দাকোপে ওয়াপদার সরকারি জায়গা দখলের হিড়িক

গোলাম মোস্তফা খান, দাকোপ : খুলনার দাকোপ উপজেলাধীন বাজুয়া ইউনিয়নের চুনকুড়ি গেট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়াপদার সরকারি জায়গা দখল করে দোকানের পজেশন হিসাবে দখলে নেয়ার রিতীমত হিড়িক পড়েছে বলে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়।দাকোপের ৩৩নং এ পোল্ডারে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চায়না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এখানে ওয়াপদার কাজ সমাপ্ত করতে না করতেই স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের পরিকল্পনায় এই সরকারি জায়গা দখল করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।সরেজমিনে ঘুরে বিষয়টি জানার সময় স্থানীয় বাসিন্দা অরেবিন্দু মন্ডল এ প্রতিনিধিকে জানান যারাই রক্ষক,তারাই যদি আবার ভক্ষক হয় তাতে যা হবার তাই হচ্ছে।ক্ষমতাসিন দলের সিনিয়নের নেতা,জনপ্রতিনিধি তার বাহিনী দিয়ে এখানে জায়গা দখল করে দোকারে পজেশন বানাচ্ছে।আর এলাকার কুমারেশ রায় নামে একজন জানান, শুধু জায়গা দখল না এ পজেশন প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার করে টাকাও তোলা হচ্ছে । একই অভিযোগ স্থানীয় অধিকাংশ লোকজনের।এ বিষয় বাজুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেব প্রসাদ গাইনের কাছে জানতে চাইলে বলেন বর্তমান চেয়ারম্যানের ডানহাত বলে পরিচিত জিয়ার নেতৃত্বে দখল নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা শুরু হলে আমি বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলি খানকে জানাই উনি সাথে সাথে ওয়াপদা কতৃপক্ষের সাথে কথা বলেন।বর্তমান বাজুয়া ইউনিয়নের চেযারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি রঘুনাথ রায়ের সাথে কথা বললে জানান ঠিকই বলেছেন,এখানে পজেশন দখল চলছে,পূর্বের কিছু লোক যারা ছিল আর নতুন কিছু মিলিয়ে এ কাজ করছে।সাবেক চেয়ারম্যানের লোকজনও দখলের সাথে জড়িত।উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলি খান বলেন বিষয়টি জানার সাথে সাথেই আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার সাথে কথা বলি,তাদের জানাই দখল বন্ধ করেন নইলে এলাকায় আইন শৃংখলার অবনতি হতে পারে।তার পরও শুনেছি কিছু লোক দখল করেছে,করছে।ওয়াপদা কতৃপক্ষ কেন শক্ত ভুমিকা নেয় না, সেটাই বুঝিনা।

রিফাত হত্যা: স্ত্রী মিন্নির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ঢাকা অফিস : বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে, বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মিন্নিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড আবেদনের আগে মিন্নিকে বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। পরে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বরগুনা পুলিশ সুপার।  রিফাত হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও মূল রহস্য উদঘাটন করতে গতকাল সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্নিকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত হত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

গত ২৬শে জুন জেলা শহরের কলেজ রোডে রিফাতকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে একদল যুবক। হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে, রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর, মিন্নিকেও গ্রেপ্তারের দাবি জানান দুলাল শরীফ।

গেল শনিবার রাত ৮টার দিকে, বরগুনা প্রেসক্লাবে রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘রিফাত হত্যাকাণ্ডের সাথে তাঁর পূত্রবধূ মিন্নি জড়িত। সিসিটিভি ফুটেজে পুত্রবধু মিন্নির গতিবিধি সন্দেহজনক বলেও দাবি করে তিনি বলেন, রিফাতকে সন্ত্রাসীরা আক্রমণের প্রথম দিকে মিন্নির তৎপরতা ছিল স্বাভাবিক।’ তবে, পরবর্তীতে সে দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করতে চাইলেও বিষয়টি ছিল পরিকল্পিত। তিনি, মিন্নিকে এ ঘটনার পরিকল্পনায় যুক্ত দাবি করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

