খুলনা নানা আয়োজনে উদযাপিত হবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী

খুলনা অফিস : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে খুলনা নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচী।আর এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১০ জানুয়ারী স্বদেশ প্রতাবর্তন ভিন্ন ভাবে উদযাপিত হতে যাচ্ছে। তোপধনির মাধ্যমে প্রথম প্রহরে মুজিববর্ষ অনুষ্টানের শুভ সুচনা হবে। এছাড়া সকাল সাড়ে ১০ টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে মুজিব কোট পরিহিত ১হাজার ৯ শ ২০ শিশু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন পরিবেশন করবেন।অনুরূপ ভাবে আলেম মুক্তিযোদ্ধ সহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও শহীদ মুক্তি সহ সর্বস্তরে মানুষের কল্যানে দোয়া অনুষ্টিত হবে।বিকালে প্রধান মন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যে দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষনগননা যন্ত্রের উদ্ভোধন করবেন।আজ বিকালে খুলনা সার্কিট হাউজ সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে জেলা প্রশাসক এই কর্মসূচী ঘোষনা করেন।

আওয়ামীলীগকে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে হবে : শেখ হারুন

বাটয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার অসমাপ্ত কাজ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে সমাপ্ত হচ্ছে। আর এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলে মিলে শেখ হাসিনাকে সহযোগীতা করে আগামী ১২ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় সুরখালী ইউনিয়নের গাওঘরা গায়ের হাট বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন পাবলিক লাইব্রেরীর আয়োজনে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা আ’লীগের বার বার নির্বাচিত সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনূর রশীদ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন জেলা সৈনিকলীগের সভাপতি এস এস ফরিদ রানার সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা রথীন রায়ের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেনজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সরফুদ্দিন বাচ্চু, জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামান, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অবঃ সচিব ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ড. প্রশান্ত কৃমার রায়। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আলীগের সাবেক সিঃ সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ ঢালী, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্যা শোভা রানী হালদার, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বুলু রায় গাঙ্গুলি, আ’লীগ নেতা নারায়ণ চন্দ্র সরকার, চেয়ারম্যান শেখ হাদীউজ্জামান হাদী, বীরমুক্তিযোদ্ধা আকরাম হাসেন, রবীন্দ্রনাথ সরকার, তুলসী দাস বিশ্বাস, শেখ রাসেল কবির, জেলা যুবলীগ নেতা জামিল খান, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন ইমু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপজেলা সভাপতি ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, জেলা মহিলা আ’লীগ নেত্রী পাপিয়া সরোয়ার, মহিলা আ’লীগ নেতা শিউলী মিস্ত্রী, মহিলা ইউপি সদস্য শ্যামলী সুতার মহালদার, খোকন মল্লিক,বিএম আব্দুল হাই, গাজী রুবেল, ধ্রুব প্রমূখ। অপরদিকে বেলা ১১ টায় বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে পরিষদ চত্বরে ও গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের বয়ারভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গরীব অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ঘুষ গ্রহনের টাকা সহ ডুমুরিয়া খাদ্য কর্মকতা গ্রেফতার

খুলনা অফিস : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা খাদ্য কর্মকতা মোঃ ইলিয়াছ হোসেনকে ঘুষের গ্রহনের সময় ১ লক্ষ টাকা সহ গ্রেফতার করেছে দুদক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ডুমুরিয়া খাদ্য কর্মকতার কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডুমুরিয়ার চাল মিলের মালিক কামরুজ্জামান খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করে আসছে।আর এই চাল সরবরাহের বিল পরিশোধের জন্য ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন দায়িত্বরত উপজেলা খাদ্য কর্মকতা মোঃ ইলিয়াছ হোসেন।তার এই ঘুষের টাকা প্রদানের লক্ষ্যে দুদক ফাদ পেতে ১ লক্ষ টাকা মিল মালিকের মাধ্যমে দেন খাদ্য কর্মকতার নিকট।পরবর্তীতে ঘুষের জন্য দেয়া ১ লক্ষ টাকা সহ খাদ্য কর্মকতাকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খুলনা।

খুমেক হাসপাতালে স্বেচ্ছায় দেওয়া রক্ত বিক্রি!

দুজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ : বেরিয়ে আসছে নানা অনিয়মের তথ্য

কামরুল হোসেন মনি : খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে গাইনী ওয়ার্ডের ভর্তি হতদরিদ্র ইজিবাইক চালক রায়হানের স্ত্রী গৃহবধূ ববি (২২)। গাইনীজনিত সমস্যায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় খুলনার পাইকগাছা উপজেলা থেকে গত ৫ জানুয়ারি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার স্ত্রীর জরুরি ভিত্তিতে এ পজেটিভ ৫ ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন। কিন্তু টাকার অভাবে হতদরিদ্র স্বামী রায়হানের পক্ষে এতো রক্ত জাগাড় করে সম্ভব না। এ অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে রক্ত সঞ্চালন বিভাগে রক্ত আনতে গেলে সেখানে আউটসোর্সিং এর স্টাফ আদনানেরর যোগসাজসে ৩ ব্যাগ রক্ত ৩ হাজার ৭৫০ টাকার চুক্তিতে প্রথমে ২ ব্যাগ রক্ত নিয়ে আসেন ববির স্বামী। পরে জানা যায় আদনানের দেওয়া দুই ব্যাগ রক্ত স্বেচ্ছায় রক্তদাতা ব্যক্তিদের।
বুধবার খুলনা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ সালেহ উদ্দিন খুমেক হাসপাতালের পরিচালকের কাছে ব্লাড ব্যাংকের ওয়ার্ডবয় (আউটসোর্সিং) আদনান মাহমুদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, হাসপাতালে কারও দুর্নীতি করার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে যেই হোক না কেনো। অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ায় আউটসোর্সিং আদনানকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এছাড়া ব্লাড ব্যাংকের ল্যাব অ্যাটেনটেন্ড রওশন আরাকে শোকজ করাসহ তার বিরুদ্ধে খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ৫ জানুুয়ারি রায়হানের স্ত্রী ববির রক্তের জন্য তার স্বামী রায়হান ও শাশুড়ি খুমেক হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে রক্ত আনতে জান। এ সময় আদনান মাহমুদ তাকে বলেন, এ প্লাস রক্ত আমাদের কাছে নেই, বাইরে থেকে জোগাড় করে দিবো প্রতি ব্যাগে দেড় হাজার টাকা দিতে হবে। পরে দফা রফা করে ৩ ব্যাগ রক্তের জন্য আদনানের বিকাশে (নং ০১৯৫২-৫৪২১২২) ৩ হাজার ৭৫০ টাকা পরিশোধ করেন। টাকা পরিশোধ করার পর দুই ব্যাগ নিয়ে যান। পরবর্তীতে রায়হানের শাশুড়ি ব্লাড ব্যাংকের সামনে কান্নাকাটি করলে বিষয়টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খুলনা ব্লাড ব্যাংকের সদস্যদের নজরে আসলে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে এ সংগঠনটি এক ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দেয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খুলনা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ সালেহ উদ্দিন এ প্রতিবেদককে সন্ধ্যায় বলেন, খুমেক হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত আদনান মাহমুদের বিরুদ্ধে পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায় বুধবার সকালে হাসপাতালের পরিচাল তার রুমে এ বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারীদের কথা শোনেন। পরে আদনান নিজের দোষ স্বীকার করেন। এছাড়া আরেক স্টাফ ব্লাড ব্যাংকের ল্যাব অ্যাটেনটেন্ড রওশন আরার নাম উল্লেখসহ ব্লাড ব্যাংকের চিকিৎসকরা বাদে অন্যান্য স্টাফ এ বিষয়ে জড়িত বলে পরিচালকের সামেন উল্লেখ করেন। পরে স্টাফকে বদলি ও আদনানকে চাকরিচ্যুত করেন। তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চল থেকে আসা অসহায় রোগীরা টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় রক্ত দিতে পারে না। আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন অসহায় রোগীদের স্বেচ্ছায় রক্ত দেই। সেই রক্ত যদি সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে, তাহলে অসহায় মানুষগুলো