বটিয়াঘাটায় ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ বটিয়াঘাটা উপজেলার উত্তর শৈলমারী এলাকায় গত সোমবার দিবাগত রাতে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে ৮০ পিস ইয়াবা সহ মোঃ জামাল হাওলাদার ওরফে জিরে জামাল কে হাতেনাতে আটক করেছে। এব্যাপারে থানায় মাদক আইনের ১০ এর (ক) ধারায় ১৪ নং মামলা দায়ের হয়েছে। উক্ত জামাল উত্তর শৈলমারী এলাকার মৃত শামসুল হক হাওলাদারের পুত্র।

খুমেক হাসপাতালে দুদকের অভিযান : কমিশন বাণিজ্যে জড়িত চিকিৎসকরা

কামরুল হোসেন মনি : বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে ভয়ানক কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের চিকিৎসকরা। সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও কমিশনের মাধ্যমে সাধারণ রোগীদের ওইসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়। আর অধিক টাকার বিনিময়ে বাইরের ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সোমবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দুদকের অভিযানে এসব অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। এ সময় বহিঃবিভাগের মেডিসিন বিভাগের ২১২নং কক্ষে ডাঃ সুমন রায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে হাসপাতালের পরিচালকের উপস্থিতিতে ওই কক্ষ থেকে উদ্ধার হয় বেসরকারি সন্ধানী ক্লিনিক, মা হেলথ কেয়ার ও সিটি ইমেজিং সেন্টারের প্যাথলজি স্লিপ। অভিযোগ রয়েছে, ডা. সুমন রায় এই সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে কমিশন বাণিজ্যে জড়িত। এছাড়া আরও কয়েকজন চিকিৎসকের কক্ষ থেকে সায়েন্স ভিউ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের অসংখ্য প্যাথলজি স্লিপ। চক্ষু বিভাগের ল্যাব থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্লিপ দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের পাঠাতে দেখা যায়।
দুদক খুলনা সমন্বিয় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাওন মিয়া জানান, নিয়ন্ত্রণহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতালের অভ্যন্তরে ভ্রাম্যমাণ এক্সরে, ইসিজি মেশিন নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল ও ওষুধের দোকানের প্রতিনিধিদের সক্রিয় দেখা গেছে। অধিক টাকার বিনিময়ে বাইরের ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আর্থিক ক্ষতি ও ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের। অভিযানকালে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল ও কোর্ট ইন্সপেক্টর বিজন কুমার রায় উপস্থিত ছিলেন।
গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগীর স্বামী মাছুম উদ্দিন মোল্লা জানান, তার স্ত্রীকে স্লিপে লিখে ৮-১০টি টেস্ট ফাতেমা হাসপাতাল থেকে করাতে বলেন ওই বিভাগের চিকিৎসক। স্লিপের নিচে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ বললে তারা টেস্টের জন্য ৪ হাজার টাকা দাবি করে। পরে খোঁজ-খবর নিয়ে তিনি এই সরকারি হাসপাতাল থেকে ৫শ টাকা দিয়ে ওই পরীক্ষা করিয়েছেন। দুদকের অভিযানের সময় ফাতেমা হাসপাতাল ও সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোককে ব্লাডের স্যাম্পল সংগ্রহ করতে দেখা যায়।
এদিকে অভিযানকালে হাসপাতালের লাশঘরের সাথে অবৈধভাবে কাঠের কফিন বানানোর ব্যবসা দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, মৃত লোকের স্বজনদের কাছে চড়া মূল্যে এসব কফিন বিক্রয় করা হয়। এছাড়া মাছরাঙ্গা সিকিউরিটি নিয়োজিত আউটসোর্সিং কর্মরত স্টাফদের রোস্টার করার অনিয়ম ধরা পড়ে দুদকের অভিযানে।
এ সময় হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আতাউর রহমান দুদকের কর্মকর্তাদের বলেন, আউটসোর্সিংর রোস্টার করার এখতিয়ার তাদের কোম্পানির না থাকলেও তারা প্রভাব খাটিয়ে রোস্টার তৈরি করেছেন। এখানে আমার কিছুই করার নেই বলে তাদেরকে জানায়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, অভিযুক্তদের বিষয়ে মিটিং করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগে থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কমিশন বাণিজ্যে জড়িত চিকিৎকদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।
এর আগেও দুর্নীতি দমন কমিশনার (দুদক) ঝটিকা অভিযানে সেখানে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগ, প্যাথলজি বিভাগে অর্থ আদায়, রান্নাঘরে অপরিচ্ছন্নতা, দালালদের দৌরাত্ম্য, জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এছাড়া ২০০৪ ও ২০১১ সালে পৃথক মামলা হয়েছে সার্টিফিকেট জাল করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির।

