বাগেরহাটে স্বামী বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে স্ত্রীর মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামের মোঃ সমছুল আলম (হাবি) এর পুত্র মল্লিক মাহামুদ হোসেন (২৮) তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রায় দেড় মাস যাবৎ বিভিন্ন সময়ে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এজহার সূত্রে জানা গেছে গত ২৭-০৭-১৮ ইং তারিখে ইসলামি শরিয়াত মোতাবেক মল্লিক মাহামুদ হোসেন (২৮) সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের কাফুরপুরা গ্রামের মোঃ মান্নান ফকিরের কন্য মোসাঃ খাদিজা খাতুন (২০) কে সামাজিকভাবে বিবাহ করে। বিবাহের কিছু দিন পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অবনতি হতে শুরু করে।ভূক্তভোগী সুত্রে জানা যায় মল্লিক মাহামুদ বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রীর উপর শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।শত নির্যাতন সহ্য করেও খাদিজা সংসার আকড়ে ধরে ছিল।কিন্তুু প্রতারক মাহামুদ খাদিজাকে গত ০৫/১২/১৯ ইং তারিখে গোপনে তালাক দেয়।তালাক দেওয়ার পরেও মাহামুদ তার স্ত্রী খাদিজাকে বাড়িতে রেখে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষন করে।গত ১৯/০১/২০ ইং তারিখে অসহায় খাদিজা তালাকের নোটিশ পেয়ে পাগলপারা হয়ে স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যান কে জানিয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় এজহার দায়ের করে। বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন বলেন বিষয়টি এজহার হিসাবে গন্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

ইটালিয়ান সংস্থার সম্পদ আত্মসাতকারী সেই কালু এবার জেলে বসে জমি বিক্রির ফন্দি আটছে

আজগর হোসেন ছাব্বির, দাকোপ : দাকোপে বিদেশী সংস্থার সম্পত্তি আত্মসাতমামলায় জেলে থাকা আসামী বহুল আলোচীত দীপক ওরফে কালু এবার জেলে বসে আত্মসাতকৃত সম্পত্তি বিক্রির পায়তারা করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সাথে জমি বিক্রির গোপন চুক্তি সেরে সেই অর্থে মামলা পরিচালনার উদ্যোগ এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী মৃতুঞ্জয় জানায়, উপজেলা সদর চালনা আছাভুয়া এলাকায় ইটালিয়ান সংস্থা ফিলোদিওতার এক সময়ের পিয়ন দীপক রায় ওরফে কালু ওই সংস্থার অর্থ সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে আছে। পিয়ন পদে চাকুরী নিয়ে ছলে বলে কৌশলে এক সময় নিজেকে সংস্থাটির পরিচালক দাবী করা কালু স্বনামে বেনামে সংস্থার অর্থে ক্রয়কৃত জমি আতœসাত করার অপচেষ্টা করে। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে সংস্থার পক্ষ থেকে তার নামে প্রতারনা ও আতœসাতের অভিযোগে একাধীক মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই অভিযোগে তার নামে ৮ টি মামলা চলমান আছে। সংস্থার অর্থে কেনা ৬৩ শতক জমি প্রতারনার মাধ্যমে নিজ নামে করায় তার বিরুদ্ধে সিআর দাকোপ ১৭/১৮ নং মামলায় বর্তমানে সে জেল হাজতে আছে। একই সম্পত্তি নিয়ে দেওয়ানী ১৫৯/১৭ বিজ্ঞ যুগ্ম ৪র্থ জেলা জজ আদালতে পৃথক একটি মামলা চলমান আছে। এমতবস্থায় ধুরন্ধর দীপক ওরফে কালু জেল হাজতে বসে বিচারাধীন বিরোধীয় ওই সম্পত্তি দাকোপের একটি প্রভাবশালী মহলের নিকট বিক্রির গোপন ষড়যন্ত্র করছে এমন দাবী করে সংস্থার ইটালিয়ান পরিচালক আলেসান্দ্রো মসিনি (আলেক্স) বলেন, সে আমাদের সাথে প্রতারনা করে নগত অর্থ এবং সম্পত্তি আত্মসাত করেছে। তিনি বলেন এখন যদি সে আমাদের সম্পত্তি বিক্রির সুযোগ পায় তাহলে প্রতিষ্ঠান অনেক বড় ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ভবিষাতে কোন সংস্থা মানব সেবাই কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। সংস্থাটির প্রতিবেশী এলাকাবাসীর কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আছাভুয়া এলাকার চিত্তরঞ্জন পাল, ইমান আলী সানা, মোক্তার শেখ, মোহন রায়, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, সংস্থা পরিচালিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দ্র শেখর, কল্পনা ঘোষসহ অনেকেই বলেন, এক সময়ের ভ্যানচালক কালুর আত্মসাতকৃত সঞ্চিত অর্থ হয়ত শেষের পথে। যে কারনে সে এখন সংস্থার অর্থে কেনা এই সম্পত্তি বিক্রি করে মামলা পরিচালনার ফন্দি এটেছে এমন তথ্য জানা গেছে। তারা দাবী করে জেলে বসেই অলিখিত বিক্রয় চুক্তি হয়ে গেছে। বর্তমান বাজার মূল্য অপেক্ষা অনেক কম মূল্যে ওই সম্পত্তি বিক্রির সির্দ্ধান্ত নেওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল সুযোগটি লুফে নিয়েছে। এখন অপেক্ষা জামিনে এসে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেবে। সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট সেবা মূলক বিভিন্ন বিদ্যালয় প্রধান এবং এলাকার সুশীল সমাজ ধুরন্ধর কালুর এই অপকর্ম রুখতে বিচারীক আদালতসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে।

