবাসকে আটক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান এই এসআই।

কয়রায় ছাত্রলীগের দু’ পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২

কয়রা প্রতিনিধি : কয়রায় ছাত্রলীগ সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ কে নিয়ে কটুক্তি করায় দু’ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২ জন আহত হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার কাশিয়াবাদ ফরেষ্ট স্টেশনের সামনে সুতি বাজারে রবিবার সন্ধ্যার পর। খবর নিয়ে জানা গেছে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন রবিবার সন্ধ্যার পর সুতি বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়কালে সাবেক ছাত্রলীগ সেক্রেটারী আলামিনের ভাই কালাম (৩৫) সভাপতি সম্পার্কে আজে বাজে মন্তব্য করলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। এ সময় সভাপতির সাথে থাকা ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রতিবাদ করতে গেলে কালাম তাদেরকে মারতে শুরু করলে স্থানীয় মেম্বর ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি অহিদ দু’ পক্ষকে থামাতে চেষ্টা করেন, কিন্তু দু’ পক্ষই উত্তেজিত হয়ে এগিয়ে আসায় সংঘর্ষ শুরু হয় এবং দু’ পক্ষের ২ জন অথ্যাৎ কালাম ও মেম্বর অহিদ মোড়ল আহত হয়। সূত্র জানায় ঘটনার পর দু’ পক্ষ আহতদের নিয়ে প্রথমে জায়গীরমহল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে কর্তব্যরত ডাক্তার রাতেই দু’ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং দু’ পক্ষের দু’ জনই চিকিৎসাধীন আছে। তবে দু’ পক্ষের কেউই মামলা করে নি বলে জানা গেছে। এ বিষয় কয়রা থানায় কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার পর পুলিশ সুতি বাজারে পৌছানোর আগেই দু’ পক্ষই বাজার ছেড়েছে। ছাত্রলীগ সভাপতি সালাউদ্দিন জানায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলামিনের ভাই কালাম উস্কানি দিয়ে ঘটনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে এবং জামাত বিএনপির লোকজন নিয়ে তাদের উপর হামলা চালিয়ে মেম্বর কে পিটিয়ে আহত করেছে। তিনি বলেন, মেম্বর দু’ পক্ষকে মিটিয়ে দিতে চেষ্টা করলেও কালাম তার উপর হামলা চালায়।

দাকোপে ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৭

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপে পুলিশের অভিযানে ৩ ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। এ ব্যাপারে এস আই আল মামুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে আসামীদের জেল হাজতে প্রেরন করেছে।
দাকোপ থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিবাগত রাতে দাকোপ থানার এস আই আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে অভিযানে যায়। রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে বটবুনিয়া মানস গোলদারের বাড়ী সংলগ্ন রাস্তায় ৩ মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে তারা গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল তিলডাঙ্গার সাধুচরন রায়ের পুত্র সুদ্বীপ্ত রায় (২৫), চালনা আছাভুয়ার নাহিদ হাসান (২২) এবং কল্যানশ্রী বটিয়াঘাটা উপজেলার কাদের শেখের পুত্র রাসেল শেখ (২২)। এ সময় তাদের দেহ তল্লাশী করে ৬ পিচ ইয়াবা পাওয়া যায়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। এ ব্যাপারে এস আই আল মামুন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছে। যা দাকোপ থানার মামলা নং ৪। অপরদিকে থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে সকল আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নামে করে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ

