পঞ্চগড়ে ১২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ দিলেন সাংসদ মজাহরুল

পঞ্চগড় : করোনা পরিস্থিতিতে পঞ্চগড়ে অসহায় হয়ে পড়া প্রায় ১২ হাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে  খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান।

করোনা সংকটের শুরু থেকে এ পর্যন্ত তিনি তার নির্বাচনী এলাকা পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া উপজেলার অসহায় ও দুস্থ  ১২ হাজার পরিবারকে ব্যক্তি উদ্যোগে এই ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেন। ত্রাণ সহায়তা হিসেবে চাল, ডাল, মুড়ি, সোলা, তেল, চিনি, সেমাই দেয়া হয় প্রতিটি প্যাকেটে।

ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ে ফিরলেই তিনি ত্রাণ বিতরণ শুরু করেন। ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি তিনি সরকারি ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা তালিকাভুক্ত নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করেন।

মজাহারুল হক প্রধান বলেন, করোনায় সরকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকারিভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তার পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবেও দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছি। প্রকৃত অসহায় মানুষদের খুঁজে খুঁজে আমরা ত্রাণ দিচ্ছি। যতদিন এই  সংকট চলবে সরকারের পাশাপাশি আমার এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।

খুব শীঘ্রই দক্ষিণাঞ্চলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে : পানি সম্পদ সচিব

খুলনা অফসি : পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, খুব শীঘ্রই দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাগুলোতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ও নদী রক্ষা করেই এ দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা উন্নত করতে সরকার দীর্ঘ মেয়াদী ডেল্টা প্লান গ্রহণ করেছে এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ডেল্টা প্লানের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে ঘূর্ণিঝড়ের মতো নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সক্ষমতা অর্জন করবে।

তিনি আজ (শনিবার) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলনকক্ষে ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী করণীয় এবং খুলনা জেলা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

কবির বিন আনোয়ার আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে খুলনার উপকূলীয় উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধগুলো মেরামতের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সক্ষমতা আগে তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া জনবল সংকট কাটিয়ে উঠতে নতুন নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খান, কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমানসহ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোল্লাহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় যখম ৪

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ মোল্লাহাটে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীসহ ৪ব্যক্তি যখম হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিপক্ষ গ্যাঞ্জামের বিষয় শিকার করলেও মুক্তিযোদ্ধা যখমের বিষয়টি পূর্বের দুর্ঘটনা বলে দাবী জানিয়েছে। উপজেলার দারিয়ালা গ্রামে শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা সিকদার সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্যরা মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানিয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করছে। যখমীরা হলেন, মুক্তিযোদ্ধা সিকদার সিরাজুল ইসলাম (৬৫) মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫৫), সুমন সিকদার (২২), ও সিকদার তরিকুল ইসলাম (৩৫)। ভিকটিম পক্ষ জানায়, গত বছর রমজানে নির্ধারিত তারিখে মসজিদে ইফতারি দেওয়ার পূর্বে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হণ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম। যে, কারনে ওই দিন ইফতারী দেওয়া সম্ভব হবে না বলে স্থানীয় মসজিদের সভাপতি সিকদার বকুলকে জানায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মোঃ বাবর। এর দুই দিন পর ইফতারি করতে মসজিদে গেলে বাবরকে ধরে পিটায় সভাপতি বকুলের দুই ছেলে। সভাপতির কাছে ওই ঘটনার নালিশ দিতে যাওয়ায় বাবরের চাচা আবু সাঈদকেও মারিপিট করে প্রতিপক্ষ। ওই সকল ঘটনার প্রতিবাদ করায় আবু সাঈদের ছেলে লিমন (৩৫)’র হাতের কব্জি কেটে ফেলাসহ সিমাহীন অত্যাচার নির্যাতন করে প্রতিপক্ষ। এরপর মামলা হলে ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য অব্যাহত হুমকী দিয়ে আসছে তারা। কোন প্রকারে মামলা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মামলার বাদীসহ কয়েক পরিবারে/বাড়িতে হামলা চালায় আসামী পক্ষ। ওই হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে।
প্রতিপক্ষের উজির সিকদার ও তার পিতা বাশি সিকদার জানায়, শুক্রবারে গ্যাঞ্জাম হয়েছে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা যখম হয়নি, এর একদিন আগে খাটের থেকে পড়ে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ যখম হয়, স্থানিয় ডাঃ দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানো হচ্ছিলো। এখন গ্যাঞ্জামের সুযোগে তাকে এতে জড়ানো হচ্ছে।
ওই ঘটনায় উভয়পক্ষই যথাযথ তদন্ত দাবী করছেন।
মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ কাজি গোলাম কবীর জানান-তিনি ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন, নিছক ঢিল ছোড়ার ঘটনাকে বাড়া-বাড়ির চেষ্টা করা হচ্ছে।

