এ কেমন নৃশংসতা!

ফুলতলা অফিসঃ পূর্ব শত্রæতার জের ধরে প্রতিবেশীর দেয়া বিষ মিশ্রিত খাবার খেয়ে দুই দফায় ৯টি হাঁসের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনা ঘটে বুধবার দুপুর ফুলতলার দামোদর সাহাপাড়া এলাকায়। পারভেজ শেখের স্ত্রী আশা বেগম এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অভিযোগে জানা যায়, গতকাল দুপুরে বিষ মিশ্রিত খাবার খেয়ে ১২টি হাঁস অসুস্থ্য হয়ে পড়লে এর মধ্যে ২টির মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও ইতোপূর্বেও প্রতিবেশী অনুরুপ খাবারের সাথে বিষ প্রয়োগ করলে আরও ৭টি হাঁস মারা যায়।

ফুলতলার গাড়াখোলা স্কুলে মিড ডে মিল’র উদ্বোধন

ফুলতলা অফিসঃ ফুলতলার গাড়াখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বুধবার দুপুরে বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে মিড ডে মিল’র উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনিমেষ বিশ্বাস প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। শিক্ষক গাজী আজাদ হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রধান শিক্ষক মোর্শারফ হোসেন মোড়ল, আব্দুল হাই গাজী, গোলাম মোস্তফা, প্রেমচাঁদ দাস, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আজহার আলী মোড়ল, লুৎফর রহমান গাজী, হুমায়ুন কবির মোল্যা, আবুল হোসেন, এনামুল মহলদার, শিক্ষক ইয়াছিন আলী, নুরুল ইসলাম, মাসুমা সুলতানা, কায়েদে আজম, নীলরতন মন্ডল, গোবিন্দ গুহ, নাসরিন সুলতানা, অনুপ বিশ্বাস, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অনিমেষ বিশ্বাস সন্ত্রাস, মাদক ও বাল্য বিয়ে রোধকল্পে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এর পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম দিন উপলক্ষ্যে স্কুল আঙিনায় স্থানীয় যুবলীগের এনামুল মহলদারের নেতৃত্বে ফলদ বৃক্ষ রোপন করা হয়।

জন দুর্ভোগের আর এক নাম বরনপাড়া-পানখালি ফেরিঘাট

দাকোপ, খুলনা : চরম দুর্ভোগের আর এক নাম বরনপাড়া-পানখালি ঝপঝবিয়া আন্তঃ নদী পারাপারে ফেরিঘাট । যুগ যুগ ধরে দাকোপ বটিয়াঘাটার লক্ষ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ আর কাটলো না এই নদীতে ব্রীজ না হওয়ায়। সেই ৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাকোপ বটিয়াঘাটার ঢেউ খেলানো রাস্তা ও পানখালি নদী পারাপারের দুরাবস্থা দেখে দাকোপের ও পরবর্তীতে খুলনার জনসভায় ঘোষনা দিয়েছিলেন দাকোপ বটিয়াঘাটার রাস্তায় পিচ হবে এবং ঝপঝবিয়া নদীতে সেতু হবে কিন্তু তারপর অনেক বছর কেটে গেল কেউ কথা ঠিক রাখতে পারেনি। নেতারাও এ নদীর ব্রীজ নিয়ে তেমন কোন দিন কখনও জোর দিয়ে কথা বলে না অথচ দাকোপ বটিয়াঘাটাসহ দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের চলাচলের প্রধান রুট এটা।সবচেয়ে অবাক বিষয় ২ বছর আগে শুনেছিলাম এবং টিভি,কাগজের পাতায়ও পড়েছিলাম পানখালির ঝবঝবিয়া নদীতে ব্রীজ নির্মানে টেন্ডার হয়েছে বিদেশী ঠিকাদাররা এটা বাস্তবায়ন করবে,এক বছর পরে এলাকাবাসী জানতে পারলো এখানে ব্রীজটি হবে না এটা জনৈক বড় নেতার তদবিরে ব্রিজটি কেটে অন্য জেলায় চলে গেছে । ব্রীজ না হওয়ায় বর্তমানে জোয়ারের সময় হাটু কখনও কষনও কোমর পানি ভেংগে নারীপুরুষের যাতাযাত করতে হয় ।এরপরও কোন নেতার মুখে টু শব্দটি নেই এ নদীর ছোট্ট একটি ব্রীজ নির্মানের কথা ।