পরদিন রবিবার, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে শ্বশুরের এ বক্তব্যকে বানোয়াট বলে দাবি করে রিফাতের স্ত্রী মিন্নি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিন্নি বলেন, আমার শ্বশুর বর্তমানে অসুস্থ। তিনি তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি যা বলেন তার কিছুই তার মনে থাকেনা। আসামিরা বিচারকে অন্যদিকে প্রভাবিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করছে। এমনকি তারা আমার ছবি এডিট করে নয়ন বন্ডের সঙ্গে যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করছে।

রিফাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১০ আসামি দায় স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তার অন্য তিন আসামি রিমান্ডে রয়েছে। এজাহারভূক্ত পাঁচজনকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আর এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

নুসরাতের রেজাল্ট কাঁদাল স্বজন ও সহপাঠীদের

ঢাকা অফিস : বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির আলিম পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। মৃত্যুর আগে দু’টি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন নুসরাত। ওই দুই পরীক্ষার পর আর অংশ নিতে পারেননি নুসরাত। আজ সেই দুই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। নুসরাত জাহান রাফি অংশ নেয়া ওই দুই পরীক্ষায় ‘এ’ গ্রেড পেয়েছেন।

ফল প্রকাশের পর নুসরাতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার নুসরাতের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্বজন ও সহপাঠীরা। এ সময়, মাদ্রাসার শিক্ষকদেরও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। মাদ্রাসাটির শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো করলেও নুসরাতের কথা স্মরণ করে তার সহপাঠীদের কোনো উৎসব বা উদযাপন করতে দেখা যায়নি।

মাদ্রাসায় পরীক্ষার ফল জানতে আসা শিক্ষার্থীরা এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিক্ষকদের চোখেও নেমে আসে শোকের অশ্রু। এ সময়, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. হোসাইন বলেন, ‘নুসরাত সহগুলো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলে ভালো ফল করতো। লেখাপড়ার প্রতি মেয়েটার কতটা আগ্রহ থাকলে এমন প্রতিকূল পরিস্থিতেও পরীক্ষায় অংশ নেয়।’

বুধবার প্রকাশিত আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, কোরআন মাজিদ (বিষয় কোড ২০১) ও হাদিস (বিষয় কোড ২০২) পরীক্ষায় ‘এ’ গ্রেড পেয়েছেন নুসরাত। তবে, অন্যসব পরীক্ষাগুলোতে নুসরাতকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে।

সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর আলিম পরীক্ষায় নুসরাতসহ ১৭৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে, ১৫২ জন পাস করেছেন আর অকৃতকার্য হয়েছেন ২৭ জন। মাদ্রাসাটির পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গেল ২৭শে মার্চ নুসরাতকে নিজ কক্ষে ডেকে শ্লীলতাহানি করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা। এ ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। ওই দিনই অধ্যক্ষকে আটক করে পুলিশ। তখন থেকেই কারাগারে আছেন সিরাজউদ্দৌলা। পরে, অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার অনুসারীরা মামলা তুলে নিতে নুসরাতের পরিবারকে নানাভাবে চাপ দিতে থাকে।

এই অবস্থার মধ্যেও নুসরাত ১লা ও ২রা এপ্রিল নুসরাত আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু, ৬ই এপ্রিল পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাতকে কৌশলে মাদ্রাসার সাইক্লোন সেন্টারের ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার অনুসারীরা।

অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফিকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ফেনী সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়। ঢাকা মেডিক্যালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ই এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি পেশ

