ফুলতলায় মানুষের কল্যাণ আমরা সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ ফুলতলার জামিরা ইউনিয়নে মানুষের কল্যাণে আমরা সংগঠনের উদ্যোগে শনিবার সকালে শতাধিক অসহায় ও দুঃস্থ্য পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। স্থানীয় ইউপি কমপ্লেক্স অডিটরিয়ামে সংগঠনের সভাপতি মোঃ আরমান হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী মারুফুল কবির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, জামিরা বাজার মুক্তময়ী যুব সংঘের সভাপতি আঃ হালিম শেখ, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবলুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস কে সাদ্দাম হোসেন, অভয়নগর ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান। বিএম মাহফুজ ইসলামের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ইয়াছিন মোল্যা, রুহুল আমিন প্রমুখ।

ফুলতলায় সেমাই কারখানাসহ ৫ প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ খুলনায় ফুলতলা বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর বাজার তদারকিকালে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায় ভ্রাম্যমান আদালত ১টি সেমাই কারখানাসহ ৫ প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন। এর মধ্যে ফুলতলা গরুগাট সংলগ্ন এইচ আর ফুড প্রডাক্ট নামে ১টি সেমাই কারখানায় নোংরা পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় ৫ হাজার টাকা, মূল্য তালিকা না থাকায় জিকো ষ্টোরকে ৫শ’ টাকা, ইয়াছিন ষ্টোরকে ১ হাজার টাকা, ভাই ভাই ষ্টোরকে ১ হাজার টাকা, ভাই ভাই কাঁচামাল ষ্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য এবং আদায় করা হয়। শনিবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুল হাসান ও খুলনা জেলা সহকারী পরিচালক শিকদার শাহিনুর আলম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল।

মোল্লাহাটে বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রয় বন্ধ করতে চিঠির প্রতিবাদসহ পাঁচ দফা দবীতে মোল্লাহাটে মানববন্ধন করেছে বাগেরহাট জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন। শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ওই মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে প্রকাশ, বিড়ি শিল্পে প্রায় বিশ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। যা বিবেচনা করে গরীব দুঃখী মানুষের শ্রমবান্ধব জননেত্রী প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২০০৯-১০ অর্থ বছরের বাজেট বক্তৃতায় বলেছিলেন, বিড়ি সাধারণত গরিব মানুষ ব্যবহার করে এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ এখানে কাজের সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে সাবের হোসেন চৌধূরী গত ৫তারিখে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের জন্য। সাবের হোসেন চৌধূরীর উক্ত চিঠির প্রতিবাদ করেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়া তাদের পাঁচ দফা দাবী সমূহ হলো ঃ-১. বিড়ির উপর সকল প্রকার কর প্রত্যাহার করতে হবে। ২. ভারতের ন্যায় বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণা করতে হবে। ৩. যতদিন বিড়ি শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থা না করা হবে, ততোদিন বিড়ি শিল্পতে কোন প্রকার শুল্ক বৃদ্ধি করা যাবেনা। ৪. উচ্চস্তরের সিগারেটের মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক অধিক হারে বৃদ্ধি করতে হবে এবং ৫.কম দামী ও বেশি দামী সিগারেটে সম্পূরক শুল্ক বুদ্ধি করতে হবে।
ওই প্রতিবাদ ও মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য ছাড়াও নেতৃবৃন্দের পক্ষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যদেন মোঃ আতিয়ার রহমান, জিপুলি বেগম, আলি হোসেন ও শিউলি বেগম প্রমূখ।

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে সদর হাসপাতালের নার্সসহ ৬ জন করোনায় আক্রান্ত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : কুরগাঁওয়ে নতুন করে সদর হাসপাতালের এক নার্সসহ ৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা হতে প্রাপ্ত রিপোর্টে এ ফলাফল জানা যায়। আক্রান্ত ৬ জনের মধ্যে চারজন নারী ও দুইজন পুরুষ।

আক্রান্তরা হলেন- ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার পূর্বহাজীপাড়া এলাকার ৩৯ বছর বয়সী এক নারী। তিনি ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমাজানখোর ইউনিয়নের ২১ বছর বয়সী এক যুবতি ও রাণীশংকৈল উপজেলার সহোদর গ্রামের ৩৩ বছর বয়সী এক নারী। তারা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত।

