খুব শীঘ্রই সেন্সরে যাচ্ছে রেজা ঘটকের চলচ্চিত্র ‘হরিবোল’!

বিনোদন : খুব শীঘ্রই সেন্সরে যাচ্ছে সংখ্যালঘুদের উপর নির্মিত চলচ্চিত্র ‘হরিবোল’! আনিসুজ্জামান নিবেদিত ও বলেশ্বর ফিল্মস প্রযোজিত ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা রেজা ঘটক। ছবি’র কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্য করেছেন নির্মাতা রেজা ঘটক নিজেই।

বাংলাদেশের একটি সংখ্যালঘু প্রান্তিক পরিবারের সমাজ দ্বারা নীপিড়নের গল্পে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘হরিবোল’। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নির্যাতিত এক নারীর সত্য ঘটনা অবলম্বনে একজন তরুণ নির্মাতা একটি সিনেমা নির্মাণ করতে বলেশ্বর জনপদের একটি গ্রামে যান। সেই গ্রামেই সন্ধান পান এই নিপীড়িত সংখ্যালঘু প্রান্তিক পরিবারের। এক গল্পের ভেতরে অন্য এক নতুন গল্প। মুক্তিযুদ্ধ এবং সংখ্যালঘু প্রান্তিক পরিবারকে ঘিরে এরকম এক সমান্তরাল আখ্যানকে উপজীব্য করেই নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘হরিবোল’। পাশাপাশি প্রান্তিক গ্রামের কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রে নানাভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে নির্মাতা রেজা ঘটক বলেন, ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে প্রায় তিন বছর লাগলো। ছবিতে আমি দুটি গল্পকে সমান্তরালভাবে মার্চ করিয়েছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের গল্পের সাথে স্বাধীনতার পঁয়ত্রিশ বছর পর একটি সংখ্যালঘু প্রান্তিক পরিবারের উপর নেমে আসা প্রচলিত সমাজের নিপীড়নের চিত্র এতে ধরা হয়েছে। বড় ক্যানভাসে ‘হরিবোল’ একটি জনপদকে রিপ্রেজেন্ট করে। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের উপর ‘হরিবোল’ একটি বিশেষায়িত চলচ্চিত্র। ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি যেমন একটি নদী বিষয়ক চলচ্চিত্র, তেমনি এটি একটি পরিবেশ বিষয়ক চলচ্চিত্র। ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রে শেষপর্যন্ত চিরন্তন প্রেমেরই জয়গান করা হয়েছে।