কোথায় যাবে। এসব প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মানুষের সজাগ থাকতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযুক্ত আদনান নিজের দোষ স্বীকার করে ডাঃ পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদকে বলেন, আমি একা অপরাধী না, ব্লাড ব্যাংকের ডাক্তার ব্যতীত প্রত্যেকটি স্টাফ এই অপরাধের সাথে জড়িত। তাহলে শাস্তি আমার একার হবে কেনো। এ সময় পরিচালক উপস্থিত সবার সামনে বলেন, যদি কেউ অপরাধী হয়, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দ্বিতীয় দফার চুক্তিও মানতে নারাজ এসএটিভির এমডি : কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্রম আইন অনুযায়ী ৮ কর্মীর পাওনা বুঝিয়ে দিতে গত ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ডিইউজে নেতাদের সাথে করা দ্বিতীয় দফার চুক্তিও মানতে রাজি নন এসএটিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ। এর আগে গত বছর অক্টোবরে ডিইউজের সাথে করা ১৩ দফা চুক্তিও লঙ্ঘন করেছিলেন তিনি। তাই এবার চুক্তি লঙ্ঘন করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিইউজে নেতারা। বুধবার দুপুরে এসএটিভি কার্যালয়ে ডিইউজের পক্ষ থেকে দেয়া চিঠিতে আগামী ১২ জানুয়ারীর মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী ৮ সাংবাদিকের পাওনা পরিশোধে সময় বেধে দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। না মানলে এসএটিভিতে এবার কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। বুধবার ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খন্দকার মোজাম্মেল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসাইন এসএটিভিতে আসেন। জানা গেছে, ৮ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির পর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদকে টানা ৩৬ ঘন্টা অবরুদ্ধ এবং এসএটিভির প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয় ডিইউজে এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ডিইউজের পক্ষ থেকে ৮ কর্মীকে বহালের দাবি জানানো হলেও এসএটিভির এমডি সালাহউদ্দিন আহমেদ তা মানতে রাজি হননি। এসময় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে এসএটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ ৮ জনকে শ্রম আইন অনুযায়ী পাওনা পরিশোধের একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী ৫ দিনের মধ্যে ডিইউজের মাধ্যমে ৮ জনের পাওনার চেক হস্তান্তরের কথা থাকলেও এসএটিভি কর্তৃপক্ষ হঠকারিতার আশ্রয় নেয়। তারা ডিইউজেকে পাশ কাটিয়ে এবং চুক্তি লঙ্ঘন করে ৮ কর্মীকে ব্যক্তিগতভাবে মাত্র ৩ মাসের পাওনা বুঝে নিতে বলে। বিষয়টি ডিইউজে নেতারা জানার পর গত ২৯ ডিসেম্বর চুক্তি অনুযায়ী ৮ জনকে শ্রম আইনে পাওনা বুঝিয়ে দিতে এসএটিভি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় তারা। এর জবাবে ১ জানুয়ারি ডিইউজেসহ ৮ জনকে আরেকটি চিঠি প্রদান করে এসএটিভি কর্তৃপক্ষ। ওই চিঠিতে চুক্তি অনুযায়ী শ্রম আইনে পাওনা দেয়ার বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। এর ফলে বুধবার ডিইউজে নেতারা ৮ কর্মীর পাওনা বুঝিয়ে দিতে আবারো চিঠি নিয়ে এসএটিভিতে আসেন। তারা জানান, এসএটিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ নিজেই চুক্তি করে বারবার তা লঙ্ঘন করছেন। তাই এবার আর ছাড় দেয়া হবে না। চুক্তি অনুযায়ী ৮ কর্মীর পাওনা বুঝিয়ে দেয়া না হলে এবার গতানুগতিক আন্দোলনের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে চুক্তি মানতে বাধ্য করা হবে। এদিকে, এসএটিভির মালিক সালাহউদ্দিন আহমেদ এসএটিভিকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি শ্রম আইনের আওতাভুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন।