এছাড়া হরিপুর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩জন। তারা হলেন- উপজেলার খামার কামারপুকুর এলাকার ৪০ বছর বয়সী এক পুরুষ ও ৩৫ বছর বয়সী এক নারী এবং জীবনপুর এলাকার ২৭ বছর বয়সী এক যুবক।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল পাঁচটায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা: মাহফুজার রহমান সরকার।

তিনি বলেন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা হতে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলায় আজ নতুন করে ৬ জন (সদর উপজেলা-১ জন, বালিয়াডাঙ্গী-১ জন, রাণীশংকৈল-১ জন ও হরিপুর-৩ জন)করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে।পূর্বের রিপোর্টসহ ঠাকুরগাঁও জেলায় সর্বমোট করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩৪ জন, যাদের মধ্যে শিশুসহ ১৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি সকলকে সরকারি নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ।

আত্মসমর্পণকৃত সাবেক দস্যুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলায় সুন্দরবনের আত্মসমর্পণকৃত সাবেক দস্যুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মোংলার স্থায়ী বন্দর এলাকার ফরেস্ট’র ফুয়েল জেটি এলাকায় র‌্যাব-০৮ এর পক্ষ থেকে ৬৫ জন আত্মসমর্পনকৃত সাবেক দস্যুকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, সেমাই, দুধ ও নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ সময় র‌্যাব-০৮ এর এএসপি মো: ইফতেখারুজ্জামানসহ অন্যান্য র‌্যাব সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। র‌্যাব কর্মকর্তা ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার ২শ ৮৪ জনকে র‌্যাব-০৮ এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়েছে।

সম্পুর্ন হাতের স্পর্শ ছাড়াই তৈরি হচ্ছে সেমাই

ঢাকা অফিস: ঈদ সামনে রেখে প্রতি বছরই সেমাইয়ের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। সারা বছর বাজারে যে সেমাই বিক্রি হয় তার প্রায় ৯০ শতাংশই হয় ঈদ মৌসুমে। চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে প্রতি বছরই ঈদ সামনে রেখে দেশজুড়ে সেমাই তৈরির মচ্ছব চলে। চলে নকল ভেজাল সেমাই তৈরির কসরত। রাজধানীর বাইরের একটি সেমাই কারখানার যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা গা ঘিন ঘিন করার মতো। নোংরা স্যাঁতসেঁতে মেঝের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে ময়দা। সে ময়দায় পানি দিয়ে পা মাড়িয়ে মণ্ড তৈরি করছেন শ্রমিকরা। গরমে শ্রমিকদের ঘাম ঝরছে। এই ঘাম মিশছে সেমাইয়ের মণ্ডের সঙ্গে। মেঝেতে রাখা মণ্ডে পড়ে থাকে মাছি ও বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়। এভাবে মণ্ড বা খামির মেশিনে দিয়ে বানানো হচ্ছে চিকন ও লাচ্ছা সেমাই। সেমাইতে মেশানো হচ্ছে কৃত্রিম রং। মেশিনে সেমাই কাটা শেষে খোলা উঠানের মধ্যে ফেলে রাখা হচ্ছে। এভাবে খোলা আকাশের নিচে রাস্তার ধারে রোদে শুকানো হচ্ছে সেমাই। সেমাই শুকালে নিয়ে আসা হচ্ছে ভাজার জন্য। বাইরের শহরগুলোয় শুধু নয়, রাজধানীর পুরান ঢাকা, সায়েদাবাদ এবং কেরানীগঞ্জকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একই ধরনের অসংখ্য সেমাইয়ের কারখানা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশকিছু জায়গায় অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরেছে নকল-ভেজালের সঙ্গে যুক্ত অসৎ ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এমন অভিযানের সংখ্যা খুবই নগণ্য। অসাধু ভেজাল ব্যবসায়ীর দল চকচকে মোড়কে মুড়িয়ে বিএসটিআইর ভুয়া সিল লাগিয়ে নকল-ভেজাল সেমাই তুলে দেয় মানুষের হাতে। ভেজাল খাবার খেয়ে স্বাস্থঝুঁকিতে পড়ছে লাখ লাখ মানুষ। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে গ্যাস্ট্রিক, ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিসসহ বিভিন্ন রোগে। এ ছাড়া এসব খাবারে বিভিন্ন রকমের জীবাণু থাকায় অনেক সময় টাইফয়েড ও প্যারা টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বৃদ্ধ ও শিশুদের নকল-ভেজাল-মানহীন খাবারে মারাত্মক ক্ষতি হয়। ভেজাল খাবারে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়েন গর্ভবতী মহিলারা। ক্ষতিকর জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে জন্মগত ত্রুটি নিয়ে পৃথিবীতে আসে নবজাতক। নকল-ভেজাল বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি সেমাই জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বড় হুমকি। এ হুমকির মোকাবিলায় সরকারকে কঠোর হতে হবে। ভেঙে দিতে হবে নকল-ভেজালকারীদের বিষদাঁত

