বাগেরহাটে স্বামী বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে স্ত্রীর মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামের মোঃ সমছুল আলম (হাবি) এর পুত্র মল্লিক মাহামুদ হোসেন (২৮) তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রায় দেড় মাস যাবৎ বিভিন্ন সময়ে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এজহার সূত্রে জানা গেছে গত ২৭-০৭-১৮ ইং তারিখে ইসলামি শরিয়াত মোতাবেক মল্লিক মাহামুদ হোসেন (২৮) সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের কাফুরপুরা গ্রামের মোঃ মান্নান ফকিরের কন্য মোসাঃ খাদিজা খাতুন (২০) কে সামাজিকভাবে বিবাহ করে। বিবাহের কিছু দিন পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অবনতি হতে শুরু করে।ভূক্তভোগী সুত্রে জানা যায় মল্লিক মাহামুদ বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রীর উপর শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।শত নির্যাতন সহ্য করেও খাদিজা সংসার আকড়ে ধরে ছিল।কিন্তুু প্রতারক মাহামুদ খাদিজাকে গত ০৫/১২/১৯ ইং তারিখে গোপনে তালাক দেয়।তালাক দেওয়ার পরেও মাহামুদ তার স্ত্রী খাদিজাকে বাড়িতে রেখে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষন করে।গত ১৯/০১/২০ ইং তারিখে অসহায় খাদিজা তালাকের নোটিশ পেয়ে পাগলপারা হয়ে স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যান কে জানিয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় এজহার দায়ের করে। বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন বলেন বিষয়টি এজহার হিসাবে গন্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

ইটালিয়ান সংস্থার সম্পদ আত্মসাতকারী সেই কালু এবার জেলে বসে জমি বিক্রির ফন্দি আটছে

আজগর হোসেন ছাব্বির, দাকোপ : দাকোপে বিদেশী সংস্থার সম্পত্তি আত্মসাতমামলায় জেলে থাকা আসামী বহুল আলোচীত দীপক ওরফে কালু এবার জেলে বসে আত্মসাতকৃত সম্পত্তি বিক্রির পায়তারা করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সাথে জমি বিক্রির গোপন চুক্তি সেরে সেই অর্থে মামলা পরিচালনার উদ্যোগ এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী মৃতুঞ্জয় জানায়, উপজেলা সদর চালনা আছাভুয়া এলাকায় ইটালিয়ান সংস্থা ফিলোদিওতার এক সময়ের পিয়ন দীপক রায় ওরফে কালু ওই সংস্থার অর্থ সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে আছে। পিয়ন পদে চাকুরী নিয়ে ছলে বলে কৌশলে এক সময় নিজেকে সংস্থাটির পরিচালক দাবী করা কালু স্বনামে বেনামে সংস্থার অর্থে ক্রয়কৃত জমি আতœসাত করার অপচেষ্টা করে। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে সংস্থার পক্ষ থেকে তার নামে প্রতারনা ও আতœসাতের অভিযোগে একাধীক মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই অভিযোগে তার নামে ৮ টি মামলা চলমান আছে। সংস্থার অর্থে কেনা ৬৩ শতক জমি প্রতারনার মাধ্যমে নিজ নামে করায় তার বিরুদ্ধে সিআর দাকোপ ১৭/১৮ নং মামলায় বর্তমানে সে জেল হাজতে আছে। একই সম্পত্তি নিয়ে দেওয়ানী ১৫৯/১৭ বিজ্ঞ যুগ্ম ৪র্থ জেলা জজ আদালতে পৃথক একটি মামলা চলমান আছে। এমতবস্থায় ধুরন্ধর দীপক ওরফে কালু জেল হাজতে বসে বিচারাধীন বিরোধীয় ওই সম্পত্তি দাকোপের একটি প্রভাবশালী মহলের নিকট বিক্রির গোপন ষড়যন্ত্র করছে এমন দাবী করে সংস্থার ইটালিয়ান পরিচালক আলেসান্দ্রো মসিনি (আলেক্স) বলেন, সে আমাদের সাথে প্রতারনা করে নগত অর্থ এবং সম্পত্তি আত্মসাত করেছে। তিনি বলেন এখন যদি সে আমাদের সম্পত্তি বিক্রির সুযোগ পায় তাহলে প্রতিষ্ঠান অনেক বড় ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ভবিষাতে কোন সংস্থা মানব সেবাই কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। সংস্থাটির প্রতিবেশী এলাকাবাসীর কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আছাভুয়া এলাকার চিত্তরঞ্জন পাল, ইমান আলী সানা, মোক্তার শেখ, মোহন রায়, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, সংস্থা পরিচালিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দ্র শেখর, কল্পনা ঘোষসহ অনেকেই বলেন, এক সময়ের ভ্যানচালক কালুর আত্মসাতকৃত সঞ্চিত অর্থ হয়ত শেষের পথে। যে কারনে সে এখন সংস্থার অর্থে কেনা এই সম্পত্তি বিক্রি করে মামলা পরিচালনার ফন্দি এটেছে এমন তথ্য জানা গেছে। তারা দাবী করে জেলে বসেই অলিখিত বিক্রয় চুক্তি হয়ে গেছে। বর্তমান বাজার মূল্য অপেক্ষা অনেক কম মূল্যে ওই সম্পত্তি বিক্রির সির্দ্ধান্ত নেওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল সুযোগটি লুফে নিয়েছে। এখন অপেক্ষা জামিনে এসে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেবে। সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট সেবা মূলক বিভিন্ন বিদ্যালয় প্রধান এবং এলাকার সুশীল সমাজ ধুরন্ধর কালুর এই অপকর্ম রুখতে বিচারীক আদালতসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে।

সুন্দরবন হরিণের মাংসসহ চামড়া ও মাথা উদ্ধার

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবন থেকে ৫০কেজি হরিণের মাংস, ৩টি চামড়া ও একটি মাথা উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন, মোংলার একটি টহল দল সুন্দরবনের ছোট কুমড়াকাঠি খাল এলাকা থেকে এগুলো জব্দ করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড সদস্যরা।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ জানান, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে কোস্টগার্ড সদস্যরা কুমড়াকাঠি খাল এলাকায় টহল দিচ্ছিল। এসময় অবৈধভাবে বিক্রির জন্য রাখা ৫০কেজি হরিণের মাংস, ৩টি চামড়া ও একটি মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধারকৃত উদ্ধারকৃত হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুন্দরবন বন বিভাগের শিবসা কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।