তালায় গৃহবধু’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের সোনাবাদল গ্রামে এক গৃহবধু’র ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। গৃহবধুর নাম নমিতা মন্ডল (৪৩)। তিনি স্থানীয় শংকর মন্ডলের স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানের জননী।
খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইসমাইল হোসেন পরিবারের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানান, নমিতা-শংকর দম্পতি’র একমাত্র মেয়ের একটি বিশেষ বিষয় নিয়ে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্থ ছিলেন। সে বিষয় নিয়ে শুক্রবার রাতের কোন এক সময়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেন। পরে পরিবারের সদস্যরা টের পেলে শনিবার সকালে পুলিশ যায় এবং মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবার ও এলাকাবাসীর অনুরোধে নমিতার দেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহের সৎকারের অনুমতি দেয়া হয়।

আটোয়ারীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন

মনোজ রায় হিরু, আটোয়ারী : “ মহামারী কোভিড-১৯কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি” প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ৩১তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার ( ১১ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিসরে প. প. কার্যালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের কর্মসুচি পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোঃ নুর বকত্। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. অফিসার ডা. মোঃ হুমায়ুন কবীর। সভাপতি তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৫/২১৬ নং প্রস্তাব পাসের প্রেক্ষিতে প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারাবিশ্বে এবারে ৩১তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে দিবসটি জাঁকজমকপুর্ণভাবে পালন করা হতো। এবার কোভিড-১৯ সংক্রমনের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিসরে পালন করা হচ্ছে। আলোচনা শেষে উপজেলার শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে বলরামপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প.প. কেন্দ্র , এবং শ্রেষ্ট পরিবার কল্যাণ সহকারী মোছাঃ মসলিমা খাতুন, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা মোছাঃ তাসমিনা খাতুন ও শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোঃ আমির সোহেলকে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা সরুপ ক্রেস্ট সহ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

সাঘাটায় আধুনিক বায়োফ্লোক পদ্ধতিতে মাছ চাষে সফলতা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলার সাঘাটায় আধুনিক পদ্ধতিতে বায়োফ্লোকে ফিশারিজ ফার্ম করে। করোনা সংকটেও সফলতা পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্য আহসান হাবীব সুজা ।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের আব্দুল্ল্যাহ পাড়া গ্রামে, অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্য আহসান হাবীব সুজা। বিগত সময়ে কোয়েল পাখির খামারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে, ভিয়েতনাম দেশ থেকে মাছ চাষের উপর উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর গত ২০১৮ সালে আড়াই বিঘা জমির উপর ভিয়েতনাম বিডি ফিশারিজ ফার্ম প্রকল্প গড়ে তোলেন। মাটিতে পুকুর খনন না করেই, আধুনিক পদ্ধতিতে সমতল মাটিতে ৫৩ টি হাউজ বসিয়ে, ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে করেন। এতে প্রায় ৮ লক্ষ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির শিং, পাবদা,টেংরা পোনা মাছ ছেড়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এ পদ্ধতিতে তিন মাস পর পর মাছ বিক্রি থেকে, প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আয় হয়। এই সফলতার বিষয়টি অত্র এলাকায় জানা জানি হলে, বেকার যুবকরা তার কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে, দেশের ২০ জেলায় এ ধরনের ফিশারিজ ফার্ম গড়ে তুলেছেন বলে জানা যায়। বাংলাদেশের মধ্যে সাঘাটায় বৃহত্তর এ ফার্ম দেখা শুনার জন্য ১০ জন কর্মচারী সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছেন। মাছ চাষী,আহসান হাবিব সুজা বলেন, বর্তমানে করোনা সংকটে সকল ব্যবসা প্রায় বন্ধ, কিন্তু আমরা মাছ চাষিরা থেমে নেই। এই শত করোনায় মাছ মানুষ খাচ্ছে,‘মাছে ভাতে বাঙালি‘। আমাদের মাছ সেল হচ্ছে, হয়তোবা যে মাছগুলো বিদেশে যাচ্ছিল, তার তুলনায় একটুু পয়সা কম পাচ্ছি। কিন্তু আমরা সফল এবং আমি দেশে অর্ধেক জায়গায় প্রজেক্ট তৈরি করে দিয়েছি। আমার কাছে ট্রেনিং করে বায়োফ্লোক করছে তারাও সফলতা পেয়েছে।

কেশবপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ভারচুয়াল আলোচনা সভা, সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শনিবার সকালে পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহামারী কোভিট-১৯ কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি প্রতিপাদ্য বিষয়ে ভারচুয়াল আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার প্রদীপ কুমার বিশ্বাস ও কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ। অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে সাফল্য অর্জনকারীদের মাঝে সনদপত্র ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।