বটিয়াঘাটায় ভিজিডি কার্যক্রমের সঞ্চয়ের অর্থ ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ অবশেষে বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের হস্তক্ষেপে ভিজিডি কার্যক্রমের আওতায় সঞ্চয়ের ৪ লক্ষ ৮২ হাজার ১শত ৫০ টাকা ফিরে পেলো ২৫০ জন উপকারভোগীরা। আজ শনিবার সকালে স্থানীয় জলমা ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে জন প্রতি ৪ হাজার ৮ শত টাকা করে উক্ত উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অদিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ভিজিডি কার্যক্রমের আওতায় উপকারভোগীরা ২ বছর মেয়াদী প্রতিমাসে ৩০ কেজি চাউল পাওয়ার জন্য তাদের প্রতিমাসে ২ শত টাকা করে সঞ্চয় জমা করতে হয়। এই সঞ্চয়ের অর্থ উপকারভোগীরা মেয়াদ শেষ হবার পর উত্তোলন করে থাকে। আর সঞ্চয়ের অর্থ উত্তোলন এবং উপকারভোগীদের প্রশিক্ষনের দায়িত্ব মন্ত্রনালয় কর্তৃক নির্ধরিত এনজিওরা পালন করে থাকে। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের ১,২,৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের ২৫০ জন উপকারভোগীদের অনুকুলে ‘পথিকৃত’ নামক একটি এনজিও দায়িত্ব পায়। উপকারভোগীদের উক্ত সঞ্চয়ের অর্থ তারা ব্যাংকে জমা না দিয়ে ৪ লক্ষ ৮২ হাজার ১শত ৫০ টাকা আত্নস্বাত করে। উক্ত আত্নসাতকৃত অর্থ ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও ফিরিয়ে দিতে তারা নানান ছলচাতুরী শুরু করে। বিষয়টি ইউএনও মোঃ নজরুল ইসলাম অবগত হলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি মহানগরীর সদর থানা এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় সদর থানার ওসির কাছে অভিযোগ দায়ের করলে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী অভিযুক্ত কিউ এস ইসলাম মুক্তকে আটক করে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিকের জিম্মায় অভিযুক্তর অত্মীয়দের কাছ থেকে চেক গ্রহন করে একমাসের সময় দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত মুক্ত একমাস গত হবার একদিন পূর্বেই ইউএনও এর বিরুদ্ধে মিথ্যা লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করলে তিনি মামলার প্রস্তুতি নিলে সুচতুর মুক্ত সমূদয় টাকা ফেরত দেয়। আজ বেলা ১১টায় ইউএনও মোঃ নজরুল ইসলাম উক্ত অর্থ চেকের মাধ্যমে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী রায়, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সহকারী আবহাওয়াবিদ অমরেশ চন্দ্র ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশিকুজ্জান আশিক, সাংবাদিক শাওন হাওলাদার, ইউপি সদস্য দেবব্রত মল্লিক দেব ও বিপ্রদাস টিকাদার, গ্রাম পুলিশ সদস্য টুকু রানী টিকাদার, তারাপদ সরকার, অসিত টিকাদার, রিপন ঢালী প্রমূখ।

করোনা শনাক্ত: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আটশ বসতঘর লকডাউন

