গোপালগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত লাশ উদ্ধার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চামটা গ্রামের একটি পাট ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির (৩৫) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার বিকেল ৫টায় গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের পাশে সদর উপজেলার চামটা গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছেন, পাট ক্ষেতের মধ্য থেকে দুর্গন্ধ
বের হচ্ছিল। গন্ধের সূত্রধরে স্থানীয়রা পাট ক্ষেতে গিয়ে গলিত লাশ দেখতে পেয়ে আমাদের খবর পায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না
তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তিকে ৮/১০দিন আগে হত্যা করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানান ওই
ওসি।

২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ২,১৭৬ জন

ঢাকা অফিস : সারা দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ১৭৬ জন। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত তিন দিনে রোগী ভর্তির হার সবচেয়ে কম। আগস্টের প্রথম সাত দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৮৭৯ জন। ঢাকার ৪০টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৫ হাজার ৭৬ জন। এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটির পর আজ দক্ষিণ সিটিতেও মশার নতুন ওষুধ ব্যবহার শুরু হবে।

গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। এরমধ্যে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৫৩ জন। এছাড়াও, ডেঙ্গু টেস্ট করতে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

শনিবার, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যালে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর, একদিন পর ঈদ হলেও ডেঙ্গু আতঙ্কে হাসপাতালের বেডে বা রাজধানীতেই কাটছে আক্রান্ত অনেকের ঈদ। তাদের সেবা দিতে ডাক্তারসহ সংশ্লিষ্ট সবারই ঈদ কাটবে কর্মব্যস্ততায়।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সারিবদ্ধভাবে যারা শুয়ে আছেন তাদের স্বজনরা জানেন না ঈদে বাড়ি ফেরা হবে কি না। রোগীদের যারা সেবা দিচ্ছেন সেসব ডাক্তারকেও ঈদে তাদের সেবায় ব্যস্ত সময় কাটাতে হবে।

সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮০ জন। সবমিলিয়ে ভর্তি রয়েছেন সাড়ে চারশো ডেঙ্গু রোগী। ডেঙ্গু আক্রান্তদের সার্বক্ষণিক সেবা দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া। তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়াদী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭১০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১২৬০ জন। আর, এই মুহুর্তে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৫০ জন। তন্মধ্যে শিশু ভর্তি আছে ১৭০ জন। ঈদের সময়ে আমাদের কোন কর্মচারীর ছুটি নেই। এসময়ে কেউ হাসপাতাল ত্যাগ করতে পারবে না।’

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ৭ ও ৮ আগস্টের তুলনায় ৯ তারিখে কমেছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ভর্তি। জ্বর নিয়ে ঢাকার বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ তাদের।

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ২৩

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ীসহ ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২ জন, কলারোয়া ৩ জন, শ্যামনগর থানা ৮ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন ও দেবহাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ২১৫বোতল ফেন্সিডিল, ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২৫ পিস ইয়াবা।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তিনি আরো জানান, আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় মাদকসহ চোরাকারবারী আটক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই’শ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি এ্যাপাচি মোটর সাইকেলসহ দুই মাদক চোরাকারবারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীীরামপুর বাজার সংলগ্ন ব্রীজের পূর্বপাশ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক মাদক চোরাবারবারীরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার আনসার আলী গাজীর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) ও শহরের চালতেতলা এলাকার শেখ নাসিম উদ্দীনের ছেলে তবিবুর রহমান (২৪)।
পুলিশ জানায়, দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকের একটি বড় চালান আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ.এস.আই মাজেদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহলদল রাতে কুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীীরামপুর বাজার সংলগ্ন ব্রীজের পুর্ব পাশে মোটর সাইকেল ও ইঞ্জিন ভ্যান দিয়ে রাস্তা ব্যারিকেট দেয়। মাদক চোরাকারবারিরা এ সময় তাদের মোটর সাইকেলটি পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলে সজোরে ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা রাস্তার ধারে ছিটকে পড়ে। এরপর পুলিশ সেখান থেকে দুই বস্তা ফেন্সিডিলসহ উক্ত দুই চোরাকারবারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় আটক করে। আহত চোরাকারবারীদের প্রথমে সখিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে পুলিশি পাহারায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ‘আটক মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে দেবহাটা থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং-০৫’।

