তালায় সাইকেল ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ : আহত ১

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের তালা উপজেলা ত্রিশ মাইল নামক স্থানে মোটর সাইকেল ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী ডিশ লাইন স্টার কেবলসের ম্যানেজার কামরুল ও কর্মচারি নান্নু নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন অ্যাম্বুলেন্সের ড্রইভার হজরত আলী।
নিহতরা হলেন, শহরের লস্করপাড়া এলাকার আবুল বাশারের ছেলে কামরুল হাসান (৩৫) ও উত্তর কাটিয়া এলাকার এমদাদ আলীর ছেলে নান্নু (৩৪)।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম জানান, নিহত মোটর সাইকেল আরোহী সাতক্ষীরার ডিশ লাইন স্টার কেবলসের ম্যানেজার কামরুল ও কর্মচারি নান্নু। তারা একটি মোটর সাইকেলে তালা থেকে সাতক্ষীরায় ফিরছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে যাওয়া একটি অ্যাম্বুলেন্সের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন গুরুতর আহত হন। তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্থানীয় সিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তারা মারা যান।
ময়না তদন্তের জন্য লাশ দুটি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি আরো জানান।

দুধে অ্যান্টিবায়োটিক !

ঢাকা অফিস : পাস্তুরিত তরল দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার এবং ফার্মেসি অনুষদের ল্যাবরেটরিতে পরিচালিত খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষার ফলাফলে উঠে এসেছে এই তথ্য।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে সংবাদ সম্মেলনে বাজার থেকে সংগ্রহ করা ৮টি খাদ্যপণ্যের ফলাফল প্রকাশ করতে গিয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। পরীক্ষায় ৭টি পাস্তুরিত দুধের নমুনার মধ্যে ৬টিই মানোর্ত্তীণ হতে ব্যর্থ হয়েছে। ৭টিতেই মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফরমালিন এবং ডিটারজেন্টও পাওয়া গেছে এসব দুধে।

এছাড়া নামি-দামি ব্র্যান্ডের ঘি, সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, গুঁড়া মশলায় পাওয়া গেছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ। বাজারে বেশি বিক্রি হয়, এমন ১১টি ফ্রুট ড্রিকংসের মধ্যে ৩টিতে পাওয়া গেছে কলিফর্ম।

বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার এবং ফার্মেসি অনুষদের পরিচালক আ ব ম ফরুক বলেন, ‘দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের পরীক্ষায় ব্যবহৃত ৭টি দুধের মধ্যে ৭টিতেই অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে।’

অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ঢাকা অফিস : দেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে প্রসূতির অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের বেঞ্চে বুধবার শুনানির কথা রয়েছে। রিটে প্রসূতি মায়েদের সন্তান জন্মদানের জন্য অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান সেকশন কেনো বন্ধ ঘোষণা করা হবে না, সরকারের কাছে এর কারণ জানতে চেয়ে রুল জারির জন্য হাইকোর্টের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার সুমন তার রিটে উল্লেখ করেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অপ্রয়োজনে শুধু ব্যবসার উদ্দেশে প্রসূতি মায়েদের সিজার করানো হয়। গত বছর দেশের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে ৭৭ শতাংশ অপ্রয়োজনীয় সিজার করা হয়েছে, যা আশঙ্কাজনক। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশের বাস্তবতায় সিজার হওয়ার কথা ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ। অথচ সিজার হচ্ছে ৫১ শতাংশ। আগামীকাল এই রিটের শুনানি হতে পারে।