আটোয়ারীতে গণমাধ্যমকর্মীদের পিপিই দিলেন রাধানগর চেয়ারম্যান

মনোজ রায় হিরু, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) : পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের পিপিই (পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) দিলেন রাধানগর ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো: আবু জাহেদ। আটোয়ারী প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক জিল্লুর হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে শনিবার (২৩ মে) বিকেলে তরুন চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এসব পিপিই প্রদান করা হয়। চলমান করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে অদ্যাবদি জেলার একমাত্র অবহেলিত পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা সহ করোনা কালীন অন্যান্য বিষয়গুলো বরাবর অবহেলিত থাকলেও তিনি সুরক্ষার বিষয়টি উপলব্ধি করে পিপিই সরবরাহের উদ্যোগ নেন। আটোয়ারী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এ রায়হান চৌধুরী রকির সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে সাংবাদিক মনোজ রায় হিরু, মো: হাসিবুর রহমান, রাব্বু হক প্রধান, মো: নাজমুল হক ও নিতিশ চন্দ্র বর্মন উপস্থিত ছিলেন। উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীগণ সুরক্ষা সামগ্রী পেয়ে রাধানগর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আবু জাহেদ কে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সাঁথিয়ায় অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান

ফারুক হোসেন, পাবনা : পাবনার সাঁথিয়ায় ফেসবুক গ্রুপ স্বপ্নময় সাঁথিয়ার উদ্যোগে বিভিন্ন এতিমখানাসহ ১৫০জন অসহায় মানুষকে ১ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছেন। তারা উপজেলা বিভন্ন এলাকায় গিয়ে তাদের সদস্যদের মাধ্যমে অসহায় মানুষ খুজে বের করে তাদের মাঝে এ অর্থ সহায়তা দেয়া হয়।
সাঁথিয়ায় স্ট্রোক করে ঘরে অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকা জমিন বিশ্বাসের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৭০) ১ হাজার টাকা নোট পেয়ে জানান, এই এক হাজার টাকার নোট আমি দেখবো কোনদিন ভাবিনি। এই ১ হাজার টাকা আমার এক লাখ টাকার উপকার করবে। জমিন বিশ্বাসের মত অনেকেই এই উপকার পেয়ে অনেক খুশি।
স্বপ্নময় সাঁথিয়ার স্বত্তাধিকারী ডাঃ শুকুর রঞ্জণ জানান, আমরা সবাই একটা ক্রাইসিস সময় অতিক্রম করছি। তাদের এই সব উপহার ভালবাসার প্রতীক। তিনি বলেন,সমাজের দুস্থ ও হতদরিদ্র যারা কোথাও কোন সাহায্য পান নাই কিন্তু অসহায়। আবার অনেকে অসহায় কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছেন না কাউকে। আমরা তাদেরকেই খুজে বের করে সামান্য উপহার দিয়েছি মাত্র। তাদের এই ঈদ উপহারকে সাঁথিয়ার অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।

খুলনায় নির্মাণ শ্রমিকদের মাঝে সিটি মেয়রের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় আজ (শনিবার) সকালে খুলনার নিরালা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আটশত ১৭ কর্মহীন নির্মাণ শ্রমিকদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিত কুমার ঘোষ, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম নাসির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সিকদার রাজুসহ শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বয়রা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর চত্বরে দুই হাজার একশত ২২ এবং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে ছয়শত ৩২ কর্মহীন নির্মাণ শ্রমিকদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিকালে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় চত্বরে পাঁচশত ৭১ এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় চত্বরে পাঁচশত ৭১ কর্মহীন নিম্নআয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে সাত কেজি করে চাল ও সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ একশত করে টাকাসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মোংলা বন্দরে জাহাজে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলা বন্দরে জাহাজে কর্মরত ২৮২০ জন শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন’র খুলনা শাখা ও মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে শ্রমিক-কর্মচারীদের হাতে এ খাদ্য সামগ্রী তুলে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক।
এ সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান, পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তফা কামাল, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আ: রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান, মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়েশন’র উপদেষ্টা এস,এম মোস্তাক হোসেন মিঠু, মিজানুর রহমান টিংকু, সহ-সভাপতি এম,এ বাতেন, ক্যাশিয়ার আফসার উদ্দিন রতন, মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সেন্টু, ষ্টিভিডর কোম্পানী রহমান এন্টারপ্রাইজের মালিক মশউর রহমান, মাহাবুব ব্রাদার্স’র মালিক মাহাবুর রহমান টুটুল।
এর আগে খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক মোংলা বন্দরের শিল্প এলাকায় যুমনা এলপিজি ফ্যাক্টরীর সামনে যমুনার পক্ষ থেকে আড়াই’শ দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

