সিলন সুপার সিঙ্গার রিয়েলিটি শো-এ সেরা ২০ এর লড়াইয়ে গাইলেন মনীষা (ভিডিও)

মনীষা মন্ডল, সিলন সুপার সিঙ্গার রিয়েলিটি শো-এ সেরা ২০ এর লড়াইয়ে গাইলেন, প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর ‘আবার কখন কবে দেখা হবে বল’ কালজয়ী গানটি।   মনীষার গানটি শোনার আমন্ত্রন রইলো। সকল বন্ধুদের শুভকামনা চাইছি।

 

বিইআরসির নির্দেশনা বারবার উপেক্ষা করেছে ওজোপাডিকো

বিজ্ঞপ্তি : বিইআরসির নির্দেশনা বারবার উপেক্ষা করেছে ওজোপাডিকো। গ্রাহকের জামানতের ছয় কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও ওজোপাডিকো তা ফেরত দিচ্ছেনা এখনও। প্রিপেইড মিটারের প্রতিস্থাপন করে এর বিনিময়ে বংশপরা কিস্তি পদ্ধতি বাতিল করতে হবে। এসব কখা বললেন তেল-গ্যাস জাতীয় রক্ষা কমিটির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স ।
আজ রবিবার বিকালে বিএমএ’র সেমিনার কক্ষে প্রিপেইড মিটারের বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধে সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন। সভায় শুরুতে ডাঃ শেখ বাহারুল আলম বলেন, ওজোপাডিকো চুরি ও দুর্নীতির মাধ্যমে গ্রাহক সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। তারা সরকারের সাফল্যকে ম্লান করে দিতে চাইছে। এর প্রতিকার হওয়া দরকার। প্রিপেইড মিটার জনবান্ধব নয়, এর কোন নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনও দেয়নি। বিদ্যুত না থাকা এবং ঘন ঘন ভোল্টেজ আপডাউন হলে বিদ্যুতের চার্জ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যায়। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড মফিদুল ইসলাম, সিপিবির জেলা কমিটির নেতা মিজানুর রহমান বাবু, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, নাগরিক নেতা সেলিম বুলবুল, অসিম কুমার পাল, নারী নেত্রী ইসরাত আরা হিরা, বনানী সুলতানা ঝুমু , মোঃ শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, কেবলমাত্র সাধারণ গ্রাহক নাগরিকদের ওপর এই প্রিপেইডমিটার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে অথচ বড় বড় শিল্প কারখানায় তা চালু করা হয়নি উল্লেখ করে তারা বলেন প্রিপেইড মিটার বাধ্যতামূলক না করে ঐচ্ছিক হওয়া উচিত। সেপ্টেম্বরে খুলনা বিভাগসহ ২১টি জেলার নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ করে কনভেশন মধ্যেদিয়ে ওজোপাপিকোর দুর্নীতি বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

পাইকগাছায় ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার : নারীসহ আটক ২

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশ নারীসহ ২জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় থানায় পৃথক মামলা হয়েছে। থানাপুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নোয়াকাটির নিজ বসত বাড়ী থেকে সবুজ গাজীর স্ত্রী ময়না বেগম (২৫) কে ২৫ পিচ ইয়াবাসহ এসআই অনিষ, এএসআই রোকনুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। অপরদিকে, একইদিন সন্ধ্যায় এ গ্রামের অবেদ গাজীর ছেলে মফিজুল গাজী (২৯) কে থানার সেকেন্ড অফিসার আবু সাঈদ ও এএসআই জাকির হোসেন ৫ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করে। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। যার নং- ৫১ ও ৫২।

