গুগল ম্যাপের ভয়েস নেভিগেশন এখন বাংলায়

ঢাকা অফিস : বাংলাদেশের মোটর আরোহী ও চালকদের জন্য আলাদা পথ নির্দেশনা, বাংলাভাষায় দিক নিদের্শনা সুবিধাসহ গুগল ম্যাপে বেশ কয়েকটি নতুন ফিচার চালু করেছে আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল। মঙ্গলবার দুপুরে, রাজধানীর একটি হোটেলে এই সেবাগুলো উদ্বোধন করে গুগল ম্যাপস এর দক্ষিণ এশিয়ার একটি দল।

নতুন এসব সেবার আওতায় মোটর সাইকেল চালককে এখন থেকে সবচেয়ে সুবিধাজনক রাস্তা এবং গন্তব্যে পৌছানোর সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেবে গুগল। রাইড শেয়ার করার সময়, গুগল ম্যাপে যাত্রীর বেঁধে দেওয়া রুট থেকে বেশি দুরে গেলেই  সতর্ক বার্তা পাঠাবে অ্যাপটি।

এছাড়া চলার রাস্তা নির্ভুল করতে যাত্রীকে বাংলায় পথেরে দিক নির্দেশ দেবে। এছাড়া তরুণদের  কর্মসংস্থান বাড়াতে,’কর্ম’ নামের আরেকটি বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে গুগল ম্যাপে।

তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবা প্রদান ও  ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে, গুগলকে বাংলাদেশে অফিস খোলার আহবান জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক।

আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ: যেভাবে মোবাইলে জানা যাবে

ঢাকা অফিস : আগামীকাল বুধবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। বুধবার সকালে, সকল বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন। এরপর, বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।

দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট- http://www.educationboard.gov.bd থেকে ফল জানতে পারবেন।

ওয়েবসাইট ছাড়াও বরাবরের মতোই যে কোনো মোবাইল ফোন থেকেও এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসির ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এরপর, ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে।

আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার ফল জানতে Alim লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর স্পেস ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে  হবে। এরপর, ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।

এছাড়া, এইচএসসি ভোকেশনালের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।

এই মাধ্যম ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-মেইল করে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। এবারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

দাকোপে সরকারি বেসরকারি অফিসে ঘুষ দূর্নীতি বেড়েছে

দাকোপ,খুলনা।: বেশ কিছুকাল যাবৎ দাকোপে সরকারি ও বেসরকারি বেশ কিছু গুরুত্ত্বপূণর্ অফিসে অনিয়ম ঘুষ দূর্ণীতি বেড়েই চলেছে।জানা গেছে,দীর্ঘকাল একই কর্মস্থল দাকোপে চিহ্নিত কিছু কর্মকর্তা কর্মচারি চাকরী করায় এবং ক্ষমতাশীন সরকারী দলে চরম গ্রুপিং এর সুযোগে সরকারি বেসরকারি সব ধরনের অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা এ সুযোগ নিয়ে ফ্রিষ্টাইলে অফিসে ঘুষ,দূর্নীতি,অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকার অভিজ্ঞ মহলের অভিমত।এলাকার ভুক্তভোগিদের অভিযোগ দাকোপের চালনা হাসপাতাল,পিআইও অফিস,প্রাণী সম্পদ অফিস,মৎস্য অফিস,এলজিইসহ গুরুত্বপূর্ণ সকল অফিসে কোন শৃখলা নেই ফ্রিষ্টাইলে যাচ্ছেতাই অবস্থায় অফিসগুলি পরিচালিত হচ্ছে। হাসপাতাল সহ আবার বেশ কয়েকটি অফিসে দালালের আনাগোনা থাকে সার্বক্ষণিক।হাসপাতালে আবার দালাল ব্যাতিত দুরদুরন্ত থেকে আসা নতুন লোকজনের কোন কাজ হয় না।আবার হাসপাতাল লাগোয়া ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের দালালদেরও রয়েছে দৌরাত্ম,চিহ্নিত কয়েকজন মহিলা, পুরুষ দালাল,রোগী আসলে এরা কৌশলে তাদের ম্যানেজ করে ফেলে পরে তাদের নানা ভাবে ফাঁসায়, এয়াড়া এ হাসপাতালের বড় আর একটি অভিযোগ হলো দীর্ঘকাল দাকোপ হাসপাতালে চাকরিরত নার্সদের অসদাচারন,সেবা দুরের কথা এদের আচরনে রোগীরা অতিষ্ট,আতঙ্কিত।অপরদিকে উপজেলা পরিষদের মূল অফিসের কিছু ছোট কর্মচারি যারা দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর যাবৎ একই কর্মস্থলে থেকে তাদের রামরাজত্বে সকলশ্রেণীর মানুষ অতিষ্ঠ।অপর দিকে দাকোপের ৩২ ও ৩৩ নং পোল্ডারে ওয়াপদায় চলতি কোটি কোটি টাকার কাজেও অনিয়মের পাশাপাশি প্রতিরাতে লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল তসরুফ ও চুরির হিড়িক চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয় সাবেক চেয়ারম্যান ও সিনিয়র আওয়ামীলীগনেতা সঞ্জয় মোড়ল ও সমরেশ রায় এ বিষয় বলেন সেই রাস্তার ইট চুরি করে বিকরি থেকে শুরু করে ্এখন রড়,লালবালি,সিমেন্ট গায়েব করা হচ্ছে,নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের বাড়ি তল্লাসি করলে টন টন রড় ও পাথর পাওয়া যাবে।দেখার কেউ আছে বলে মনে হয় না যা দেখবে তারাই খাচ্ছে। কতৃপক্ষের আশু দৃষ্টি আকর্ষন করা গেল।

