বটিয়াঘাটায় সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিদায়ী সংম্বর্ধনা

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ বটিয়াঘাটা উপজেলার বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেছেন, সৎ পথে জীবন ধারনের মানই আলাদা। সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কাছ থেকে পরিসেবা পেতে চায়। এ উপজেলার সাধারণ মানুষের কথা আমার সারা জীবনের পাথেয় হয়ে থাকবে। তিনি বৃহস্পতিবার বেলা ২ টায় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে এক বিদায়ী সংম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে সংম্বর্ধিত প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাসেদুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, অধ্যক্ষ অমিতেষ দাস, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ হালদার ও ইউপি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম চন্দ্র হালদার ও ইউপি চেয়ারম্যান হাদীউজ্জামান হাদীর যৌথ সঞ্চলনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু বিশ্বাস, অধ্যক্ষ মোঃ আরিফুজ্জামান স্বপন, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মানুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদ্দার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রাহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোনায়েম খান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা গৌতম বিশ্বাস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সরদার রফিকুল ইসলাম, আর এম ও ডাঃ বাপী রায়, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাঞ্চিলাল মল্লিক, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধীমান মন্ডল, চেয়ারম্যান যথাক্রমে আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিক, ইসমাইল হোসেন বাবু, গোলাম হাসান, জি এম মিলন, প্রধান শিক্ষক তপন কুমার বিশ্বাস, মাদ্রাসা সুপার বোরহান উদ্দিন, বীরমুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে ওমর ফারুক, কার্তিক বিশ্বাস, নিরঞ্জন রায়, নির্মল অধিকারী, সাংবাদিক যথাক্রমে, মনিরুজ্জামান মনি, বিপ্রদাস রায়, এস এম এ ভূট্টো, আহসান কবির, পরিতোষ রায়, শাহীন বিশ্বাস, মহিদুল ইসলাম শাহীন, শাওন হাওলাদার, ইমরান হোসেন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, জন প্রতিধিনি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ সময় বিদায়ী অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে সফল করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : কেসিসি মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ১৯৭২ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুৃর রহমান প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর তার সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই সিদ্ধান্ত যদি চলমান থাকতো আজকে তাহলে এখানে আমাদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়া লাগতো না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সরকারের সিদ্ধান্তের মধ্যে ছিলো রাস্তাঘাটে মাদক যেনো না খায় বা কোন মাদক ব্যবসা থাকবে না। শুধুমাত্র সুইপার ও বিদেশী পর্যটকরা মদ খেতে পারবেন ঘরে বসেই, বাইরে কোথাও খাবে না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেটা আর বাস্তবায়ন হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর বাংলাদেশকে মাদক মুক্ত জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন । প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে সফল করতে দলবল নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) নগরীর আভা সেন্টারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, খুলনা মেট্রোপলিটন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কেএমপি) সরদার রকিবুল ইসলাম, খুলনা রেঞ্জ পুলিশের অতরিক্ত ডি আই জি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম (বিপিএম), খুলনা পুলিশ সুপার এ এম শফিউল্লাহ, খুলনা ২১-বিজিবি অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মদ মনজুর-ই-এলাহী, খুলনা সিভিল সার্জন ডা: সুজাত আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্য রাখবেন মদাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় (ভারপ্রাপ্ত )অতিরিক্ত পরিচালক মো: আবুল হোসেন। এর আগে সকাল ৯টায় খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পপস্তক অর্পন, জাতীয় সঙ্গীতের সাথে পতাকা উত্তোল করা হয়। এর পর পায়রা এবং বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে ও র‌্যালীর মধ্যে দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্ভোধন করা হয়। এছাড়া বিকেলে মাদক বিরোধী সচেতনতামুলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক তত্ত্ববধানে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামান ও সহকারি পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র কর্মকর্তা, এনজিও ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

