শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে এখন শিল্প বিপ্লব চলছে-শ ম রেজাউল করিম মন্ত্রী

তাপস কুমার বশ্বিাস, ফুলতলা অফিসঃ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকারের দক্ষ পরিচালনায় দেশে শিল্প কলকারখানা বেড়ে চলেছে। বেকারদের কর্মসংস্থানসহ অর্থনৈতিক চাকা এখন সচল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে শিল্প বিল্পব চলছে। সুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে গণপূর্ত মন্ত্রনালয় অন্ততঃ ৯০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দুর্নীতি, সন্ত্রাস,
চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী যে দলেরই হোক তাদেরকে কোন প্রশ্রয় দেয়া হবে না। শুক্রবার বিকেলে খুলনার ফুলতলা উপজেলার শিরোমনি এলাকায় ওয়েভ জুট টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেড এর নির্মান কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান সরদার আল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ রাশিদুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ লোকমান হোসেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বসু, কেডিএ চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল মকিম সরকার। উদ্বোধনী বক্তৃতা করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালনা সরদার আল মামুন। হাফেজ আহম্মদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, খানজাহান আলী থানা সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আনিছুর রহমান, খালিশপুর থানা সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাশার, মুন্সী মনিরুজ্জামান প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি মিলের নির্মান কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ইউনিক ডেস্ক : এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের জন্য এক সেট করে প্রশ্ন প্রণয়ন করা হয়।  সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে আজ। রাজধানীসহ সারা দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজিত এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ৩৬টি সরকারি এবং ৭০টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের মোট আসনসংখ্যা ১০ হাজার ৪০৪। সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে চার হাজার ৬৮টি আসন রয়েছে। বেসরকারি কলেজগুলোতে আসন রয়েছে ছয় হাজার ৩৩৬টি। মোট আসনের বিপরীতে এবার ৭২ হাজার ৯২৮ জন  শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯ জন বেশি।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞানের ১০টি করে প্রশ্ন ছিল। এছাড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রশ্ন হবে ভিন্ন। ১০০টি প্রশ্ন থাকলেও কোন প্রশ্ন কোথায় বা কত নম্বরে থাকবে তা কোনো পরীক্ষার্থী বুঝতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, মাত্র এক পাতার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র কোনো প্রেসে ছাপা হয়নি। অত্যন্ত কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে অধিদপ্তরের নিজস্ব উদ্যোগে এ দুই পৃষ্ঠার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ছাপানো হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করলেও, আজ মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন তাদের কাউকেই দেখা যায়নি।

বুয়েটে র‌্যাগিংয়ের নামে চলে নির্মম নির্যাতন ও অসভ্যতা

ঢাকা অফিস : বুয়েটে বছরের পর বছর ধরে র‌্যাগিংয়ের নামে চলতো নির্যাতন। অভিযোগ করলেও, কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

র‌্যাগিংয়ের এর নামে কখনো হাত-পা বেঁধে লাঠি বা স্ট্যাম্প দিয়ে নির্মম পিটুনি, কখনো যৌন নিপীড়ন, আবার পর্নো তারকাদের স্টাইলে অভিনয় করানোসহ নানা নির্যাতনের শিকার বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ করলেও উল্টো ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের সাথে ম্যানেজ করে চলার পরামর্শ দিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃংখলা দেখভালের দায়িত্বে থাকা খোদ ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর নতুনভাবে আলোচনায় আসে র‌্যাগিং কালচার। বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে আনেন নানা নির্যাতনের অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের আইবিএস পেইজে কয়েক বছর ধরেই শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে আসছিলেন।

চলতি বছর এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, আহসান উল্লা হল প্রভোস্টের উপস্থিতিতে বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি জামিউস সানী এক শিক্ষার্থীকে মেরে রক্তাক্ত করে।

তবে অভিযুক্ত বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি বলছেন, তিনি নিজেই র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন।

ফ্লোরে শুইয়ে খাটের উপর পা তুলে করা হত মারধর। মারধরের আলামত লুকাতে স্ট্যাম্প দিয়ে পায়ের তালুতে করা হত বিভিন্ন কায়দায় নির্যাতন। আবরার হত্যার পর গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা অমিত শাহ নির্যাতন করে এক শিক্ষার্থীর হাত ভেঙ্গে ফেলেন।

এসব অভিযোগর পরও ব্যবস্থা না নেয়ায় আগের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বর্তমান ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ড. মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, যদি কোন সুনির্দিষ্ট বা লিখিত অভিযোগ আসে তাহলে দায়িত্বরত কারোই এ বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। কারণ এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

