চট্টগ্রামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১৭ মাদকসেবনকারীকে সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্ট্রগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মেট্রো উপ-অঞ্চলের অভিযানে ১১০ পিস ইয়াবাসহ মোহছেনা বেগম (৪৮) নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। এছাড়া ১৭ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ কেজি গাজা জব্দ করা হয়। তাদেরকে ভ্রম্যামান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মারুফা বেগম নেলী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করনে।
গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
চট্ট্রগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, সংস্থার মেট্রোঃ উপঅঞ্চলের উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে মট্রো উপঅঞ্চলের সার্কেলসমূহের সম্মিলিত অংশগ্রহণে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ১১০ পিস ইয়াবাসহ মোহছেরা বেগম নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন। এছাড়া ১৭ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

বটিয়াঘাটায় অবৈধ ভাবে বালু ভরাট করার দায়ে জরিমানা

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলার ছয়ঘরিয়া মৌজার সৈয়দপুর ট্রাষ্টের খালে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু ভরাট করার দায়ে মোঃ রবিউল ইসলাম (৪০) নামের জনৈক এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদানসহ ৩ দিনের মধ্যে উক্ত বালু অপসারণের নির্দেশ প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাশেদুজ্জামান মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে এ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত পরিচালনা কালে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত রবিউল ইসলাম উপজেলার ইসলামনগর সড়কের মোঃ আকরাম শেখের পুত্র।

খুলনায় বিভিন্ন কোম্পানির নকল ওষুধসহ আটক ১

সাবরিনা বিনতে মাহবুব : নগরীতে মিস্ত্রিপাড়া পশ্চিম লেনে খুলনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নকল ওষুধ ও বিভিন্ন কোম্পানির খালি প্যাকেট ও ওষুধের ফুয়েল (প্যাকেজিং) সহ মোঃ আল মামুন আকন্দ (৩৮) নামে এক ওষুধ বিক্রেতাকে আটকের পর আরও একজনকে আটক করেছেন পুলিশ। আটককৃত হচ্ছে মুনসুর উল ইসলামের পুত্র আব্দুল্লাহ আল হাই হাদী (৪০)। গত রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর বাগমারা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। নকল ওই সব ভেজাল ওষুধ আটকের পর নানা তথ্য বেরিয়ে আসছে। তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে পুলিশ মুখ খুলছেন না। খুলনায় একাধিক ব্যক্তি এই ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ ও বিভিন্ন একাধিক সূত্র থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল আলম বলেন, ওই মামলার তদন্তে আব্দুল্লাহ আল হাই হাদীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা (৩৮)কে গ্রেফতারের জন্য তাদের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রখেছেন। আটককৃত হাদীকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য আদালতের মাধ্যমে তাকে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় ওই চক্রের সাথে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে। তারা এখন অনেকেই গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এজাহারভুক্ত অপর আসামি মোঃ হারেজের পুত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা। তাকে ধরতে সেখানেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে নগরীর হেরাজ মার্কেট থেকে ইউনানী ও হারবালের বিভিন্ন কোম্পানির নকল ওষুধসহ হাতেনাতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা আটক হয়। থানায় এ বিষয়টি নিয়ে পৃথক দুটি অভিযোগ দিলেও পরবর্তীতে একটি বিশেষ মহলের চাপে তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় অভিযোগকারীরা। তৎকালীন সদর থানার এসআই মোঃ আশরাফুল আলম বিষয়টি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় দুজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে একজন ওই দিন অভিযোগ প্রত্যাহার করেন। দ্বিতীয় তলা মসজিদের সামনে সাইনবোর্ড বিহীন একটি ফার্মেসির মোঃ নাসির দীর্ঘদিন ধরে ইবনে হায়সাম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ও গুড হেলথ কোম্পানির হারবাল ও ইউনানী ওষুধ নকল তৈরি করে নগরীর বিভিন্ন ফার্মেসি ও গ্রামাঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে ওই ফার্মেসির মালিক নাসিরকে গুড হেলথ কোম্পানির ইউনানী ওষুধ লোমাটন ও নুভেপ্য এবং ইবনে হায়সাম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির ইউনানী হাইসোক্যাল ও হারবালের আইভেরি ওষুধগুলো নকল তৈরি করে সরবরাহ করার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযুক্ত নাসির ওই সব কোম্পানির ওষুধ নিজে ঘরে বসে ওষুধের লেবেল, স্টিকার তৈরি করে পটের মধ্যে নকল ওষুধ ভরে বাজারে সরবরাহ করে আসছিলেন। পরবর্তীতে নাসিরের স্বীকারোক্তিকে নগরীর ময়লাপোতা, গল্লামারী ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে মোট তিনটি ফার্মেসি থেকে ওই দুই কোম্পানির ওইসব নকল ও ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়। এরপর হেরাজ মার্কেটের কমিটি ও বিসিডিএস এর কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়। তারা ওই দিন সভায় নাসির ফার্মেসিকে আজীবন বন্ধ ঘোষণা ও জরিমানা করেন। এর আগে ওই দুই কোম্পানির খুলনার প্রতিনিধিরা তাদের কোম্পানির ওষুধ নকল ও ভেজাল উদ্ধার বিষয়ে সদর থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার জিডি নং ১৪৭৮-২৫/০৪/১৮ অপরটি হচ্ছে ১৪৭২-২৫/০৪/১৮। বিষয়টি স্থানীয় তৎকালীন ড্রাগ সুপারকে অবহিত করা হয়। ওই সময় হেরাজ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার শীব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই ফার্মেসি আজীবনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযুক্ত নাসির পালিয়ে থাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু দেখা গেছে কয়েক মাস যেতে না যেতেই ওই অভিযুক্ত নাসিরকে পুনরায় দোকান খোলার অনুমতি দেন মার্কেট কমিটি।
উল্লেখ্য, গত রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে খুলনা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নকল বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ, খালি প্যাকেট ও ওষুধের ফুয়েল (প্যাকেজিং) সহ মোঃ আল মামুন আকন্দকে আটক করেন। এ ঘটনায় মামলায় দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়।

