ব‌টিয়াঘাটার আমিরপুরে নদী থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : ব‌টিয়াঘাটা থানার ৭নং আমিরপুর ইউ‌নিয়‌নের ছয়‌গেট নামক স্থা‌নে অজ্ঞাত লা‌শের সন্ধান পাওয়া যায়। এলাকার লোকজন ‌আনুমা‌নিক বেলা ২টা দি‌কে লাশ‌টি ন‌দীর পা‌নি‌তে কচু‌রী পানার উপ‌রে লাশ‌টি ভে‌সে থাক‌কে দে‌খে পু‌লিশ‌ে খবর দেয়। প্রাথ‌মিক ভা‌বে লাশটা কোন থানার আওতায় প‌ড়ে‌ছে তা বুঝ‌তে কষ্ট হ‌লেও পারে ব‌টিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) লাশ‌টি উদ্ধার ক‌রে। এ সময় ঘটনা স্থ‌লে উপ‌স্থিত হন ‌জি এম মিলন, চেয়ারম্যান ৭নং আ‌মিরপুর ইউ‌নিয়ন প‌রিষদ, ভান্ডারকোর্ট ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই তা‌রেক, বাইনতলা অস্থায়ী ক্যাম্প ইনচার্জ এ এস আই নাজমুল সহ স‌ঙ্গিও ফোর্স। অজ্ঞত এ লাশ‌টি কোথা থে‌কে কি ভা‌বে নদীর পা‌নি‌তে এ‌সে‌ছে তা জানা সম্ভব হইনায়। লাশ‌টি প্রায় প‌চে নষ্টগলে গে‌ছে। এলাকার লোকজ‌নের ম‌ধ্যে ব্যপক আতঙ্ক সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

সম্রাট ও আরমানের রিমান্ড মঞ্জুর

ঢাকা অফিস : অস্ত্র ও মাদক মামলায় ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের পাঁচদিন করে দশ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়াও, মাদক মামলায় আরমানের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, দুপুর ১২টার কিছু আগে যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালতে নেয়া হয়। অস্ত্র ও মাদক মামলায় শুনানির শেষে আদালতে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, সকাল থেকেই তার মুক্তির দাবিতে কর্মী ও সমর্থকরা আদালত চত্বরে ভিড় জমিয়েছেন। পুলিশ মূল গেটের সামনে থেকে তাদের সরিয়ে দিতে চাইলেও বিক্ষোভ জানিয়ে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

গত ৭ই অক্টোবর, সম্রাটের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় র‌্যাব-১ মামলা করে। এর আগে, ৫ই অক্টোবর গভীর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থকে সম্রাটকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে আটক হন যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানও।

শাকিবের নায়িকা কোয়েল মল্লিক!

বিনোদন : শাকিব খানের প্রযোজনা সংস্থা এসকে মুভিজ থেকে নতুন ছবি নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যেখানে শাকিব খানের বিপরীতে জুটি বাঁধবেন কলকাতার নায়িকা কোয়েল মল্লিক।

খবরটি পরিচালক মালেক আফসারী নিশ্চিত করেছেন- এমন সূত্র ধরে দেশের প্রায় সকল গণমাধ্যমেই ফলাও করে প্রচার হয়েছে শোবিজ জগতের এই নতুন খবরটি। তবে মালেক আফসারী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‌‘কোয়েল মল্লিককে নায়িকা নেয়ার খবরটি ভুয়া। আমরা পরিচালক সমিতিতে ছবিটির নাম এন্ট্রি করেছি এটা সত্য। তবে নায়িকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কলকাতার নায়িকা নেয়ার কোনো চিন্তাই আমাদের নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘ছবির জন্য শাকিব খানের সঙ্গে মিশা সওদাগরও শতভাগ চূড়ান্ত। নায়িকা ঠিক হলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই জানানো হবে। আগামী ১ তারিখ থেকে ‘বীর’ ছবির শুটিং, ‘বীর’ শেষ করার পর এ ছবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’ এছাড়াও তিনি বলেন, ‘হ্যাকার’ ছবিতে কোয়েল মল্লিকে নেয়ার বিষয়টি অনেক আগের প্ল্যান। তবে এ ব্যাপারে আমি শিওর না। কারণ ছবিটি নির্মাণের অর্থ ব্যয় করবে প্রযোজক, তাই তারাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারবেন। আর আমি শুনেছি কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে ছবিটির বিষয়ে কথা হয়েছে। যেহেতু শিডিউলটা আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি তাই এ বিষয়ে কনফার্ম কিছু বলতে পারছি না।