রশীদ হলে ফেস্টের চাদা দিতে অস্বীকার করায় ৪০৬ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষার্থীকে রাত ৩টা অবধি পিটিয়ে হাত পায়ের হাড় ভেঙে দেয় সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের ছাত্রলীগ নেতা অয়ন, বাধন ও সৌরভ এবং মেক্যানিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের মিনহাজ ও ফাহিম।

অভিযোগ পাওয়া যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হলেও শিক্ষার্থীদের হলে থাকতে বাধ্য করতো ছাত্রলীগ নেতারা। শিক্ষার্থীরা অভিযোগের তীর ছাত্রলীগের দিকে ছুড়লেও বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি বলছেন, শুধু বুয়েটের সব সিনিয়রাই র‌্যাগিং ও নির্যাতনের সাথে যুক্ত।

চুল বড় রাখার অভিযোগে শেরে বাংলা হলের ১৮ তম ব্যাচের কয়েক শিক্ষার্থীকে স্ট্যাম্প ও লোহার রড় দিয়ে পেটান আবরার হত্যার এজাহারভুক্ত আসামী ও বুয়েট ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল।

অভিযোগ করা হয়েছিল, শিক্ষকের সামনে পরীক্ষার হল ধরে নিয়ে আহসান উল্লা হলের ৩১৯ নম্বর রুমে নির্যাতন করে ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত, শ্রভ্র , তন্ময় ও জ্যোতি ঠিকাদার।

বছর খানেক আগে এক শিক্ষার্থীকে সরাসরি মেরে ফেলার হুমকি দেয় আবরার হত্যার পর গ্রেপ্তার  ছাত্রলীগ নেতা অমিত শাহ ও মুজতবা রাফিদ।

শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের এক সন্তানকে ভিন্ন রাজনীতি সংশ্লিষ্টতার অপবাদ দিয়ে মারতে মারতে স্ট্যাপ ভেঙে ফেলা হয়। পায়ের লিগামেন্টও ছিড়ে ফেলা হয় ওই শিক্ষার্থীর।

দুই বছর আগে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, যৌন দৃশ্যের সাথে অভিনয় করার জন্য বাধ্য হতো শিক্ষার্থীদের। পর্ন তারকাদের স্টাইলে আপিত্তকর চরিত্র দৃশ্যায়ন করানো হতো তাদের দিয়ে।

এ বছর বড় তিনটি অভিযোগের বিচারের ক্ষেত্রে নিজের সক্রিয় অবস্থানের কথা জানান ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ড. মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আমাকে জানালে আমি সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট এবং সহকারি প্রভোস্ট নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। তাদের তদন্ত রিপোর্টে যে দুই জন শিক্ষার্থী এই র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল তাদেরকে হল থেকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য শিক্ষার্থীরা নানা আকুতি জানালেও তা স্পর্শ করেনি প্রশাসনকে। প্রশাসন অভিযোগের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রলীগকে ম্যানেজ করে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন গত মেয়াদের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টার ক্ষমতা বাড়ানোর পরার্মশ ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টার। এছাড়া একটি অনলাইন অভিযোগ গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, বুয়েট শিক্ষাথীদের অনলাইন অভিযোগ সেলটি বিটিআরসি বন্ধ করে দিলেও নতুন একটি পেজ খুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

তালায় বসতবাড়ি দখল নিতে মহিলার উপর হামলা

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালায় জোরপূর্বক বসতবাড়িসহ ১৫ শতাংশ জমি জবর দখল নিতে কামিনুর নাহার (৩৫) নামে এক মহিলার উপর অর্তর্কিত হামলা ও বসত ঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে প্রতিপক্ষরা। বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকালে বারুইহাটি গ্রামে শহিদুল ইসলাম গাজীর স্ত্রী উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তালা থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শহিদুল ইসলাম গাজী জানান,তার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৫শতাংশ জমির উপর ৪টি পাকাঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছিল। ভাই ভাবী ও ভ্রাতুষ্পুত্রদের অত্যাচারে বাড়ি ছেড়ে তালা বাজারে প্রায় এক বছর বাসা ভাড়া করে বসবাস করেছে।
বৃধবার বিকালে শহিদুলের স্ত্রী কামিনুর নাহার বারুইহাটি গ্রামের তার বাড়ীতে গেলে মৃত শরফুদ্দীনের গাজীর ছেলে আয়ুব আলী গাজী (৪৮),আয়ুব আলীর ছেলে জাহিরুল ইসলাম (২৭) ও আয়ুব আলী গাজীর স্ত্রী লিলিমা বেগম (৪২) গংরা কামিনুর নাহারের উপর হামলা চালিয়ে লাঞ্চিত করে ও বসত ঘরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সামগ্রিক ঘটনায় রীতিমত এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় প্রতিবেশীদের অনেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও ভয়ে তাদের রক্ষায় কেউ এগিয়ে আসেনি।
তালা থানার ওসি মেহেদী রাসেল জানান,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

