ফুলতলায় মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় বিএল কলেজ ছাত্র নিহত অপর দু’বন্ধু আহত

ফুলতলা অফিসঃ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় ফুলতলা-জামিরা সড়কের গাড়াখোলা গাজীপাড়া মোড়ে মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় রাসেল মোল্যা (২১) নামে কলেজ ছাত্র নিহত ও অপর দুই বন্ধু গুরুতর আহত হন। মৃতঃ রাসেল ডুমুরিয়া উপজেলার চেচুড়ি গ্রামের কুদ্দুস মোল্যার পুত্র। আহত হুমায়ুন ও মাজেদুলের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় ৩ বন্ধু পালসার মটরসাইকেল যোগে (নং-যশোর-ল-১১-৬৪৪৬) বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌছালে রাস্তার পাশে থাকা বাঁশে সজোরে ধাক্কা খেয়ে তারা ছিটকে পড়েন। এলাকাবাসি দ্রæত তাদেরকে উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাসেল মোল্যাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। আহত হুমায়ুন বিশ্বাস (২০) ও মাজেদুল গাজী (২২) কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রæত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। হুমায়ুন বিশ্বাস মনিরামপুর উপজেলার কপালিয়া গ্রামের খবির বিশ্বাসের পুত্র ও শাহাপুর মধুগ্রাম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং মাজেদুল গাজী চেচুড়ি গ্রামের গনি গাজীর পুত্র ও বিএল কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। এ ছাড়া নিহত রাসেল মোল্যা বিএল কলেজের মার্কেটিং প্রথম বর্ষের ছাত্র।

কেশবপুরের সাতবাড়িয়াতে আওয়ামীলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

রাজীব চৌধুরী,কেশবপুর: যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ১০ নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয় ২৯শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ইং রোজ শনিবার। কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর ৬ কেশবপুর আসনের  উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জননেতা শাহীন চাকলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন,সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম পিটু, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, উপজেলা চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, পৌর সভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল,উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক রমেশ দত্ত,কেশবপুর নিউজক্লাবের সভাপতি আশরাফুজ্জামান।কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন ১০নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক জি এম হোসেন। কর্মী সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড মিলন মিত্র,০১নংত্রিমোহিনী ইউপি চেয়ারম্যান এস এম আনিছুর রহমান আনিছ,০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক আব্দুল আলিম বাবুল বিশ্বাস,০২ নং সাগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল  ইসলাম মুক্ত,০৮ নং সুফলাকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ,১০ নং সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান সামছুদ্দীন দফাদার, ১০ নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মশিয়ার রহমান দফাদার,আবু বক্কর সিদ্দিক,ইউপি সদস্য মাষ্টার কামরুজ্জামান টিটো,ইউপি সদস্য লিপিকা ঘোষ,ইউপি সদস্য নূর ইসলাম,ইউপি সদস্য মো:মুজিবর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আমজেদ হেসেন,মাসুম বিল্লাহ,শামীম রেজা,যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী,কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক সহ প্রমুখ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জননেতা শাহীন চাকলাদার বলেন আওয়ামীলীগের সংগঠনকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। আর এজন্য দরকার ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ। সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হলে সরকার শক্তিশালী হবে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।

চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে ধর্ষনের অভিযোগ : ইর্ন্টানী চিকিৎসক গ্রেফতার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ক্লিনিকের রিসিপশন বিভাগের এক মেয়েকে কোমলপানীর মধ্যে চেতনাাশক ঔষধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইর্ন্টানী চিকিৎসক রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ধর্ষিতা ওই মেয়ে বাদী হয়ে ধর্ষক রিয়াজুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রিয়াজুল ইসলাম (২৫) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দিপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইর্ন্টানী চিকিৎসক।
এ মামলার অপর দুই পলাতক আসামীরা হলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬) ও সদর উপজেলার বাঁকাল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান মিঠুন(৩৬)।
এদিকে, ধর্ষিতা ওই মেয়ে (১৬) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। মেয়েটি বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারী মেয়েটি শহরের পলাশপোল এলাকার শিমুল মেমোরিয়াল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনিষ্ট সেন্টারে রিসিপশন বিভাগে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে চিকিৎসক রিয়াজুল তাকে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভনসহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই জেরে গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) রাতে ওই ক্লিনিকের ৫ তলায় ২ নং আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সহযোগিতায় চিকিৎসক রিয়াজুল তাকে কোমলপানীয় কোকোকোলার মধ্যে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। ঘটনাটি ক্লিনিক মালিক ৩ নং আসামী মিজানুর রহমান মিঠুনকে জানানোর পর তিনি বিষয়টি সমঝোতা করবেন বলে সময় ক্ষেপন করতে থাকেন এবং টাকা নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন। কোন উপায় না পেয়ে অবশেষে শুক্রবার রাতে মেয়েটি ধর্ষক ইর্ন্টানী চিকিৎসক রিয়াজুলসহ উক্ত তিন জনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ওই ইর্ন্টানী চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষার শেষে গ্রেফতারকৃত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান,এ মামলার অপর দুই পলাতক আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্ত্রীর পরকীয়া জানাজানিতে প্রবাসী স্বামীর আত্মহত্যা

ডুমুরিয়া (খুলনা) : স্ত্রীর পরকীয়ায় সৌদি আরব প্রবাসী আব্দুর রহমান গাজীর (৪৬) আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২টায় সৌদি আরবের কনফুদা এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার খবরটি সাথে সাথে ইন্টারনেট- মোবাইলে ছড়িয়ে পড়লে ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।
পারিবারিক ও এলাকাবাসিসূত্রে জানা যায়; পরকীয়ার বলি আব্দুর রহমান গাজীর বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামে। পেশায় ছিল একজন রাজমিস্ত্রি। তবে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবে শ্রমিকের কাজ করতেন। ১০ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন তিনি। ২ পুত্র সন্তান জন্মের পর আব্দুর রহমান গাজী ১ম স্ত্রীকে তালাক দেন। পরবর্তীতে প্রেমের সুত্র ধরে আব্দুর রহমান খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গাওঘরা গ্রামের হেকমত আলী বিশ্বাসের একাধিক স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে মুর্শীদা সুলতানা (৩০) কে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে মিম নামে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। মিমের বর্তমান বয়স ৫ বছর। আব্দুর রহমান গাজী বসবাসের ভিটেটুকু ছাড়া সকল জমিজমা সম্পদ বিক্রি করে সর্বশান্ত হন। ধারদেনা করে বড় ছেলে সাগরকে সৌদি আরব পাঠিয়ে দেন। ছোট ছেলে আকাশ তার মায়ের সাথে মামার বাড়ি অবস্থান করে পড়ালেখা করে। শেষ সম্বল বাড়িটাও অবশেষে স্ত্রীর চাপে ৭ শতক জমিসহ মুর্শীদার নামে লিখে দেয়।
মুর্শীদা আন্দুলিয়া গ্রামের আঃ রহমান বিশ্বাস ওরফে কুদা’র ছেলে ব্যবসায়ী শাহ বিএম কিবরিয়ার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। অনেকটা স্বামী স্ত্রীর মতই ছিল কিবরিয়া ও মুর্শীদার মেলামেশা। কিবরিয়ার অবাধে যাতায়াত চলে মুর্র্শীদার ঘরে। পাশের বাড়ির ইজিবাইক চালক মোঃ রাশেদ আকুঞ্জী জানায়; কিবরিয়া বিভিন্ন সময়ে খাবারসহ জিনিসপত্র নিয়ে প্রায়ই মুর্শীদার ঘরে প্রবেশ করতো। যা সবার নজরে ছিল।
আব্দুর রহমানের সৎ মা রহিমা বেগম জানায়; আত্মহত্যার আগের দিন রাত সাড়ে ১১টায় আমাকে ফোন দিয়ে রহমান মুর্শীদার ঘরে যেতে বলে। রহমান আমাকে বলেছিল ঘরে লোক ঢুকেছে, আমাকে সে ভিডিও কলের মাধ্যমে লোকটাকে দেখিয়েছে। তখন আমি বউমাকে ডাকলে দরজা না খোলায় আমি ফিরে আসি।
বৃহস্পতিবার কর্মস্থলে সহকর্মীরা আব্দুর রহমানের অবস্থান না থাকায় তাকে খুঁজতে থাকে । একপর্যায়ে মরুভূমির মাঝে একটি ঘরে ঝুলান্ত অবস্থায় আব্দুর রহমানের লাশ উদ্ধার করেন প্রবাসি চাচাতো ভাই এমদাদুল হক ও ওলিয়ার রহমান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর আব্দুর রহমানের আত্মহত্যার নেপথ্য কাহিনী উদঘাটন ও ৩ সন্তানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আন্দুলিয়া গ্রামের ঐ বাড়িতে শোকাহত পরিবেশে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এক আলোচনায় বসেন। বৈঠকে মুর্শীদা সুলতানা তার পরকীয়া প্রেমের উপাখ্যান অকপটে স্বীকার করেন এবং আব্দুর রহমানের ৩ সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য নিজের নামের বসবাসের ভিটে তাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার ঘোষণা দেয় এবং মুর্শীদা শেষমেশ তার পরকীয়া প্রেমিক কিবরিয়ার ঘরে উঠিয়ে দেয়ার জন্য সুধিজনদের কাছে দাবি জানান।
বৈঠকে উপস্থিত সুধিজনদের নিকট মুর্শীদা সুলতানা জানায়; আব্দুর রহমান বিভিন্ন সময়ে কিবরিয়ার স্ত্রীর মোবাইলে ম্যাসেজ দিত। তখন আমি আমার স্বামীকে বলেছিলাম আমিও কিবরিয়ার সাথে পরকীয়া প্রেম করবো। কিন্তু মুর্শীদা বৈঠকে তার কোন প্রমান দেখাতে পারেননি। যা এলাকাবাসি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
এদিকে আব্দুর রহমানের লাশ ফেরত আনার ব্যাপারে তার বড় ছেলে ও চাচাতো ভাইয়েরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।
এদিকে ৯৯৯ নং এ মুর্শীদার উপর টর্চার এবং মারধর করছে তার পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। সে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডুমুরিয়ার রঘুনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এমদাদুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায়। কিন্তু পুলিশ মুর্শীদা এবং তার মায়ের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অভিযোগের কোন সত্যতা পাননি বলে জানালেন ঐ পুলিশ কর্মকর্তা। তখন পুলিশকর্তা তাদেরকে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ধৈর্য্য ধারণ করার পরামর্শ দেন।

