ফুলতলায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ

ফুলতলা অফিসঃ বৃহস্পতিবার বিকালে ডেভেলপমেন্ট অব মহিলা সোসাইটি (ডিএমএস) এর আয়োজনে প্রতিবন্ধীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান সংস্থার কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী পরিচালক ফৌজিয়া জেসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএনও পারভীন সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন আলম, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য কায়েস সরদার, ডিএমএস কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, শিরিনা খাতুন, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় ২৭ প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন, সাদা ছড়ি, নগদ অর্থ ও কম্বল বিতরণ করা হয়।

ফুলতলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ সমাপ্তি

ফুলতলা অফিসঃ ফুলতলা উপজেলা রিসোর্স সেন্টার আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপজেলা পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক ও সহাকারী শিক্ষকদের ৬দিন ব্যাপী বিষয় ভিত্তিক বিজ্ঞান দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদ রানা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোরাদুল ইসলাম, প্রশিক্ষক শিহাব উদ্দিন ওমর ও শিউলী রানী বড়াল প্রমুখ। প্রশিক্ষণ শেষে অতিথিবৃন্দ ৩০জন প্রশিক্ষানার্থীর মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ ও চ‚ড়ান্ত মূল্যায়নের ফলাফল ঘোষনা করেন এবং ৩জন প্রশিক্ষণার্থীকে পুরস্কার প্রদান করেন।

বটিয়াঘাটায় গাঁজাসেবীকে সাজা প্রদান

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নজরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চক্রাখালী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় গাঁজা সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত জলমা ইউনিয়নের চক্রাখালী গ্রামের মোঃ নসরত গাইনের পুত্র নাঈম হাসান (১৮) কে ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড, তেঁতুলতলা গ্রামে আইয়ুব আলী খানের পুত্র রাজিব খান (২১) কে ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ দিনের কারাদন্ড, জলমা গ্রামের পান্না রহমানের পুত্র রানা রহমান (১৯) কে ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২দিনের কারাদন্ড প্রদান করেন। আদালত পরিচালনা কালে থানার এসআই সুপ্রভাত কুমার বিশ্বাস, এএসআই গণপতি সরকার ও বিপ্লব শেখ সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট

বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইউনিটে বিভাগের প্রধান ডাক্তারই ভরসা! :