খুলনাসহ তিন বিভাগে মৃদু শৈত্য-প্রবাহ অব্যাহত : তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

কামরুল হোসেন মনি : খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে মৃদু শৈত্য-প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। রোববার থেকে বয়ে যাওয়া এই শৈত্য-প্রবাহ আগামী ২/১ দিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তাপমাত্রা আরও একটু কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন খুলনার আবহাওয়াবিদ। সোমবার খুণলনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন ছিলো ১৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে খুলনা বিভাগে মৃদু শৈত্য-প্রবাহ বয়ে যাওয়ায় দিনকে দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ঠা-াজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহম্মেদ বলেন, ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে রোটা নামক ভাইরাসজনিত কারণে মানুষের ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। সেই সাথে রয়েছে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডায়রিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
খুলনার আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ সোমবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে বলেন, গতকাল খুলনায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ছিলো ২২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন রোববার সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ১৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ছিলো ২২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের এই মৃদু শৈত্য-প্রবাহ শুরু হয়েছে। আগামী ২-১ দিন এই শৈত্য-প্রবাহ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সাথে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে ওই আবহাওয়াবিদ উল্লেখ করেন।
খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহম্মেদ বলেন, উপজেলাগুলোতে ঠা-াজনিত ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকদের রোগীদের সেবায় বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, সভায় অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে। এই মুহূর্তে কোনো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো ওষুধ সঙ্কট নেই। প্রতিদিন এই বিষয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে শীতের তীব্রতায় খুলনা জেলায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্করাও ডায়রিয়াসহ নানা ঠা-াজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় ৯ উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর এই তিন মাসে ১৩ হাজার ১৮০ ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বর মাসে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো ৩ হাজার ৪৯৯ জন। এর মধ্যে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১২ জন, বটিয়ঘাটায় ৩৪৫ জন, পাইকগাছায় ৬৪৭ জন, কয়রায় ৩৩৫ জন, রূপসায় ৩৪৫ জন, দিঘলিয়ায় ৩৬৩ জন, তেরখাদায় ৪৭৫ জন, ফুলতলায় ২৮৫ জন ও ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৯২ ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এর আগে নভেম্বর মাসে ৪ হাজার ৬৮১ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে মীরেরডাঙ্গা আইডিয়াল হাসপাতালে ২৭৩ জন এবং নগরীর শিশু হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ছিলো ৩৪৬ জন। অক্টোবর মাসে ছিলো ৪ হাজার ৮৪০ জন। এর বাইরে মীরেরডাঙ্গা আইডিয়াল হাসপাতালে ২৪০ জন ও শিশু হাসপাতালে ৩৪৬ শিশুকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