সাতক্ষীরায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২

সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরায় পৃথক দুটি সড়ক দূর্ঘটনায় দুই জন নিহত হয়েছে। শনিবার সকালে তালায় উপজেলার বালিয়া বেইলি ব্রীজের পাশে ও সাতক্ষীরা শহরের এসপি বাংলোর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, তালা উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের কৃষ্ণ দাসের ছেলে গনেশ দাস (৪৮) ও সদর উপজেলার পরানদহ গ্রামের গোলাম রহমান (৫০)। স্থানীয়রা জানায়, সকালে গনেশ দাস বাড়ী থেকে গরু নিয়ে বিলে কাজ করতে যাওয়ার সময় তালা উপজেলার বালিয়া বেইলি ব্রীজের পাশে পৌছালে পিছন দিকে থেকে একটি ইট বোঝাই ট্রলি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানয়ীরা তাকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ সময় তার সাথে থাকা গরুটিও ঘটনাস্থলে মারা যায়। এদিকে, দুপুরে শ্রমিক গোলাম রহমান শহরের কাটিয়া এলাকা থেকে মাটির কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার সময় পথিমধ্যে শহরের এসপি বাংলোর সামনে পৌছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ঘটনা স্থলেই মারা যান। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান পৃথক দুটি স্থানের সড়ক দূর্ঘটনায় দুই জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