দুটি গল্পের একটি গল্প আমি অ্যাবস্ট্রাক্ট ফর্মে বলেছি। আর অন্য গল্পটি নন-লিনিয়ার ফর্মে বলেছি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একই সিনেমায় এভাবে দুটি সমান্তরাল গল্প দেখানো যদিও চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমি এই চ্যালেঞ্জটি ইনটেনশনালি নিতে চেয়েছি। কারণ আমার সিনেমায় গল্প বলার ঢংটি অন্যদের থেকে অবশ্যই আলাদা। একবিংশ শতকের দর্শক অবশ্যই নতুনত্বকে স্বাগত জানাবেন বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রে মিউজিক কম্পোজ করেছেন অংশুমান। ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনটি গান লিখেছেন ও সুর করেছেন অংশুমান। যার মধ্যে একটি গান গেয়েছেন বাউল সফি মণ্ডল, একটি গান গেয়েছেন অংশুমান নিজেই এবং অন্য গানটি গেয়েছেন অংশুমানের সাথে একঝাঁক তরুণ শিল্পী। একটি গান লালন সাঁইজির। লালন সাঁইজির গানটি গেয়েছেন নলীনি মণ্ডল। আর একটি গান ভবা পাগলার। ভবা পাগলার গানটির সংগীত আয়োজন করেছেন অংশুমান এবং গেয়েছেন সাত্যকি ব্যানার্জি।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের সাউন্ড ডিজাইন করেছেন অরিজিৎ মিত্র। সাউন্ড মিক্সিং করেছেন সুজয় দাস। সাউন্ড ইফেক্ট করেছেন সুভারুন সেনগুপ্ত ও সোহাম সান্যাল। ফলি আর্টিস্ট ছিলেন যুগল বাগ। ফলি রেকর্ডিস্ট ছিলেন সৌরভ সাহা।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের কালার করেছেন মোহাম্মদ আমির। ডিআই টেকনিসিয়ান ছিলেন কৃষ্ণপদ সর্দার। ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন মোস্তাফিজ ইসলাম, সেলিম হায়দার, জাহিদ হাসান, প্রণব দাস ও রেজা ঘটক। স্থিরচিত্র ধারণ করেছেন দেবাশিষ গুপ্ত, চিন্ময় চক্রবর্তী ও জাহিদ রবি। আর ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটি সম্পাদনা করেছেন প্রণব দাস।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রের টাইটেল ডিজাইন করেছেন শিল্পী সব্যসাচী হাজরা। গ্রাফিক্স করেছেন স্নেহাশিস ভৌমিক। সাব্টাইটেল করেছেন সম্বৃদ্ধি পাল ও রেজা ঘটক।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধের উপর সিনেমা বানাতে আসা তরুণ নির্মাতা এসকে চৌধুরী’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী ফয়সল। সংখ্যালঘু প্রান্তিক পরিবারের কর্তা নিতাই’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইকতারুল ইসলাম। আর নিতাই’র বউয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৃপ্তি সরেন। এছাড়া গ্রামে নিতাই’র প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি রাঙা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন এমরান হোসেন। গ্রামের হরি চেয়ারম্যানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেলিম হায়দার। পারু’র ভাই পলটু’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রণব দাস। নিতাই’র বন্ধু লখাই’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিয়াকত লিকু। এসকে চৌধুরী’র এসিসট্যান্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইউসুফ ববি। ঝড়ু পাগলার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। পঞ্চায়েত সভার সভাপতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিন্ময় চক্রবর্তী।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নলিনী মণ্ডল, রণজিৎ মণ্ডল, বিধান বিশ্বাস, এমদাদুল হক হাওলাদার, মনোজ মন্ডল, যতীন্দ্র নাথ নাগ, শুকুরঞ্জন মোলোঙ্গী, মুক্তি মণ্ডল, ইলিয়াস খান, গৌতম মিস্ত্রী, প্রেমানন্দ আকার্শন, অনাদী বালা, জাকির হোসেন হাওলাদার, স্বপন পাল, জীবন কৃষ্ণ ঘরামী, সুনীল কুমার মণ্ডল, আরিফুল ইসলাম শিপুল, আকাশ সিংহ, অনিক, চন্দন, উৎস, অমিত, শুভ, সৈকত, সোহাগ প্রমুখ।

‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটির নির্মাণ যজ্ঞ শেষ হয়েছে। এবার সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা বাকি। ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে ‘বলেশ্বর ফিল্মস’ আর এটি নিবেদন করেছেন আনিসুজ্জামান। চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত এক ঝাঁক চৌকশ তরুণের সমন্বয়ে গঠিত ‘টিম বলেশ্বর’-এর একটি ফিল্ম ইউনিট। নির্মাতা রেজা ঘটক আশা করছেন সেন্সরবোর্ড থেকে সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে আগামী নভেম্বর/ডিসেম্বর মাসে ‘হরিবোল’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবে।

সুতারখালির নানা দূনির্তীর কাহিনী বর্তমানে ইউটিউবে!

দাকোপ, খুলনা : সুতারখালি ইউনিয়ন পরিষদের নানা দূনির্তীর কাহিনী বর্তমানে ইউটিউবে দেখা ও শুনা যাচ্ছে ।খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলাধীন সুতারখালি ইউনিয়ন পরিষদকে ঘিরে সারাবছর সামাজিক যোগাযোগ মিডিয়া ফেসবুক সহ নানা লেখালেখিতে দেখা গেলেও গত কয়েকদিন যাবৎ নতুন আংগিকে নতুন ষ্টাইলে ইউটিউবে একের পর এক চাল চুরির কাহিনী,চুরির টাকা ভাগাভাগির কাহিনী,জনপ্রতিনিধিদের চাল চুরির কাহিনী,প্রেম কাহিনী,তাদের অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে তোলা ছবি ফাঁস,রাস্তার কাজ সহ নানা প্রকল্পের অনিয়মের কাহিনী একের পর এক পাবলিক উদ্যোগী হয়ে প্রকাশ ও প্রচার করে চলেছে বলে ইফটিউব ও ফেসবুক ঘেটে বিস্তারিত জানা গেছে ।ইউটিউবের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে এক মেম্বরের সাথে সুতারখালি ইউপি সচিব ফোনালাপে দীর্ঘ সময় ধরে ইদের সময়ে বরাদ্দ চাল চালনাবাজারে ২০/২৫ বস্তা বিকরি,মেম্বরদের জন্য আলাদা আড়াই টন, সচিব চন্দ্র বালা প্রায়ই আপনজনের ন্যায় এসব ম্যানেজ করে দেয় তাই তাকে পরিবারের সদস্যর মত মনে করেন চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান । এদিকে একই সময় সুতারখালি পরিষদের এক মেম্বরের প্রেমের কথাবার্তা ,ছবি ও অডিও নিয়ে একের পর এক ইউটিউবে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়ে চলেছে তাদের কাহিনী ও চাল চুরির কাহিনী ইউটিউবে সার্চ দিলেই বেশ কয়েকটি সুতারখালির ভিডিওতে দেখা যাবে বলে অনেকেই জানান ।এ বিষয় সুতারখালির ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আলি ফকির বলেন আমার ছেলের সাথে মেম্বরের বিরোধের কারনে এসব হয়েছে,নারী ঘটিত বিষয়ে বলেন ও ঘটনা সত্য তাদের সম্পর্ক আছে । আর মেম্বর বলেন একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে চলেছে,ষড়যন্ত্রকারিদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