বটিয়াঘাটায় ৩ দিন ব্যাপী জাতীয় বৃক্ষ মেলার উদ্ভোধন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ফলজ বৃক্ষ রোপন পক্ষ ২০১৯ উপলক্ষে ৩ দিন ব্যাপী জাতীয় বৃক্ষ মেলার শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় স্থানীয় পরিষদ মাঠ চত্ত্বরে নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খান। কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমীন ও শামীম আরা নিপার সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যানদ্ব নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিঃ উপ-পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস, খাদ্য কর্মকর্তা সরদার হাফিজুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিপাশা দেবী তনু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সরদার আঃ মান্নান,আঃ হাই খান, কমলেশ বালা, মিহির বৈরাগী, দীপন রায়, কৃষ্ণপদ, মুজিবর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ঈমন আলী, সাংবাদিক মহিদুল ইসলাম শাহীন, এস,এম ভুট্টো, আহসান কবীর, শাহিন বিশ্বাস, পরিতোষ রায়,বুদ্ধদেব মন্ডল,ইমরান হোসেন বীরমুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন রায়, প্রধান শিক্ষক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকার, রুপান্তর কর্মী দীপ্তি রানী রায়, স্বেচ্ছা সেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, বিদ্যুৎ বিশ্বাস প্রমূখ। অনুষ্ঠান উদ্ধোধন শেষে অতিথি বৃন্দ কৃষাণ ও কৃষানীর মাঝে ফলজ চারা বিতরণ ও মেলার স্টল পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানের পূর্বে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী উপাজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক সমূহ প্রদক্ষিণ করেন।

রংপুরেই দাফন হচ্ছে এরশাদের

ঢাকা অফিস : নেতাকর্মীদের দাবির মুখে অবশেষে পল্লীবন্ধু এরশাদের দাফন করা হচ্ছে রংপুরের পল্লীনিবাসেই। আজ রংপুরে এরশাদের চতুর্থ ও সবশেষ জানাজা শেষে স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবির মুখে এ ঘোষণা দেয়া হয়। এরশাদের দাফন রংপুরেই করার বিষয়ে তাঁর স্ত্রী রওশন এরশাদ সম্মতি দিয়েছেন বলে জাতীয় পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের ডেপুটি প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী জানান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতি রংপুরের মানুষের আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতাবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরেই দাফন করতে অনুমতি দিয়েছেন রওশন এরশাদ। এরশাদ পত্নী আরও জানান, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতি রংপুরের গণমানুষের ভালোবাসা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তাদের আবেগ ও অনুরোধেই রংপুরে পল্লীবন্ধুকে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এমনকি,  হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবরের পাশে বেগম রওশন এরশাদ তার কবরের জন্য জায়গা রাখতেও অনুরোধ জানিয়েছেন বলেও জানান খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

এর আগে, রংপুর জেলা কালেক্টরেট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেয়। সেখানে জানাজা শুরুর আগে থেকেই এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবিতে বিশৃঙ্খলা শুরু করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এমনকি, জানাজার পর অনেকক্ষণ মরদেহবাহী গাড়ীটি আটকে রাখা হয় মাঠেই। বহু চেষ্টার পর তার মরদেহ নেয়া হয় এরশাদের বাড়ি পল্লী নিবাসে। সেখানে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদের বৈঠকে রংপুরেই দাফনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