ডেঙ্গুতে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ঢাকা অফিস : ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যু থেমে নেই। আজ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ৮ হাজার ৭০৭ জন। এরমধ্যে ঢাকার ৪০টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৫ হাজার ৩৮৯ জন।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮০ জন। সবমিলে ভর্তি রয়েছেন সাড়ে চারশো ডেঙ্গু রোগী। সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক সানিয়া তাহমিনা বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ছাড়প্রাপ্ত নেয়ার সংখ্যা বাড়ছে। জানুয়ারী থেকে ৭৬ শতাংশ মানুষ বাড়ি ফিরে গেছে। এছাড়া ৭ও ৮ আগস্টের তুলনায় গত ২৪ ঘন্টায় ৯ আগস্ট সারাদেশে ভর্তি হ্রাস পেয়েছে ১৮ ও ১৪ শতাংশ। ৯ আগস্ট সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন ভর্তি হয়েছেন ২হাজার ২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগস্টের প্রথম সাত দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৮৭৯ জন। এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটির পর আজ দক্ষিণ সিটিতেও মশার নতুন ওষুধ ব্যবহার শুরু হবে।

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাকুড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়, সদর উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গ্রামের নুরি মুন্সীর ছেলে শহিদুল মুন্সী (৩৫) এবং একই গ্রামের বিলু মুন্সীর ছেলে বাবু মুন্সী (৩০) নিহত হয়।

পুলিশ জানায়, রাস্তার উপর দুমড়েমুচড়ে যাওয়া থ্রি-হুইলারটি পড়ে থাকায় ওই সময় সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শহিদুল মুন্সীর মরদেহ উদ্ধার ও আহত বাবুকে সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তবে, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

খুলনায় গণধর্ষণের অভিযোগে ওসিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা

খুলনা অফিস : খুলনা রেলওয়ে থানায় পুলিশি হেফাজতে নারী নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জিআরপি থানার ওসিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে গভীর রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে জিআরপি থানায় মামলা করেন।

মামলার বাদী পুলিশের দেয়া নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেন্সিডিল মামলায় কারাগারে থেকে এই মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা ওসমান গনি পাঠান ও এএসআই নাজমুল হক সহ তিন পুলিশ সদস্য।

উল্লেখ্য, গত ২রা আগষ্ট খুলনার জিআরপি থানায় পুলিশি হেফাজতে থাকা এক নারীকে ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠে। অভিযোগে ওই নারী বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে থামার পর তাকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশের সদস্যরা। পরে, রাতে তাকে রেলওয়ে থানায় আটকে রেখে ‘পালাক্রমে ধর্ষণ’ করেন রেলওয়ে থানার ওসি ওসমান গনি পাঠান, এসআই গৌতম কুমার পাল, এএসআই নাজমুল এবং কনস্টেবল মিজান ও হারুন।

চরম দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ

ঢাকা অফিস : সড়কে দীর্ঘ যানজট আর রেলে শিডিউল বিপর্যয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।

আজ কমলাপুর স্টেশন থেকে বেশ কয়েকটি ট্রেন দেরিতে ছাড়বে যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ধুমকেতু এক্সপ্রেস ৬ ঘণ্টা দেরিতে বেলা সাড়ে ১২টা,  সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৫ ঘণ্টা দেরিতে ১১টা ২০, নীলসাগর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা দেরিতে বিকাল ৪টা, রংপুর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা দেরিতে বিকাল ৫টা, লালমনিরহাট ঈদ স্পেশাল ১০ ঘণ্টা দেরিতে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাবার কথা রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলগামী কয়েকটি ট্রেনও সামান্য দেরিতে ছাড়বে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, টিকিট থাকলেও ভিড়ের কারণে ট্রেনে উঠতে না পারার অভিযোগ করেছেন অনেকে। ছাদে ওঠার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মানছে না কেউ।

আজ পবিত্র হজ

আন্তর্জাতিক : আজ পবিত্র হজ। শুক্রবার মিনায় অবস্থানের পরে আজ আরাফাত ময়দানে যাবেন হজপালনকারীরা। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত মুসলমানরা আজ থাকবেন সেখানে।

আকুল হৃদয়ে মহান রাব্বুল আলামিনকে বলবেন, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক।’ আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির। তোমার কোনো শরিক নেই; সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার।

ফজরের পর থেকে হাজিরা আরাফাতের ময়দানে জড়ো হতে থাকবেন। সেখানে দুপুরে মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুৎবা পাঠ করবেন ডক্টর মোহাম্মদ বিন হাসান আল শায়খ। সূর্যাস্তের আগেই আরাফাত ময়দান ত্যাগ করে মুজদালিফার উদ্দ্যেশে রওনা দেবেন হজযাত্রীরা। সেখানে অবস্থানের পর মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপণ এবং প্রতীকী শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন তারা।

