ফুলতলায় বিষপানে গৃহবধুর আত্মহত্যা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ বিয়ের ৭দিনের মাথায় ফুলতলার ছাতিয়ানী গ্রামে সাবানা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধুর আত্মহত্যা। এ ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে ফুলতলার ছাতিয়ানী দিঘিরপাড় এলাকায়।

এলাকাবাসি ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৬ জুন শুক্রবার ডুমুরিয়া থানার চেচুড়িয়া গ্রামের রিপন হোসেনের সাথে সাবানা বেগমের পারিবারিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ছাতিয়ানী গ্রামের গাজী শহিদুল ইসলামের কন্যা সাবানা বেগম শুক্রবার রাতে সবার অলক্ষে নিজ ঘরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে দ্রæত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে ময়না তদন্ত শেষে শনিবার বিকালে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে। ছাতিয়ানী দিঘিরবাজার মসজিদ মাঠে সন্ধ্যার পর নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

আমি মোঃ কামরুল হোসেন মনি, দৈনিক প্রবহ স্টাপ রিপোর্টিার, আজ থেকে খুলানা ক্রাইম রিপোটার্স ইউনিট

এবং এমইউেজ’র সদস্য পদ থেকে ব্যক্তিগত কারনে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলাম।

সভাপতি/ সেক্রেটারি

গাইবান্ধায় বন্যা কমতে থাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবির্তত রয়েছে। এছাড়া বন্যার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদী ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। শনিবার ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৬৬ সে.মি. ও ঘাঘট নদীর পানি বিপৎসীমার ৩১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ বা উঁচু স্থানে আশ্রিত বানভাসি মানুষ এবং বন্যা কবলিত এলাকার বসতবাড়িতে অবস্থানকারি পানিবন্দী মানুষদের শুকনা খাবার, বিশুব্ধ পানি, পয়:নিস্কাশন সমস্যা ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে । জেলার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ৩২০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ২শ’ মে. টন চাল ও ১৩ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বন্যা দুর্গত ৪টি উপজেলায় ৬১টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এদিকে কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ফসলসহ প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এতে চিনা বাদাম, আউশ ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইতোমধ্যে কৃষি বিভাগ ১শ’ ৫ একর উঁচু জমিতে বীজতলা তৈরী করেছে। যা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। অন্যদিকে সাঘাটার হলদিয়ার ৪৪ বছরের পুরান স্কুলটি নদীগর্ভে বিলীন গাইবান্ধায় সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় ব্যাপক নদী ভাঙনে বিপন্ন মানুষ নদী ভাঙনে ॥ সাড়ে ৫ হাজার পরিবার নতুন করে ভাঙন কবলিত হয়েছে। টানা বর্ষণ আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি কমতে থাকায় গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার নদী ভাঙন তীব্র ভাঙন আকার ধারণ করেছে। এতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পরিবার ভাঙন কবলিত হওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইতোমধ্যে যমুনা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনটি। এছাড়া ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে আশেপাশের দু’শতাধিক বসতবাড়ী। ফলে ভাঙন কবলিত মানুষ দ্রুত তাদের বাড়িঘর সরিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘন্টায় গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠসহ দু ৩৯ টি শ্রেণি কক্ষ নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। যে কোন সময় সম্পূর্ণ ভবনটি নদীতে বিলিন হতে পারে আশংকায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাকি শ্রেণি কক্ষগুলোর টিনের চাল, চেয়ার, টেবিল ও বেঞ্চসহ অন্যান্য সরঞ্জাম দ্রুত অন্যত্র সরে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ব্যাপক নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনে চরম হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি বাজার, নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ঈদগা মাঠ, একটি বিএস কোয়াটার, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, দুটি জামে মসজিদ, ৩টি মোবাইল টাওয়ার ও একটি বাজার এখন মারাত্মকভাবে ভাঙন কবলিত। এছাড়া সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাথালিয়া, উত্তর সাথালিয়ার ফ্লাড সেন্টার, গোবিন্দী, হাটবাড়ি, বাঁশহাটা, হাসিলকান্দি মৌজার প্রায় ২শ’ পরিবারের ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের শিকার এসব পরিবার অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