তালায় কার্প জাতীয় মিশ্র মাছ চষে সাবলম্বী হচ্ছে ৫ শ’ মাছ চাষী

সেলিম হায়দার, তালা : মৎস্য অধিদপ্তর অংগ ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজী প্রোগ্রাম-ফেজ-২ প্রজেক্ট (এনটিপি-২) এর আওতায় তালায় ২৪ টি সমিতির আওতায় প্রায় ৫ শ’ সৌখিন মৎস্য চাষীর ভাগ্য বদলেছে। প্রকল্পে কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র চাষ প্রদর্শনীর আওতায় অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন ঐ চাষীরা। নেতৃবৃন্দরা বলছেন,তাদের অধিকাংশ সমিতির এখন নিজস্ব পুঁজি দাঁড়িয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বাইরেও প্রদর্শনীতে বিনিয়োগ করছেন তারা। সফলতাও এসেছে শতভাগ। তাদের দেখে অন্যরাও এখন অনুপ্রেরণা খুঁজছেন।
তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, মৎস্য অধিদপ্তর অংগ ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজী প্রোগ্রাম-ফেজ-২ প্রজেক্ট (এনটিপি-২) এর আওতায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ৫ বছর মেয়াদী মোট ২৪ টি সিআইজি মৎস্য সমবায় সমিতির প্রতিটিতে ২০ জন করে মোট ৪৮০ জন সদস্য রয়েছে। সমিতির অধিনে কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র প্রদর্শনী খামারে প্রকল্পের আওতায় মৎস্য দপ্তর প্রতি সমিতিতে বছরে ৪৫ কেজি কার্প জাতীয় মাছের চারা,২০০ কেজি খাবার,প্যানা বোর্ডের পাশাপাশি সমিতির সদস্যদের মাছ চাষের উপর বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া প্রকল্প চলবে ২০২১ সাল পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৩ বছরে এর সদস্যরা সফলতা পেয়েছেন শতভাগ। প্রায় প্রতিটি সমিতিরই এখন নিজস্ব পুঁজি দাড়িয়েছে বলেও জানান সমিতির দায়িত্বশীলরা। তাদের দাবি,প্রকল্পের বাইরেও তারা এখন সমিতি থেকে পুঁজি বিনিয়োগ করছেন। এতে প্রকল্পগুলো এগিয়ে যাচ্ছে দ্বিগুণ গতিতে।
এব্যাপারে কথা হয়,কাপাসডাঙ্গা মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি বাবুরাম মন্ডল,জুসখোলা সমিতির সভাপতি শিক্ষক সাইফুল্লাহ,ধানদিয়ার সমিতির গৗতম দাশ,মিঠাবাড়ি সমিতির মিজানুর রহমান,মৎস্য সমবায় সমিতির কুমিরা ইউনিয়নের লিফ শেখ সিরাজুল ইসলামসহ অনেকের সাথে। তারা জানান,চলতি অর্থ বছরে ইতোমধ্যে তারা সমিতি প্রতি ৪৫ কেজি কার্প জাতীয় মাছের চারা ও ২০০ কেজি মাছের খাদ্য ও প্রদর্শনী খামারের জন্য ১ টি করে প্যানা ব্যানার পেয়েছেন। নিয়মিত ভাবে তাদের সকল সদস্যদের দেয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ। শুধু এখানেই শেষ নয়,নিয়মিত খামারে পরামর্শও দিচ্ছেন,মৎস্য দপ্তরের সংশ্লিষ্টরা। এসময় তারা আরো জানান,ইতোমধ্যে তাদের সমিতিতে নিজস্ব পুঁজি দাড়িয়ে গেছে। প্রকল্পের বাইরেও ঐ পুঁজি থেকে খামারে বিনিয়োগ করছেন তারা। ঠিক এমনিভাবেই এগিয়ে চলেছে প্রতিটি খামার। সূত্র জানায়,তাদের দেখে এলাকার বেকার যুব সম্প্রদায়ও এখন অনুপ্রাণিত হচ্ছেন খামার গড়তে।
এব্যাপারে তালা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নির্মল কুমার ঘোষ জানান, তাদের তত্ত্বাবধানে ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজী প্রোগ্রাম-ফেজ-২ প্রজেক্ট এগিয়ে চলেছে দুরন্ত গতিতে। তিনি বলেন,শুধু ফেজ-২ প্রজেক্ট নয়,বিল নার্সারী কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার ইসলামকাটি খাল-বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে রুই জাতীয় ১ শ’ কেজি মাছের পোনা। সাধারণ এলাকাবাসী এর সুবিধাভোগী।বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

৮০ লাখ টাকাসহ ডিআইজি প্রিজন্স গেপ্তার

সিলেট : সিলেটের কারা উপমহাপরিদর্শক- ডিআইজি প্রিজন্স পার্থ গোপাল বণিককে তার বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে দুদক।

বিকেলে কলাবাগান এলাকায় তার বাসা থেকে টাকাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বে একটি দল এই অভিযান চালায়।