সুন্দরবন হরিণের মাংসসহ চামড়া ও মাথা উদ্ধার

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবন থেকে ৫০কেজি হরিণের মাংস, ৩টি চামড়া ও একটি মাথা উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন, মোংলার একটি টহল দল সুন্দরবনের ছোট কুমড়াকাঠি খাল এলাকা থেকে এগুলো জব্দ করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড সদস্যরা।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ জানান, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে কোস্টগার্ড সদস্যরা কুমড়াকাঠি খাল এলাকায় টহল দিচ্ছিল। এসময় অবৈধভাবে বিক্রির জন্য রাখা ৫০কেজি হরিণের মাংস, ৩টি চামড়া ও একটি মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধারকৃত উদ্ধারকৃত হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুন্দরবন বন বিভাগের শিবসা কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ফুলতলায় প্রয়াত নেতা জোহর আলী মোড়লের কবর জিয়ারত

ফুলতলা অফিসঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা জি এম কাদের এমপি খুলনায় যাওয়ার পথে বৃহস্পতিবার বিকালে খুলনার ফুলতলা উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি মরহুম জোহর আলী মোড়লের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তার সফর সঙ্গী ছিলেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফিরোজ রশিদ এমপি, সাইদুর রহমান ট্যাপা, এ্যাড. রেজাউল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান হাদি, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা জাপার সভাপতি সাইদ আলম মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ, আমিনুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আসলাম হোসেন, রইচ আলী মল্লিক, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। পরে জাপা নেতা জিএম কাদের এমপি প্রয়াত নেতা জোহর আলী মোড়লের স্ত্রী ও পরিবার পরিজনের সাথে কুশলাদি বিনিময় ও খোঁজ খবর এবং দলীয় নেতা কর্মীদের প্রতি পার্টির গতিশীল করার নির্দেশনা দেন।