খুলনার বাজারে করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব

আজগর হোসেন ছাব্বির : করোনা ভাইরাসের কারনে চীন থেকে পণ্য আমদানী বন্ধ রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে খুলনার বাজারে। চায়নার প্রতিটি পণ্যে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ দাম বেড়ে গেছে। তাই এ সব পণ্য কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।
বিশ^ অর্থনীতির জন্য একটা বড় ধাক্কা করোনা ভাইরাস। ব্যবসা বাণিজ্যসহ বিভিন্নখাতে চীন যেমন ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন, তেমনি এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চীন থেকে একদিকে যেমন আসছেনা কোন মূলধনী সরঞ্জাম, তেমনি আসছেনা কোন শিল্পের কাঁচামাল। শেষ হয়ে আসছে চীন থেকে আমদানীকৃত টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলসহ সকল ধরনের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক পণ্য-সামগ্রীর দেশীয় মজুত। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত বা বাজারজাতকৃত অনেক আন্তর্জাতিক ব্যান্ড এর বাংলাদেশে রিজার্ভকৃত কম্পিউটার মোবাইল টিভি এসি ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক সামগ্রী সরবরাহে মারাত্বক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। কারণ ওই সকল ব্র্যান্ডের অনেক সহযোগী কারখানা চীনে অবস্থিত। তারই ফলশ্রুতিতে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চীনের কারখানাগুলো একের পর এক বন্দ হয়ে যাওয়ায় আমাদের দেশে ১০০% চায়না নির্ভর ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা চীন থেকে আমদানীকৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগরীর জলিল টাওয়ার, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, ডাকবাংলা সুপার মার্কেট, এস, এম, এ রব শপিং কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য মার্কেট ঘুরে এমন অবস্থা দেখা গেছে। জলিল টাওয়ারের এন এন্ড কম্পিউটারের প্রোপাইটার সুমিত কুমার ঘোষ বলেন, মাদার বোর্ড, মনিটর, হার্ডডিক্স, র‌্যাম, প্রসেসর, কি বোর্ডসহ কম্পিউটারের সকল সামগ্রী চায়না থেকে আমদানী করা হয়। করোনার প্রভাবে গত ১ মাসের ব্যবধানে প্রতিপিচ হার্ডডিক্সের দাম ৩ থেকে ৭ শ’ টাকা, র‌্যামে ৮ থেকে ৯ শ’ টাকা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই মার্কেটের নিউ বেষ্ট ওয়ে কম্পিটারের মালিক সঞ্জয় গোলদার জানায়, গত ১ মাসের ব্যবধানে প্রতিপিচ মাদারবোর্ড ৪ থেকে ৬ শ’ টাকা, প্রিন্টার ৫ শ’ থেকে হাজার টাকা দাম বেড়ে গেছে। অস্বাভাবিক এই মূল্য বৃদ্ধির কারনে বর্তমানে বেচাকেনা অর্ধেকের নীচে নেমে গেছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অনেক ব্যবসায়ী পথে বসে যাবে এমন দাবী তাদের। মূল্য বৃদ্ধির জন্য তারা পাইকারী ডিলারদের দায়ী করে বলেন আমদানী বন্ধ থাকায় ষ্টক সীমিত হয়ে আসছে। ডিলারদের কাছে যে পণ্য সামগ্রী মজুদ আছে তারা সেটা এই মুহুর্তে বাজারে ছাড়তে চাইছেনা। খুলনা শপিং কমপ্লেক্স এবং রব শপিংয়ে মোবাইল বাজার ঘুরে অনুরুপ অবস্থা দেখা যায়। ডাকবাংলা সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক বাজার ঘুরে দেখা যায় চীন নির্ভর সকল পণ্যের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে। খুরশীদ ইলেকট্রিক হাউজের ম্যানেজার টুটুল জানায়, পি আই বি টেপ ২ সপ্তাহের ব্যবধানে ১৬০ টাকার স্থলে ১৯০ টাকা, তিশা টেপ ২৪০ এর স্থলে ৩০০ টাকা প্রতি ডজনে বেড়ে গেছে। কলিংবেল, সুইচ, এম সিভি চ্যানেল, তারসহ সকল ইলেকট্রিক মালামালের সরবরাহ না থাকায় অনুরুপ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ অতিরিক্ত মুনাফার লোভে চীন থেকে আমদানী বন্দ থাকবে এমন গুজব ছড়িয়ে ব্যবসায়ীরা বাজারে পণ্যের কৃত্তিম সংকট তৈরী করছে। এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী সাময়িক এই সংকটকে পুঁজি করে অধিক মুনাফার পায়তারা করে ক্রেতা সাধারণ এ বিষয়ে সরকারের কঠোর নজরদারী কামনা করেছে।
খুলনা কম্পিউটার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সরদার মনিরুল ইসলাম মিঠু বলেন, ফেব্রুয়য়ারী মাসে চায়না মার্কেট লম্বা ছুটিতে থাকে। তাই ব্যবসায়ীরা আগে থেকে এলসি করে থাকে। এই মুহুর্তে কম্পিউটার সামগ্রীর দাম তেমনভাবে বাড়েনি। কিন্তু মেমোরী সম্পর্কীত পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। তবে দ্রুত করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলে আমাদের আইটি সেক্টরসহ ইলেক্ট্রনিক্স বাজার মারাত্বক ক্ষতির সন্মুখীন হবে।
খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক চায়না পণ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, চীন সংঘবদ্ধ একটি জাতি। তারা তাদের নিজ স্বার্থে এই সংকট থেকে উত্তরনে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তবে আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সকল ধরনের আমদানী পণ্যের যথেষ্ট পরিমান মজুদ আছে। সুতরাং অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, শুধুমাত্র আমদানী নয়, বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানীযোগ্য বিভিন্ন পণ্য রপ্তানীতেও ভাটা পড়েছে।
মূলত দুই ধরনের ক্ষতির সন্মুখীন হবে বাংলাদেশ। একটি অবকাঠামোগত উন্নয়নে। অন্যটি উৎপাদনগত উন্নয়নে। করোনা ভাইরাসের কারণে আমদানী-রপ্তানী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে পণ্য ক্রয় ক্ষমতা সাধারণ মানুষের বাইরে চলে যাবে। ফলে মুদ্রাস্ফীতিসহ অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে। যা আগামী বাজেটে বড় প্রভাব ফেলবে। এর আগে চলতি অর্থ বছরে যে সংশোধিত বাজেট আসবে সেখানে আমরা একটা বড় ধরনের সংশোধন দেখতে পাবো। সরকার এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এমনটাই সকলের প্রত্যাশা।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে বিকল্প উপায় খুঁজছেন স্বজনরা