বটিয়াঘাটায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর-২০১৯ উদযাপন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে এক র‌্যালি ও আলোচনা সভা স্থানীয় সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল,  প্রাথমিক  শিক্ষা কর্মকতা হাবিবুর রহমান,  পরিসংখ্যান কর্মকর্তা গৌতম কুমার  বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসী রানী প্রমূখ। র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে।

বটিয়াঘাটায় জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নেতৃবৃন্দের আ’লীগে যোগদান

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত রায়ের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন দলীয় নেতাকর্মী গত মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আশরাফুল আলম খানের হাতে তার দপ্তরে ফুলের তোড়া দিয়ে  আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। যোগদানকালে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চঞ্চলা মন্ডল, ইউপি সদস্য বিএম মাসুদ রানা, অম্লান রায়, সুব্রত মন্ডল, সঞ্জয় সরকার, প্রদীপ রায়, গৌর মন্ডল, কার্তিক রায়, দেব মন্ডল, সুমন প্রমূখ।

বটিয়াঘাটায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা সোমবার সকাল ১০ টায় স্থানীয় পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন, থানার ওসি মোঃ রবিউল কবীর, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সি: মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা গৌতম বিশ্বাস, ইউআরসি ইনষ্ট্রাক্টর আশিক বিন আজাদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোনায়েম খান, ভাঃ আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামসুর নাহার খানম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জিয়াউল হক জসিম, ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে আশিকুজ্জামান আশিক, শেখ হাদী উজ-জামান হাদী, মোল্যা ইসমাইল হোসেন বাবু, প্যানেল চেয়ারম্যান বিউটি বিশ্বাস, মাদ্রাসা সুপার বোরহান উদ্দীন প্রমূখ। সভায় আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বটিয়াঘাটায় কৃতি শিক্ষাথীদের  সংবর্ধনা ও উপবৃত্তি প্রদান

বিজ্ঞপ্তি : এস এস সি ও এইচ এস সি পরীক্ষায় জিপিএ ৪ এবং ৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের  সংবর্ধনা ও এককালীন উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সোমবার বিকাল ৪টায় বাগেরহাট এরিয়া অফিসের আয়োজনে বাগেরহাট এলাকা ব্যবস্থাপক পার্থ রায় চৌধুরির সভাপতিত্বে বটিয়াঘাটা শাখায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান বিউটি মন্ডল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাখা ব্যবস্থাপক যোগেশ মন্ডল, হিসাবরক্ষক অফিয়া মালিহা, ক্রেডিক কর্মকর্তাসহ কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দ।

দাকোপে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

দাকোপ প্রতিনিধি :  দাকোপে বেসরকারী সংস্থা সুশীলনের আয়োজনে লোকাল অথোরিটির সাথে ঋতুকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০ টায় দাকোপ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান। বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের সহযোগীতায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আকতার, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কাদের, চালনা এম এম কলেজ অধ্যক্ষ অসীম কুমার থান্দার, মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ নন্দিতা রানী পাল, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সেখ মাহবুর হোসেন, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহানারা বেগম, শিক্ষক লতিকা বিশ্বাস, সাগর সেন, সুশীলনের প্রোগ্রাম অফিসার আঃ রহিম, সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার দীপালি বিশ্বাস, নারী প্রগতি সংঘের প্রজেক্ট অফিসার উৎকলিত রায়, নবযাত্রা প্রকল্পের শেখ রাসেল, স্বপ্নারানী নাগ, সুশীলনের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর চম্পা দাস, মাফিয়া আফরিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক সাংবাদিকবৃন্দ অংশ নিয়ে ঋতুকালীন বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও করনীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতামত উপস্থাপন করা হয়।