ফকিরহাটে বিরল আকৃতির কন্যা সন্তানের জন্ম

ফকিরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাটে মানসা স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে এক মহিলার বিরল আকৃতির একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিয়েছে।  বুধবার সকালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা সন্তানটি ভূমিষ্ট হয়। শিশুটির নিকট আত্মীয় স্বজনরা জানান, নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের মোড়লডাঙ্গা গ্রামের হামিদ সরদারের স্ত্রী রেক্সনা বেগমের সন্তান প্রসবের জন্য গত সোমবারে উক্ত ক্লিনিকে ভর্তি হন। বিরল আকৃতির সন্তান জন্ম গ্রহনের বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ শিশুটিকে দেখার জন্য ভীর জমায়। বর্তমানে শিশুটি মৌভোগ গ্রামের তার নানা আফজাল শেখের বাড়ীতে রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটি সুস্থ ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে রেক্সনা বেগম ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছে এবং তিনি সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

আর কত বয়স হলে ৮৮ বছরের চন্দনা সরকার পাবেন বার্ধক্য ‘বা’ বিধবা ভাতা ?

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি সদর ইউনিয়নের শবদলপুর গ্রামের ৮৮ বছরের বৃদ্ধা চন্দনা সরকার আর কত বয়স হলে পাবেন বার্ধক্য বা বিধবা ভাতা ? সাত বছর আগে তার স্বামী পতিত পাবন সরকার মারা গেছেন। চার ছেলে ও তিন মেয়ের জননী তিনি। থাকেন অসুস্থ ছেলে জয়দেব সরকারের কাছে। জয়দেব ও তার স্ত্রী সুলতা সরকারও অসুস্থ। জয়দেবের মেয়ে পুষ্প রানী সরকার খলিষানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা। বাবা মায়ের সঙ্গে ঠাকুর মাকে তিনিও দেখভাল করেন। তাই এখনো পর্যন্ত কোন রকমে বেঁচে আছেন চন্দনা সরকার।
স্থানীয়রা আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, বাকী তিন ছেলে ও মেয়েরা সবাই অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল। কিন্তু তারা তেমন কোন খোঁজ খবর নেন না তাদের মাকে। তবে, অসুস্থ জয়দেব অর্থিকভাবে অস্বচ্ছ হলেও তিনি তার মাকে ঠিকমত দেখাশুনা করেন। আর অর্থিকভাবে অস্বচ্ছলতার কারণে তিনি তার তার মায়ের কাপড় চোপড়ও ঠিক মত কিনে দিতে পারেননা। স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বরদের বলেও তার একটি বিধবা বা বার্ধক্য ভাতার কার্ড আজ পর্যন্ত জোটেনি। এমনকি প্রচন্ড শীতে তিনি একটি কম্বলও পাননি। আর তাই ছেলে জয়দেবের জিজ্ঞাসা, আর কত বয়স হলে তার মা বিধবা বা বার্ধক্য ভাতা পাবেন ? এ নিয়ে হতাশ তার ছেলে জয়দেব ও পুত্রবধু সুলতা সরকার।
তবে, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার জানান, শুধু কম্বল কেন, তাকে বার্ধক্য ভাতার কার্ডও দেয়ার ব্যাপারে তিনি এবার উদ্যোগ নেবেন।

খুমেক হাসপাতালে স্বেচ্ছায় দেওয়া রক্ত বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা

অভিযোগের তীর ইনচার্জসহ অনেকের বিরুদ্ধে : ব্লাড ব্যাংকের ল্যাব অ্যাটেন্টেন্ড বদলি

কামরুল হোসেন মনি : খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগে ব্লাড ব্যাংকে কিছু কর্মচারী বহির্ভূত অনিয়ম কাজের রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতালের গঠিত তদন্ত কমিটির তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। মঙ্গলবার হাসপাতালের পরিচালকের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন।
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত তিবেদন জমা দিয়েছেন। অফিসাল কাজে ঢাকায় চলে আসায় তদন্ত প্রতিবেদনটি দেখা হয়নি। তিনি বলেন, ব্লাড ব্যাংকের সাথে যে কেউ দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ল্যাব অ্যাটেন্ডেন্ট রওশন আরাকে হাসপাতাল থেকে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া আদনানকে চাকুরিচ্যুত করা হয়।
ব্লাড ব্যাংকের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট রওশন আরা বলেন, আমার বদলির আদেশটা জানতে পেরেছি, তবে আদেশ কপি আমি পাইনি। সাথে সাথে ক্ষোভের সাথে তিনি উল্লেখ করেন, আমার যদি সামান্য বিষয়ে শাস্তি হয়ে থাকে তাহলে ল্যাব সহকারী মোঃ মুজিবর শেখসহ অন্যান্য যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে কি কোনো বিচার হবে না এমন প্রশ্ন তোলেন। এর আগেও মুজিবুর নামে রক্ত কেনা বেচার অভিযোগ রয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত কমিটির সভাপতি ডাঃ আতিয়ার রহমান সেখ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছি। তবে এ তদন্তে কারা জড়িত বা কাদের নামে অভিযোগ পাওয়া গেছে সে বিষয়ে তথ্য দিতে তিনি অপরাগতা প্রকাশ করেন।
খুমেক হাসপাতালে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ব্লাড ব্যাংকের ইনচার্জসহ একাধিক ব্যক্তির নামে অভিযোগের তীর রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে আসা রোগীদের রক্তের ক্রচম্যাচিং ফি বাবদ যে টাকা নেওয়া হয় তা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি।
ব্লাড ব্যাংকের ইনচার্জ মোঃ আজাদ বলেন, আমাকে তদন্ত কমিটি বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পেয়ে থাকে তাহলে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে। তবে আমি কোনো দুর্নীতির সাথে জড়িত নই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, খুমেক হাসপাতালে গাইনী বিভাগের ভর্তি গত ৫ জানুুয়ারি রায়হানের স্ত্রী ববির রক্তের জন্য তার স্বামী রায়হান ও শাশুড়ি খুমেক হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকে স্বেচ্ছাসেবাদীদের দেওয়া রক্ত টাকার টাকার বিনিময়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ তিন সদস্য কমিটি গঠন করেন। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ আতিয়ার রহমান সেখকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ অঞ্জন কুমার চক্রবর্তী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।
‘খুমেক হাসপাতালে স্বেচ্ছায় দেওয়া রক্ত বিক্রি হচ্ছে!’ শীর্ষক শিরোনামে এক প্রতিবেদন গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

খুলনা জেলা আইনজীবি সমিতির সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্যের পিতার দাফন

দাকোপ প্রতিনিধি : খুলনা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম ইকবল হোসেন ও দাকোপ উপজেলা আ’লীগনেতা খুলনা জেলা পরিষদ সদস্য কে এম কবির হোসেনের পিতা আলহাজ্ব মুনসুর রহমান খান (৯০) বাধ্যর্ক্য জনিত রোগে খুলনা সিটি মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় ইন্তেকাল করেন ইন্নালিল্লাহী অইন্নাইলাহী রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি ১ স্ত্রী ৪ পুত্র ও ৪ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় দাকোপের কালাবগী গ্রামের বাড়ীতে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। এ সময় সুতারখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি মাসুম আলী ফকির, সাবেক চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন, চালনা পৌরসভার প্যানেল মেয়র এস এম আব্দুল গফুর, সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা আ’লীগনেতা শাহাবুদ্দিন গাজী, দাকোপ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির, বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী আবুল বাশার, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আঃ বারিক গাজী, ইউপি সদস্য মোন্তাজ আলী সানা, আজাদুর রহমান সানা, মহাসিন শেখ, সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম শেখ, আলী আকবর সানা, আব্দুল বারীক মোড়ল, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব রাশেদ আলী ফকির, আবুল হোসেন গাজী, বিএনপিনেতা মুনসুৃর আলী মীর, আছাফুর রহমান পাইলট, নুর বক্কার গাজী, চালনাস্থ সুতারখালী যুব কল্যান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জি এম ইমদাদুল হকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ জানযায় অংশ গ্রহন করেন।

মোংলায় আহরণ নিষিদ্ধ মাছের পোনাসহ আটক ৫

বাগেরহাট প্রতিনিধি : মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদস্যরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটের মোংলার বিদ্যার বাওন খাল এলাকা থেকে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে আহরণ নিষিদ্ধ ৬ লাখ পিস ফাইসা মাছের পোনাসহ ৫ জন জেলেকে আটক করেছে। পরে ফাইসা মাছের পোনাগুলো পশুর নদীতে অবমুক্ত ও ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেলেদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের অপারেশান কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট বিএন ইমতিয়াজ আলম জানান, জেলেরা নদী থেকে আহরন নিষিদ্ধ ফাইসা মাছের পোনা ধরছে এমন খবরের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড সদস্যরা মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় অভিযান নামে। এসময়ে মোংলার বিদ্যারবাওন খাল এলাকায় একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে ৬ লাখ পিস ফাইসা মাছের পোনাসহ ৫ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে মোংলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আটক জেলেদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ফাইসা মাছের পোনা পশুর নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
মোংলা কোস্টগার্ডের এই অপারেশান কর্মকর্তা জানান, তাদের এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্টগার্ড জিরো টলারে›স নীতি অবল¤¦ন করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