দুদক জানিয়েছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করা এই অর্থ বাসায় রেখেছিলেন ডিআইজি প্রিজন্স পার্থ গোপাল বণিক। সিলেটের আগে চট্টগ্রাম কারাগারে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পার্থ গোপাল বণিক ও জেষ্ঠ্য জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিককে দুদকের কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আজ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাদের নিয়ে অভিযানে যায় দুদক।

বটিয়াঘাটায় চলমান অভিযানে আটক ২৫

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের ওসি মোঃ রবিউল কবির ও ওসি তদন্ত মোঃ মোস্তাফা হাবিবুল্লাহ নেতৃত্বে গত ৩ দিনে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে বিভিন্ন মামলার অরেন্ট ভুক্ত ৯ জন, সাজা প্রাপ্ত ২ জন, ও মাদক মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করছে। এছাড়া ছেলে ধরা গুজবের বিরুদ্ধে গনসচেতনা মুলক আলোচনা সভা রবিবার উপজেলার সুরখালী, সুখদাড়া, গাওঘরা গরিয়ারডাঙ্গা, রথখোলা, আমিরপুর, বটিয়াঘাটা সদর, মল্লিকের মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাদি সরদার, ইউপি সদস্য যথাক্রমে বি,এম,মাসুদ রানা, আবু বক্কর শেখ, মোঃ বাবুল শেখ,মোঃ কালাম হাওলাদার, মোঃ শাহীন মোল্যা, সমাজ সেবক মোঃ মারুফ জমাদ্দার,আলম সরদার, মহিদুল ইসলাম,জাহাঙ্গীর শেখ প্রমূখ। অন্যদিকে লবনচরা থানার এস,আই মোঃ আকরাম হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলা জিন্নাপাড়া বউ বাজার এলাকা থেকে ৭শ গ্রাম গাঁজা সহ মোঃ সোহাগ হোসেন(২৮) নামের এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে। এব্যাপারে মাদকদ্রব নিয়ন্ত্রয় আইনে একটি মামলা হয়েছে যাহার নং-১৪/২০১৯।

দখল হয়ে যাচ্ছে তালার দলুয়ার ঠান্ডা নদী: কতৃপক্ষ নির্বিকার

সেলিম হায়দার, তালা : দখল হয়ে যাচ্ছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার দলুয়া-ঠান্ডা নদীর দলুয়া বাজারস্থ এলাকা। ইতোমধ্যে দখলদাররা দোকান নির্মাণে এক সনা বন্দোবস্ত নিয়ে সেখানে কয়েক দফায় তা সম্প্রসারিত করে দখলে নিয়েছে নদীর মূল অংশ। এতে রীতিমত অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে এক সময়ের স্রোতসীনি দলুয়া-ঠান্ডা নদীটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ,দখল প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে ভূমি দস্যুরা বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশলে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-পালা ধ্বংস করেছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী জনৈক নুর ইসলামের মালিকানাধীন ওয়ার্কসপের দোকান ঘরটি নদীর পাশে তৃতীয় দফায় সম্প্রসারণে সেখানে থাকা একটি তালগাছ কৌশলে মেরে দিয়েছে তারই ভাড়াটিয়া সরুলিয়ার মৃত ইসমাম সরদারের ছেলে ছেলে আছাদুল সরদার। সূত্র জানায়, আছাদুল দোকানটি ৫ বছরের জন্য প্রতিমাসে ১৫ শ’ টাকা চুক্তিতে ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,আছাদুল দোকানটি ভাড়া নিয়ে সেখানেই বসবাস করে আসছেন। এমনকি সেখানে বসবাসের উপযোগী করতে সম্প্রসারিত জায়গায় তিনি একটি রান্না ঘর নির্মাণ করছেন।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (ইউএলএও) অরুন কুমারের নিকট জানতে চাইলে বলেন,তিনি নতুন এসেছেন। বিস্তারিত জানেননা। দখলের বিষয়টি সত্য হলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