চতুর্থ দফায় জানাজার আগে, ঈদগাহ মাঠে নেয়ার পর এরশাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান নেতাকর্মীরা। রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দর থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুরে পৌছে দুপুর পোনে ১২টার দিকে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দাফন যেকোনো মূল্যে রংপুরেই করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের (উত্তরাঞ্চল) নেতারা। এমনকি প্রিয় নেতার মরদেহ ঢাকায় আনা ঠেকাতে জাতীয় পার্টির উত্তরাঞ্চলের নেতারা জীবন দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তারা। সোমবার দুপুরে, জাতীয় পার্টির রংপুর কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নেতারা এ মন্তব্য করেন।

মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও রংপুরের সিটি মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদরে মরদেহ রংপুর থেকে নিয়ে যাওয়ার কোনো অপচেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করতে জাতীয় পার্টির লাখো নেতাকর্মী বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেবে, কিন্তু পল্লীবন্ধু এরশাদের মরদেহ রংপুর থেকে কোথাও যাবেনা।’

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, রবিবার সকাল পোনে আটটায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। তিনি রক্তে সংক্রমণ ও লিভার জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বয়স হয়েছিল ৮৯।

ঠাকুরগাঁওয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন

ঠাকুরগাও প্রতিনিধি : প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যায় এলজিডির তত্বাবধানে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবনের উদ্বোধণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনের উদ্বোধন করেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
উদ্বোধন শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উজ্জাপন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১২লক্ষ টাকা ব্যয় এ বাড়ি নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে। আর তাই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হতে হবে সচ্ছ, যেখানে বিতর্কের জায়গা থাকবেনা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও ১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান,জেলা ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদর উদ্দীন বদর সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেত্রীবৃন্দ।

তালায় কয়েক মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় কয়েক মিনিটের ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১৫ টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান,অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ও প্রায় দু’শতাধিক গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে তিন টার দিকে বয়েযাওয়া প্রায় ১০ মিনিটের ঝড়ে এ ক্ষয়-ক্ষতি হয়।
তালা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান জানান, তালা সদরের শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুল,তালা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, তালা আলিয়া মাদ্রাসাসহ প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানের চাল ঝড়ে উড়ে গেছে। এছাড়া ১৫টির মত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ইউনিয়নে ৫০টির মত ঘরের চাল উড়ে গেছে। তালা উপজেলা পরিষদ, হাসপাতাল চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে।
জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু জানান, তার ইউনিয়নে প্রায় ১০টি ঘরের চাল উড়ে গেছে এবং গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
তালা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন জানান,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়িসহ তার ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
তালা শহীদ কামেল মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমএ কাসেম জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক দু’টি প্রতিষ্ঠানেরই ঝড়ের কবলে প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীণ জানান,ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার জানান, ঝড়ে উপজেলাব্যাপী ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

রিফাত হত্যা: স্ত্রী মিন্নিকে নিয়ে গেছে পুলিশ

বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী মিন্নিকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেয়া হয়।

বিস্তারিত আসছে…

ভারতীয় ডাঃ দেবী শেঠীর নারায়ণা হেলথের তথ্যসেবা কেন্দ্র এখন খুলনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবী শেঠীর নারায়ণা হেলথের তথ্যসেবা কেন্দ্র এখন খুলনায়। খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে আছে নারায়ণা তথ্যসেবা কেন্দ্র।
নারায়ণা হেলথের অনেক গুলো হাসপাতাল ভারতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেখানে সব বিভাগের স্পেশালিষ্ট ডাক্তাররা যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন। নারায়ণা হেলথ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে হওয়ার কারনে পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশের রোগীদের জন্য এক বিশেষ সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। খুব অল্প সময়ে বাংলাদেশ থেকে যে সব রোগীরা সেখানে যেয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তারা যথাযথ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
রোগীদের সব ধরনের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ও সাহায্যের জন্য খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে আছে নারায়ণা তথ্যসেবা কেন্দ্র। এই তথ্যকেন্দ্রে ভিসা ইনভাইটেশন লেটার থেকে শুরু করে ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত সবকিছুই বিনামূল্যে করে দেয়া হয়। নারায়ণা হেলথের যেকোনো ধরণের তথ্য জানতে ও সেবা গ্রহণ করতে হলে ০১৯৮৯৯৯৫০৪৫ এবং ০১৯৮৯৯৯৫০৪৬ এই নাম্বারে কল করেও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়াও ভারতের যেকোনো স্থানের হোটেল বুকিং এবং এয়ার টিকেট ও ট্রেনের টিকেট কাটার ক্ষেত্রেও সহযোগীতা করা হয়।

