দাকোপ সদরে দালালদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি

দাকোপ, খুলনা ; খুলনার দাকোপ উপজেলা সদরে সম্প্রতি একশ্রেণীর দালালদের উদভব হওয়ায় নিরীহ লোকজন নানাভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছে।এলাকাবাসির অভিযোগে জানা যায়,সকাল ৮টা বাজতে না বাজতেই সংঘবদ্ধ দালালেরা দাকোপ উপজেলা সদরের ডাকবাংলা মোড়ের ৪/৫টি চায়ের দোকান.ডাকবাংলার ভিতর,হাসপাতালের সম্মুখের দোকান পাটে ঘন্টার পর ঘন্টার আড্ডা জমাতে থাকে মক্কেলের আশায়,গ্রাম থেকে উপজেলা পরিষদ,থানা,হাসপাতালে,জমি কেনাবেচা কাজে এমনকি ডাকতার দেখাতে আসলেও এ চকরো এদের পিছু নিয়ে সকল কাজের সহজে সমাধান করে দেবে এমন আশ^াসে মক্কেলের কাজ হোক বা না হোক দালাল শ্রেণীর পকেটে নানা কৌশলে ৫শ থেকে হাজার টাকা কখন চলে যায় বুঝতেই পাওে না গ্রামের নিরীহ লোকজন।এ ছাড়া জমি কেনাবেচার একটি বিশেষ বড় দালাল শ্রেনী এলাকায় দায়িত্বরত নায়েবদের সাথে পারসেন্টটেন্সের ভাগাভাগির চুক্তিতে জমি কেনাবেচার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাগাভাগি করে চলেছে অহরহ।দেশের ঢাকা,চিটাগাং,খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্পপতিদেরও শত শত বিঘা জমি কিনে দেবে বলে এ্রাডভান্স টাকা নেওয়া পার্টিদের নিয়ে গাড়িতে চলাফেরা,খাওয়া দাওয়ার রিতীমত একটা হিড়িক লেগে আছে বলে দেখা যায়।জমি কেনা বেচার তেমন কোন খবর না তাকলেও পিনের বা ম্যাগনেটের ব্যবসার ন্যায় গত ২/৩ বছর যাবৎ বটিয়াঘাটার পর দাকোপে এ ব্যবসাটি এক শ্রেণীর কাছে বেশ জমজমাট ও বড় বানিজ্য হিসাবে রুপ নিয়েছে প্রত্যান্ত এলাকা পর্যন্ত ।

বটিয়াঘাটায় হামলা চালিয়ে টাকা ছিনতাই : আটক ১

খুলনা অফিস : বটিয়াঘাটা উপজেলার নারায়নপুরের গোপাল বিড়ি ফ্যাক্টরির সুপারভাইজার জলিল শেখের উপর হামলা চালিয়ে দেড় লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। নারায়নপুরের মহেন্দ্র মাতুব্বরের বাড়ীর সামনে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে ।শুক্রবার সন্ধ্যায়।

ঘটনার পর রাতে জলিল শেখের ছেলে মো. রাজু শেখ বাদি হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় মামলা করেন।

মামলার বিবরনিতে বলা হয়, বটিয়াঘাটা থানাধীন নারায়নপুর গ্রামস্থ গোপাল বিড়ি ফ্যাক্টরির সুপারভাইজার জলিল শেখ বিভিন্ন এজেন্টের নিকট থেকে ফ্যাক্টরির দেড় লাখ টাকা সংগ্রহ করে ফ্যাক্টরি থেকে খুলনায় যাওয়ার জন্য আব্দুর রউফকে নিয়ে মটরসাইকেল রওনা হন। পথে নারায়নপুর সাকিনস্থ ক মহেন্দ্র মাতুব্বরের বাড়ীর সামনে পৌঁছামাত্র আগে থেকে ওত পেতে থাকা মিঠুন শেখ, ফিরোজ শেখ, রমজান গাইন ও জনি ফকির এজাহারনামীয় আসামীরা জলিল শেখকে চলন্ত মটরসাইকেলে বাঁশ দিয়ে বারি মারে। মটরসাইকেলে থাকা জলিল শেখ ও আব্দুর রউফ পরে যান। আব্দুর রউফ রাস্তা থেকে খালে দিকে নিচে পরে যান এবং জলিল রাস্তার উপর পড়ে থাকেন। আসামীরা জলিলকে হাতুড়ি, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করে। তাতে তিনি মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হযন। আসামীরা জলিল শেখের পকেটে থাকা গোপাল বিড়ি ফ্যাক্টরির দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তাদের ব্যবহৃত মটরসাইকেল ভাংচুর করে অনুমান ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করে। আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা জলিল শেখকে খুন করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা জলিল শেখকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বটিয়াঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রকাশ বলেন, মামলার পর রাত ১টার দিকে মামলার ১ নং আসামী মিঠুন শেখকে আমিরপুর ইউনিয়নের নারায়রপুরের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতার ও ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে সাড়াশি অভিযান চলছে।