ফুলতলায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীর করুণ মৃত্যু

ফুলতলা অফিসঃ মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফেরার আগেই ঘাতক ট্রাক কেড়ে নিলো শিশু শ্রেণির ছাত্রী লাবণ্য আক্তার লাবনী (৮) এর প্রাণ। শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ল সহপাঠিসহ এলাকাবাসী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় খুলনার ফুলতলা আহমাদিয়া মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী লাবণ্য মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরছিল। খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলা ট্রাক ইউনিয়নের কাছাকাছি পৌছালে ট্রাক ঢাকা মেট্রো-ট-১১-০৬৭০ নম্বর ট্রাক ঘুরানোর সময় পিছনের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই লাবনীর মৃত্যু ঘটে। এ সময় ট্রাকটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। লাবনী পাশ্ববর্তী রশিদ ডিলারের চাতালের ভাড়াটিয়া হাওলাদার রুহুল আমিন রানার কন্যা। পরে হাইওয়ে থানা পুলিশ পরিত্যাক্ত ট্রাকটি জব্দ করে।

যশোরে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান জুয়েল প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত

যশোর : যশোরে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী জুয়েল নিহত হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে যশোর সদর উপজেলার হাশিমপুর বাজারের অদূরে মিজানুর রহমানের ডেইরি ফার্ম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জুয়েল হাশিমপুরের মৃত আমজেদ মোল্যার ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রগুলি উদ্ধার করেছে। জুয়েলের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা রয়েছে। তাছাড়া তার ছোট ভাই বাবলা ও খালু বুলি বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।
জানা গেছে, বুধবার সকালে কক্সবাজার সদর থানার কলাতলী রোডের অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে পুলিশ আটক করে। সে আনসার সদস্য হোসেন আলী হত্যামামলার পলাতক আসামি।
পুলিশ তাকে কক্সবাজার থেকে যশোরে নিয়ে আসে। হোসেন আলী হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বুধবার গভীর রাতে যশোর ডিবি পুলিশের ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদের নেতৃত্বে একটি টিম হাশিমপুর বাজারে যায়। এসময় জুয়েল ও মুন্নার নব সন্ত্রাসী বাহিনী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদেরকে লক্ষ্যকরে এলোপাতাড়ীভাবে গুলিবর্ষল করে। তখন পুলিশও নিজেদের জানমাল ও সরকারি অস্ত্রগুলি রক্ষার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। দুই পক্ষের মধ্যে অনুমান ১০/১২ মিনিট গোলাগুলির পর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়কালে দৌড়াদৌঁড়ি করে আড় নেয়ার সময় জুয়েল কৌশলে যশোর-মাগুরা গামী মহাসড়কের পূর্ব পার্শ্বে জনৈক সাইফুল ইসলামের ধানি খালি ক্ষেত দিয়ে পূর্ব দিকে দৌঁড় মারে তখন দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে নব্য সর্বহারা মুন্না বাহিনীর অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীর ছোড়া গুলিতে জুয়েল গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যায়। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে সন্ত্রাসী জুয়েলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তৎক্ষণিকভাবে সন্ত্রাসী জুয়েলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পুলিশ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করার পর ডাক্তার পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন, ১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১টি দেশি ওয়ান স্যূটার গান, ১ রাউন্ড রিভলবারের গুলি, ২টি রামদা, ২টি হাসুয়া ৩ জোড়া সেন্ডেল উদ্ধার করা হয়। জুয়েলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ৬টি, ডাকাতি মামলা ১টি, অস্ত্র মামলা ৫টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১টি, চাঁদাবাজি ১টি এবং মাদকদ্রব্য ২টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, যশোর সদর উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নটি যশোরের চরমপন্থীদের মূল ঘাটি ছিল। ঐ এলাকা থেকে ১৯৯৭ সালে সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পন করলেও জুয়েলের পিতা জমসেদ ও খালু বুলিসহ অধিকাংশ লোক অস্ত্র জমা না দিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। চরমপন্থীদের ব্যবহৃত জমা না দেয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র ১৯৯৭ সাল হতে হাশিমপুর এলাকার সন্ত্রাসীদের নিকট ব্যবহৃত হতে থাকে। বসত বাড়িতে ডাকাতি, রোড ডাকাতিসহ ভাড়াটে খুনের কাজে ঐ সকল অস্ত্র ব্যবহৃত হতো। জুয়েলের বাবাসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে নিহত হয়। ঐ এলাকায় চেয়ারম্যান মোশাররফ হত্যাকান্ড বর্ণিত সন্ত্রাসী বাহিনীর আন্তঃকোন্দলে সংঘঠিত হয়। এ এলাকার অন্যতম সšা¿সী ক্যাডার আসকার। আসকার কোতয়ালী ও বাঘারপাড়া থানায় দুই ডজনের বেশি মামলা আছে। হাশিমপুর এলাকায় চরমপন্থীদের অস্ত্র জমা দেয়ার পর যে সকল অস্ত্র জমা দেয়নি সেই সকল অস্ত্র সন্ত্রাসী বুলির হেফাজতে ছিল। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে সন্ত্রাসী বুলি মারা যায়। পরবর্তীতে সন্ত্রাসী বুলির ছেলে মুন্না ও বুলির ভায়রার ছেলে জুয়েল একটি ২০/২৫ জনের ক্যাডার বাহিনী গঠন করে এবং এ বাহিনী জুয়েলের নেতৃত্বে এলাকায় সকল ধরণের অপকর্মে লিপ্ত থাকে। অস্ত্র কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে হাশিমপুর বাজারের আনসার সদস্য হোসেন আলী মার্ডার হয়। ক্যাডার বাহিনীর প্রধান জুয়েল একটি ওয়ান শুটারগান বুকে ঠেকিয়ে ধরে গুলি করে ছুটিতে থাকা আনসার সদস্য হোসেন আলীকে হত্যা করে। গডফাদারদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সন্ত্রাসী জুয়েল এলাকায় চরম নৈরাজ্য চালাচ্ছিল।