ঢাকা অফিস : আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনের পক্ষে বিএনপি। জামিন আবেদন খারিজ হওয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে বিকল্প উপায় খুঁজছেন স্বজনেরা। দলীয় প্রধানের মুক্তির জন্য আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনের কথা বললেও তা নিয়ে দলে রয়েছে নানান মত। এদিকে, আন্দোলন চাঙ্গা করতে কমিটিতে দলের তরুণদের প্রাধান্য দেয়ার কথা বলছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সর্বশেষ আবেদনে নতুন কোনও কারণ না থাকায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত। পাশাপাশি খালেদা জিয়া সম্মতি দিলে দ্রুত তার উন্নত চিকিৎসা শুরু করারও আদেশ দেয়া হয়।

যদিও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন মনে করেন রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি। তবে তার মতে, রাজপথে আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার মতো সাহসী নেতৃত্বের অভাব রয়েছে দলে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে এতোদিন কারাগারে রাখার ফলে যারা বিএনপি সমর্থন করে না তাদেরও তার প্রতি একটি সহমর্মিতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া বিএনপির নেতৃত্বে আরও সৎ এবং সাহসী হতে হবে। তাহলেই রাজপথ উত্তপ্ত করে তাকে মুক্ত করা সম্ভব হবে।

এদিকে, জামিন আবেদন খারিজ হলেও খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসায় তার মুক্তির জন্য বিকল্প পথও খুঁজছেন স্বজনরা। খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন,এই অবস্থায় তাকে এখানে আর বেশিদিন রাখা ঠিক হবে না। আমরা চিন্তা করছি,তবে এখনও কিছু ঠিক করি নি।

পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলের কথা বলা হলেও পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে বিএনপির অনেকেই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আন্দোলন কখন যে টার্ন নিবে তা বলা যায়না। বেগম জিয়া জেলে থাকবে আর এদেশের মানুষ বের হবে না তা হয় না।

তবে আন্দোলন চাঙ্গা করতে দলের কাউন্সিলসহ স্থায়ী কমিটির শূন্য পদগুলো পূরণের তাগিদ দিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন,বিএনপির বিভাগীয় কাউন্সিল করা দরকার। স্ট্যান্ডিং কমিটিতে তাদের আরও নতুন ছয় সাতজন কম বয়সি লোক নেয়া দরকার। আমার মত বৃদ্ধদের নিয়ে কোন লাভ নেই।