চিত্ত বিনোদন ঘটাতে উন্মুক্ত খোলা পরিবেশের নিতান্তই প্রয়োজন : উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটা : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন, মানষিক ও শারিরীক চিত্ত বিনোদন ঘটাতে উন্মুক্ত খোলা পরিবেশের নিতান্তই প্রয়োজন রয়েছে। শেখ রাসেল ইকো পার্ক এ অঞ্চলের মানুষের চিত্ত বিনোদনের খোরাক জোগাবে। সুন্দরবন আছে বলেই আমরা দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় মানুষ সুরক্ষিত রয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য ধরে রাখতে হলে এ অঞ্চলে লবণ সহিষ্ণু বৃক্ষ বেশি করে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে মানুষ অন্নের সংস্থান করতে না পেরে অন্যত্র স্থান পরিবর্তন করে। পশু-পাখিও ঠিক তাই। তারা পর্যাপ্ত গাছ-পালা না থাকায় বাসস্থানের অভাবে অন্যত্র স্থান পরিবর্তন করছে। প্রকৃতিকে ধরে রাখতে হলে পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমাদের নৈতিক কর্তব্যগুলি জাগিয়ে তুলতে সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বুধবার বিকাল ৫ টায় বটিয়াঘাটার মাথাভাঙ্গা শেখ রাসেল ইকোপার্কে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গ্রীনবেল্ট চলমান বৃক্ষরোপন কার্যক্রমে বৃক্ষরোপন কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সভাপতি সাবেক বিরোধী দলীয় হুইপ আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সারোয়ার আহম্মেদ সালেহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুলি বিশ্বাস, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কোহিনুর জাহান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফয়সাল আহম্মেদ, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাকির হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আঃ কাদের উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ,সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার,কোষাধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান, সাংবাদিক পরিতোষ রায়,সাংবাদিক ইমরান হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন ইমু, কানুনগো মোঃ মাহমুদুল আলম, সার্ভেয়ার কাওছার আহম্মেদ সহ ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। উপমন্ত্রী ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ সময় পার্কে ২টি ফলজ বৃক্ষ রোপন করেন।

রড সিমেন্টের গোডাউনে ৫ টন পেঁয়াজ !

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে রড সিমেন্টের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে ৫ টন পেঁয়াজ।  পেঁয়াজের মজুদ ঠেকাতে ও মজুদদারদের ধরতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। চট্টগ্রামে রড সিমেন্টের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে  জব্দ করা হয়েছ ৫ টন পেঁয়াজ।

পেঁয়াজের দাম নিয়ে অস্থিরতা ঠেকাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসেনর বেশকটি টিম দেশের বড় পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ ও রিয়াজউদ্দিন বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। জেলার হাটহাজারিতে রড সিমেন্টের একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয় ৫ টন পেঁয়াজ। যা গত ১১ই সেপ্টেম্বর ভারত থেকে আমদানি করা।

অধিক লাভের আশায় ব্যবসায়ী আমির হোসেন তার মালিকাধীন রড সিমেন্টের গোডাউনে পেঁয়াজগুলো মজুত করে রাখেন। গোপন সংবাদ পেয়ে আজ দুপুরে ওই গোডাউনে অভিযান চালিয়ে পেঁয়াজগুলো জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ভারতীয় এসব পেঁয়াজ গত ১১ সেপ্টেম্বর মজুত করা হয়। আমদানির কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে গোডাউন মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ঢাকায় দিনভরই সিটি করপোরেশন ছাড়াও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজারে বাজারে নজরদারী চালিয়েছে। রাজধানীতে পেঁয়াজের বড় পাইকারী বাজার শ্যাম বাজারে মজুদ খতিয়ে দেখেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অভিযান চলেছে রাজধানীর কাওরান বাজারেও। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, দামের কারসাজি খতিয়ে দেখতে অভিযান নিয়মিত চলবে।

এছাড়া বরিশাল, ফরিদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।তারা বলছেন পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার : ভারতীয় ১৫ জেলে আটক

 বাগেরহাট : বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে ট্রলারসহ ১৫ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী।

এসময়ে এফবি মা লক্ষী নামের ইলিশ মাছ বোঝাই একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলারও আটক করা হয়েছে।  মোংলা বন্দর থেকে ৯০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ বিএনএস নিশান এসব জেলেদের আটক করে। এই ঘটনায় বিএনএস মোংলা নৌঘাটির পেটি অফিসার মো. আবুল মঞ্জুর বাদী হয়ে আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে ১৮৯৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মংলা থানায় একটি মামলা করেছেন। মঙ্গলবার রাতে আটককৃত জেলেদের বুধবার সকালে বাগেরহাটের মোংলা থানায় হস্তান্তর করেছে নৌবাহিনী। মোংলা থানা পুলিশ বুধবার দুপুরে আটককৃতদের বাগেরহাট আদালতে পাঠালে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