কুষ্টিয়ায় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে, উপজেলার ভালুকা পুর্বামা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, স্বামী বিপুল কুমার রায় ও স্ত্রী সোহাগী রানী। পুলিশ ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে বিপুল কুমার রায় রাতে সোহাগী রানীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মহত্যা করেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনমাস আগে তাদের বিয়ে হয় বলে জানায় স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মা হতে চান কিনা জানালেন দিপীকা

বিনোদন : সন্তান চাই, তবে বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে কেরিয়ারের দিকে নজর দিতে দিপীকা। আর আমার মনে হয়, ‘এখনই বাবা-মা হওয়া ঠিক হবে না, আমার এই বিষয় নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু ভাবিনি।’

সুখী দম্পতি হিসাবে বেশির ভাগ মানুষের পছন্দের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বলিউড তারকা দীপিকা পাডুকন ও রণভীর সিং। গত বছর নভেম্বরে তাদের বিয়ে হয়, তাদের বিয়ের ছবি ও ভিডিও খুবই ভাইরাল হয়েছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় হল, কিছুদিন আগে এই দম্পতি বাবা-মা হতে চলেছেন কিনা তা নিয়ে বেশ জল্পনা শুরু হয়। কিন্তু সম্প্রতি অভিনেত্রী এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন, হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ধোঁয়াশার চাদর সম্পূর্ণ সরিয়ে নিজের মতামত জানান।

দীপিকা পরিষ্কার ভাষায় জানান, তিনি এখনই মা হতে চান না, বাচ্চা নিয়ে যে জল্পনা চলছে, তা সম্পূর্ণ গুজব। তাদের সন্তান চাই, তবে বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের কেরিয়ারের দিকে নজর দিতে চান।

দীপিকা বলেন,আপনি যদি দীর্ঘদিন কারো সাথে মেলামেশা করেন তাহলে সবার আগে লোক জানতে চায় বিয়ে কবে হবে? তারপর বাচ্চা কবে? এই ধরনের প্রশ্ন গুলো আমাকে খুবই হতাশ করে। গুজব শুনে আমি এতটুকু হয়রান হয়নি। আমরা দুজনেই বাবা মা হতে চাই। আমরা দুজনেই বাচ্চা পছন্দ করি, তবে বর্তমানে আমার শুধু নিজেদের কেরিয়ারেই ফোকাস করছি। আর আমার মনে হয়, এখনই বাবা-মা হওয়া ঠিক হবে না, আমার এই বিষয় নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু ভাবিনি।’

প্রসঙ্গত, শীঘ্রই দীপিকা ও রণভীরকে একসাথে ‘এইটিথ্রি’ সিনেমায় দেখা যাবে। ১৯৮৩ সালে ভারত প্রথম বিশ্বকাপ লাভ করে, তার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে এই সিনেমা। এই সিনেমাতে রণভীর কপিল দেবের ভূমিকায় অভিনয় করবেন, আর তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন দীপিকা।  বিয়ের পর এই প্রথম তারা স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ‘এইটিথ্রি’-র পরে আসছে দিপীকার ‘ছপাক’।

পিয়ন থেকে দপ্তর সম্পাদক হওয়া সেই যুবলীগ নেতা দল থেকে বহিষ্কার

ঢাকা অফিস : যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান সংগঠন থেকে বহিষ্কার।  পিয়ন থেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক বনে যাওয়া কাজী আনিসুর রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর একটার দিকে, যুবলীগের সভাপতি মন্ডলীর বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ের একসময় পিয়নের দায়িত্ব পালন করা কাজী আনিসুর রহমান পরবর্তীতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক বনে যান। এমনকি, তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভযোগও রয়েছে। তবে, যুবলীগ নেতা খালেদা মাহমুদ ভূঁইয়া, জি কে শামীম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর গা ঢাকা দেন কাজী আনিসুর রহমান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাজী আনিসুর রহমান কেন্দ্রীয় যুবলীগ কার্যালয়ে ২০০৫ সালে পিয়ন হিসেবে চাকরি নেন। সে সময়, তার মাসিক বেতন ছিল প্রায় ৫ হাজার টাকা। এর ৭ বছর পর সেই পিয়ন হয়ে যান কেন্দ্রীয় যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।