দাকোপে সংস্কৃত কলেজের পরিচালনা কমিটির মত বিনিময়

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপে মা সারদা সংস্কৃত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে দাকোপ প্রেসক্লাবে পরিচালনা পরিষদের গনমাধ্যম কর্মিদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় নবগঠিত কলেজের সভাপতি এ্যাডঃ লাকী বাছাড় কলেজের একাডেমিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন। দাকোপসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে এটাই প্রথম সংস্কৃত কলেজ দাবী করে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ন করে চলতি বছরের জানুয়ারী ফেব্রুয়ারীতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। দাকোপের বটবুনিয়া রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম ক্যাম্পাসে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৬০ বছর বয়স সীমার মধ্যে সর্বনি¤œ এস এস সি পাশ শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যে দেশ বিদেশের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার দাবী করে তিনি কলেজটির প্রচার প্রসারে গনমাধ্যম কর্মিসহ সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মদন মোহন রায়, পরিচালক শিশুবর বাছাড়, অধ্যক্ষ গোবিন্দ লাল মূখার্জী, অধ্যাপক গৌরাঙ্গ কুমার রায়, সহযোগী অধ্যাপক ভবেশ সরদার, বিবেক চক্রবর্তী, জ্যোতি বাছাড়, তন্ময় বাছাড়, অফিস সহকারী মুক্তা জোয়াদ্দার, বিদুষ বাছাড়, তাপস সরদার প্রমুখ।

নববর্ষে নবজাতকের জন্মে শীর্ষে ভারত

আন্তর্জাতিক : প্রতি বছরই ইংরেজি নতুন বছরের শুরুর দিন সারা বিশ্বে জন্ম নেওয়া শিশুদের তালিকা তৈরি করে ইউনিসেফ। এবার চীনকে হারিয়ে নববর্ষে নবজাতকের জন্মে শীর্ষে ভারত। ২০২০ শুরুর দিনেই এদেশে জন্ম হয়েছে ৬৭ হাজারের বেশি শিশুর। ২১ হাজারের মতো কম সংখ্যক সদ্যোজাত নিয়ে দু’নম্বরে চীন।
এ বছর আবার নতুন দশকে পদার্পণ করল বিশ্ব। সেই দিক থেকে নয়া দশকের প্রথম সন্তানদের স্বাগত জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। ইউনিসেফের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী ২০২০ সালের পয়লা জানুয়ারি বিশ্বে মোট তিন লক্ষ ৯২ হাজার ৭৮টি শিশুর জন্ম হয়েছে। ভারতে নবজাতকের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩৮৫। দ্বিতীয় স্থানে থাকা চিনে এই সংখ্যা ৪৬,২৯৯। ভারত, চিনের পর তালিকায় ক্রমান্বয়ে রয়েছে নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, আমেরিকা, কঙ্গো, ইথিওপিয়ার মতো দেশ।

খুলনায় জুসের বোতলে আসছে ফেন্সিডিল!