বটিয়াঘাটায় ইন্জিনিয়ারের গাফিলতিতে ভবন নির্মাণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার 

মহিদুল ইসলাম (শাহীন), বটিয়াঘাটা : সরকার সহজ পন্থায় পাকাঘর বাড়ি নির্মানের কথা বিবেচনা করে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুনগত মান নিশ্চিত করনের জন্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ থাকা সত্বেও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় এই নির্দেশ যথাযথভাবে না মানার অভিযোগ উঠেছে। আর এজন্য জনগন দায়ী করছে উপজেলা ইন্জিনিয়ার অফিসের দায়িত্ব প্রাপ্তদের। অভিযোগের ভিত্তিতে জানাগেছে, গত ১০ জুলাই,২০১৭ এই বিভাগের ইপ- ১ অধি শাখার ৫৪২ স্মারকে  প্রেরিত বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ গত ৩১ আগষ্ট ২০১৭ এই পত্র গ্রহণ করেন। পত্র গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র কমিটির দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাতে ৩৯টি ভবনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলা জলমা,বটিয়াঘাটাসদর,গঙ্গারামপুর,সুরখালী, বালিয়ারডাঙ্গা,আমিরপুর, ভান্ডারকোট এই ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। খুলনা মহানগর সংলগ্ন জলমা ইউনিয়নের কৈয়াবাজার,জিরোপয়েন্ট,হরিণটানা,মহাম্মাদনগর, গল্লামারী বটিয়াঘাটা সড়কের দু পাশে,বাইনতলা,বটিয়াঘাটা,ভান্ডারকোট,গঙ্গারামপুর,সুরখালী,বালিয়াডাঙা এই উপজেলার আওতাধীন। এই সব ইউনিয়নে হাজার হাজার নতুন বহুতল বিশিষ্ট পাকা ভবন নির্মান করছেন কিছু অসাধু প্লট ব্যাবসায়ি ও ভুসিদশ্যু প্রকৃতির কিছু লোকজন, শুরু তাই নয় রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখল করেও অনেকে পাকা বাড়ি এবং মার্কেট করে লাখ লাখ টাকা বানিজ্য করছে।
নিয়ম অনুযায়ী পাকা ভবন তৈরি করতে গেলে সয়েল টেষ্ট, প্লান প্রণয়নসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক বিষয় দেখে তবেই বাড়ি করার অনুমোদন দেওয়ার কথা । সেই সঙ্গে রাজস্ব খাতে নগদ ৫ হাজার টাকাও জমা দেবার কথা । কিন্তু এসব বাড়ি নির্মাণে উপজেলা ইন্জিনিয়র অফিসের গাফিলতির জন্য
সরকারী খাতে কোন অর্থই জমা পড়ছে না। যে কারণে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এই কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন । তা সত্বেও প্রকৌশল দপ্তরের পক্ষ থেকে জনগণকে ভবন নির্মাণ সম্পর্কে নিয়ম কানুন অবহিত করার জন্য কোন পদক্ষেপ,এমন কি কোন মাইকিং ও করা হয় নি ।  এ সম্পর্কে সহকারী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, জলমা ইউনিয়নের কৈয়া বাজার থেকে হরিণটানা ও লবনচরা এলাকা সহ অন্যান্য ইউনিয়ন প্রকৌশল দপ্তরের আওতাভূক্ত আমরা এটা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি। এব্যাপারে উপজেলা ইন্জিনিয়ার প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর কাছে জানতে চাইলে, তিনি উপজেলা সম্পর্কে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ও জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন জনগণ ।