দেড় লাখ গ্রাহকের জামানতের ছয় কোটি টাকা ফেরত দিতে হবে

বিজ্ঞপ্তি : দেড় লাখ গ্রাহকের জামানতের অন্তত ছয় কোটি টাকা হাওয়া করে দেয়ার চলবে না। গ্রাহকের পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে। প্রি পেইড মিটার স্থাপনের পর পূর্বের মেনুয়াল অথবা ডিজিটাল মিটারের জামানতের টাকা ফেরত দেয়ার বিইআরসির(বাংলাদেশ এনার্জি লেগুলেটরী কমিশন) নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করে ওই জামানতের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে। গড়ে তুলতে হবে আন্দোলন। স্মারকলিপি পেশকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রথমত বিইআরসির নির্দেশনা অমান্য করে জামানতের ছয় কোটি টাকা না দিয়ে ওজোপাডিকো একটি অপরাধ করেছে দ্বিতীয়ত টাকা না দেয়ার ফন্দি হিসেবে সংযোগকালীন কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে। তাছাড়া প্রত্যেক গ্রাহকের নামীয় ফাইল প্রতিটি বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগে যেহেতু রক্ষিত আছে সেহেতু গ্রাহকের কাছে কাগজপত্র চাওয়ার কোন মানে হয় না। অফিসে রক্ষিত গ্রাহকের কাগজপত্র দেখেই প্রি পেইড মিটার প্রতিস্থাপনের সময় জামানতের টাকা ফেরত দেয়ারও দাবি জানান তিনি। প্রকৃতপক্ষে বিইআরসির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ঠিকই কিন্তু সেটি থাকছে কাগুজে চুক্তিতে। যে সিদ্ধান্ত ওজোপাডিকোর পক্ষে যায় সেটি বাস্তবায়ন হলেও গ্রাহকের স্বার্থে কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এক কথায় ওজোপাডিকো গ্রাহক বান্ধব নয় । নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের(বিইআরসি) ৪এর (গ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রি পেইড মিটার দ্বারা বিদ্যমান মিটার প্রতিস্থাপন করা হলে পূর্বের নিরাপত্তা জামানত ফেরত প্রদান করতে হবে’। অথচ এ পর্যন্ত প্রতিস্থাপিত কোন প্রি পেইড গ্রাহককেই জামানতের টাকা ফেরত দেয়া হয়নি।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রিপেইডের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রিপেইড মিটারের বিদ্যমান দুর্নীতি সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর নিকট অতিরিক্তি বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব)এর মাধ্যমে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপি পেশকালে উপস্থিত ছিলেন, প্রিপেইড মিটারের বিদ্যমান দুর্নীতি সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক ডাঃ শেখ বাহারুল আলম, যুগ্ম আহবায়ক শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন ও মোড়ল নূর মোহাম্মদ শেখ, সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলী সদস্য মফিদুল ইসলাম, রাজনৈতিক কর্মী মনিরুল হক বাচ্চু, সাম্যবাদী দলের এফএম ইকবাল, সিপিবি নেতা এস এম চন্দন, নাগরিক নেতা সেলিম বুলবুল, বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, শেখ মোঃ হালিম, অসীম কুমার পাল, মোঃ শহীদুল হাসান , স্বেচ্ছাসেবক লীগের এস এম আজিজুর রহমান রাসেল, প্রমূখ।

খুলনায় প্রাথমিক চিকিৎসাপ্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র বিতরণ

বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে ৩ দিন ব্যাপী মৌলিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। রূপসা উপজেলার সৈয়দ আরশাদ আলী এন্ড সবুরুন্নেছা (ডিগ্রি) গালার্স কলেজে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ এস,এম আমজাদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আবু জাফর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য এসএম ফরিদ রানা, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা জেলা ইউনিটের লেভেল অফিসার মঈনুল ইসলাম পলাশ, কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য হোসনেয়ারা বেগম ও যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা জেলা ইউনিটের যুব-প্রাধান মাহমুদুল ইসলাম সনেট। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক সুরাইয়া দীপা, মঈনুল ইসলাম আল-ফারুক, সঞ্জয় সরকার, প্রশিক্ষক ছিলেন বিডিআরসির জাতীয় প্রশিক্ষক মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, জেলা যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উপ-যুবপ্রধান-১ শেখ আল আমিন, উপ-যুবপ্রধান-২ আল-আমিন তারেক, প্রশিক্ষণ বিভাগীয় প্রধান আব্দুল্লাহ আল মামুন, জনসংখ্যা ও পরিকল্পনা বিভাগীয় প্রধান জুবায়ের হাসান সৈকত। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুব রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা জেলা ইউনিটের সদস্য লুবাইনা সুলতানা, বায়জিদ ফয়সাল, রুমানা ইয়াসমিন মৌ এবং কলেজের শিক্ষক মন্ডলী। প্রশিক্ষণে ৪৬ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে প্রাথমিক চিকিৎসায় শক, মূর্ছা, ফিট, অজ্ঞান, কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস, রক্তপাত ও রক্তপাত বন্ধের উপায়, পোড়া ও বৈদ্যুতিক আঘাত, হাড় ভাঙ্গা ও অনড়করন এবং ক্ষত ও ক্ষতের পরিচর্যা বিষয়ের ধারনা দেওয়া হয়।