বটিয়াঘাটা খলসিবুনিয়া জিপিবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাফল্য

মহিদুল ইসলাম শাহিন, বটিয়াঘাটা : খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুরের এক প্রত্যন্ত এলাকায় খলসিবুয়িায় অবস্থিত জিপিবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৬৬ সালে দানবীর স্বর্গীয় সত্যেন্দ্রনাথ রায় সহ অত্র এলাকার উল্লেখযোগ্য কয়েকজন ব্যক্তির সহযোগিতায় এই প্রতিষ্ঠানটি জন্ম হয়। গত বছরে এস এস সি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটিতে শতভাগ পাশ করে উপজেলা মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। ৩৪০ জন ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য বর্তমানে ১১জন শিক্ষক তাদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম সফলভাবে করে চলেছেন। বর্তমানে ঐ প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে ৫ তলা ভবনের নির্মান কাজ চলমান। উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৭২-৭৩ শিক্ষবর্ষের একজন ছাত্র জার্মানী বৃমেন বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. বিভূতী রায়, এছাড়া ঐ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র দেবাশীষ রায় খাদ্য মন্ত্রনালয়ের কর্মরত রয়েছেন, ঐ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র মোঃ কামরুল ইসলাম সিলেটে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছে, একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ডাঃ পৃতিশ তরফদার ও ডাঃ পলাশ তরফদার সরকারী হাসপাতালে কর্মরত আছে, এছাড়া দীর্ঘ ৩৪ বছর পর উপজেলা পর্যায়ে জোনাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। অন্য দিকে শতভাগ পাশের ধারা অব্যহত রাখতে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের সন্তানরা তাদের মায়ের নামে নিজেদের উপার্জিত অর্থ থেকে “শুভাষী শিক্ষা বৃত্তি” প্রকল্প চালু করেছে। শিক্ষাবৃত্তির সাড়ে ১২ হাজার টাকা ১৫ জন দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীর মাঝে প্রতি বছর প্রদান করেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান শিক্ষক সুশীলাল রায় ও গৌর হরি বৈরাগী অবসরে যাওয়ার পরেও তাদের বিবেকর তাড়নায় ও ছাত্র/ছাত্রীদের ভালবাসায় কথা বিবেচনায় রেখে তারা নিয়মিত শ্রেণীকক্ষে পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন । ৮ম শ্রেণির ছাত্র আল রাব্বি বলে, প্রতিদিন সঠিক সময়ে ক্লাসে উপস্থিত না হলে শিক্ষকগণ অভিভাবকদের জানান। শিক্ষকরা ক্লাসের বাইরেও আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেন। প্রতিদিন লেখাপড়ার ছাড়াও ১টি বিশেষ বিষয় বস্তুর উপর সংক্ষিপ্ত ধারনা প্রদান করেন। এতে করে আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরেও গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়র শিখতে পারি। মোট কথা প্রতিনিয়ত ক্লাস এবং পড়া করে না আসলে শিক্ষকদের বকুনী শুনতে হয়। যে কারনে আমরা চেষ্টা করি প্রতিদিনের পড়া তৈরী করে আসতে। সার্বিক বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শশাংক শেখর ঢালী বলেন, সর্ব প্রথম মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় হুইপ বাবু পঞ্চানন বিশ্বাস ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খানকে ধন্যবাদ জানাই, উপজেলার মধ্যে সব থেকে বড় ভবনটি অর্থাৎ ৫ তলা ভবনটি আমার প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য। আমার এই প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা এবং সমগ্র প্রতিষ্ঠানটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রন করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছর আমার প্রতিষ্ঠান এস এস সি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ করেছে। সকলের সহযোগিতা পেলে আশা করি এ ধারা অব্যাহত থাকবে।