ফুলতলায় শিশু বরণ উৎসব পালিত

তাপস কুমার বিশ্বাস, ফুলতলা অফিসঃ “শেখ হাসিনার দীক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনার ফুলতলা বাড়ীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পালিত হলো শিশু বরণ উৎসব-২০২০। ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাঃ আবুল কাশেম, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম রনি, সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ আসাদুজ্জামান। স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কোমলমতি শিশুদেরকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুল, নতুন স্কুল ড্রেস বিতরণ ও মিষ্টি খাইয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

ফুলতলায় ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

ফুলতলা অফিসঃ ব্র্যাকের উদ্যোগে ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলতলা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মোঃ আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিবিদ মোছাঃ রীনা খাতুন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন আলম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন। বিভাগীয় ম্যানেজার ইমদাদুল হকের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, প্রগতি এরিয়া ম্যানেজার বাবুল চন্দ্র, ব্র্যাকের উপজেলা ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক উত্তম কুমার প্রমুখ। সভায় বিদেশগামী নারী ও পুরুষের মাঝে নিরাপদে অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও নানাবিধ সহায়তা কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ফুলতলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের ৬ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্তি

ফুলতলা অফিসঃ ফুলতলা উপজেলা রিসোর্স সেন্টার আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষকদের ৬দিন ব্যাপী বিষয় ভিত্তিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাঃ আবুল কাশেম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, বি এম রফিকুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম সরদার, মুরাদুল ইসলাম প্রমুখ। পরে কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ সহকারী শিক্ষক গৌরী রানী বিশ্বাস, মার্জিয়া দলদার, প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌসিকে পুরস্কৃত এবং ৩০ প্রশিক্ষানার্থীর মাঝে চূড়ান্ত মূল্যায়নের ফলাফল ঘোষনা ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে জনপ্রতিনিধিদেরও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে : জেলা প্রশাসক

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটাঃ জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেন বলেছেন, শুধু সরকারী কর্মকর্তাদের নয়, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে জনপ্রতিনিধিদেরও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। কারন তারাই ভাল জানেন তাদের এলাকার কারা মাদক সেবন ও কারবার সহ বহু অপকর্মে জড়িত। সুতরাং সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজ একত্রে আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে দেশ ও সমাজ থেকে সকল অপরাধ প্রবণতা নির্মূল হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি মনোভাব পোষণ করেছেন। সকলে সাবধান হয়ে যান। তিনি বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বটিয়াঘাটা উপজেলা অডিটরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে জাইকার অর্থায়নে জনপ্রতিনিধি, সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও যুব প্রতিনিধিদের নিয়ে মাদক বিরোধী সেমিনার ও কর্মকর্তাদের ডোপ টেষ্ট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার এস,এম শফিউল্লাহ (বিপিএম), চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাশেদুজ্জামান, ওসি মোঃ রবিউল কবির, ভাইস চেয়ারমান নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অপর্না বিশ্বাস, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদ্দার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ প্রণয় মিশ্র, আরডিও সরদার রফিকুল ইসলাম, খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল আলম, সমবায় কর্মকর্তা জান্নাতুননেছা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোনায়েম খান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা গৌতম বিশ্বাস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জিয়াউল হক জসিম, নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, ভারপ্রাপ্ত আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, ইউপি চেয়ারম্যান হাদীউজ্জামান হাদী, ইসমাইল হোসেন মোল্লা বাবু, আব্দুল হাদী সরকার, গোলাম হাসান, মিলন গোলদার, সাংবাদিক মনিরুজ্জামান, বিপ্র রায়, এস এম এ ভুট্টো, আহসান কবীর, বুদ্ধদেব মন্ডল, শাওন হাওলাদার, তরিকুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন কুমার রায়, অধীর কুমার রায়, আবু দাউদ, প্রধান শিক্ষক অনিল কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক অন্নদা শংকর রায়, প্রধান শিক্ষক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, সরদার হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

তালায় পুত্রের মৃত্যুর খবরে পিতার মৃত্যু

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কাশিপুর দাখিল মাদ্রাসার মাওলানা শিক্ষক আবু মুছা (৪৮) বুধবার সন্ধ্যায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। পুত্রের মৃত্যুর খবরে বৃহস্পতিবার ভোরে পিতা কেরামত আলী (৮০) মৃত্যুবরণ করেন। পিতা-পুত্রের জানাজা নামাজ তালার সেনপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। পিতা-পুত্রের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কাশিপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার শেখ আব্দুল মোমিন জানান, শিক্ষকের অকাল মৃত্যুতে মাদ্রাসা একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পোষা কুকুরের জন্য মনিবের আর্তনাদ!

