বটিয়াঘাটায় বারআড়িয়া পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

মহিদুল ইসলাম শাহিন, বটিয়াঘাটা : উপজেলার বারআড়িয়া পোস্ট মাস্টার মিহির কান্তি গোলদারের বিরুদ্ধে পোষ্ট ই-সেন্টারের নামে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পিএমজি,ডেপুটি জেনারেল ও খুলনা দূর্নীতি দমন কমিশন বরাবর সম্প্রতি ৩ গ্রামবাসী এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে জানা জায়,বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পোষ্ট ই-সেন্টার হতে গ্রামঞ্চলের সাধারন জনগন পোস্ট অফিসের সেবা থেকে বঞ্চিত। সূত্রে প্রকাশ,গা-গ্রামের অধিকাংশ পোষ্ট অফিসের পোষ্ট ই-সেন্টার নামে সরকার সাধারণ জনগণের জন্য যে সেবা গুলি নিশ্চিত করেন সেগুলো হলো কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার প্রিডিং, কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপি প্রিন্ট, ই- মেইল সেবা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভর্তি ও চাকরির আবেদন সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা রয়েছে এই ডাক বিভাগের পোষ্ট ই- সেন্টার সেবা থেকে। অথচ এই পোস্ট অফিসে তেমন কোন সেবা জনগণ পাচ্ছেনা। অভিযোগ রয়েছে অধিকাংশ পোষ্ট অফিসের কতিপয় কিছু পোষ্ট মাষ্টার তাদের ব্যক্তি স্বার্থের জন্য সাধারণ জনগণের সেই সব সেবা দেয়না। শুধু তাইনা পোষ্ট মাষ্টার তাদের নিজস্ব ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা দিয়ে উদ্যোক্তা পদে নিয়োগ দিয়ে ডাক বিভাগের উক্ত সম্পদ/মালামাল নিজেদের কাজে ব্যবহার করে থাকেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ডাক বিভাগের মানি অর্ডার,মোবাইল ব্যাংক কিং এর কথা থাকলেও এখন আর ঐ সকল কতিপয় দূর্নীবাজ পোষ্ট মাষ্টার মিহির গোলদার মানি অর্ডার করেনা। মানি অর্ডার নাকরে নিজেই বিকাশ,ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংককিং ও টেলিটক এর মাধ্যমে ব্যবসা করে চলেছেন। ডাক বিভাগের প্রত্যকটি ডাক ঘরের জন্য সরকারের নিজস্ব জায়গা থাকার কথা থাকলেও সম্পত্তির অভাবে গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ ডাক বিভাগ গুলো ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে মুদি দোকান ও বাসা বাড়িতে। তেমনি বারআড়িয়া পোষ্ট অফিসটি একটি মুদি দোকানের ভিতর অবস্থিত। আর এই কারণে সাধারণ মানুষ ডাক সেবা থেকে বন্চিত হচ্ছে। ফলে সরকার উক্ত পোষ্ট অফিস থেকে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা রাজস্ব থেকে বন্চিত হচ্ছে। ডাক বিভাগের কতিপয় কিছু দূর্নীতিবাজ পোস্ট মাষ্টারের দায়িত্ব অবহেলার কারনেই ডাক বিভাগের ভাবমুর্তী নষ্টের কারনেই এসকল পোষ্ট মাস্টার। অভিযোগ রয়েছে এই দূর্নীবাজ পোষ্ট মাস্টার সরকারি মালামাল নিজের ছেলে ও নিজেদের ব্যাবসার কাজে ব্যবহার করে থাকে। এ বিষয় মিহির গোলদারের কাছে জানতে চেয়ে ফোন দিলে তিনি ফোন রিছিপ করেননি। এলাকা বাসি অনিয়ম কারি পোস্ট মাষ্টারের বিরুদ্ধে তদন্ত পুর্বক শাস্তি মুলক ব্যবস্হা গ্রহনের জোর দাবি জানান।

বটিয়াঘাটায় টেন্ডার সিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলার ৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলাম টেন্ডার ড্রপিংয়ের দিনে কতিপয় উশৃংখল যুবক কর্তৃক প্রকৃত টেন্ডার দাতাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখায়ে টেন্ডার সিডিউল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে দরপত্রের ১০ জন সিডিউল গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে একাধীক অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে প্রকাশ, গত ২৮ শে জানুয়ারী বটিয়াঘাটা উপজেলার বিরাট, রনজিতেরহুলা, গোয়ালঘাটা ও জলমা-কচুবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরাতন ভবন নিলাম দরপত্র অনুষ্ঠিত হয়। দরপত্র গ্রহীতা ১০টি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারীরা ঐ দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরপত্র জমা দিতে গেলে স্থানীয় কতিপয় উশৃংখল যুবক ভয়ভীতি দেখিয়ে দরপত্রের সিডিউল ছিনিয়ে নেয়। উক্ত উশৃংখল যুবকদের অফিস পাড়ায় সর্বক্ষণ সরকারদলীয় লোকজন হিসেবে নিজেদের জাহির করে বেড়ায়। তারা দরপত্রের সিডিউল গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বধঅকারীদের সমঝোতার কথা বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দরপত্র কেড়ে নেয়। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে ১০টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে বটিয়াঘাটার সকল দরপত্র জেলা প্রশাসক খুলনা এর কার্যালয়ে রক্ষিত টেন্ডার বক্সে ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সহ উক্ত ঘটনার পূণ: টেন্ডার বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

বটিয়াঘাটায় দুঃসাহসিক চুরি

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা বাজারের চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন মোঃ সোহরাব আলীর বাড়ীতে এক দুঃসাহসিক চুরি সংগঠিত হয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্য রাতে। চোরেরা এ সময় তার গৃহে প্রবেশ করে পরিবারের সকল সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আলমারীর তালা ভেঙ্গে নগদ ১২ হাজার ৭শত টাকা সহ ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।  বুধবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ীর লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চোর চক্রের ফেলে যাওয়া একটি টর্চ লাইট উদ্ধার করে।