খুলনার স্বাস্থ্য খাতে দুদক আতঙ্ক : রাঘব বোয়াল ধরা ছোঁয়ার বাইরে

সাতক্ষীরায় টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

কামরুল হোসেন মনি : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আবজাল হোসেন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত তার অঢেল সম্পদের চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর এখন খুলনা স্বাস্থ্য খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আতঙ্কে ভুগছেন। ইতোমধ্যে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী প্রধান (এমআইএস) মোঃ জোবায়ের হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অবৈধ অর্থ উপার্জন, বিদেশে অর্থ পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এদিকে যন্ত্রপাতি না কিনেই সাড়ে ১৬ কোটি টাকার বিল উঠিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে মামলা না হওয়ার আশ্বাস দিয়ে খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তার (চঃ দাঃ) বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমান, সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কিপার একেএম ফজলুল হক, হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, মেসার্স বেঙ্গল সায়েন্টিফিক মালিক জহির উদ্দিন সরকার, আব্দুর ছাত্তার সরকার, আসাদুর রহমান, কাজী আবু বকর উদ্দিন এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী আবদুল কুদ্দুস পরস্পরের যোগসাজসে সাড়ে ১৬ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনার নাম করে সেগুলো না কিনে পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় একাধিক তদন্তও হয়। শেষ পর্যন্ত দুদকে মামলাও হয়। এর আগেও খুলনা স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে বিষয়টির তদন্ত হয়। তদন্তের পর ওই দপ্তরের প্রধান সহকারী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চঃ দাঃ) এস এম জাহাতাব হোসেন ডিপার্টমেন্টাল তদন্তে গিয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের স্টোর কিপার একেএম ফজলুল হক ও হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু সর্বশেষ যখন তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় তখনই বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চঃ দাঃ) এস এম জাহাতাব হোসেন অফিস সহকারী থেকে পদোন্নতি বোর্ডের মাধ্যম ছাড়া জালিয়াতি করে প্রধান সহকারী পদে পদোন্নতি নেন। উক্ত পদে কর্মরত থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ বেতনে (চঃ দাঃ) প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি নিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে। কিন্তু প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিজ বেতনে (চঃ দাঃ) পদোন্নতি পদায়নের এখতিয়ার কেবলমাত্র মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী ঢাকার। এ বিষয়ের ওপর সঠিক তদন্ত করলে বিষয়টির আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রটি জানায়।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ রাশেদা সুলতানা সোমবার এ প্রতিবেদককে জানান, সাতক্ষীরায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকার বিল উঠিয়ে আত্মসাতের ঘটনার বিষয়টি তার দপ্তর থেকে একটি তদন্ত করা হয়। সেই তদন্তে তার দপ্তরের প্রশাসনিক কর্তকর্তা (চঃ দাঃ) এস এম জাহাতাব হোসেনের বিরুদ্ধে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক না। বিষয়টি হাস্যকর। একটি চক্র বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য গুজব ছড়াচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ওই দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চঃ দাঃ) এস এম জাহাতাব হোসেন তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে এ প্রতিবেদককে বলেন, সাতক্ষীরায় যন্ত্রপাতি ক্রয়সংক্রান্ত টাকা আত্মসাতের বিষয়ে এই দপ্তর থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। সেই তদন্ত কমিটিতে তিনি একজন সদস্য। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি পরিচালকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারের কাছ থেকে সঠিক প্রক্রিয়ায় যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে কী না তা যাচাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির অন্যারা হচ্ছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচএস ও দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইসএস রয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
এদিকে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী প্রধান জোবায়ের হোসেনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতিতে জড়িত কর্মকর্তারা নিজেদের বাঁচাতে দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, জোবায়ের হোসেন একই কর্মস্থলে প্রায় ২২ বছর ধরে রয়েছেন। ২০০৬ সাল থেকে তিনি রাজস্ব খাতে ও এর আগে ১৯৯৭ সাল থেকে ওই পদেই প্রকল্পের আওতায় চাকরি করছেন। একই কর্মস্থানে দীর্ঘদিন থাকার কারণে প্রভাব বিস্তার ও চাকরিতে তদবিরের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ভুয়া বিল-ভাউচার, সেমিনার ও প্রশিক্ষণের নামে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া খুলনায় তার বিরুদ্ধে নামে-বেনামে বিপুল সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এদিকে খুলনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম না কিনে প্রায় ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠিকাদার নিয়োগে দরপত্র জালিয়াতি, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর ও সিভিল সার্জন অফিসে দুর্নীতিতে জড়িত অনেকে এখনও রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় স্বপদে বহাল থাকার অভিযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে নিজেদের বাঁচাতে অনেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে লবিং শুরু করেছেন।