কেশবপুরে স্কুল ছাত্র নির্যাতন : বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

রাজীব চৌধুরী, কেশবপুরঃ যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে অবস্থিত এস.এস.জি বরণডালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে । এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগও হয়েছে । অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে কেশবপুর উপজেলার ০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের চাঁদড়া গ্রামের মোছাঃ হোসনেআরার পূত্র শাহরিয়ার হোসেন সুমন (১৪) এস.এস.জি বরণডালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কারিগরী শাখার নবম শ্রেণীর একজন ছাত্র । সে তার নিজ বাড়ি চাঁদড়া হইতে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করে । গত ০৬/০২/২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবারে বিদ্যালয় হইতে বাড়ি ফেরার পথে দেখে মির্জানগর গ্রামের নেদু শেখের ছেলে গোপালপুর বাজারের (মির্জানগর) ঔষধ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম (৩৪) শাহরিয়ার হোসেন সুমনের সহপাঠী আশিকুর রহমান (১৪), রফিকুল ইসলাম (১৪) সোহাগ (১৪) কে লাঠি দিয়ে নির্মম ভাবে মারতে ছিল । এই দেখে সুমন তার সহপাঠীদের রক্ষা করার জন্য ঔষধ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের নিকট মারার কারন জিজ্ঞাসা করাতে নজরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে সুমনকেও লাঠি দ্বারা বেধড়ক মারপিট করে । এক পর্যায়ে সুমন নজরুল ইসলামের মারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তার পা ধরে না মারার অনুরোধ করে এবং বলে আমাকে আর মারবেন না, ০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আমার কাকু হয় । চেয়ারম্যানের নাম বলাতে ঔষধ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান আনিছুর রহমানের নামে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং সুমন ও তার সহপাঠীদেরকে গুরুতরভাবে আহত করে চলে যায় । আহত ছাত্রদের ডাক চিৎকারে আশে পাশে থাকা লোকজন ও গ্রাম পুলিশ সুজ্জাত আলী তাদেরকে উদ্ধার করে ত্রিমোহিনী বাজারে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় । কিন্তু সুমন ও রফিকুলের শারিরীক অবস্থার অবনতি হওয়াতে তাদেরকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় । এঘটনায় আহত স্কুল ছাত্র শাহরিয়ার হোসেন সুমনের মা তার পুত্রের উপর নির্যাতনকারী ঔষধ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

উন্নয়নের পাশাপশি দেশ জুড়ে লুটপাটের মহোৎসব চলছে -কম. রাশেদ খান মেনন এমপি

তাপস কুমার বিশ্বাস, খুলনা থেকেঃ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কম.রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, দেশে উন্নয়ন যেমন হচ্ছে, তেমনি দেশ জুড়ে লুটপাটের মহোৎসব চলছে। বিএনপির শাসনামলে তারেক জিয়ার হাওয়া ভবন ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু বর্তমানে সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য অদৃশ্য হাওয়া ভবন সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পাটশিল্পের দিকে নজর দিলেও স্বার্থান্বেষী কতিপয় শ্রমিক নেতা মিল কলকারখানাগুলো ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের যড়যন্ত্রে লিপ্ত। একদিকে খাজনা না দেয়ায় কৃষকদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা হচ্ছে, অন্যদিকে ভূমি অফিসের দুর্নীতির কারণে কৃষকেরা খাজনা দিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে। কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। শ্রমিকদের পাওনা আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে হয়। কম. হাফিজুর রহমান শ্রমিক ও কৃষকের ন্যায্য দাবি আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন কিংবদন্তী শ্রমিকনেতা। তার নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে কৃষক শ্রমিকের মুক্তি সম্ভব।