বটিয়াঘাটায় বারআড়িয়া পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

মহিদুল ইসলাম শাহিন, বটিয়াঘাটা : উপজেলার বারআড়িয়া পোস্ট মাস্টার মিহির কান্তি গোলদারের বিরুদ্ধে পোষ্ট ই-সেন্টারের নামে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পিএমজি,ডেপুটি জেনারেল ও খুলনা দূর্নীতি দমন কমিশন বরাবর সম্প্রতি ৩ গ্রামবাসী এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে জানা জায়,বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পোষ্ট ই-সেন্টার হতে গ্রামঞ্চলের সাধারন জনগন পোস্ট অফিসের সেবা থেকে বঞ্চিত। সূত্রে প্রকাশ,গা-গ্রামের অধিকাংশ পোষ্ট অফিসের পোষ্ট ই-সেন্টার নামে সরকার সাধারণ জনগণের জন্য যে সেবা গুলি নিশ্চিত করেন সেগুলো হলো কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার প্রিডিং, কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপি প্রিন্ট, ই- মেইল সেবা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভর্তি ও চাকরির আবেদন সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা রয়েছে এই ডাক বিভাগের পোষ্ট ই- সেন্টার সেবা থেকে। অথচ এই পোস্ট অফিসে তেমন কোন সেবা জনগণ পাচ্ছেনা। অভিযোগ রয়েছে অধিকাংশ পোষ্ট অফিসের কতিপয় কিছু পোষ্ট মাষ্টার তাদের ব্যক্তি স্বার্থের জন্য সাধারণ জনগণের সেই সব সেবা দেয়না। শুধু তাইনা পোষ্ট মাষ্টার তাদের নিজস্ব ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা দিয়ে উদ্যোক্তা পদে নিয়োগ দিয়ে ডাক বিভাগের উক্ত সম্পদ/মালামাল নিজেদের কাজে ব্যবহার করে থাকেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ডাক বিভাগের মানি অর্ডার,মোবাইল ব্যাংক কিং এর কথা থাকলেও এখন আর ঐ সকল কতিপয় দূর্নীবাজ পোষ্ট মাষ্টার মিহির গোলদার মানি অর্ডার করেনা। মানি অর্ডার নাকরে নিজেই বিকাশ,ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংককিং ও টেলিটক এর মাধ্যমে ব্যবসা করে চলেছেন। ডাক বিভাগের প্রত্যকটি ডাক ঘরের জন্য সরকারের নিজস্ব জায়গা থাকার কথা থাকলেও সম্পত্তির অভাবে গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ ডাক বিভাগ গুলো ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে মুদি দোকান ও বাসা বাড়িতে। তেমনি বারআড়িয়া পোষ্ট অফিসটি একটি মুদি দোকানের ভিতর অবস্থিত। আর এই কারণে সাধারণ মানুষ ডাক সেবা থেকে বন্চিত হচ্ছে। ফলে সরকার উক্ত পোষ্ট অফিস থেকে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা রাজস্ব থেকে বন্চিত হচ্ছে। ডাক বিভাগের কতিপয় কিছু দূর্নীতিবাজ পোস্ট মাষ্টারের দায়িত্ব অবহেলার কারনেই ডাক বিভাগের ভাবমুর্তী নষ্টের কারনেই এসকল পোষ্ট মাস্টার। অভিযোগ রয়েছে এই দূর্নীবাজ পোষ্ট মাস্টার সরকারি মালামাল নিজের ছেলে ও নিজেদের ব্যাবসার কাজে ব্যবহার করে থাকে। এ বিষয় মিহির গোলদারের কাছে জানতে চেয়ে ফোন দিলে তিনি ফোন রিছিপ করেননি। এলাকা বাসি অনিয়ম কারি পোস্ট মাষ্টারের বিরুদ্ধে তদন্ত পুর্বক শাস্তি মুলক ব্যবস্হা গ্রহনের জোর দাবি জানান।

