বটিয়াঘাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক আর নেই

বটিয়াঘাটা : সকলকে অশ্রুসিক্ত করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন বটিয়াঘাটার অগ্রজ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওমর ফারুক (৭৫)। তিনি সোমবার রাত ৯ টার দিকে শ্বাসকষ্ট জনিত কারনে মৃত্যুবরণ করেন। ( ইন্না- —- রাজিউন)। জীবদ্দশায় তিনি ১ স্ত্রী, ৪ পুত্র ও ৫ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার রাতেই সে বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই রাতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মরহুমের বাড়ীতে ছুঁটে যান। গতকাল মঙ্গলবার বাদজোহর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সামনে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ আনলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম ও থানার ওসি মোঃ রবিউল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকশ দল জাতীয় পতাকা আচ্ছাদন পূর্বক গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরবর্তীতে তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপর এক স্মৃতিচারণ আলোচনা শেষে কেন্দ্রীয় উপজেলা ঈদগাহ্ ময়দানে জানাযা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সরদার মাহাবুবার রহমান, মহানগর কমান্ডার অধ্যাঃ আলমগীর হোসেন, মহানগর বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফজালুর রহমান, জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, সাবেক ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. নবকুমার চক্রবর্তী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সভাপতি মোঃ আশরাফুল আলম খান, ইউপি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ আফজাল হোসেন ও বিনয় কৃষ্ণ সরকার, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, ওসি (তদন্ত) মোস্তফা হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপি নেতা সুলতান মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুল ইসলাম জনি খান, সম্পাদক ফারুক খন্দকার, জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি মোঃ মতোওয়ালী শেখ, সম্পাদক এ্যাড. প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, জেলা যুবলীগ নেতা সরদার জাকির হোসেন ও জামিল খান, বীরমুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে নিরঞ্জন রায়, কার্তিক বিশ্বাস, আব্দুল মান্নান সরদার, দেলোয়ার হোসেন, জিয়াউর রহমান জিকু, মোঃ কামরুল ইসলাম, নির্মল অধিকারী, জাপা নেতা সাদ্দাম হোসেন, সাংবাদিক আহসান কবির সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পেট থেকে বের হলো ৩৭০০ পিস ইয়াবা : আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদবক : চট্টগ্রামে মেট্রো: অঞ্চলে পেটের মধ্যে ইয়াবা পাচারকালে কালাচোগা তঞ্চঙ্গ্যা(২৮), মমতাজ মিয়া(৪৩) এবং কিয়মেছিং চাকমা(৩১) নামে তিন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের পেট থেকে ৩ হাজার ৭শ’ পিস ইয়াবা বের করা হয়।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিন ব্যাপী চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেট্রো: উপঅঞ্চল এর মাদক বিরোধী পৃথক অভিযানের সময় তাদেরকে আটক করা হয়। তারা অভিনব পন্থায় পেটের মধ্যে ইয়াবা নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাচার করতেন।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেট্রো: উপঅঞ্চল এর সূত্র মতে, মঙ্গবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংস্থার উপ-পরিচালক জনাব মো: রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ডবলমুরিং সার্কেল উপ-পরিদর্শক মো: আবদুল মতিন মিঞা এর নেতৃত্বে এক অভিযানে কোতোয়ালী থানাধীন বি আই ডব্লিউ টি অফিসের উত্তর পার্শ্বে ফিরিঙ্গী বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঐক্যাছিং তঞ্চঙ্গ্যা এর পুত্র কালাচোগা তঞ্চঙ্গ্যাকে ১ হাজার ৪শ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এছাড়া কাতোয়ালী সার্কেল পরিদর্শক মো: মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে কোতোয়ালী থানাধীন স্টেশন রোডস্থ নতুন রেল স্টেশনের এলাকা থেকে একলাস মিয়ার পুত্র মামতাজ মিয়াকে ৫শ’ পিস এবং সোমবার রাতে কোতোয়ালী থানাধীন ৫৫,ফিরিঙ্গী বাজার, ব্রীজঘাট রোড এলাকা থেকে নিয়ছাইমং চাকমার পুত্র কিয়মেছিং চাকমার কাছ থেকে ১ হাজার ৮শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেট্রো: উপঅঞ্চল উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামান বলেন, আটককৃতরা অভিনব পন্থায় পেটের মধ্যে বিশেষ ইয়াবাগুলো ছিলো। তারা প্রাথমিক ভাবে স্বীকার করেন পেটের মধ্যে ইয়াবা রেখে তারা এক জায়গায় থেকে আরেক জায়গায় পাচার করে আসতেন। তারা  দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে।

চট্টগ্রাম ডিএনসি’র অভিযানে ২৬১২ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মাদকদব্র নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেট্রো: উপঅঞ্চলের মাদক বিরোধী পৃথক দুইটি অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬১২ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। আটককৃতরা হচ্ছে ইয়াবা ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ (৩২) এবং মোঃ ইয়াছিন (২২)। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কতোয়ালী থানাধীন জলসা মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেট্রো: উপঅঞ্চল এর সূত্র মতে, সংস্থার উপ-পরিচালক মো: রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চান্দগাঁও সার্কেল পরিদর্শক লাকাশীষ চাকমা এর নেতৃত্বে এক অভিযানে কোতোয়ালী থানাধীন জলসা মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ওই এলাকা থেকে সাতকাহনিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেনের পুত্র আব্দুল আজিজকে ২৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক করেন। এর আগে রোববার মধ্যরাতে অপর এক অভিযানে পাহাড়তলী সার্কেলের পরিদর্শক এ.এস.এম মঈনউদ্দীন কবির এর নেতৃত্বে একটি টিম পাহাড়তলী থানাধীন অভিযান চালান। এ সময় হাসেম মিস্ত্রীর কলোনীর সামনে থেকে মোঃ জালাল উদ্দিনের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী ইয়াছিনকে ১২ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা অপরাধ স্বীকার করে জানায়,তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট থানায় সংশ্লিষ্ট থানায় দুইটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

তালায় পরিবহন চাপায় পান ব্যবসায়ী নিহত

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় কুমিরায় পরিবহন চাপায় পান ব্যবসায়ী সাত্তার শেখ (৩৫) নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত পান ব্যবসায়ী সাত্তার শেখ তালার কুমিরা ইউনিয়নের রাঢ়ীপাড়া গ্রামের মৃত. শামসুর রহমানের ছেলে।
কুমিরা এলাকার আব্দুস সোবহান জানান, ভোরে বাড়ি থেকে বাইসাইকেলযোগে পান বিক্রি করতে পাটকেলঘাটা বাজারে যাচ্ছিলেন সাত্তার। পথিমধ্যে কুমিরায় এলাকায় মহাসড়কের উপর একটি পরিবহন তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াহিদ মোর্শদ বলেন, অজ্ঞাতনামা একটি পরিবহনের চাপায় পান ব্যবসায়ী সাত্তার নিহত হয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।