বুলবুলের ক্ষতে প্রলেপ পড়েনি কয়রার বহু গ্রামে

ইমতিয়াজ উদ্দিন, কয়রা : খুলনার কয়রা উপজেলা পরিষদ ভবন থেকে খানিক দূরে মদিনাবাদ পুরোনো লঞ্চঘাট। এক সময় এখানে জমজমাট ঘাট ছিল। লঞ্চ আসতো বিভিন্ন এলাকা থেকে। সেই ঘাটটি বহু আগে কপোতাক্ষের স্রোতে হারিয়ে গেলেও এখনও এলাকাটিকে সবাই লঞ্চঘাট হিসাবেই চেনে।লঞ্চ ঘাটের রাস্তাধরে একটু সামনে অগ্রসর হতেই চোখে পড়ে ভাঙা একটি ঘর ছাউনিসমেত পড়ে আছে মাটিতে।স্থানীয়রা জানালো গত ১০ নভেম্বর ঘরটি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ভেঙে পড়ে। ঘরের লোকজন কোথায় থাকে? জানতে চাইলে একজন হাতের ইশারায় পাসের টিনের ঘরটি দেখিয়ে দিলেন। জানাগেল ভাঙা ঘরটির মালিক ভ্যান চালক ইলিয়াস গাজী।বুলবুলের তান্ডবে ঘর ভেঙে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে থাকছেন পাসের বাড়ির ইউনুস গাজীর ঘরে। ভ্যান চালক ইলিয়াস গাজীর স্ত্রী বিলকিস বেগমের সাথে কথা হলে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, স্বামী-স্ত্রী অন্যের বাড়িতে বসবাস করছি। প্রশাসন আমাদের দেখতে পায় না। আজ পর্যন্ত কোনও সরকারি সাহায্য পাইনি আমরা।
কয়রা সদর থেকে দক্ষিণ দিকে দুই কিলোমিটার গেলেই গোবরা গ্রাম। কপোতাক্ষের তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা গ্রামটির বেড়ি বাঁধের গা ঘেঁসে আবদুল জলিলের ঘরটি এখনও বুলবুলের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। ঘরের উপর গাছ উপড়ে ভেঙে পড়ে আছে চালের কিছুটা অংশ আর মাটির দেয়াল। ঝড়ের দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অর্থসংকটে ঘরটি আজও মেরামত করতে পারেননি ঘরটির মালিক আব্দুল জলিল। ভাঙা ঘরটির একটি অংশে শীতের মধ্যে ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে কোনোমতে বাস করছেন তিনি।
সর্বনাশা বুলবুলে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের হরিহরপুর এলাকার বামাচরণ মন্ডলের সর্বস্ব কেড়ে নেয়ায় পরিবার নিয়ে পার্শবর্তী উপজেলা পাইকগাছায় শশুরবাড়িতে চলেযেতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। তার আরেক ভাই নিত্যনন্দ মন্ডল বাপ-দাদার পুরনো ভিটে ছেড়ে দিয়ে মাথা গুজে আছে বেড়ীবাঁধের ধারে। শত চেষ্টা করেও সব হারানো এই পরিবারের পক্ষে এখনো ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। নিত্যনন্দ মন্ডল জানালেন, বাড়ি-ঘর সব নষ্ট। মাটির উপরে কোনও মতে ছেঁড়া ত্রিপল ঢাকা দিয়ে প্রায় অনাহারে দিন কাটছে তাদের।
উপজেলাটির সর্বদক্ষিণের ইউনিয়নটির নাম দক্ষিণ বেদকাশী। এই ইউনিয়নের সর্বদক্ষিণে শাকবাড়িয়া নদী তীরবর্তী এলাকার নাম গোলখালী। গোলখালী এলাকার মাজেদা বেগম ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন। প্রলয়ঙ্কারী এ ঝড়ে তার ঝুপড়ি ঘরটি উড়ে গেছে। লন্ড-ভন্ড- হয়ে গেছে মাথা গোঁজার ঠাই। নিরুপায় হয়ে মাজেদা বেগমকে ঠাই নিতে হয়েছে প্রতিবেশির পোল্ট্রি মুরগির খামার ঘরের এক কোনে। মুরগির বিষ্ঠার দূর্গন্ধে যেখানে স্বাভাবিক মানুষের দাড়িয়ে থাকা দায়, সেখানে রাত যাপনও করতে হয় তার। টাকার অভাবে নিজের ঘরটি মেরামত করতে পারেনি এখনও। কোনরকম সহযোগিতাও জোটেনি কপালে। বুলবুলের ক্ষত এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ওই বৃদ্ধা।
বুলবুলের পর সুন্দরবনঘেঁষা এই উপজেলার শত শত মানুষের দিন কাটছে এভাবেই। প্রচন্ড শীতের মধ্যে জবুথবু হয়ে কোনো রকমে দিন পার করছেন তাঁরা। আর্থিক সংগতি না থাকায় একটু সাহায্যের আশায় তাকিয়ে আছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দিকে। ঝড়ের পর কিছু কিছু পরিবার আর্থিক সাহায্য পেলেও অধিকাংশই থেকে গেছে এর বাইরে।