বুধবার বিকালে খুলনার ফুলতলা বাসষ্টান্ড চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত প্রয়াত শ্রমিক নেতা প্রয়াত কম. হাফিজুর রহমান ভুইয়ার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি এ্যাড. কম. মিনা মিজানুর রহমান। স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কম. প্রফেসর ড. সুশান্ত দাস, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব আনোয়ারুজ্জামান মোল্যা। ওয়ার্কার্স পার্টির ফুলতলা উপজেলা সভাপতি কম. সন্দীপন রায় ও আরিফুজ্জামান বাবলুর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য কম. দীপংকর সাহা দিপু, কম.এ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিকী, জেলা সম্পাদক কম. আনছার আলী মোল্যা, মহানগর সভাপতি কম. মফিদুল ইসলাম, কম. গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কম. দেলোয়ার উদ্দিন, কম. ফারুকুল ইসলাম, কম. খলিলুর রহমান, মনিরুজ্জামান, আঃ হামিদ মোড়ল, হারুন অর রশিদ মল্লিক, আহসানুল হাফিজ বিপুল, ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, প্রভাষক রেজোয়ান হোসেন রাজা, গৌতম কুন্ডু, সিরাজুল ইসলাম খান, আঃ লতিফ মহলদার, সরদার আঃ রহমান, আঃ সাত্তার মোল্যা, আমিরুল ইসলাম, কামরুল জোয়াদ্দার, রিয়াদ হাসান তপু, মঈন উদ্দিন ময়না, শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, বিলাস রায়, অরুপ নাগ প্রমুখ।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল হোসেনের মাতা’র দাফন

দাকোপ প্রতিনিধি : এলাকার হাজারো মুসল্লী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেনের মাতা মরহুমা মাজেদা খাতুন (৯৮) এর নামাজে জানাজা ও দাফন হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চালনা আরশাদ আলী এমিত খানা জামে মসজিদের পাশে চীরনিদ্রায় তাঁকে দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ, দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, জেলানেতা জোবায়ের রহমান জবা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম আক্কেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কাদের, এবিএম রুহুল আমীন, চেয়ারম্যান মাসুম আলী ফকির, গাজী রবিউল ইসলাম, শিকদার মনিরুল ইসলাম, শেখ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য কে এম কবীর হোসেন, শেখ যুবরাজ, এ্যাডঃ জি এম কামরুজ্জামান, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ গোলাম হোসেন, মীর্জা সাইফুল ইসলাম টুটুল, শেখ ছাব্বির আহম্মেদ, জেলা যুবলীগনেতা জামিল খান, এস এম ফরিদ রানা, সাইফুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মোল্যা, চালনা পৌর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপন ভূঁইয়া, দাকোপ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির, চালনা পৌরসভা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম মামুনুর রশিদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জি এম রেজা, পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল গফুর সানা, পৌর কাউন্সিলর রোস্তম আলী খান, পৌর কাউন্সিলর আইয়ুব আলী কাজী, সাংবাদিক শেখ মোজাফ্ফার হোসেন, উপজেলা যুবলীগনেতা জাহিদুর রহমান মিল্টন, আরাফাত আজাদ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শেখ আলামিন হোসেন, ফয়সাল শরীফ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজগর হোসেন বাপ্পি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি গাজী রবিউল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল কাজী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী, খুলনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ননী গোপাল মন্ডল, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান রঘুনাথ রায়, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সাবেক নেতা অসিত বরণ বিশ্বাস, দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়, চালনা পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জয়ন্তী রানী সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান রনজিত কুমার মন্ডল, সমরেশ চন্দ্র ঘরামী, সত্যেন্দ্র নাথ রায়, ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল, অধ্যাপক দুলাল রায়, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আকতার, জ্যোতি শংকর রায়, জেলা যুবলীগনেতা বিধান চন্দ্র রায়, জেলা তরুণ লীগের সাধারণ সম্পাদক তাপস জোয়াদ্দার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অমারেশ ঢালী, রতন কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক রাহুল রায় প্রমুখ।