কামরুল হোসেন মনি : এইচএসসি পরীক্ষার্থী মুক্তার বেগম (২০)। শ্বশুড়বাড়িরে রান্না করতে গিয়ে চুলের মধ্যে সজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে যান। আগুনে তার গলা থেকে দুই হাত পুড়ো ঝলসে যায়। গত ২৫ জানুয়ারি খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ণ ইউনিট থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবু নাসের হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে রেফার করা হয়। মুক্তার গলায় ডেসিং করছিলেন ওই বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক প্লাস্টিক ও সার্জারি ডা: শেখ নিশাত আব্দুল্লাহ। এরপর পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়ে মোস্তফা সামছুল জামানের পায়ের ড্রেসিং শেষে চলে আসেন আউটডোরে ডেসিং রুমে। সেখানেও রোগীরা ডেসিংয়ে অপেক্ষায় রয়েছে। সেখানেও তিনি রোগীর ড্রেসিংয়ে ব্যস্থা হয়ে পড়েন।
আবু নাসের হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ১৩ চিকিৎসকের মধ্যে এখন আছে মাত্র ৩ জন। ইউনিটের বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক প্লাস্টিক ও সার্জারি ডা: শেখ নিশাত আব্দুল্লাহসহ দুই মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে ওই ইউনিটের কার্যক্রম। বিভাগের প্রধান ডাক্তার অসুস্থ জনিত কারণে ছুটিতে থাকায় অবস্থায় নেওয়া হতো কেনো আগুনে পোড়া ভর্তি রোগী। কারণ রোগীর জটিল অপরাশেন থেকে শুরু করে ড্রেসিংও তাকেই করতে হয়। অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা ছাড়া পোড়া রোগীর ড্রেসিং করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্তমানে ১৩ পদের মধ্যে ১০ পদই শূন্য। চলতি জানুয়ারি মাসে গতকাল বুধবার পর্যন্ত পুরুষ ও মহিলা মিলে মাত্র ৭ জন রোগী ভর্তি ছিলো।
আবু নাসের হাসপাতালে বার্ন ও প্লাস্টি সার্জারি ইউনিট সূত্র জানা যায়, ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইনিইউ) এবং প্লাষ্টিক ও বার্ন ইউনিট। তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ১০শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ এবং ২০ শয্যা বিশিষ্ট প্লাষ্টিক ও বার্ন ইউনিট উদ্ধোধন করেন। ২০১৭ সালে এ ইউনিটে পোড়া রোগী মহিলা ৫৫ জন ও পুরুষ ৬৫ জনকে সেবা  প্রদান করা হয়। এ সময় মারা যায় ২ জন। ২০১৮ সালে ১২১ জনকে। এ সময়ের মধ্যে মারা যায় ৩ জন। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মোট ৬২ জন পোড়া রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছিলো। মারা যায় ২ জন। এছাড়া চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট রোগী ভর্তি রয়েছে ৭ জন। এর মধ্যে মহিলা রোগী রয়েছে ৫ জন।
আবু নাসের হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ইনচার্জ সিনিয়ার স্টাফ নার্স সিনারী হাজগার বুধবার এ প্রতিবেদককে বলেন, এই ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডা: সহকারি অধ্যাপক প্লাস্টিক ও সার্জারি ডা: শেখ নিশাত আব্দুল্লাহ স্যার। তিনি অসুস্থ থাকায় অবস্থায় কোন রোগীকে ভর্তি করানো হয়নি। কারণ পোড়া রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন প্রয়োজন হলে তিনি ছাড়া অপারেশন করার আর কোন ডাক্তার এখানে নেই। এছাড়া ড্রেসিংয়ের অভিজ্ঞ চিকিৎসকও সংকট রয়েছে। যার কারণে ভর্তি নেওয়া বন্ধ ছিলো। গত সপ্তাহ থেকে ভর্তি নেওয়া শুরু হয়েছে।
ইউনিটের বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক প্লাস্টিক ও সার্জারি ডা: শেখ নিশাত আব্দুল্লাহ বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদককে বলেন, তিনি নিজের অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েকদিন ছুটিতে ছিলেন। এছাড়া জনবল সংকটের কারণে সরাসরি আমরা রোগী ভর্তি নিতে পারি না। পোড়া রোগীদের ড্রেসিংয়ের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়। কারণ রোগীর ইনফেকশনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। সাধারণত খুলনা মেডিকেল থেকে রেফার করা রোগীদের অপারেশনসহ উন্নত চিকিৎসা দেয়া হয় এখানে। তিনি বলেন, তিনিসহ ২ জন মেডিকেল অফিসারকে দিয়ে এই ইউনিটের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে একজন মেডিকেলকে আউটডোর রোগীদের দেখতে হয়। একজন সার্বক্ষনিক যে চিকিৎসকের থাকার প্রয়োজন তাও নেই। ১৩ জন চিকিৎসকের পদের মধ্যে ১০টি পদই শূণ্য রয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বিধান চন্দ্র গোস্বামী বলেন, চাহিদা দিয়েও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না। ডাক্তার পাওয়া গেলে জরুরী সেবা দেয়াসহ সকল ধরনের সেবার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ইউনিটে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য, ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি ২০১০ সালের ৩০ মার্চ মাত্র ৩০টি শয্যা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে আইসিইউ এবং বার্ন ইউনিটে মোট ৩০টি শয্যা চালুর ফলে বর্তমানে মোট শয্যার সংখ্যা দাঁড়াল ১৫১টিতে।

খুলনায় সাড়া ফেলেছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা’র বিদ্যুৎ সংযোগ