ইউনিক ডেস্ক : পোষা কুকুরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করায় এক সপ্তাহ কেঁদেছেন মনিব। আদরের পোষা কুকুরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করায় এক সপ্তাহ কাঁদছে মনমোহন সরকার নামের এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের সিংড়ার চামারী ইউনিয়নের রৌদি চামারী গ্রামে। মনমোহন সরকার এক বছর যাবৎ একটি কুকুর পোষে। অসম্ভব ভালবাসে কুকুরকে। নিজে গোসল করিয়ে দেয়, নিজেই খাবার খাইয়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার নীলমনি নামের একজন প্রতিবেশীর ছোট ছেলে মনমোহনের নাতির সাথে খেলা করার সময় তার হাতে পিঠা দেখে কুকুরটি এগিয়ে গেলে মুখে কুকুরের আঘাত লাগে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নীলমনি হাসুয়া দিয়ে কুকুরকে কুপিয়ে জখম করে। এর পর থেকে মনমোহনের নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

মনমোহনের ছেলে জানান, আমার বাবা গত এক সপ্তাহ যাবৎ ভাত-পানি খাচ্ছে না, শুধু হাউমাউ করে কান্না করছে।

কুকুরকে জখমকারী নীলমনি জানান, আমার ছেলেকে আঘাত করায় ক্ষিপ্ত হয়ে আমিও কুকুরকে কুপিয়েছি, এটা আমার ভুল হয়েছে।

চামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদুল মৃধা জানান, নীলমনি একটা প্রাণীকে মেরে জঘন্য অপরাধ করেছে। দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী এর বিচার হওয়া উচিত।

কলেজ শিক্ষিকার মেয়ের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুনতাহা ওয়াহিদ অতশী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বৃত্তি পরীক্ষা/২০২০ অভয়নগর যশোর এর আকিজ আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৫৮৮। মুনতাহার বাবা ওহিদুল হক ব্যবসায়ী। মা সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া অভয় নগরের ভৈরব আদর্শ ডিগ্রী কলেজের একজন প্রভাষক। মুনতাহা বড় হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চায়। সে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

পাপিয়া কান্ডে সরব খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গন

আজগর হোসেন ছাব্বির : দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচীত নাম শামীমা নুর পাপিয়া। গণমাধ্যম এবং স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল পাপিয়া ইস্যুর প্রভাব পড়েছে খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে। আলোচীত নারীনেত্রীদের তৎপরতায় ভাটা পড়েছে। নরসিংদী যুব মহিলা লীগের সদ্য বহিস্কৃত নেত্রী শামীমা নুর পাপিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্থান পতনের বিষ্ময়কর গল্প প্রকাশ্যে আসার পর গোটা দেশ এখন পাপিয়া জ¦রে আক্রান্ত। অতি সাধারণ পরিবারের সন্তান পাপিয়া রাজনৈতিক পদ পদবী এবং অর্থ উপার্জনে কিভাবে অনৈতিক পথে নিজেকে চালনা করেছেন সেই আলোচনা সকল মানুষের মুখে মুখে। পাপিয়া ইস্যু এখন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট ৩ মাস ব্যাপক অনুসন্ধানের পর গত ২২ফেব্রুয়ারী শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে স্বামীসহ পাপিয়াকে গ্রেফতার করে। প্রশাসনের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে তার উপরে উঠার কাহিনী। এই কাহীনিতে গরীব অসহায় মেয়ে থেকে শুরু করে সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপিদের নাম উঠে আসছে। একজন ড্রাইভারের কন্যা থেকে এই অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার পিছনে পাপিয়া সুমন দম্পতিকে যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করেছেন সকল প্রভাবশালীদের তথ্য এখন গোয়েন্দা সংস্থার হাতে। যে কোন সময় তারা আইনের আওতায় আসতে পারে এমন আতঙ্ক আর উদ্বেগে দিশেহারা প্রভাবশালীরা। এদিকে সরকারী দলের নারী নেত্রীর এই আলোচীত ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গোটা দেশের ন্যায় খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে ও তার প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের আলোচীত নারী নেত্রীদের তৎপরতায় ভাটা পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির সাধারণ নেতাকর্মিরা বলেন, অনুসন্ধান করলে খুলনার রাজনীতিতে পাপিয়ার মত অনেক নেত্রীর খোঁজ পাওয়া যাবে। যারা অনেক সময় বিভিন্ন সভা সমাবেশে দলের সিনিয়র নেতাদের থেকেও নানা তৎপরতায় ছিল অগ্রগামী। এদের কারনে পরিচ্ছন্ন ইমেজের রাজনৈতিক নেতাকর্মি নিজেদের গুটিয়ে রাখতে বাধ্য হয়। প্রভাবশালী নেতাদের অফিস কিংবা বাসায় তদ্বির বাণিজ্যে এরা ছিল অনেকের থেকে এগিয়ে। আলোচীত বসন্তের কোকিল এসকল নেত্রীদের অধিকাংশই ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ আবিভূত হয়। তাদের দাপটে কোনঠাসা হয়ে পড়ে ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাকর্মীরা। ফলে খুলনা মহানগরের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ধিরে ধিরে দলের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন তারা, এমন অভিযোগ খোদ দলীয় নেতাকর্মিদের। দলটির সাধারণ নেতাকর্মি দলের মাঝে এমন শুদ্ধি অভিযানে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, অভিযানের ব্যাপ্তি দেশব্যাপী করতে পারলে সাধারণ মানুষের কাছে আওয়ামীলীগের গ্রহনযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। কেবল ক্ষমতাসীনদল নয়, পাপিয়াকান্ডে বিব্রত খুলনার বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের আলোচিতরা। বর্তমানে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির জেলা মহানগর কার্যালয় ও তার আশপাশ এলাকায় নেতাকর্মিদের জটলায় ঘুরে ফিরে আলোচনায় আসছে পাপিয়া ইস্যু। অপরদিকে দুটি দলেরই ওই সকল আলোচীত নারী কর্মিদের দলীয় কার্যালয়ে আনাগোনায় কিছুটা ভাটা পড়েছে। গত ২ দিন মহানগরীতে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে নারী কর্মিদের কম উপস্থিতি যেন সে কথায় বলে দিচ্ছে।