সাংসদ ইসমাত আরা সাদেক আর নেই

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোর-৬কেশবপুরের সাংসদ সাবেক সফল জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ২১শে জানুয়ারি ২০২০ইং তারিখ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইসমাত আরা সাদেক ১৯৪২ সালের ১২ ডিসেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে বগুড়া ভি এম গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ও ১৯৫৮ সালে ঢাকার হলিক্রস কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৯২ সালে তিনি ও তার স্বামী এ এস এইচ কে সাদেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে তিনি কেশবপুর মহিলা আওয়ামী লীগকে গতিশীল করেন ও তখন থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ততিনি বাংলাদেশ মহিলা কল্যাণ পরিষদের সদস্য ছিলেন।
ইসমাত আরা সাদেক দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ ইং তারিখে নতুন সরকার গঠিত হলে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ জানুয়ারি ২০১৪ইং তারিখে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ইসমাত আরা সাদেকের স্বামী এ এস এইচ কে সাদেক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ছিলেন। এ এস এইচ কে সাদেক সাহেব আওয়ামী লীগ থেকে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ইসমাত আরা সাদেক এক ছেলে এবং এক মেয়ের মা। ইসমাত আরা সাদেকের ছেলে তানভীর সাদেক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার এবং মেয়ে নওরীন সাদেক একজন স্থপতি প্রকৌশলী।যশোর-৬ কেশবপুরের সাংসদ ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে কেশবপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বটিয়াঘাটায় জেলা আ’লীগের নবনির্বাচিতদের সম্বর্ধনা

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটাঃ খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক বিরোধী দলীয় হুইপ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার যখনই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকে তখনই সকল ধর্মের লোক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে। জননেত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শিত সম্পন্ন মনোভাবের কারনে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতির শিখরে পৌছে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তারই সঠিক দিক নির্দেশনায় এ উপজেলায় ত্যাগী নেতাদেরকে মূল্যায়ীত করে জামাত বিএনপি পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিতাড়িত করে আ’লীগকে সুসংগঠিত করা হবে, গড়ে তোলা হবে পরিচ্ছন্ন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ। তিনি সোমবার বিকাল ৩টায় বটিয়াঘাটা বাজার চত্তরে নাগরিক সম্বর্ধনা উদযাপন কমিটির আয়োজনে সম্বর্ধিত প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। নাগরিক সম্বর্ধনা উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক ও স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সম্বর্ধিত বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত কুমার অধিকারী। বীরমুক্তিযোদ্ধা কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ্বাস ও জেলা সৈনিকলীগের সভাপতি এস এম ফরিদ রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাডঃ কাজী বাদশাহ মিয়া, এ এফ এম মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, জেলা আ’লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ আফজাল হোসেন, শিল্পপতি প্রফুল্ল্য কুমার রায়, জেলা আ’লীগের সাবেক সদস্য শোভা রাণী হালদার, জয়ন্তী রাণী সরদার, জেলা মহিলা আ’লীগের সভাপতি জাহানারা শহীদ, সাধারণ সম্পাদক হোসনেয়ারা চম্পা, চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, বটিয়াঘাটা উপজেলা আ’লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ ঢালী, চেয়ারম্যান শেখ হাদি-উ-জামান হাদী, জলাম আ’লীগের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র সরদার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন ভাইস- চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বুলু রায় গাঙ্গুলী, ভগবতী গোলদার, অধ্যক্ষ অমিতেষ দাস, অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক অনিল কুমার মন্ডল, কাঞ্জিলাল মল্লিক, তপন কুমার বিশ্বাস, অন্নদাশংকর রায়, জেলা যুবলীগ নেতা সরদার জাকির আসাদুজ্জামান রিয়াজ , জলিল তালুকদার, শেখ রাসেল কবীর, জামিল খান, গোলাম মোস্তফা মুন্সী, মুশিবুর রহমান, রবীন্দ্রনাথ সরকার, বিবেক বিশ্বাস, এস এম শাহাবুদ্দিন, পাপিয়া সরোয়ার, যুবলীগ নেতা বিধান চন্দ্র রায়, মাহফুজুর রহমান সোহাগ, তালিউর রহমান সানি, হুমায়ুন কবীর মনি,বীরমুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন রায়, সুবীর মল্লিক, বিপ্লব মল্লিক, নজরুল ইসলাম খান, তাপস জোয়র্দ্দার, জেলা ছাত্রলীগ নেতা দ্বীপ পান্ডে বিশ্ব, চিস্তি নাজমুল, শেখ আল আমীন, মহিদুল ইসলাম সনেট, সুজিৎ রায়, মহিলা আ’লীগ নেত্রী রেহানা আফরোজা শোভা, ইকরাম হোসেন, বিজয় টিকাদার, হিরন্ময় রায়, মনারুল ইসলাম, অলোক মল্লিক, শহীদুল ইসলাম, আবু মুসা, শিমুল গাজী, বি এম আব্দুল হাই, গাজী রুবেল, জয়দেব রায়, ধ্রুব বৈরাগী, রথিন রায়, রিপন রায়, পরাগ রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সম্বর্ধিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে বিভিন্ন সংগঠণের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।