খুলনা অফিস : ভ্যানগাড়িতে আছে মিটার, বিদ্যুতের তারসহ অন্য সরঞ্জাম। সঙ্গে আছেন লাইনম্যান ও ওয়ারিং পরিদর্শক। প্রতিদিন সকাল থেকে খুলনার দাকোপ উপজেলার গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন তাঁরা। গ্রাহক বিদ্যুৎ নিতে চাইলে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পেয়ে যাবেন সংযোগ। কোনো হয়রানি নেই, দিতে হবে না কোনো বাড়তি অর্থ।
ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা’। আর এর উদ্যোক্তা খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার আলতাফ হোসেন । তিনি জানান, ২০১৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম গোটা খুলনা জেলায় সব বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ না পৌঁছানো পর্যন্ত চলবে। শুরুর পর থেকেই অনেক জায়গায় নতুন সংযোগ দিয়েছেন।
খুলনা জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে একটি উপজেলা দাকোপ। ৯টি ইউনিয়নের এই উপজেলায় ১০৬ টি গ্রাম রয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ লাখ লোকের বসবাস। এখানে প্রতিদিনই নতুন সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছে।
খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার আলতাফ হোসেন জানান, দেশে এখনো বিদ্যুৎ নিতে গিয়ে গ্রাহকেরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। একটা সংযোগের জন্য দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। অনেক সময় বাড়তি পয়সাও খরচ হয়ে যায়, যেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি জানান, এই অবস্থা দেখে তাঁর মাঝেমধ্যেই খারাপ লাগত। তা ছাড়া সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। সেই জায়গায় গ্রাহক গ্রাহক হয়রানির শিকার হবেন, এটা হতে পারে না। তাই তিনি বিকল্প উদ্যোগ নেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন সংযোগ কীভাবে দেওয়া যায়, সেই পরিকল্পনা নেন। সেই পরিকল্পনা থেকে তিনি এই ভ্যানগাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এটাকে তিনি ‘আলোর ফেরিওয়ালা, পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং কার্যক্রম’ নাম দিয়েছেন। ওই নামেই চলছে তাঁর এই কার্যক্রম।
খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বারইখালি গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্পে নতুন সংযোগ পাওয়া সোনাবানু বেগম জানান, পল্লী বিদ্যুতের এই কার্যক্রম তাঁদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো লাগছে না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। মাত্র পাঁচ মিনিটেই নতুন সংযোগ পেয়ে যাচ্ছেন, যা এর আগে ভাবতেও পারেননি তাঁরা।
দাকোপ উপজেলার সদরের নজরুল নামের এক গ্রাহক জানান, পল্লী বিদ্যুতের এই কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা– কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভ্যানে মিটার, তার থেকে শুরু করে সব ধরনের সরঞ্জাম থাকছে। দুজন লাইনম্যান ও একজন ওয্যারিং পরিদর্শক থাকছেন ওই ভ্যানে। তাঁরা গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। যে এলাকার বাসাবাড়িতে এখনো বিদ্যুৎ নেই, সেই এলাকায় বেশি যাচ্ছেন, সেখানে মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। যাঁরা নতুন সংযোগ নিতে আগ্রহী, ওয়্যারিং পরিদর্শক ওয়্যারিং যাচাই করে ঠিক আছে জানালেই সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কোনো সমস্যা থাকলে সেটাও দ্রুত ঠিক করে নিতে পারছেন তাঁরা।
খুলনার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী মহাব্যবস্থাপক( অর্থ )উৎপল মন্ডল জানান , সারা দেশের ন্যায় খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি যে কর্মসূচি নিয়েছে, তা অনুকরণীয়।

চট্টগ্রামে ইয়াবা-গাজাসহ আটক ২৫: সাজা-অর্থদন্ড প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো: উপঅঞ্চলের  মাদক বিরোধী পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাজা সহ ২৫ জন আটক করেছেন। অভিযানে ইন প্রা. ডল আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী মো: রাসেদুল ইসলাম রুবেল (৩৫) এবং মো: জাকির হোসেন (৩৮)কে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অপর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারিসহ ২৩ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৪ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। মহানগর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। গতকার চট্টগ্রাম মহানরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, চট্টগ্রাম মেট্রো: উপঅঞ্চল, চট্টগ্রাম এর উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে এক মাদক বিরোধী অভিযানে পতেঙ্গা থানাধীন বাটার ফ্লাই ইন প্রা. লি. নামীয় আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় হোটেলে ২য় তলার ২০২ নং কক্ষ থেকে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো: রাসেদুল ইসলাম রুবেল ও মো: জাকির হোসেনকে আটক করেন। অপরদিকে মহানগর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এবং  উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে একটি মাদক বিরোধী টিম নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী সহ মোট ২৩ জনকে আটক করেন। আটককৃতদের কাছ থেকে সাড়ে ৪ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মহানগর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা প্রদান করেন।