গাইবান্ধায় করোনায় মোট আক্রান্ত ৩৯৩ 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধায় প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই যেন নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে কোভিড- ১৯। গতকাল ৩ জুলাই শুক্রবার একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড ১০৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০৫ জন। সব মিলিয়ে গাইবান্ধায় মোট আক্রান্ত বেড়ে ৩৯৩ জনে পৌঁছলো, এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে ৪ জুলাই শনিবার গাইবান্ধায় মোট করোনা আক্রান্ত ৩৯৩ জন মানুষ। তবে জেলায় ২৪ ঘন্টায় শতকের ঘর পেরিয়ে কোভিড- ১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা ১০৫ জন এই প্রথম। আজই প্রথম একদিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিললো। তবে করোনার সংক্রমণের মধ্যেই আশার আলো এর সুস্থতার সংখ্যা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এ পর্যন্ত জেলায় ১৩৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন । গাইবান্ধায় করোনাজয়ী ১৩৭ জনের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ২৮ জন, সুন্দরগঞ্জে ০৯ জন, সাদুল্লাপুরে ১৬ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৫৭ জন, সাঘাটায় ১২ জন, পলাশবাড়ীতে ১১ জন ও ফুলছড়িতে ৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৩ জুলাই শুক্রবার নতুন করে আক্রান্ত ১০৫ জনের মধ্যে পলাশবাড়ীতে ১০ জন, ফুলছড়িতে ৭ জন, সাদুল্লাপুরে ৩ জন, সদরে ২৫ জন, সুন্দরগঞ্জে ১০ জন, সাঘাটায় ৭ জন এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৪৩ জন রয়েছেন। জেলার ৭ উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত ৩৯৩ জনের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে সর্বাধিক ১৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া সদরে ৬৯, পলাশবাড়ীতে ৪৫, সাদুল্লাপুরে ৩৬, সাঘাটায় ২৫, সুন্দরগঞ্জে ২৮ এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
গাইবান্ধায় বর্তমানে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২৪৭ জন বিভিন্ন আইসোলেশনে চিকিৎসা  নিচ্ছেন। এরমধ্যে ৪১ জন গাইবান্ধা সদরে, সুন্দরগঞ্জে ১৮ জন, সাদুল্লাপুরে ১৯ জন, গোবিন্দগঞ্জে ১১১ জন, সাঘাটায় ১৩ জন, পলাশবাড়ীতে ৩২ জন ও ফুলছড়িতে ১৩ জন। জানা গেছে, এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। এদেরমধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৪ জন, সদরে ১ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন, পলাশবাড়ীতে ২ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ জানান, ‘গত ১৫ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত জেলার সাত উপজেলায় সংগৃহিত ৫৫৩টি নমুনা এবং পরবর্তী সময়ে আরও ২৮টি নমুনাসহ মোট ৫৮১টি নমুনা ঢাকা, বগুড়া ও রংপুর পিসিআর ল্যাবে করোনা পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ৩ জুলাই শুক্রবার একসাথে ওই ৫৮১টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। এতে ১০৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। তিনি বলেন, ‘পজিটিভ কেসগুলোর অধিকাংশই এখন সুস্থ হওয়ার পথে। প্রতিদিনের রিপোর্ট প্রতিদিন পাওয়া গেলে হয় তো একত্রে এতবেশী সংখ্যক পজিটিভ রোগী একসাথে রিপোর্ট করতে হতো না’। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

তালায় এক ব্যক্তিকে জখম

সেলিম হায়দার, তালা : সাতক্ষীরা তালায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হযরত আলী গাজীকে (৩৬) কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। শনিবার (০৪ জুলাই) উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। হযরত আলীকে খুলনা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সে রায়পুর গ্রাম মৃত আমির আলী গাজীর ছেলে।
হযরত আলী গাজীর ভাই নজরুল ইসলাম জানান,১২ শতাংশ জমি নিয়ে রায়পুর গ্রামে বাবুর আলী গাজীর ছেলে আজিজুর গাজী (৩০) সিরাজুল গাজী (২৫),আনার আলী গাজীর ছেলে কাদের গাজী গংদের সাথে দীর্ঘ ধরে বিরোধ চলে আসছিল। হযরত ১২ শতাংশ জমি নিয়ে তালা থানায় একটি অভিযোগ করেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মিমাংসা না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে জমিতে না যেতে নির্দেশ দেন থানা পুলিশ।
শনিবার সকালে থানা পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে আজিজুরগংরা জোর পূর্বক জমি দখল নিতে যায়।
এসময় হযরত বাঁধা দিলে তার উপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সর্জ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেলে প্রেরণ করেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হবে : খুলনা সিটি মেয়র

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনার সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হবে। সরকার দেশের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। পঞ্চাশ শতাংশ নগদ এবং বাকি অর্ধেক মুনাফাভিত্তিক সঞ্চপত্রের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

