ফুলতলায় থ্রি-হুইলার চলাচলের দাবিতে মানববন্ধনঃ ৫ শতাধিক চালকের পরিবার অনাহারে

ফুলতলা অফিসঃ খুলনা যশোর মহাসড়কের ফুলতলা শেষসীমানা থেকে পথের বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তায় থ্রি-হুইলার চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়কের ফুলতলা বাসষ্টান্ড এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী এক মানব বন্ধন কমূসূচি পালিত হয়।

ফুলতলা বাজার বণিক কল্যাণ সোসাইটির আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সহসভাপতি রবিন বসু। কর্মসূচির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খান, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, ওয়ার্কার্স পার্টি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গাজী নওশের আলী। বণিক কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মনির হাসান টিটোর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সাহিদুল ইসলাম মোল্যা, শ্রমিক নেতা ওয়াহিদ মুরাদ পিন্টু, সনজিৎ বসু, মারুফ মোল্যা, শিক্ষক সুবোধ বসু, মনিরুল ইসলাম সরদার, সুমন মোল্যা, বণিক নেতা মাসুম শেখ, তারেক হাসান নাইচ, আলমগীর খান, রকিবুল ইসলাম, শাহিন শেখ, ইলিয়াস মোল্যা, তৈহিদুর রহমান মিলন প্রমুখ। প্রসঙ্গতঃ পথের বাজার-ফুলতলা টু শেষসীমানা পর্যন্ত থ্রি-হুইলার ও ইজিবাইক চলাচলে সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় থানা পুলিশ ১লা জুলাই থেকে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করে দেয়। ফলে অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী সাধারণ জনগণের যাতাযাতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। তাছাড়াও গাড়ী চালাতে না পারায় এই এলাকায় ৫ শতাধিক থ্রি-হুইলার-ইজিবাইক ও ভ্যানচালক পরিবার অনাহারে ও অর্ধহারে দিন কাটাচ্ছে। ফুলতলার সর্বস্তরের জনগণ বিলম্বে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মহাসকের ফুলতলা শেষসীমানা থেকে পথের বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তায় থ্রি-হুইলার চালু রাখার দাবি জানান।

নুসরাত জাহান রাফির যৌন হয়রানির মামলার আদালত পরিবর্তন

ঢাকা অফিস : ফেনী সোনাগাজী মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে নুসরাতকে যৌন হয়রানি মামলার অভিযোগপত্র সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে, এখন থেকে নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানির মামলাটির বিচার কাজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চলবে।

গতকাল বুধবার বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই’র পরিদর্শক মো. শাহ আলম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ্য সিরাজউদ্দোউলাকে একমাত্র আসামি করে এ অভিযোগপত্র দেন।

পরে, আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণ বা বাতিল করার এখতিয়ার না থাকায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।

এর আগে, নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলাটিও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা  হয়।

প্রসঙ্গত, মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে গত ২৭শে মার্চ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এরপর, গত ৬ই এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে যান নুসরাত। তখন কৌশলে তাকে ৪-৫ জন বোরকা পরিহিত ব্যক্তি ছাদে ডেকে নিয়ে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে, ফেনী সদর হাসপাতালে থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। এরপর, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ই এপ্রিল রাতে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

পরে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান। এ মামলায়, পিবিআই ও পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া পাঁচজনসহ ১২ জন আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

খুলনা জেলা সুনাম কমিটির নিন্দা

বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বারাত গ্রামের পুষ্প রানী দাসকে ধর্ষণের পর হাত ও পায়ের সব আঙুল কেটে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর গায়ে দুর্বিত্তরা কেমিকেল ঢেলে পুড়িয়ে দেয়।  গত জুন ২১, দুপুরে এক পাটক্ষেতে তার অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুষ্প রানীর মৃত্যুর ঘটনায় তার ছেলে জয়দেব দাস বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে তালা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
এই নেক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে বিবৃতি প্রদান করেছে খুলনা জেলা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) কমিটির নেত্রীবৃন্দ। উক্ত বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা জেলা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) কমিটির সভাপতি এ্যাড: অলোকানন্দা দাস, সহ-সভাপতি সাংবাদিক সুনীল দাশ, সহসভাপতি প্রভাষক পঞ্চানন ম-ল, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রনি, সহসাধারণ সম্পাদক এ্যাড: নুরুন নাহার পলি ও এনজিও কর্মকর্তা পলাশ দাশ, কোষাধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম বাপী, মানবাধিকার সম্পাদক এ্যাড: পপি ব্যানার্জি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিংটন ম-ল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শরীফ খান, কার্যকারী সদস্য যথাক্রমে মাহফুজুর রহমান মুকুল, মাহবুব আলম বাদশা, ফরহাদ হোসেন মিটন,শেখ হাসান মাহফুজ, তাপসী রাবেয়া, এসএম সোহেল ইসহাক, মিজানুর রহমান স্বপন, অনুপম সরকার, সাগর সেন, রিপন দাস, জগন্মাথ কর্মকার, বেনজির আহমেদ মুকুল, রোজি গাইন, জি এম রাসেল ইসলাম, মিঠুন দাস।

পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া ‘নয়ন বন্ডরা’ তৈরি হয় না: হাইকোর্ট

ঢাকা অফিস : পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া একদিনে ‘নয়ন বন্ডরা’ তৈরি হয় না বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। তবে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছে আদালত। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এসব মন্তব্য করে।

হাইকোর্ট বলেছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আদালতের পছন্দ নয়। সকালে রিফাত হত্যার বিষয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

তিনি আদালতকে জানান, এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  অন্য আসামিরা যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য দেশের সব বন্দর ও সীমান্তে নজরদারি করছে আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এসময় আদালত বলেছে, এ ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।

খুলনায় পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি বন্ধে নানা পদক্ষেপ : বয়স ভেদে ই-পাসপোর্ট চালুর অপেক্ষায়

কামরুল হোসেন মনি : খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস দালালমুক্ত ও হয়রানি বন্ধে র‌্যাব ও দুদকের অভিযানের কারণে দালাল চক্র কৌশল বদল করেছে। কর্তৃপক্ষও গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। অফিস চত্বরে সিসি ক্যামেরাসহ অডিও রেকর্ডের মাধ্যমে সতর্কতামূলক বার্তা প্রচারণা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছেন। পাসপোর্ট করতে এসে এ পর্যন্ত ৪ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।
এদিকে চলতি জুলাই মাসেই পাসপোর্টের মেয়াদ বয়স ভেদে ৫ ও ১০ বছর করার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ১৮ বছরের নিচে ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট এবং ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের জন্য ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে এই সেবাটি।
খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোঃ আবু সাইদ এ প্রতিবেদককে বলেন, পাসপোর্টের মেয়াদ বয়স ভেদে ৫ ও ১০ বছর করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১৮ বছরের নিচে ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট এবং ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের জন্য ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট দেওয়া হবে। এই সেবা দিতে আমদের সবকিছুতেই প্রস্তুতি রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পেলেই জুলাই মাসে যে কোনো দিন থেকে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হবে। তিনি বলেন, দালালমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে অফিসটাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা, সাধারণ গ্রাহকরা যাতে দালালদের খপ্পরে না পড়েন সে জন্য অডিও গাইড লাইন্স প্রচারণা ও ডিজিটাল সিস্টেম প্যানা প্রদর্শন ও নাগরিকদের হাতে সেবার কার্যক্রমবিষয়ক লিফলেট সম্বলিত বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। সতর্কতার সাথে কাজ করার কারণে পাসপোর্ট করতে আসা এ পর্যন্ত ৪ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। দালালদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ দিলে সাথে সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
ই-পাসপোর্ট চালু হলেই এমআরপি পাসপোর্ট বাতিল হবে না বলে জানায় পাসপোর্ট অধিদফতর। তবে নতুন করে কাউকে এমআরপি পাসপোর্ট দেওয়া হবে না। যাদের এমআরপির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে তারা নবায়ন করতে গেলে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে এমআরপি পাসপোর্ট তুলে নেওয়া হবে।
খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস সূত্র মতে, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস খুলনা ও এর আওতাধীন ৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস হতে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গত ৩ বছরে ৮ লাখ ৭০ হাজার ৬৯১টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ইস্যু হয়েছে। এর বিপরীতে সরকারের ২শ ৯৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকা রাজস্ব আয় হয়। এই সময়ের মধ্যে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস খুলনা হতে ১ হাজার ৩৫৫টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩২৩ টাকা রাজস্ব অর্জিত হয়। খুলনা বিভাগীয় অফিসে গত ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯২৮টি এমআরপি ইস্যু হয়েছে। এর বিপরীতে সরকারের রাজস্ব অর্জিত হয় ৪৯ কোটি ৬ লাখ ১৫ হাজার ৫৭২ টাকা।
পাসপোর্ট অফিস সূত্র মতে, বর্তমানে সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট করতে ভ্যাট বাদে তিন হাজার ও ছয় হাজার টাকা ফি দিতে হয়। এবার পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট নিতে সাড়ে ৫ হাজার ও ১১ হাজার টাকা ফি লাগবে। এর সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত হলে সাধারণ পাসপোর্ট করতে ৬ হাজার ৩২৫ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টে ১২ হাজার ৬৫০ টাকা খরচ হবে।
সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ফিচার থাকবে। বর্তমানে এমআরপি ডাটা পেজে যেসব তথ্য আছে, তা ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে। এই ই-পাসপোর্টের মেয়াদ বয়স অনুপাতে ৫ ও ১০ বছর হবে।
সূত্র আরও জানায়, বর্তমান এমআরপি ব্যবস্থা থেকে ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থায় উত্তরণ ঘটলে বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঝামেলাবিহীনভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। কারণ ই-পাসপোর্ট এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান বইয়ের সঙ্গে একটি ডিজিটাল পাতা (ডাটা পেজ) জুড়ে দেওয়া হবে।
ওই ডিজিটাল পাতায় উন্নতমানের মেশিন রিডেবল চিপ বসানো থাকবে। এতে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য। ডাটা পেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরনের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশও। ভ্রমণকালে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবেন।
তাছাড়া সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। ঝামেলাহীনভাবে ই-গেট ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করা যাবে।