এরশাদের মৃত্যুতে বটিয়াঘাটায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে বটিয়াঘাটা উপজেলার যুব সংহতির ও জাতীয় ছাত্র-সমাজ উদ্দ্যোগে বুধবার বাদ আছর কিসমত ফুলতলায় দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান এলাহী, উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি অসীম মল্লিক, উপজেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি শাওন হাওলাদার সাধারণ সম্পাদক গাজী তরিকুল ইসলাম, মিলন বালা, আক্তারুল গাজী, মানস সরকার, শহিদুল গাজী, জলিল হাওলদার, শহিদুল সানা, আরোজিত মন্ডল, রফিক ,সজিব, পার্থ মন্ডল, চয়ন বিশ্বাস, আবীদ হোসেন, বক্কর গাজী, বিল্লাহ শেখ, মোহাম্মদ আলী, উত্তম মন্ডল, গোবিন্দ মন্ডল, সোহাগ তরফদার, আল-আমিন প্রমুখ।

বটিয়াঘাটায় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময়

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের এক মতবিনিময় সভা বুধবার বেলা ১২ টায় পরিষদ মিলনায়তনে নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম চন্দ্র হালদার, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদ্দার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নায়ারণ চন্দ্র মন্ডল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, কোষাধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান,সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এস,এম আমীর আলী,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইনসাদ ইবনে আমীন সাংবাদিক মহিদুল ইসলাম শাহীন, সাংবাদিক এস,এম ভুট্টো সাংবাদিক পরিতোষ রায়, সাংবাদিক শাওন হাওলাদার, সাংবাদিক বুদ্ধদেব মন্ডল, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ইমরান হোসেন প্রমূখ। গত ১৭ জুলাই থেকে আগামী ২৩ জুলাই নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপিত হবে।

বটিয়াঘাটার কলেজভিত্তিক এইচ এসসি পরীক্ষার ফলাফল

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার এইচ,এস,সি পরীক্ষার ফলাফল প্রতিটি কলেজের পাসের হার সম্মানজনক। শহীদ আবুল কাশেম কলেজের এইচ,এস,সি পাসের হার সাধারণ শাখায় ৮৬.০৬% ও বি,এম শাখায় ৯০.২০%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাধারণ ২৯০ জন ও বিএম শাখায় ১৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছে সাধারণ শাখায় ৪৩ জন ও বিএম শাখায় ১৫ জন। এর মধ্যে এ প্লাস সাধারণ ১ জন ও বি,এম ৩ জন। বটিয়াঘাটা কলেজে পাসের হার ৮৫.৪৭%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬১ জন এর মধ্যে পাস করেছে ৩৯৪ জন, ফেল করেছে ৬৭ জন,এ প্লাস ৫ জন । গরিয়ারডাঙ্গা আদর্শ কলেজ পাসের হার ৯৮.৮৬%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৪ জন এর মধ্যে পাস করেছে ৬৩ জন, ফেল করেছে ১ জন। মুক্তিযোদ্ধা কলেজ পাসের হার ৮৪.৬২%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ জন পাস করেছে ১১ জন, ফেল করেছে ২জন। খগেন্দ্রনাথ মহিলা কলেজ পাসের হার ৯১.০৪%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ জন পাস করেছে ৬৪ জন, ফেল করেছে ৬ জন। শহীদ স্মরণী কলেজ(বারোআড়িয়া) পাসের হার ৬০.৪৭%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৬ জন পাস করেছে ৫২ জন, ফেল করেছে ৩৪ জন। বটিয়াঘাটা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ পাসের হার ৯৫.২৩%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩ জন পাস করেছে ৬০ জন, ফেল করেছে ৩ জন। খারাবাদ বাইনতলা স্কুল এন্ড কলেজ পাসের হার ৮৭.০৪%। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৪ জন পাস করেছে ৪৭ জন, ফেল করেছে ৭ জন।