আটককৃত ১৫ জেলেরা হলেন, ভোলানাথ দাস (৬০), মিন্টু দাস (২৫), বাবুল সরকার (৪২), উত্তম দাস (২৬), কিরণ দাস (৬৫), রাজেশ দাস (৩৩), কার্ত্তিক দাস (৪৫), আনন্দ দাস (৫০), নেপাল দাস (২৬), বাসুদেব দাস (৩০), সূর্য্য দাস (২৬), উত্তম দাস (৩৫), সোনারাম দাস (৫১), বিমল দাস (৪৮) ও পিল্টন দাস (২৩)। এদের বাড়ি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁকদ্বিপ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাতে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় নিয়মিত টহল দেয়ার সময় নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস নিশানের সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার দেখতে পায়। পরে তারা সেখানে গিয়ে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে এফবি মা লক্ষী নামের মাছ বোঝাই ওই ফিশিং ট্রলারসহ ১৫ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে।

বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরে আটক হওয়া ওই জেলেদের বুধবার সকালে মোংলা থানায় হস্তান্তর করে বিএনএস মোংলা নৌঘাটির সদস্যরা। এই ঘটনায় নৌবাহিনী আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে ১৮৯৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মংলা থানায় একটি মামলা করেছে। দুপুরে তাদের আদালতের নির্দেশে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিএনপির মানবিক আবেদন

ঢাকা অফিস : বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মানবিক আবেদন জানিয়েছে বিএনপি।  রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব না উল্লেখ করে দলীয় প্রধানের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক আবেদন জানিয়েছেন বিএনপি সংসদ সদস্যরা। আজ বুধবার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার পর এ আবেদন জানান তারা।

বিকেল পোনে ৪টার দিকে, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান বিএনপির চার সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, মোশাররফ হোসেন, জিএম সিরাজ, জাহিদুর রহমান।

এ সময় বিএনপির সাংসদরা জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার পর সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জানান, দেশে কিংবা বিদেশে চিকিৎসা খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক সিদ্ধান্ত। এ নিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।’ খালেদা জিয়ার পছন্দের চিকিসৎক দিয়ে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করা হয়।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবারও বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন-অর রশীদ, উকিল আবদুস সাত্তার ও আমিনুল ইসলাম বিকাল ৪টার দিকে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রায় এক ঘন্টা সময় কাটানোর পর বিএনপি সংসদ সদস্য হারুন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার যে অসুখ-বিসুখ রয়েছে, এগুলোর জন্য উনার অবিলম্বে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার দরকার। এটার জন্যে বিদেশে চিকিৎসা দরকার।’

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়া দেড় বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন। অসুস্থতার জন্য কয়েক মাস আগে তাকে বঙ্গবন্ধু শেষ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হয়। তারপর থেকে সেখানেই রয়েছেন বিএনপি প্রধান।

শেখ হাসিনাকে ফোন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস : আজ বুধবার বিকেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর চোখের বর্তমান অবস্থার খোঁজখবর নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চোখের চিকিৎসার খোঁজখবর নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ধন্যবাদ জানান।

বুধবার বিকেলে তিনি এই টেলিফোন করেন বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

খুলনায় মাদকবিরোধীঅভিযানে আটক ৪ জন : জেল-জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে মাদক সেবন ও ইয়াবা পাওয়ায় ৪ জনকে আটক করেছেন। আটকতৃতরা হচ্ছে শামীম গাজী (৩৬), মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (২৮), মোঃ আব্দুল্লাহ খাঁ (২৯) এবং মোঃ রায়হান বীন কাদেও (৩০)।
গতকাল মঙ্গলবার মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স দিনব্যাপী নগরীল বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে শামীম গাজী ও মোঃ আবু বক্করকে গাজা সেবনের অপরাধে ৭ দিন, মোঃ আব্দুল্লাহ খানকে ১৪ দিন এবং মোঃ রায়হান বীর কাদেরকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমান।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমান এর নেতৃত্বে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক ‘ক’ সার্কেল ও গোয়েন্দা স্টাফ এবং এপিবিএন এর টিমসহ মহানগর ও খুলনা সদর থানাধীন বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কাসেম গাজীর পুত্র শামিম গাজী, মৃত সোহরাব হোসেনের পুত্র মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী, মোঃ জামাল খা এর পুত্র মোঃ আব্দুল্লাহ খা এবং মৃত নাদের আলীর পুত্র মোঃ রায়হান বীন কাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাজা সেবনের আলামত পাওয়া যায়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাদী হয়ে প্রসিডিশন দাখিল করেন।