কামরুল হোসেন মনি : প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশলে ব্যবহার করে অব্যাহত রাখা হচ্ছে মাদক চোরাচালান। বিশেষ করে থার্টিফাস্ট নাইটকে উপলক্ষে বেনাপোল ও সাতক্ষীরার সীমান্ত দিয়ে জুসের মধ্যে পাচার হয়ে খুলনায় ঢুকছে ফেনসিডিল চালনা। গত সোমবার খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দাশাখার টিম নগরীর ইসলামপুর রোডে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন জুসের বোতলে করে খুলনায় ফেনসিডিল আসার চালানটি আটক করেন। এ সময় গৌতম কুমার শীল (৪৬) নামে এক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীকে আটক করেন। তার কাছ থেকে ছোট-বড় ১২টি জুসের বোতলে আনা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। যার পরিমান ৬ লিটার। অপর আসামী পরাগ চৌধুরি (৪৪) অভিযানে টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী জোরদারকরন ও অধিকতর সতর্কতা অবলম্বনে সহকারি পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানকে আহবায়ক করে ১৫ সদস্য মাদক বিরোধী অভিযানের বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সূত্র মতে, সংস্থার উপ-পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামানের তত্ত্ববধানে গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক পারভীন আক্তারের নেতৃত্বে একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার দুপুরে নগরীর ইসলামপুরে রোডে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ওই এলাকার বাসিন্দা গৌরাঙ্গ শীলের পুত্র গৌতম কুমার শীলকে আটক করেন। এ সময় তার বাসায় তল্লাশী চালিয়ে খাটের নিচের থেকে প্লাষ্টিক জুসের ১২টি ছোট বড় বোতলের মধ্যে ফেনসিডিল পাওয়া যায়। যার পরিমান ৬ লিটার।
গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক পারভীন আক্তার বলেন, অভিনব পন্থায় থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে মাদক চোরাকারবারীরা মাদকের চালান খুলনায় নিয়ে আসছেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, আটক গৌতম কুমার শীল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় এই চালানটি পরাগ চৌধুরী তাকে জুসের মধ্যে করে দিয়ে নিয়ে আসে। তার এখান থেকেই জুসের বোতলে করে ফেনসিডিল বিভিন্ন স্থানে পৌছায় দেওয়া হয়। অপর আসামী পলাতক পরাগ চৌধুরীকে এর আগে ২০১৭ সালে  মাদকসহ তাকে একবার আটক করা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান এ প্রতিবেদককে বলেন, আইনের চোখ ফাকি দিয়ে বিভিন্ন পন্থায় মাদকের চালান খুলনায় ঢুকছেন। থার্টিফাস্ট নাইটকে সামনে তার দপ্তর থেকে মাদক বিরোধী অভিযানের বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া আজ ৩১ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১ জানুয়ারী পর্যন্ত লাইসেন্সকৃত বার ক্লাব, দেশীয় মদের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। থার্টিফাস্টনাইট উপলক্ষে বিশেষ টিম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সতর্কতামুলক অবস্থা থাকা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। দিন-রাত বিশেষ টিম বিভিন্ন জায়গায় অভিযান অব্যাহত রয়েছেন।
আটক গৌতম কুমার শীল এ প্রতিবেদককে জানান, এর আগে পরাগের মাধ্যমে চলতি মাসে ভারত থেকে আসা জুসের মধ্যে ফেনসিডিল আনা চালানটি তার কাছে দিয়ে যায়। বড় জুসের বোতলে লুকিয়িড ফেনসিডিল এক লিটার ধরে। তার কাছ থেকে একজন এসে নিয়ে যায়। বড় বোতল নিয়ে গেলে তাকে ৪শ’ টাকা এবং ছোট বোতল নিয়ে গেলে প্রতি বোতলে ১শ’ টাকা করে পাইতেন। এর আগের চালানটি ফেনসিডিল বিক্রি হয়ে গেছে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীল সূত্র মতে, খুলনাঞ্চল ভারতের সীমান্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের মৌসুমি ফল তরমুজ, কাঁঠাল, লাউ, কুমড়ার ভেতর ঢুকিয়ে ভারত থেকে আনা হচ্ছে ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। ছোট-বড় নানা যানবাহনে করেও বিভ্ন্নি কৌশলে ভারত থেকে মাদক আসছে। যা পরবর্তীতে ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। প্রতিদিনই পরিবর্তিত হচ্ছে মাদক পাচারের ধরন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার হাতে হরহামেশা মাদকের চালান ধরা পড়লেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মূলহোতারা। আর মাদকসহ যারা ধরা পড়ছে, তাদের অধিকাংশই বহনকারী। যারা অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে বহন করছে সর্বনাশা এসব মাদক।
উল্লেখ্য, গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর গত দুই মাসে খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ২০৭ টি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময়ে মোট মামলা হয় ৫৪টি আসামী আটক করা হয় ৫৪ জনকে। অভিযানের সময় ১৩ কেজি, ইয়াবা ১২৫ পিস ও ফেন্সিডিল ১৫৩টি জব্দ করা হয়।