গত ১০ নভেম্বর উপকূলীয় এই জনপদের উপর আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। ঘূর্ণিঝড়ের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি ক্ষতিগ্রস্ত এই উপজেলার মানুষ। স্থানীয়রা বলছেন নদীবাঁধ না ভাঙায়, আইলার মতো অতটা ভয়াবহ হয়ে ওঠেনি বুলবুল। ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে অনেকটাই। তবে দু’একটি জায়গায় সামান্য ধস নেমেছে। এলাকাবাসীদের দাবি, জোয়ারের সময় যদি এই ঝড় হত, তাহলে নদীবাঁধগুলিকে বাঁচানো যেতো না। ভয়াবহতা হয়তো হার মানাতো আয়লাকেও।
সরেজমিনে উপকূলীয় উপজেলাটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বুলবুলের ক্ষত এখনও টাটকা কয়রার বহু গ্রামে। ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ সরিয়ে, ঘরের চাল মেরামত করে দৈনন্দিন ছন্দে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই এলাকার মানুষেরা। খুলনা শহর থেকে সড়ক পথে একশত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে পৌঁছাতে হয় উপজেলা সদরে। সড়কের পাশের অনেক বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়কের কিনার।
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
কয়রা উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানাযায়, বুলবুলের তান্ডবে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ২ হাজার ৩শত ঘরবাড়ি একেবারেই বিদ্ধস্ত হয়েযায়। আর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৪ হাজার ৮শত ঘর।
কয়রা উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী কয়রার মোট ৪০ হাজার কৃষক পরিবারের অধিকাংশই বুলবুলের ছোবলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিজান মাহমুদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে আমরা এ পর্যন্ত চারশো ৭১ হেক্টর জমির আমন ধান একেবারেই নষ্ট হওয়ার খবর পেয়েছি। মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে কয়রার ৩ হাজার ২৬০ টি মৎস্য ঘের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। যার আয়তন ৩৩শ হেক্টর।
বুলবুলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনয়ন। ওই এলাকার কেউ গৃহহারা, কেউ ফসলহারা, কেউ মাছ শিকারের নৌকাহারা হয়েছে। দক্ষিণ বেদকাশী ইউপি চেয়ারম্যান কবি শামসুর রাহমান জানান, তার ইউনিয়নে কয়েক হাজার বিঘা জমির মৎসঘের ঘের ভেসে গেছে। ঘরবাড়ি বিদ্ধস্ত হয়েছে প্রায় দুই হাজারের অধিক। তবে সরকারি সহযোগিতা হিসেবে পেয়েছেন মাত্র ৫৮ বান্ডিল টিন আর বান্ডিল প্রতি তিন হাজার করে টাকা। যা প্রয়জোনের তুলনায় একেবারেই সামান্য। বিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিনযাপন করছে।আবার অনেকেই আর্থিক সমস্যায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ঘর সংস্কার করতে না পারায় তাদেরকে ছেলেমেয়ে নিয়ে অভাব-অনটনে দিনযাপন করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা প্রদান করা হলেও এখনও পর্যন্ত সকলের জন্য ত্রাণসামগ্রী পাওয়া যায়নি।
উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গনেশ চন্দ্র মন্ডল জানান, তার ইউনিয়নটির তিন শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও এগারশর অধিক বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পলিথিনের ছাউনি ও জোড়াতালি দিয়ে ঘর মেরামত করতে সক্ষম হলেও বিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিনযাপন করছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য । তিনি জানান উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নে মাত্র ৩৮ বান্ডেল টিন ও বান্ডেল প্রতি তিন হাজার করে টাকা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাফর রানা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করে ইউনিয়নভিত্তিক ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনকে।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা বলেন, দূর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে সরকারিভাবে ২ লক্ষ ৫০হাজার টাকা, ৫০মেট্রিক টন চাল ও ৭০০ প্যাকেজ শুকনা খাবার বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। সেগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তাতক্ষনিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছিল। এছাড়া পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২৫০ বান্ডেল টিন ও ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। সেগুলিও ইউনিয়ন অয়িজ বন্টন করে দেয়াহয়েছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসনের সহযোগিতা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বিষয়টি শিকার করে উপজেলার এই নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। কিছু ঘর অথবা গৃহ নির্মানের জন্য আর্থিক সহায়তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদনও করা হয়েছ। সাহায্য পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু করা হবে।

মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আওয়ামীলীগ সরকার বার বার দরকার : শেখ হারুন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আওয়ামীলীগ সরকার বার বার দরকার। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ব্যাপক উন্নয়নের কাজ চলছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলে একযোগে কাজ করতে হবে। জলমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক বিরোধী দলীয় হুইপ এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনূর রশীদ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বুধবার বেলা ১১ টায় স্থানীয় জলমা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জলমা আওয়ামীলীগের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র সরকার। জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি এস এম ফরিদ রানার সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সরফুদ্দিন বাচ্চু, জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামান, জেলা আ’লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ নবকুমার চক্রবর্তী, জেলা আ’লীগের সাবেক ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক এ্যাডঃ নিমাই চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অবঃ সচিব ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ড. প্রশান্ত কৃমার রায়। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগ নেতা শোভা রানী হালদার, জামিল খান, পাপিয়া সারোয়ার, মাহাফুজুর রহমান সোহাগ, জেলা যুবলীগ নেতা বিধান চন্দ্র রায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন ইমু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, সাংবাদিক শাহিন বিশ্বাস, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ ঢালী, চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন মোল্লা বাবু জলমা আ’লীগের সাবেক সভাপতি রণজিৎ মল্লিক, আ’লীগ নেতা গোবিন্দ মল্লিক, রাজকুমার রায়, দিপাল মল্লিক, বীরমুক্তিযোদ্ধা কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, রুহুল আমীন হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন, দীপ পান্ডে, শ্যামলী মন্ডল, পিচ্চি নাজমুল, অম¦রীশ, আ’লীগ নেতা হরিচাঁদ মহালদার, মনোরঞ্জন হালদার, অমর মল্লিক, সঞ্জিত মন্ডল, শিশির দত্ত, পরিতোষ মজুমদার, সাবেক মেম্বর নীলাবতী মিস্ত্রী, ফারুক হাওলাদার, বিকাশ হালদার, ফাল্গুনী গোলদার প্রমূখ। এছাড়া বিকাল ৪ টায় উপজেলার ভান্ডাকোট, বালিয়াডাঙ্গা ও আমিরপুর ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্দ্যোগে গরীব ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়।