বদলে যাওয়া পুলিশের সচেতনতামূলক সভা

আজগর হোসেন ছাব্বির, দাকোপ : “মুজিব বর্ষের শ্লোগান পুলিশ হবে জনতার” সেই বদলে যাওয়া পুলিশের আয়োজনে সমাজ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে খুলনার দাকোপ উপজেলা সদর চালনা পৌরসভা মিলনায়তনে সব শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। মানুষের মাঝে যখন পুলিশের প্রতি এমন বদ্ধমুল ধারনা সৃষ্টি হয়েছে যে, তারা আইনের রক্ষক হয়ে ভক্ষক, অপরাধীদের সুকৌশলে প্রতিপালন, ঘুষ দূণীতির মাধ্যমে দূর্বলের উপর সবলের অন্যায় অত্যাচারে সহযোগীতা করা পুলিশের অধিকাংশ সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অসংখ্য অভিযোগ। সমাজের প্রতিটিস্থরে সাধারন মানুষের পুলিশ বাহিনীর প্রতি চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে তখন পুলিশের প্রতি জনতার আস্থা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার আধুনিক সেবামূখী পুলিশ বাহিনী গঠনে নিয়েছে নানামূখী উদ্যোগ। চলমান মুজিব বর্ষে সেই পুলিশ মাঠে নেমেছে সমাজ থেকে মাদক, বাল্য বিবাহ আর ঘুষ দূর্ণীতি দূর করতে। তারই অংশ হিসেবে খুলনার দাকোপ থানা পুলিশ গত মঙ্গলবার থেকে সর্ব সাধারনের মাঝে জনসচেতনতামূলক সভা শুরু করেছে। তারা সবাই উপস্থিত সব শ্রেনীপেশার মানুষের মাঝে এমন বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন যে, পুলিশকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যে কোন অভিযোগ বা সমস্যার বিষয় কোন মাধ্যম ছাড়াই পুলিশের কাছে বলা বা সহযোগীতা চাওয়া যাবে। সমাজ থেকে সকল ধরনের মাদকদ্রব্য নির্মূল, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে পুলিশকে সহযোগীতা করতে সভায় সকলের প্রতি আহবান জানানো হচ্ছে। একই সাথে থানায় সম্পূর্ন বিনা পয়সায় সকল ধরনের সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তার কথা বলা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তারা উপজেলার সকল ইউনিয়নে এমন উন্মুক্ত সভা করার কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। জানা গেছে ১২ ফেব্রুয়ারী পানখালী, ১৩ ফেব্রুয়ারী দাকোপ, ১৫ ফেব্রুয়ারী কৈলাশগঞ্জ, ১৭ ফেব্রুয়ারী বাজুয়া, ১৮ ফেব্রুয়ারী সুতারখালী, ১৯ ফেব্রুয়ারী কামারখোলা, ২০ ফেব্রুয়ারী লাউডোপ, ২২ ফেব্রুয়ারী বানীশান্তা এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে অনুরুপ সভা অনুষ্ঠিত হবে। চালনা পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল গফুর সানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দাকোপ থানার ওসি (তদন্ত) দেবাশীষ দাস, এস আই পলাশ কুমার দাস, এস আই আবু জাফর, সকল পৌর কাউন্সিলর, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক, শ্রমজীবি মানুষের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে আলোচনা শোনেন এবং নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম চৌধুরী ইতিমধ্যে থানাকে দালাল ও ঘুষ দূর্ণীতিমুক্ত করার দাবী করে বলেন, এখন আইনের সহায়তা চাইতে সাধারণ মানুষের কোন তদ্বিরকারক নিয়ে আসার প্রয়োজন নেই। পুলিশের কোন সদস্য যদি অর্থ দাবী করেছে এমন অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি যে কোন আইনী সহায়তার প্রয়োজনে সর্ব সাধারণকে পুলিশের প্রতি আস্থা রাখতে আহবান জানিয়েছেন।