খুলনায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন (ভিডিও)

খুলনা : ‘মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে রুখে দাড়াও সাংবাদিক সমাজ’ এই শ্লোগাণ নিয়ে খুলনায় সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরাম, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলানা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটিও খুলানা টিভি ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এই সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করে। বিটিভির খুলনা প্রতিনিধি মকবুল হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে সমাবেশ ও বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। খুলনায় কর্মরত সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন সমর্থন ও একাত্বতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে যোগ দেয়।
খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিরীদরা মানববন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ করেন। এসময় বক্তৃতাকালে সিটি মেয়র বলেন, যারাই মাদক ব্যবসা ও নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। নারী ও শিশুর চলাচল নিরাপদ করতে সকলকে সমাজ বিরোধীদের প্রতিহত করতে আহবান জানান তিনি। এছাড়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড.সাইফুল ইসলাম, খুলনা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, নাগরীক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

 

ভিডিও………….

বনলতা ও বেনাপোল এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : ভবিষ্যতে দেশে বিদ্যুৎচালিত রেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার দুপুরে, গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের বর্ধিত ট্রেনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

সারা দেশে রেলসেতুগুলো সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে নতুন করে সেতু নির্মাণ করা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার সুষম উন্নয়নে দেশব্যাপী রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে এবার দুই বাংলার মিলনস্থল বেনাপোলে চালু হলো বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস।

 এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করে মানুষকে সেবা দেয়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।

বেনাপোল ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন (৭৯৫) বুধবার ও (৭৯৬) বৃহস্পতিবার। ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ছাড়বে দুপুর ১টায়, ঢাকায় পৌঁছবে রাত ৯টায় এবং ঢাকা থেকে ছাড়বে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে, বেনাপোল পৌঁছবে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে।

এতদিন বিরতিহীন আন্ত নগর ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ঢাকা-রাজশাহীর মধ্যে চলত; এখন থেকে তা ঢাকা-রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে চলাচল করবে।

সংগৃহীত কোচসমূহের অন্যতম নতুন বৈশিষ্ট্য হলো বায়ো-টয়লেট সংযোজন। ট্রেনটিতে প্রতিবন্ধী যাত্রীদের হুইলচেয়ারসহ চলাচলের সুবিধার্থে থাকছে প্রশস্ত দরজা (মেইন ও টয়লেট দরজা) এবং নির্ধারিত আসনের সুবিধা। যাত্রীসাধারণের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত চেয়ার, বার্থ, স্টেয়ার, পার্সেল র‌্যাক, টিভি মনিটর হ্যাংগার, ওয়াই-ফাই রাউটার হ্যাংগার, মোবাইল চার্জারের ব্যবস্থা রয়েছে।

‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ১২টি কোচ দ্বারা চলবে। ট্রেনটিতে এসি সিট, এসি চেয়ার ও শোভন চেয়ার শ্রেণির সর্বমোট ৮৯৬টি (৭৯৫ নম্বর ট্রেনের ক্ষেত্রে) এবং এসি বার্থ, এসি চেয়ার ও শোভন চেয়ার শ্রেণির সর্বমোট ৮৭১টি (৭৯৬ নম্বর ট্রেনের ক্ষেত্রে) আসনের ব্যবস্থা রয়েছে।