মেয়র আজ (শনিবার) দুপুরে নগর ভবন সম্মেলনকক্ষে খুলনার সাতটি পাটকলের সিবিএ ও ননসিবিএ শ্রমিক নেতৃবৃন্দদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকবান্ধব সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকার এবং প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর মাধ্যমে মিলগুলো চালু থাকবে। পিপিপি’র আওতায় আধুনিকায়ন করে এসকল পাটকলগুলোকে উৎপাদনমূখী করা হবে। যারা সুস্থ শ্রমিক তাদের দিয়েই মিলগুলো চালানো হবে। শ্রমিকদের গ্র্যাচুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ চাকুরিবিধি অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে। পাশাপাশি নিধারিত হারে গোল্ডেল হ্যান্ডশেকের সুবিধাও পাবেন।

মতবিনিময় সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম বাশার, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলামসহ খুলনার সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সিবিএ ও ননসিবিএ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকালে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের কার্যালয় চত্বরে দুইশত জন দর্জি শ্রমিকদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মোংলায় ১৫ কেজি হরিণে মাংসসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলার পশুর নদীর চিলা এলাকা থেকে হরিণের মাংস, মাথা ও পা উদ্ধার এবং নৌকা জব্দসহ শিকার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে বনবিভাগ। শনিবার সকালে সুন্দরবন সংলগ্ন চিলা বাজার লাগোয়া পশুর নদীতে একটি নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিকে চ্যালেঞ্চ করে বনপ্রহরীরা। এ সময় নৌকা ফেলে হরিণ শিকারী ও পাচারকারীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে ১৫ কেজি হরিণের মাংস, একটি মাথা ও চারটি পা উদ্ধার এবং ফেলে যাওয়া নৌকা, নৌকায় থাকা দুইটি ধারালো অস্ত্র ও ফাঁদ জব্দ করে বনবিভাগের সদস্যরা। পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ইনচার্জ মো: আজাদ কবির চিলা মোবাইল টহল ফাঁড়ির সদস্যদের সাথে নিয়ে এ যৌথ অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংস, মাথা, পা ও নৌকাসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করেন। হরিণ শিকার করে পাচারের সময়ে পালিয়ে যাওয়া মোংলার চিলা এলাকার মিলন শেখ, শাহ আলম ও উত্তম বিশ্বাসের নামে শনিবার দুপুরে বন আইনে মামলা দায়ের করেছে বনবিভাগ।

দিঘলিয়ায় ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪

বিজ্ঞপ্তি : খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে দিঘলিয়া থানা এলাকা হতে ২ (দুই) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেফতার। খুলনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব, এস.এম শফিউল্লাহ (বিপিএম) মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) রাজিউল আমিন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনাকালে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার ঘটনাস্থল দিঘলিয়া থানাধীন দিঘলিয়া গ্রামস্থ দিঘলিয়া দক্ষিনেশ্বরী কালি মন্দিরের সামনে বারাকপুর হইতে নগরঘাট গামী পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ০৩/০৭/২০২০ তারিখ ১৯.০৫ ঘটিকার সময় আসামি ১। মোঃ রুবেল তালুকদার (২৫), পিতা- মৃত রেজাউল তালুকদার, মাতা-রিনি বেগম, সাং-মহেশ্বরীপুর, ১ নং ওয়ার্ড, থানা-দিঘলিয়া, ২। গোলাম রসুল শেখ (২৭), পিতা- মৃত তোকাম শেখ, মাতা-জামিলা বেগম, সাং- গিলাতলা ৫ নং ওয়ার্ড, (পাঁকার মাথা), ৩। মোঃ আনিস সরদার (২৬), পিতা- হোসেন সরদার, মাতা- হাসিনা বেগম, মিরেরডাঙ্গা (নদীর চর, বালির বেড এর পাশে কচির বাড়ীর ভাড়াটিয়া (ভাসমান)), ৪। মোঃ বাদল হাওলাদার (২৬), পিতা-মৃত কাঞ্চন হাওলাদার, মাতা-হামিদা বেগম, সাং-মিরেরডাঙ্গা রংয়ের মিল গেট), সর্বথানা-খানজাহান আলী, কেএমপি, খুলনা গ্রেফতার পূর্বক তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ২০০০ গ্রাম/০২ (দুই) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার পূর্বক ০৩/০৭/২০২০ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা ১৯.২০ ঘটিকার সময় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

আসামিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানা সহ আশপাশ এলাকায় মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পন্থায় ক্রয় করে এনে বিভিন্ন মাদকসেবীদের নিকট বিক্রয় করে থাকে। তাদের মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সাথে আরো অনেকে যুক্ত আছে। মূল মাদকচক্র সনাক্ত সহ তাদের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সংক্রান্তে জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার এসআই (নিঃ)/ রাজিউল আমিন বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে দিঘলিয়া থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন। যাহা দিঘলিয়া থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০৩/০৭/২০২০ খ্রিঃ, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১৯ (ক)।