পরে মিনায় এসে জামারায়ে আকাবায় ছোট পাথর মেরে, কোরবানি ও মাথা মুড়িয়ে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। এ বছর ১২০টি দেশের ২৫ লাখ হজযাত্রী হজে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে, প্রতিবছরের মতো আরাফাতের দিনে (৯ জিলহজ) আজ পবিত্র কাবা আচ্ছাদিত হবে নতুন গিলাফে। পবিত্র মসজিদের (মসজিদুল হারাম) ও মসজিদে নববীর সভাপতি শেখ ড. আবদুল রহমান বিন আবদুল আজিজ আল-সুদাইসের তত্ত্বাবধানে আজ ফজরের নামাজের পর নতুন এ গিলাফ পরানো হবে।

এবারের গিলাফটি তৈরি করা হয়েছে সিল্কের ৬৭০ কেজি সুতা, স্বর্ণের ১২০ কেজি সুতা এবং রুপার ১০০ কেজি সুতা দিয়ে। কালো জমিনের ওপর অঙ্কিত হয়েছে সোনালি আরবি হরফে কোরআনের আয়াত। বাদশাহ আবদুল আজিজ কমপ্লেক্সে ১৬০ শিল্পী ও কারিগর এ গিলাফটি তৈরি করেছেন।

নতুন গিলাফ পরানোর সময় পুরনো গিলাফ সরিয়ে ফেলা হয়। তা কেটে মুসলিম বিশ্বের সরকারপ্রধানদের দেয়া হয় উপহার। বাংলাদেশে বায়তুল মোকাররম মসজিদে গিলাফের একটি টুকরো টানানো রয়েছে।

মশা নিধনে দরকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য

ঢাকা অফিস : শুধুমাত্র ওষুধ ছিটিয়েই কি মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব? ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়াসহ প্রাণঘাতি বিভিন্ন ভাইরাস বহনকারী মশা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন প্রাকৃতিক ভারসাম্য।  পাশাপাশি পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমেই মশা বাহিত এইসব ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে পারে মানুষ।

যে কোনো বিপর্যয় রুখতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মশা ও মশা বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার।

তিনি জানান, বাস্তুসংস্থানের প্রত্যেকটা জীব একটি আরেকটির উপর নির্ভরশীল। তাই প্রাকৃতিকভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ খুবই দরকার। আর বাস্তুসংস্থানের মাধ্যমেই এই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মশা বা পোকা জাতীয় কীট যেসব প্রাণি খায় সেসব প্রাণির পরিমাণ কমে গেছে অনেক। সে কারণেই বৃদ্ধি পাচ্ছে মশা বাহিত ভাইরাস। মশা নিয়ন্ত্রণে পরিবেশত ও জৈবিক বিষয়সহ সমন্বিত পদ্ধতি প্রয়োগ প্রয়োজন।

কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১২৩ প্রকারের মশা আছে। একেকটি মশার জন্মস্থান একেক জায়গায়। প্রত্যেকটা মশার ক্ষেত্রে তাদের জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ভিন্ন। এনোফোলিস নামক এক ধরণের মশা আছে, এরা সাধারণত ধান ক্ষেত বা আশে পাশে কোথাও পানি জমা থাকলে সেখানে জন্মে।এসব জায়গায় ব্যাঙ বা ছোট মাছ থাকলে তারা এই মশা খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করে। এডিশ মশার ক্ষেত্রে ছোট এক ধরণের পোকা আছে (সাইক্রোপস) এবং ব্যাকটেরিয়া আছে যারা এডিশ মশা খেয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় গাপ্পি মাছ খুব অল্প ছাড়া হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, এডিশ মশা যেখানে হয় সেসব জায়গায় যাতে পানি জমা হয়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ড্রেন, ডোবা বা নর্দমা পঁচে যাচ্ছে সেগুলো যাতে পঁচে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রাকৃতিকভাবে মশা নিয়ন্ত্রণে গাপ্পি মাছ অনেক কার্যকর। গাপ্পি মাছ যদি বাংলাদেশে হ্যাচারি করে চাষ করে, ড্রেন বা ডোবাতে ছেড়ে দেয়া হয় তাহলেও মশা অনেকটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।