ইন্দ্রজিত টিকাদার, বটিয়াঘাটা : বটিয়াঘাটা উপজেলায় দক্ষিণ খুলনা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড এর এক অংশের ১১ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আলোচনা সভা সোমবার বেলা ১১ টায় স্থানীয় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে সমিতির সভাপতি হাশেম মলঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মৎস্যজীবি জেলে সহ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ খুলনা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি বিভিন্ন সময় মৎস্য অধিদপ্তর, কোষ্টগার্ড, জেলে ও মৎস্যজীবি কার্ড করিয়ে দেয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা বানিজ্যের অভিযোগ করেছে একাধিক ভুক্তভোগী। দক্ষিণ খুলনা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সদস্য পুটিমারী এলাকার মৎস্যজীবি ত্রিদীপ রায় জানান, বর্তমান সভাপতি হাশেম মৌলঙ্গী জেলে ও মৎস্যজীবি কার্ড করিয়ে দেয়ার নাম করে ১৯ জনের কাছ থেকে ৩৮ শত টাকা আদায় করেছে। এছাড়া একই এলাকার প্রদীপ, গৌরঙ্গ রায় ও রাম মন্ডলকে নদীতে মাছ মারা বন্ধ কালীন সময়ে গোপনে মাছ মারতে দেওয়ার কথা বলে ২২ শত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা সমিতির কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও অর্থ বানিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ আরেকটি নতুন কমিটি ঘোষণা করে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। এছাড়া এক অংশের সভাপতি হাশেম মোলঙ্গীর বিরুদ্ধে সমিতির নামে বিভিন্ন জলাশয় ক্রয় করে সাব লিজ দিয়ে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শাহীন জানান, সরকারি রাজস্ব দিয়ে কাটাখালি জলাশয় লিজ নিয়ে মৎস চাষ পূর্বক জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। কিন্তু হাশেম মলঙ্গী অন্য খাল কিনে আমার খাল দখল করার জন্য সম্প্রতি কয়েকদিন আগে তিনি আমার লীজভুক্ত মৎস্য খামারে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ইউএনও ও এসিল্যাড সহযোগীতায় উক্ত সাইনবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়। এ ব্যাপ্যারে মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি হাশেম মলঙ্গী বলেন, আমি কোন মৎস্যজীবির কাছ থেকে চাঁদা স্বরূপ কোন ধরনের কোন টাকা আদায় করি নাই, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ ষড়যন্ত্র মাত্র। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মোঃ মনিরুল মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সোমবারের মৎস্যজীবি সমিতির আলোচনা সভার অনুষ্ঠানের সাথে আমাদের মৎস্য অধিদপ্তরের কোন সর্ম্পক নেই। আর আমাদের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি কেউ অর্থ বার্নিজ্য করে তা হলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ জিয়াউর রহমান জানান, কোন মৎস্যজীবি সমিতি প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে যদি অর্থ বার্ণিজ্য করে এবং তা প্রমানিত হলে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ মৎস্যজীবি সমিতির এ সকল অনিয়ম ও অর্থ বার্ণিজের বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছে।

ইয়াবাকে বলা হচ্ছে বড় মাছ-ছোট মাছ : দাম বেড়েছে মাদকের

কৌশল পল্টাচ্ছে মাদক কারবারীরা

কামরুল হোসেন মনি : ‘চলে যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ শ্লোগানে দেশব্যাপী চলছে মাদকবিরোধী অভিযান। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিদিন কোথাও না কোথাও অভিযান চালাচ্ছে। গ্রেফতার করছে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের। অভিযানের কারণে নতুন নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছে মাদক কারবারীরা। নগরীতে মাদকের সরবরাহ কমেছে। মাদক ব্যবসায়ীরা আশ্রয় নিচ্ছে গ্রামে। তাছাড়া অভিযানে মাদকের জোগান যেমন কমেছে, তেমনি বেড়েছে ফেনসিডিল, ইয়াবা, হোরোইন ও গাঁজার দামও। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোবাইল ট্র্যাকার সুবিধা না থাকার কারণে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা অভিযানে আটক হলেও পৃষ্ঠপোষকতারা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এ কারণেই এই দপ্তরে মোবাইল ট্র্যাকার ব্যবস্থার জন্য স্বারাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
জানা গেছে, গত মে মাসে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘ক’ ও ‘খ’ সার্কেল এবং বিভাগীয় গোয়েন্দা বিভাগ অভিযান চালিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১৫৩টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৩৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। মামলা দায়ের করা হয় ৩৪টি। মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪৬২ গ্রাম গাজা, গাজা খাওয়ার সরঞ্জাম, গাজার গাছ ২টি, ইয়াবা ৪৫০ পিস এবং ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় ২শ’ মিলি গ্রাম। অভিযানের সময় খুচরা ও পাইকারি মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার হলেও পৃষ্টপোষকতারা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে মোবাইল ট্র্যাকার ব্যবস্থা না থাকার কারণে মাদক বিক্রির পৃষ্ঠপোষকতার মোবাইল ট্র্যাকিং করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মাদক বিকিকিনির গডফাদার ও পৃষ্টপোষকতারা পার পেয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (অপারেশন) মোঃ বজলুর রহমান রোববার দুপুরে এ প্রতিবেদককে বলেন, তাদের সংস্থার কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদকসহ মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের আটক করছেন। গ্রেফতার এড়াতে মাদক ব্যবসায়ীরা ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছেন। যার কারণে অভিযানে আগেই তারা স্থান ত্যাগ করছেন। আমাদের মোবাইল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা থাকলে খুব সহজে মাদক ব্যবসায়ীদের অবস্থান সনাক্ত করা যেতো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে মোবাইল ট্র্যাকার ব্যবস্থার করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। আশাকরি খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবেন।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান রোববার এ প্রতিবেদককে বলেন, অন্য সব আইন শৃঙ্খলাবাহিনীতে নিজস্ব ট্র্যাকার মেশিন রয়েছে। যার কারণে তারা মোবাইল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে অপরাধিদেরকে খুব সহজে সনাক্ত করতে পারছেন। আমাদের মোবাইল ট্র্যাকার থাকলে মাদক ব্যবসায়ীদের অবস্থান সনাক্ত করতে সহজ হতো।
এদিকে মাদক বেচাকেনার স্পটগুলোর ওপর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অব্যাহত নজরদারির কারণে বিক্রেতারা নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। জানা গেছে, শহরের মাদক ব্যবসায়ীরা শহরতলী ও দুর গ্রামে আশ্রয় নিয়ে মাদক তুলে দিচ্ছে আসক্তদের হাতে। অভিযান শুরুর পর গ্রেফতার এড়াতে শহর ছেড়ে গ্রামে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে অধিকাংশ মাদক ব্যবসায়ী। তারা এখন মাদক কেনা-বেচা করছেন বিকাশের মাধ্যমে। মোবাইলের মাধ্যমে মাদকসেবীদের গ্রামে ডেকে নিয়ে মাদক কেনাবেচা করছে। শহরের মধ্যে স্কুল ছাত্রদেরকে টাকার বিনিময়ে মাদক এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠাচ্ছেন। অভিযানের কারণে মাদকের দাম বেড়েঠে দণন-তিনগুন। ৮০-১০০ টাকার ইয়াবা এখন ২০০-৩৫০ টাকা, ফেনসিডিল ৬০০-৮০০ টাকার পরিবর্তে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গাজা ২৫ গ্রাম ৯০০-১২০০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো: মোসাদ্দেক হোসেন জানান, ভিন্ন কৌশলে মাদক বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন পেশার আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনা হচ্ছে। তিনি গত ১২ মে নগরীর রয়েল মোড় ডাচ বাংলা ব্যাংক এটিএম বুথের সামনে থেকে ফেনসিডিলসহ শুভ সাহা বদ্যে নামে এক ফেনসিডিল ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত শুভ ঈগল কাউন্টারের টিকিট বিক্রি করতো। এই পেশার আড়ালে সে ফেনসিডিল বিক্রি করতো। গত ৬ মাস ধরে ফেনসিডিল বিক্রির জড়িত বলে শুভ স্বীকার করেন। উপ-পরিদর্শক মো: মোসাদ্দেক হোসেন জানান, মাদক বিক্রেতারা এখন ইয়াবার নামের পরিবর্তে ‘বড় মাছ-ছোট মাছ, কবুতর শব্দগুলো ব্যবহার করছেন। মাদক ব্যবসায়ীদের ভাষায় বড় মাছ হচ্ছে ইয়াবা (আর-সেভেন) দাম সাড়ে ৩শ’ টাকা এবং ছোট মাছ হচ্ছে ইয়াবা (এমডাব্লিউ)। মাদক বিক্রেতারা বিকাশের মাধ্যমে মাদকসেবীদের কাছ থেকে টাকা লেনদেন করছেন।
‘খ’ সার্কেলের পরিদর্শক মোঃ সাইফুর রহমান রানা জানান, প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা এখন বাসায় কোন মাদক রাখছেন না। ৮ম শ্রেনী এক স্কুল ছাত্রদেরকে দিয়ে ইয়াবা সাপ্লাই দিচ্ছে। এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করলে স্কুল ছাত্রদের মাদক বিক্রি করা হচ্ছে বলে স্বীকার করেন। বর্তমানে মাদক তিন হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে মাদক সেবিদের হাতে। পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা মাঝে মধ্যে আটক হলেও মাদকের মুল পৃষ্টপোষকতারা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে। মাদক বিক্রেতারা রিমান্ডেও সহজে স্বীকারও করছেন না। আমাদের সংস্থায় ট্র্যাকার মেশিন থাকলে তাহলে ওই পৃষ্টপোষকতার মোবাইল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে তাকে সহজে সনাক্ত করা যেতো।
‘ক; সার্কেলের পরিদর্শক মোহাম্মদ হাওলাদার সিরাজুল ইসলাম বলেন, মোবাইলে মাধ্যমে মাদক বিক্রি ও টাকার লেনদেন হওয়ার কারণে মাদক বিক্রেতাদের ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে। তারা ঘন ঘন স্পষ্ট পরিবর্তন করছেন। তারপরেও আমাদের অভিযানে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের আটক করা হচ্ছে।
জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক বিরোধী অব্যাহত অভিযান এবং বন্দুকযুদ্ধে নিহতের ঘটনার পর শহরে মাদক ব্যবসা কমে গেছে। তবে মাদকাসক্তদের চাপ বেড়েছে গ্রামে। শহর ছেড়ে এখন গ্রামে মাদকের খোজে যাচ্ছে আসক্তরা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মটরসাইলে নিয়ে মাদকের খোজে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাদক সেবারীরা। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নির্ধারিত স্পষ্টগুলোতে যাচ্ছে তারা।