প্রাথমিক বৃত্তির টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দিল শিক্ষার্থী প্রহর

মনোজ রায় হিরু, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) : মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রাথমিক বৃত্তির টাকা অনুদান দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে ক্ষুদে শিক্ষার্থী আশেকে রাসুল গোলাম মোরশেদ প্রহর। প্রহর পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রসেয়া গ্রামের আ: রা: তৈবুর রহমান ওরফে টইম সাহেবের ছেলে। বর্তমানে সে নারায়নগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে গত বছর নারায়নগঞ্জ আদর্শ শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিইসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এই বৃত্তির প্রথম ছয় মাসের ৩ হাজার টাকা নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছে সে। তার এই অনুদানে মুগ্ধ হয়ে লিখিতভাবে শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন নারায়নগঞ্জের জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩ হাজার টাকা অনুদান জমা দেয়ার পর ফেসবুক পোস্টে প্রহর লিখে-‘আজ নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এ আমার বৃত্তির টাকার একটি অংশ (তিন হাজার টাকা) দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করতেছি। আমি সারা দেশের বৃত্তি পাওয়া বন্ধুদের আবারও অনুরোধ করছি জাতির বৃহৎ সার্থে করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ হতে দিনমজুর, গরিব, ভিক্ষুক ও অসহায় মানুষদের বাচানোর জন্য তোমাদের বৃত্তির টাকার একটা অংশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এ দান করো। আমাদের বৃত্তির টাকা দিয়ে যদি প্রধানমন্ত্রী কিছু মানুষের খাবার এর ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে আমাদের বৃত্তি পাওয়া সার্থক হবে। এব্যাপারে প্রহরের বাবা বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি প্রহর নারায়নগঞ্জ জেলা অনুর্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের ওপেনার ব্যাটসম্যান। জীবিকার তাগিদে তার পরিবারকে বেশীরভাগ সময় নারায়নগঞ্জে অবস্থান করতে হয়।

ডুমুরিয়া-ফুলতলার কর্মহীন মানুষের মাঝে এমপি’র ঈদ উপহার

সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে খুলনা-৫ আসনের সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দের পক্ষ থেকে তার নির্বাচনী এলাকা ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া ২ হাজার মুসলিম পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয় মাঠে দু’উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে দলীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে এ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে আড়াই কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৫০০ গ্রাম চিনি ও ৫০০ গ্রাম সিমাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহনাজ বেগম, অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন, আ’লীগ নেতা অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, কলেজ অধ্যক্ষ শেখ শহিদুল ইসলাম, আ’লীগ নেতা শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, আবু সাঈদ সরদার, আলহাজ্ব শেখ হেফজুর রহমান, গাজী তৌহিদুল ইসলাম, কাজী নুরুল ইসলাম, আছফার হোসেন জোয়াদ্দার, সমীর দে গোরা, সঞ্জয় দেবনাথ, শেখ আছাদুজ্জামান, গাজী আব্দুস ছালাম, যুবলীগ নেতা প্রভাষক জিএম ফারুক হোসেন, প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, ছাত্রলীগের আবুল বাশার প্রমুখ।
এসময়ে এমপি বলেন, করোনায় ঘরবন্দি মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে প্রিয়জনদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারেন সেজন্য আমি ব্যাক্তিগতভাবে এই ঈদ উপহার বিতরণ করছি। তিনি আরো বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের এই বিপদের মধ্যে আমি অসহায় মানুষের পাশে আছি এবং থাকবো। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততোদিন আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ সোহেলের পক্ষে দাকোপে হতদরিদ্রদের মাঝে শাড়ী বিতরণ

আজগর হোসেন ছাব্বিরঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেলের পক্ষ থেকে দাকোপ উপজেলা ও চালনা পৌরসভার ১১ শত হতদরিদ্র অসহায় মহিলাদের মধ্যে শাড়ী বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন শেখ সোহেলের পক্ষে শাড়ী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, চালনা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম আক্কেল, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাস, পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপন ভূঁইয়া, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক অমরেশ ঢালী, পৌর কমিশনার আঃ গফুর সানা, দেবাশীষ ঢালী, আওয়ামী মহিলা যুবলীগ নেত্রী নাসিমা খাতুন, জয়প্রকাশ রায়,যুবগীলনেতা আরাফাত আজাদ, গোবিন্দ রায়,মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।