বটিয়াঘাটায় টেন্ডার সিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলার ৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলাম টেন্ডার ড্রপিংয়ের দিনে কতিপয় উশৃংখল যুবক কর্তৃক প্রকৃত টেন্ডার দাতাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখায়ে টেন্ডার সিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে দরপত্রের ১০ জন সিডিউল গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে একাধীক অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে প্রকাশ, গত ২৮ শে জানুয়ারী বটিয়াঘাটা উপজেলার বিরাট, রনজিতেরহুলা, গোয়ালঘাটা ও জলমা-কচুবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরাতন ভবন নিলাম দরপত্র অনুষ্ঠিত হয়। দরপত্র গ্রহীতা ১০টি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারীরা ঐ দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরপত্র জমা দিতে গেলে স্থানীয় কতিপয় উশৃংখল যুবক ভয়ভীতি দেখিয়ে দরপত্রের সিডিউল ছিনিয়ে নেয়। উক্ত উশৃংখল যুবকদের অফিস পাড়ায় সর্বক্ষণ সরকারদলীয় লোকজন হিসেবে নিজেদের জাহির করে বেড়ায়। তারা দরপত্রের সিডিউল গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বধঅকারীদের সমঝোতার কথা বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দরপত্র কেড়ে নেয়। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে ১০টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে বটিয়াঘাটার সকল দরপত্র জেলা প্রশাসক খুলনা এর কার্যালয়ে রক্ষিত টেন্ডার বক্সে ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সহ উক্ত ঘটনার পূণ: টেন্ডার বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

বটিয়াঘাটায় দুঃসাহসিক চুরি

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা বাজারের চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন মোঃ সোহরাব আলীর বাড়ীতে এক দুঃসাহসিক চুরি সংগঠিত হয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্য রাতে। চোরেরা এ সময় তার গৃহে প্রবেশ করে পরিবারের সকল সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আলমারীর তালা ভেঙ্গে নগদ ১২ হাজার ৭শত টাকা সহ ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।  বুধবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ীর লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চোর চক্রের ফেলে যাওয়া একটি টর্চ লাইট উদ্ধার করে।

চক্রাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় কালিদাস টিকাদার এর মৃত্যু বষিকী পালিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ বটিয়াঘাটা উপজেলার সরকারি জলমা চক্রাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় শ্রী কালিদাস টিকাদার এর ২৩ তম মৃত্যু বষিকী মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক তপন কুমার বিশ্বাসরে সভাপতিত্বে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল প্রত্বিকৃতে মাল্যদান, শোকর‌্যালী, আলোচনা সভা এবং প্রসাদ বিতরণ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, অভিবাবকবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।