অন্তর্দীপন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের বৃক্ষরোপণ

বিজ্ঞপ্তি : অন্তর্দীপন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের সার্বিক তত্বাবধানে আজ শনিবার ভান্ডারকোট ব্লাড ডোনার্স ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত অন্তর্দীপন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০১৯ এর উদ্বোধন করেন ভান্ডারকোট ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান শেখ।
বটিয়াঘাটা উপজেলার ভান্ডারকোট ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থান এবং উল্লেখযোগ্য স্থান বিভিন্ন প্রকারের বনজ , ফলদ, ঔষধি এবং ফুলের শতাধিক বৃক্ষ রোপণ করা হয়। এছাড়া ও মানবতার সেবায় কাজ করার জন্য ভান্ডারকোট ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের শতাধিক সদস্যকে একটি করে বনজ গাছ উপহার দেওয়া হয়।
কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করার জন্য আর্থিকভাবে অনুদান প্রদান করেন শেখ হেলাল উদ্দিন কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক মোঃ হোসাইন সায়েদীন, নাইমা ইমা জান্নাত, মিরাজুল ইসলাম এবং সাধারন সদস্যগণ।
কর্মসূচি পরিচালনা করেন ভান্ডারকোট ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম রেজোয়ানুর রহমান এবং অংশগ্রহণ করেন বিশ্বাস আমিনুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান দিনার, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সোলাইমান সরদার, আমিনুল ইসলাম পিয়াল, অহিদুজ্জামান ডালিম, মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মোঃ সোহেল ফকির, বাহালুল কবির, ইয়াসিন সরদার, মুস্তাকিম বিল্লাহ, মেহেদী হাসান , ইমরান শেখ, ইমন, আলী, কুদ্দুস, রিয়াদ, শান্ত কুন্ডু, প্রান্ত কুন্ডু, আশরাফুল এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

বৈধ অস্ত্রের অবৈধ প্রদর্শন

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে বৈধ অস্ত্রের সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি। প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনের বৈধ এসব অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার করছেন অনেকেই।  চট্টগ্রামে মোট বৈধ অস্ত্রের সংখ্যা ৪ হাজার ২৭২টি। গত চার বছরে লাইসেন্স দেয়া হয় ৫৩৮টি। প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনে বৈধ এসব অস্ত্র প্রদর্শন করা ছাড়াও অভিযোগ আছে অবৈধ ব্যবহারের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ অস্ত্রের বেশিরভাগ লাইসেন্সই পেয়েছেন সরকারি দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অস্ত্র প্রদর্শন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি মালিক আলমগীর আলম। গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আলম, জুট আলম নামেও পরিচিত। ২০১৩ সালে প্রকাশ্যে গুলি করার অভিযোগ যুবলীগের দিদারুল আলম ও জাফরের বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় দিদারুল আলমের অস্ত্রটি জব্দ করা হয়।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের এমন কর্মকাণ্ডে আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।

চট্টগ্রাম মহানগর টিআইবি ও সনাকের সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার কবির চৌধুরী বলেন, এসব কর্মকান্ডের ফলে নাগরিকদের মধ্যে একটি সন্দেহের অবকাশ থেকে যায় যে রাষ্ট্রে সরকারকে চ্যালেঞ্জ করার মত অন্য কোন শক্তি কি তাদের অভ্যন্তরে আছে?

বিভিন্ন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে মোট বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্সের সংখ্যা ৪ হাজার ২৭২টি। এরমধ্যে জেলায় ১ হাজার ৭৮৫টি, নগরীতে ২ হাজার ৫৭৭টি। আর ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয় ৫৩৮টি।

বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার করা হলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মাদ মাহাবুবুর রহমান। তিনি বলেন, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে যারা অস্ত্র প্রদর্শন করছে বা অস্ত্রের অপব্যবহার করছে তাহলে যে কোন মুহুর্তেই লাইসেন্স বাতিল করার এখতিয়ার আছে।এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলাও করা সম্ভব।

অভিযানের পর নিজেদের সাম্রাজ্য গুটিয়ে অনেকেই এখন আত্মগোপনে। যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক। তিনি বলেন, যুবলীগের কোন নেতাকর্মী যদি এমন কোন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, আমাদের নির্দেশ দেয়া আছে কাউকে কোন ছাড় না দেয়ার জন্য। প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যেই পদক্ষেপ নিবে তাকে আমরা স্বাগত জানাবো।

হাসপাতাল থেকে সম্রাট কারাগারে

ঢাকা অফিস : অবৈধ ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাঠানো হলো।

আজ শনিবার সকালে সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপরেই যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাটকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নেয়া হলো।

এর আগে গত মঙ্গলবারে বুকে ব্যথা অনুভব হওয়ায় সম্রাটকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কারাগার থেকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হয়। এরপর, ঢামেক চিকিৎসকদের পরামর্শে সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়।

সেখানে তাকে করনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, সম্রাট অবজারভেশনে আছেন। তার শারিরিক অবস্থার জন্য অস্থায়ী মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলা হয়েছে। মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। এই রিমান্ড আবেদনের শুনানি আগামী ৯ই অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাহী হাকিম ইয়াসমিন আরা আসামিদের আগামী ৯ই অক্টোবর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।