কক্সবাজার : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে করোনা আক্রান্ত এক রোহিঙ্গার বাড়ি ও বসবাসকারি ব্লকসহ আশপাশের আট শতাধিক বসত ঘরে ‘লকডাউন’ করে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা নিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার প্রশাসন।

শুক্রবার (১৫ই মে) সকাল থেকে উখিয়ার কুতুপালংয়ের এলাকার ডিডব্লিউ ক্যাম্পের এফ-ব্লকে লকডাউন ঘোষণা করে এ বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানান কক্সবাজারস্থ শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহবুব আলম তালুকদার। আক্রান্ত রোহিঙ্গা ব্যক্তি কুতুপালংয়ের ডিডব্লিউ ক্যাম্পের এফ-ব্লকের বাসিন্দা। এতে অন্তত ৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা অবরোধের আওতায় পড়েছে।

শরণার্থী কমিশনার জানান, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার করোনা পজিটিভ হিসেবে আরও ৪ জন রোহিঙ্গা আক্রান্ত হবার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। মূলত এরা বাংলাদেশি নাগরিক এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন আশপাশের এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যজন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মী।

মাহবুব আলম আরও বলেন, গত ১৪ই মে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথমবারের মত একজন করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়। সে উখিয়ার কুতুপালং ডিডব্লিউ এফ-৫ ব্লকের বাসিন্দা। তাকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন মেডিসিন স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এতে করোনা আক্রান্ত ওই রোহিঙ্গার বসত ঘরসহ তার বসবাসকারি ব্লক ও আশপাশের অন্তত ৮ শতাধিক পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে। এসব রোহিঙ্গাদের বাড়িতে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দিয়ে লকডাউনের আওতায় আসা পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রেখেছে পুলিশসহ অন্য আইন-শৃংখলা বাহিনী।

এছাড়া অবরুদ্ধ ঘোষিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ওই এলাকায় এনজিও সংস্থার কর্মীসহ সাধারণ রোহিঙ্গাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে বলে জানান শরণার্থী কমিশনার।

খেয়াঘাটের মাঝিমাল্লা ও শ্রমিকদের মাঝে বিএনপি নেতার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় করোনার প্রার্দুভাবে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ’র চলমান কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে মোংলা-ঘাষিয়াখালী আর্ন্তজাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল-পেড়িখালী খেয়া পারাপারের মাঝিমাল্লা ও ঘাট শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে তার চাচা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আলী শনিবার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্বে প্রায় অর্ধশতাধিক খেয়ার মাঝিমাল্লা ও ঘাট শ্রমিকদের হাতে এ খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কাজী জাহিদুল ইসলাম, শেখ ফিরোজ কবির, আলমগীর কবির বাচ্চু, কাজী অজিয়র রহমান, এস এম মহসিন, মাসুদুর রহমান পিয়াল, অহিদুজ্জামান সাবু ও প্রিন্স।
এর আগে প্রথম পর্বে লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের পক্ষ থেকে বাগেরহাটের মোংলা ও রামপালের ২ হাজার ৬শ ২টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে চলমান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন বিএনপি নেতা ফরিদের পক্ষে তার চাচা শেখ মোহাম্মদ আলী।

গাইবান্ধায় করোনায় আক্রান্ত ২৪ জনের মধ্যে সুস্থ্য ২২ জন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘন্টায় শনিবার করোনা ভাইরাসে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি। তবে জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৩০১ জন। জেলা প্রশাসন সূত্রে পাওয়া খবরে এদিকে জেলায় সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ২৪ জনই রয়েছে। এরমধ্যে একজন মারা গেছে। ১ জন গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেসনে রয়েছে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত ২২ জন রোগী সুস্থ হওয়ায় তাদেরকে এবং ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন শেষে ৪ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
জেলায় গত ২৪ ঘন্টায়সহ সর্বমোট  ৩০১ জন চিকিৎসাধীন রোগী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জে ৭, গোব্দিন্দগঞ্জে ১৪, সদরে ৩৪, ফুলছড়িতে ৭৭, সাঘাটায় ১২৪, সাদুল্যাপুর উপজেলায় ৪৫ জন।