প্রসঙ্গত, এর আগেও বহুবার শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন কোয়েল মল্লিক এই শিরোনামে বিভিন্ন সময়ে অনেক মিথ্যা খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আবরার হত্যায় জড়িত দু’জন ছিলেন শিবিরে!

ঢাকা অফিস : বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে নির্যাতনের শুরুটা করেছিলেন রবিন। কিন্তু, তিনি নিজেই জামায়াত-শিবির পরিবারের সন্তান। আরেক নির্যাতনকারী অনিকের চাচারা সবাই বিএনপির রাজনীতি করেন।
রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার কাপাশিয়ায় মেহেদি হাসান রবিনের বাড়ি। রবিনের দাদা মমতাজ উদ্দিন মারা যাওয়ার আগে জামায়াতের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচনও করেছিলেন। আর, চাচা জামায়াত নেতা ইমরান আলীর বিরুদ্ধে রয়েছে নাশকতার চারটি মামলা। ২০০৮ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর রবিনের বাবা ঢুকে যান আওয়ামী লীগে।  রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী বলেন, ‘রবিনের দাদা জামায়াত করতো। এ এলাকায় জামায়াতে মোটামুটি একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন তিনি। তার চাচারাও জামায়াতের সঙ্গে কানেকটেড। এবং তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে। আমাদের দল পাওয়ারে আসার পরে, তার বাবা জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।’

তবে, রবিনের বাবার দাবি তার বাবা ও ভাইয়েরা জামায়াত করলেও তিনি আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন। আবরার হত্যায় রবিন জড়িত তা বিশ্বাস করতে পারছেন না তার বাবা-মা।

রবিনের বাবা মাকসুদ আলী বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতি করে আমি একজন বড় নেতা হব, অথবা সংসদ সদস্য হব, এরকম চিন্তা করে হয়তো সে রাজনীতি করে। এই যে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত এটা আমি বিশ্বাস করিনা। যেহেতু আমার ছেলে ফুটেজে নাই।’

রবিনের মা রাশিদা খাতুন বলেন, ‘ভালো করে পড়াশোনা করে যা হতে গেছে ইঞ্জিনিয়ারই হবে। আমার ছেলে এ ধরনের কাজ করতে পারেনা।’

এলাকায় শান্ত-নিরীহ হিসেবে পরিচিত রবিনের বন্ধুরা ছিলেন শিবিরের কর্মী। বুয়েটের বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদকের হাত ধরে গত রমজান মাসে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন রবিন। কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে শিবির থেকে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার অনিক সরকারের বাবা ব্যবসায়ী। তার চাচারা সবাই বিএনপির নেতা। তবে, মামা আওয়ামী লীগের নেতা এবং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

এদিকে, তার বাবা আনোয়ার হোসেন সরকার জানতেন না ছেলে রাজনীতিতে জড়িয়েছে। ছেলে অপরাধী হলে সাজা মানতেও প্রস্তুত তিনি। অনিকের বাবা জানান, ‘আগে থেকে আমরা জানতাম না সে রাজনীতিতে জড়িত। আমরা দেখতাম পড়াশোনা করে, ভালো রেজাল্ট করে। আমরাও ভালোবাসি তাকে। প্রকৃত অপরাধ করে থাকলে, আইন অনুযায়ী অবশ্যই মানতে হবে।’

এলাকার দুজনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার খবরে অবাক হয়েছেন রাজশাহীবাসী। তবে, তারাও চান প্রকৃত অপরাধীর সাজা।