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের সাথে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনসহ অন্যান্য জনসম্পৃক্ত ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করারও পরামর্শ তার।

দিল্লীতে মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ সমাবেশে ইমাম পরিষদের হুশিয়ারী

মোদীর আগমন ঠেকাতে প্রয়োজনে বিমান বন্দর ঘেরাও করা হবে

আজগর হোসেন ছাব্বির : প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু আপনার পিতা নয়, তিনি এদেশের শ্রেষ্ট সন্তান ১৬ কোটি মানুষের নেতা। এই মহান নেতার জন্ম শত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীর মত একজন মানবতা বিরোধী কসাই অতিথি হিসাবে থাকতে পারেনা। আমরা যখন এই নেতার জন্য পবিত্র কুরআন তেলোয়াত করছি তখন পবিত্র মসজিদ ও কুরআন শরীফে অগ্নি সংযোগের গডফাদার মোদী সেই নেতার অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনা।
শুক্রবার বাদ জুম্মা খুলনার ডাকবাংলার মোড় চত্বরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। দিল্লীতে মসজিদ ও কুরআন শরীফে আগুন, মুসলমানদের বাড়ীঘরে অগ্নিসংযোগ বর্বরোচীত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে জেলা ইমাম পরিষদ এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়। সমাবেশে বক্তারা মোদীর আগমন ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবী জানিয়ে বলেন এরপর ও যদি তাকে আনার চেষ্টা করা হয়, তাহলে ঢাকা শহর মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত হবে। তারা হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন প্রয়োজনে ইমাম পরিষদ বিমান বন্দর ঘেরাও কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে। তারা বলেন মুসলমানেরা নিজ ঘরের আগুন মেনে নিতে পারে, কিন্তু আল্লাহ’র ঘর মসজিদে আগুন মেনে নিতে পারেনা। তারা অবিলম্বে এই হত্যাকান্ড নির্যাতন বন্ধ করে মোদীকে মুসলমানদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করার আহবান জানান। সমাবেশে বক্তারা ভারতের মুসলমানদের পাশে দাড়াতে সকল মুসলিম উম্মার প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, এই ইস্যুতে আমরা এদেশে কোন সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন হতে দেবনা। খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি আলহাজ¦ মাওলানা মোঃ সালেহ আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা নাসির উদ্দিন, ইমাম পরিষদনেতা মুফতি গোলামুর রহমান, মাওলানা আ ফ ম নাজমুস সউদ, মাওলানা আসাদুজ্জামান, মাওলানা কারামত আলী, মাওলানা মুশফিকুর রহমান, মাওলানা মোশারফ হোসেন, মুফতি সেফাতুল্লাহ, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান ফরিদী, মুফতি ইমরান বিন হুসাইন, মাওলানা মুফতি অলিউল্লাহ, মাওলানা ইলিয়াজ হুসাইন, মাওলানা ইব্রাহীম খলিল, মাওলানা হেকমত আলী, মাওলানা নুর সাইদ জালালী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশ থেকে এ বর্বরোচীত ঘটনার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ এবং সংসদে বিশেষ অধিবেশন আহবান করে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহন করতে সরকারের নিকট দাবী জানানো হয়। একই ইস্যুতে আগামী পহেলা মার্চ রবিবার বাদ আছর ফেরীঘাট মোড় থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনাসহ ১৪ মার্চ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনার দাবীতে খুলনা মহাসমাবেশের কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নিউ মার্কেট বায়তুন নুর মসজিদ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

তালায় ট্রলির ধাক্কায় কৃষক নিহত

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় ইট বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় গণেশ ঘোষ (৪৮) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের মৃত কৃষ্ণ পদ ঘোষের পুত্র। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টার দিকে তালা উপজেলার বালিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে কৃষক গণেশ ঘোষ গরু নিয়ে বাড়ি থেকে মাঠের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বালিয় ব্রিজের কাছে বিপরীত দিক থেকে ইটবাহী একটি ট্রলি ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থ্য়া গণেশ ঘোষকে তালা হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।