খুলনার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ‘কারেন্ট পোকা’র আক্রমনে দিশেহারা কৃষকরা

সাবরিনা বিনতে মাহবুব : খুলনার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ‘কারেন্ট পোকা’র আক্রমণে ঝলসে যেতে বসেছে কৃষকের স্বপ্ন। খুলনার পর এবার বাগেরহাটেও ছড়িয়ে পড়েছে ‘কারেন্ট পোকা’র ভয়াবহতা। এ জেলার রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা জমির রোপা আমন ধানে কারেন্ট পোকার (বাদামী গাছ ফড়িং) আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এ পোকার আক্রমণে ধান গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষক।
এদিকে, কৃষকরা সর্বশান্ত হলেও উপজেলা কৃষি অফিস এ বিষয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছেন। লোক দেখানো খোঁজ খবর দেওয়ার দাবি করলেও কৃষি কর্মকর্তারা সময়মত কৃষকের পাশে দাঁড়াননি, এমনকি ক্ষতিগৃস্ত কৃষকদের কোন তালিকাও তারা করেননি বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষ্ণা রাণী ম-ল। ফলে কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় গ্রামে প্রতি বছর নাবীতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়। এ বছর হঠাৎ করে কারেন্ট পোকার ব্যাপক আক্রমণে ধান গাছ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কারেন্ট পোকা ধান গাছের গোড়ার দিকে দলবদ্ধ অবস্থায় থেকে গাছের কা-ের ও পাতার খোলের রস শুষে খেয়ে ফেলছে। ফলে ধান গাছ পুড়ে খড়ের মতো হয়ে গেছে। গাছে কোনো ফলনও হচ্ছে না। কারেন্ট পোকা (বাদামী গাছ ফড়িং) দেখতে ছোট ছোট বাদামী রঙের।
মল্লিকেরবেড় গ্রামের কৃষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক হাওলাদার জানান, তিনি এবছর আট বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান চাষ করেছেন। কারেন্ট পোকার ব্যাপক আক্রমণে তার ধান গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনো ফলন পাওয়া যাবে না।
তিনি জানান, তার মতো কৃষক আব্দুল মালেকের ১৮ বিঘা জমির ধান একেবারে সাদা হয়ে গেছে, ধান কাটতে মাঠে কাচি নিয়ে যাওয়া লাগবে না। বয়োজ্যেষ্ঠ এ কৃষকের ভাষায় ‘কারেন্ট পোকা আল্লাহর গজব’। এ বিষয়ে তিনি মল্লিকেরবেড় কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমানকে জানালেও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান্তমেম্বরদেরকেও জানানো হয়েছে।
একই গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল হোসেন শরীফ, মামুন শরীফ, হারুন হাওলাদার, আব্দুল হামিদ, বাবুল হাওলাদার ও মুকুল হাওলাদারসহ অন্যান্য কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, মল্লিকেরবেড় বিলে তাদের চাষকৃত রোপা আমন ধান কারেন্ট পোকার আক্রমণে পুড়ে গেছে। ঝলসে গিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ধান গাছ। এ ধান গাছ থেকে কোনো ফলন পাওয়া যাবে না। এতে তারা সর্বশান্ত হয়ে গেছেন বলে জানান।
কৃষকরা আরো জানান, মল্লিকেরবেড় গ্রামে প্রায় এক হাজার বিঘা জমির রোপা আমন ধান কারেন্ট পোকার আক্রমণে পুড়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকেরা আর কাঁচি নিয়ে মাঠে ধান কাটতে যেতে পারবেন না এবং কোনো ফলন পাবেন না। মাঠের পর মাঠ ধান গাছ দ্রুত ঝলসে যাওয়ার দৃশ্য দেখে কৃষকের স্বপ্নও ঝলসে যাচ্ছে যেন। এতে এ গ্রামের কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সর্বশান্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।