স্থানীয় বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল সেলিম জানান,তিনি বিভিন্ন সময়ে দখল প্রক্রিয়ায় বাঁধা দিলেও তহশীল অফিসের সাবেক নায়েবসহ সেখানকার পিয়ন আক্তারুল বরাবরই সেখান থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে তাদের দখল প্রক্রিয়ায় বাঁধা না দিয়েই চলে গেছে। এসময় তিনি আরো বলেন,অচিরেই তারা ঐতিহ্যবাহী নদীটি বাঁচাতে জেলা প্রশাসকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট আবেদন জানাবেন।

বাজার বনিক সমিতির আরেক সদস্য মহাদেব সরকার,আতিয়ার সরদারসহ অনেকেই জানান,স্থানীয় ভূমি দস্যুরা বন্দোবস্তের নামে নদীর ধারের গাছ-পালা মেরে দফায় দফায় দখল প্রসারতা বাড়িয়ে চলেছে। তারা এর প্রতিকার চান।

তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে,বাজারের নদী তীরবর্তী অধিকাংশ দখলদাররাই দফায় দফায় তাদের বন্দোবস্তকৃত দোকানঘরের বাড়িয়ে নদী দখল অব্যাহত রেখেছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ঐতিহ্যবাহী নদীটির পুরোটা দখল হতে খুব বেশী সময় লাগবেনা।

এব্যাপারে দখলদার নুর ইসলামের ভাড়াটিয়া আছাদুল সরদার এ প্রতিবেদককে জানান,তিনি প্রতি মাসে ১৫ শ’টাকা করে ৫ বছরের মেয়াদে ঘরটি ভাড়া নিয়েছেন। দখলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন,রান্নার গরম পানির কারণে তাল গাছটি মরে যেতে পারে।

বিএনপি কখনো গুজবের রাজনৈতি করে না : মির্জা ফখরুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে যেভাবে ডেঙ্গু জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে যেটা এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিনত হয়েছে। এটিকে আওয়ামীলীগ ও তার সরকার খুব খাটো করে দেখছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত মশা নিধনের তেমন কোন পদক্ষেপ লক্ষনীয় নয়।

রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে তার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার ভেঙ্গি প্রতিরোধে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রীর উচিত ছিল সর্বোপরি যারা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা। সুতারাং এটা গুজবের বিষয় নয়।

দেশে চলা গুজবের পেছনে বিএনপির হাত আছে বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কখনো গুজবের রাজনৈতি করে না। বিএনপি সব সময় সত্যের উপর ভিত্তি করে নিষ্ঠার সাথে রাজনৈতি করে।

ফখরুল আরো মন্তব্য করেন, একটা রাষ্ট্রে যখন আইনের শাসন থাকবে না। তখন মানুষকে মেরে ফেললে তার জবাবদিহিতা থাকবে না। তখন ছেলে ধরান ঘটনা ঘটনায় স্বাভাবিক।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি মহেবুল্লাহ আবু নুর, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর হোসেন তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি কায়েস প্রমুখ।

বাজারের পাস্তুরিত দুধ ক্ষতিকর: হাইকোর্ট

ঢাকা অফিস : বাজারে থাকা পাস্তুরিত দুধে মানব দেহের জন্যে ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ায় ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ সপ্তাহের জন্য দুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে এসব দুধ মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর ও খাওয়ার অনুপযোগী।

লাইসেন্স করা সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান নিয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে হাইকোর্ট এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। যে সব প্রতিষ্ঠানের দুধে ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও দিয়েছে হাইকোর্ট। রবিবার দুপুরে, বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মোহাম্মদ ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়।

গত ১৪ই জুলাই, এক আদেশে বিএসটিআই’র লাইসেন্সকৃত সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা তা এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা করতে চারটি ল্যাবকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই চারটি ল্যাব হলো- ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়ারিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ-আইসিডিডিআরবি ও সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

এরপর, ২৩শে জুলাই তিন সংস্থার প্রতিবেদন হাতে পায় বিএসটিআই। পরে, সেগুলো আদালতে জমা দেয়া হয়। এছাড়া, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তৈরি করা ১১ কোম্পানির দুধ পরীক্ষার প্রতিবেদনও আদালতে দেয়া হয়। একই সঙ্গে উপস্থাপন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের প্রতিবেদনও।

দাকোপে সামাজিক বনায়নের নামে কোটি কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগ

গোলাম মোস্তফা খান, দাকোপ : দাকোপের পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩২ ও ৩৩ নং পোল্ডারে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাঁধ ও গেটের কাজ শেষ হতে না হতেই তড়িঘড়ি করে বাঁধে কোটি কোটি টাকার সামাজিক বনায়নের কাজ ব্যাপক অনিয়মের মধ্যে চলছে বলে খোদ পানি উন্নয়ন বোর্ড,স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার অধিকাংশ জনগনের অভিযোগ।
প্রাকৃতিক সম্পদ গবেষনামূলক প্রতিষ্ঠান (এনজিও) সি,এন,আর,এস অফিস সূএে জানা যায় দাকোপের ৩২ ও ৩৩ নং পোল্ডারে প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তায় মোট ১ কোটি ৮৮ লক্ষ ফলজ ও বণজ গাছের চারা লাগানোর কথা এজন্য ৭ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ আছে।জানা গেছে ৩টি প্রতিষ্ঠান পানি উন্নয়ন বোর্ড,এনজিও সিএনআরএস ও সামাজিক বনায়ন বিভাগ মান সম্মত গাছের চারা লাগানো ও রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছেনা বলে অভিযোগের শেষ নেই।এ বিষয় ৩২ নং পোল্ডারাধীন কামারখোলা ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল জানান,গাছ লাগানো বাবদ কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও আদৌ সিডিউল মোতাবেক খরচ করা হচ্ছে না,রাস্তায় লম্বা সারির লাঠি দেখা গেলেও চারা তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না,কারন এমনিতেই নিম্মমানের ছোট চারা তারউপর রোপনেও ফাঁকিবাজি এ কারনে এপ্রকল্পটিতে কোটি কোটি টাকা অপচয় হবে, বাস্তবে তেমন কোন কাজে আসবে না।৩৩ নং পোল্ডারের বানিশান্তা ইউ,পি চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায় জানান,ওয়াপদার রাস্তায় লেবু,পেয়ারা,আম,জাম গাছের চারা লাগানো হচ্ছে যা নিন্মমানের ছোট চারা বলে জেনেছি,একাজ সম্পর্কে আমাদের জানানো হয়নি।একই পোল্ডারের দাকোপ ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায় জানান,কাজে অনিয়ম চলছে জেনে আমার এলাকায় কাজ করতে দেয়নি এবং উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিস্তারিত উত্থাপন করেছি।জনপ্রতিনিধিরা জানান,মূল অনিয়ম করছে সামাজিক বনায়ন কতৃপক্ষআর ৩২ নং পোল্ডারেই অনিয়ম বেশি।একই অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের ও জড়িত এনজিও কর্মকর্তাদেরও।পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৩ নং এর উপসহকারি প্রকৌশলী এমডি আনোয়ার হোসেন জানান,তড়িঘড়ি করে আমাদের বাঁধে চারা রোপন করা হচ্ছে যে চারা খুবই নিন্মমানের বলা যায় কারন মাপের তুলনায় চারা অনেক ছোট,শ্রমিক দিয়ে দিনে অধিক পরিমানে চারা লাগানোর কারনে রোপনও সঠিকভাবে হচ্ছে না,তারপর রোপনের পর যে কাঠি পুতে বাাঁধা হচ্ছে তাও সিডিউল বহি:ভূত খুব সরু সব মিলিয়ে অনিয়মের শেষ নেই।৩৩ নং পোল্ডারের দায়িত্বে নিয়োজিত সামাজিক বন বিভাগের সোয়েবুর রহমান জানান আমি কাজের মান ভাল করতে স্লো করছি এবং সিডিউল মোতাবেক করছি,আমার এখানে অনিয়ম নেই।৩২ নং পোল্ডারের দায়িত্বে বন বিভাগ খুলনা রেনজের শহিদুর রহমান বলেন টেনডারের মাধ্যমে অনেক চারা নেওয়া হয়েছে এ জন্য চারা ছোট হতে পারে বলে আর কোন তথ্য না দিয়ে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলতে বলেন।দাকোপ উপজেলা বন ও পরিবেশ উন্নয়ন কমিটির প্রধান ও নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আবদুল ওয়াদুদ প্রকল্পটিতে ব্যাপক অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন এতবড় অনিয়ম কিছুতেই মানা সম্ভব না তাই আমি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্ময় কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেছি।