কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মাহফুজের পিতার সুস্থ্যতা কামনা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও জয়যাত্রা টেলিভিশনের যশোর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্যাহ আল মাহফুজের পিতা ভাল্যুকঘর আজিজিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই অসুস্থ হয়ে কেশবপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রæত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই-এর আশু সুস্থ্যতা কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেন কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক কে এম মিজানুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষ্ণপদ দাস, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক গৌতম চট্টোপাধ্যায়, যুগ্ম-সম্পাদক শামীম রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হুরাইয়ারা রাসেল, কোষাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম সুইট, দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসেন সবুজ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবুল বাসার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অলোক বসু বাপী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান লিন্টু ক্রীড়া সম্পাদক রেজোয়ান হোসেন লিটন, গ্রন্থাগার সম্পাদক শামসুর রহমান বাবলা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সাবিহা জামান, নির্বাহী সদস্য কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক, গোলাম ফারুক বাবু ও মোহাচ্ছান আলী শাওন, সদস্য কাওছার হোসেন রুবেল, নূর এ আলম সিদ্দিকী, মীর আজিজ হাসান, মেহেদী হাসান সুমন, কবির হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, তুহিন হোসেন, সৈয়দ ফয়সাল হাসান রিফাত, মফিজুর রহমান, ফারুক হোসেন, আলতাফ হোসেন, সাইদুর ইসলাম, মুন্নাফ হোসেন, সোহেল রানা, তানিম আরাফাত, মোরশেদ আলম, আক্তারুজ্জামান, সরদার মোস্তফা কামাল হিরো, শিমুল হাসান, এনামূল হক প্রমুখ।

তালায় হতদরিদ্র পরিবারের শিশু কে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা

সাতক্ষীরা, তালা প্রতিনিধিঃ শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোরে খেশরা ইউনিয়নের শাহাজাতপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। শিশুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। এ বিষয়ে সোমবার শিশুর পিতা তালা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

হতদরিদ্র শিশুর পিতা জানান, শুক্রবার তার মেয়ে বাড়িতে একা ছিল। ভোরে পাশ্ববর্তী মৃত আনার উল্যাহ সরদারের লম্পট ছেলে আমান উল্যাহ সরদার (৪০) শিশু মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টার করে।

একপর্যায়ে শিশুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে লম্পট আমান পালিয়ে যায়। শিশুর পিতা আরো জানান,মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল প্রস্তাবে রাজি না থাকায় ভয়-ভীতি দেখাতো লম্পট আমান উল্যাহ।

এবিষয়ে তালা থানার ওসি মো. মেহেদী রাসেল বলেন,শিশুর পিতা একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।বিষয়টি তদন্ত করে আসামীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রতিটি বিচার বহির্ভূত হত্যা রাষ্ট্রের ভিত নাড়িয়ে দেবার অপরাধ

মোঃ রফিকুল ইসলাম মিঠুঃ এই বছর জানুয়ারী মাসের সংসদ অধিবেশনে বসে বিপুল বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম সরকারি এবং বিরোধী দলের বেশ কয়েক জন সংসদ সদস্য ধর্ষণের শাস্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে ক্রসফায়ারকেই বেছে নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ধর্ষণে অভিযুক্তদের ক্রসফায়ারে হত্যার কথা তোলার পর পরই সেটিকে সমর্থন করে দীর্ঘ বক্তব্য দেন আরেক সংসদ সদস্য, যিনি নিজেও মন্ত্রী ছিলেন, কাজী ফিরোজ রশিদ। এই দু’জন যে কেবলমাত্র সাংসদ বা মন্ত্রী ছিলেন তাই নয়, তারা দু’জনই বাংলাদেশের পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ, যাকে বলে সিজনড পলিটিশিয়ান। মজার বিষয় হলো সংসদে ক্রসফায়ারের সমর্থনে সাংসদদের এটাই প্রথম বক্তব্য নয়। অনেকেরই হয়তো মনে থাকবে ২০১৬ এবং ২০১৯ সালেও কাজী ফিরোজ রশিদ ধর্ষণে অভিযুক্তদের ক্রসফায়ারে দেবার দাবি তুলেছিলেন। এ ধরণের বক্তব্য একজন আইন প্রণেতার খোদ সংসদে দাঁড়িয়ে দেবার ইমপ্যাক্ট কী হতে পারে তা না বোঝার কোনো কারণ নেই।
এ তো গেল ‘বিরোধী দল’ এর সাংসদদের কথা। এবার অপার বিষ্ময়ে লক্ষ্য করলাম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অতি গুরুত্বপূর্ন এক ব্যক্তি সরকার দলীয় সাংসদ জনাব তোফায়েল আহমেদ তাদের দুইজনকে সমর্থন করে বললেন, “এখানে দরকার কঠোর আইন করা।
আর দ্বিতীয়ত হল, যে এই কাজ করেছে তার আর এই পৃথিবীতে থাকার কোনো অধিকার নাই”। এই বিষয়ে সর্বশেষ মুখ খোলেন তরিকত ফেডারেশনের নেতা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী যিনি তার তরিকা মতোই ক্রসফায়ারের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বেহেশত নিশ্চিত করে ফতোয়া দেন যে, “আল্লাহকে হাজির-নাজির জেনে বলছি এদের (ধর্ষকদের) ক্রসফায়ার করলে কোনো অসুবিধা নাই”।
আমরা দেখেছি পেয়াজের দাম নিয়ে সিন্ডিকেটের কথা বলতে গিয়ে এই সংসদেই অতীতেও ক্রসফায়ারের দাবি উঠেছিল। সর্বশেষ করোনাকালে বসা বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি দমনের দাওয়াই হিসাবেও ক্রসফায়ারের কথা বলা হয়েছে। যারা সংসদে দাঁড়িয়ে এ ধরণের দাবি তুলেছেন, তারা প্রত্যেকেই সিনিয়র পলিটিশিয়ান, কয়কবারের সাংসদ এবং মন্ত্রীও ছিলেন। সুতরাং মুখ ফসকে এধরণের কথা তারা সংসদে বলেছেন সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই। ৩৫০ জনের এই সংসদে একজন সাংসদ অবশ্য তীব্র ভাষায় এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, “২০১৯ সালে গড়ে প্রতিদিন একজনের বেশি মানুষ বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড খুব সম্ভবত বৈধ হতে যাচ্ছে। কারণ, আমরা গতকাল দেখেছি সরকার ও বিরোধী দল – দুই দলই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে কথা বলছে”। প্রতিবাদি এই সদস্য সংসদে প্রথম বারের মত আসা এবং সবচেয়ে শেষে যোগ দেয়া বিএনপি’র সংরক্ষিত আসনের একমাত্র মহিলা সাংসদ।
সম্প্রতি একটি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। প্রতিটি বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের পরে আইন-শৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যেমন বিবৃতি দেয়া হয়, তেমন একটা বিবৃতি আমরা পেয়েছি তাদের পক্ষ থেকে যেখানে পুলিশকে আক্রমণের কথা ছিল, ছিল সেটা প্রতিহত করতে পাল্টা গুলির কথা। মজার বিষয় এতে বাদ ছিল না হত্যাকাণ্ডের শিকার মানুষটির গাড়ি ও রিসোর্ট থেকে মদ, গাজা, ইয়াবা এবং অস্ত্র উদ্ধারের তথ্যও। এতই গতানুগতিক, এতই ক্লীশে এই ‘গল্প’ যে শিশুরাও আজকাল আর বিশ্বাস করে না এসব, তারাও জানে আসলে কী ঘটেছে। প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী গোয়েন্দা সংস্থার গোপন প্রতিবেদন বলছে পুলিশের সংকেত পেয়ে মেজর (অবঃ) সিনহা গাড়ি থামান এবং নিজের পরিচয় দিলে প্রথমে তাদের চলে যাওয়ার সংকেত দেয়া হয়। পরে পরিদর্শক লিয়াকত আলি তাদের পুনরায় থামান এবং পিস্তল তাক করে গাড়ি থেকে নামতে বলেন। মেজর সিনহা গাড়ি থেকে হাত উঁচু করে নামার পরপরই লিয়াকত তাকে তিনটি গুলি করেন। তার সঙ্গে থাকা সিফাতের ভাষ্যও তাই। পরিবারের দাবি তাকে স্পষ্টতই হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা জানান মেজর সিনহার বুকে ও পিঠে জখমের দাগ ছিল। সিনহার শরীরের ওপরের অংশ করদমাক্ত এবং বুক ও গলা গুলিবিদ্ধ ছিল। হাতে হাতকড়া লাগানোর দাগ ছিল বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন মাঠকর্মী ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করতে চাইলে পুলিশ তার মুঠোফোন ও পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেয়। সংস্থাটির প্রতিবেদন আরও বলে ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতাল ১ ঘণ্টার পথ। অথচ মেজর সিনহাকে হাসপাতালে নিতে পুলিশের সময় লাগে ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট অতিবাহিত করা পুলিশের একটি অপকৌশল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রাষ্ট্র বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ওপরে এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাব বলছে এই করোনাকালের এই ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ১৫৮ জন মানুষ বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় একজন মানুষ। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩৮৮ আর ২০১৮ তে ছিল ৪৬৬ জন অর্থাৎ গত কয়েক বছরে প্রতিদিন গড়ে একজনের বেশি মানুষ এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। আর গত ১০ বছরের হিসাব টানলে এই সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে যাবে। একরামুল বা সিনহার মত দুই/একটি অতি আলোচিত হত্যাকাণ্ড ছাড়া আর কোনোটিই মানুষ কিংবা মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনি। এমনকি মানবাধিকার সংস্থাগুলো পর্যন্ত কেবলমাত্র একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেই তাদের দায় সেরেছে।
কোন সুস্থ রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলতে পারেনা। অপরাধী যেই হোক, তার অপরাধের মাত্রা যত ব্যাপকই হোক না কেন প্রচলিত বিচার ব্যাবস্থা ছাড়া কারো মৃত্যু ঘটানো কোন সভ্য রাষ্ট্রের কাজ না। প্রতি নিয়ত এই ধরণের ঘটনার কথা শোনার ফলে মানুষের মধ্যে এই বিভৎসতার প্রতি এক ধরণের অভ্যস্ততা তৈরি হয়েছে, যার সাথে যুক্ত হয়েছে বিচার ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা, ফলে বহু ক্ষেত্রেই দেখা গেছে মানুষ এই ধরণের ঘটনায় এক ধরণের উল্লাস প্রকাশ করে সমর্থন দিয়ে থাকে। যেমন কিছু দিন আগেই ধর্ষণের একজন আসামীকে ক্রসফায়ারে হত্যা করে যাবার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ির পাশে বহু মানুষের হাততালি দেয়ার ভিডিও ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল। আবার একরামুল হত্যার সময় তার কন্যার সাথে তার কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পরলে তা বহু মানুষকে আঘাত করে। নড়বড়ে রাষ্ট্র কাঠামোতে মানুষের উল্টো পথে যে যাত্রা তাতে মানুষ তার মত করে অপরাধী নির্ধারণ করে এবং সেই মত তার কি ধরণের শাস্তি পাওয়া উচিত সেটিও তারাই ঠিক করে। প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের তীব্র অনাস্থা, নানা সময় অপরাধীদের বিচার না হওয়া, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা, হতাশা মানুষকে প্ররোচিত করে এই ধরণের ঘটনায় সমর্থন জানিয়ে উল্লাস প্রকাশ করতে।
একটি বিষয় খুব স্পষ্ট ভাবে বুঝতে হবে। বিচার বহির্ভূত হত্যা রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি নাড়িয়ে দেয়। সেটি হোক একরামুল, সিনহা, বদি বা অন্য কেউ। অপরাধ যাই হোক না কেন সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আদালতের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত কারো শাস্তি নিশ্চিত করা যায়না। যত দিন পর্যন্ত আমরা সকল বিচার বহির্ভূত হত্যার বিচার সমান ভাবে না চাইবো, সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকে সমান অপরাধ বলে গন্য করে সমান ভাবে ঘৃণা করতে না শিখবো, কিছু মৃত্যুতে শোক আর কিছু মৃত্যুতে আনন্দ জারি রাখব, ততদিন পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক ডেমাগগরা জনপ্রিয়তার লোভে সংসদে কিংবা বাইরে বিচার বহির্ভূত হত্যার পক্ষে তাদের অবস্থান জারি রাখবেন। ভেঙ্গে পড়া রাষ্ট্র কাঠামোয় এর চেয়ে বড় অভিশাপ আর কি হতে পারে?

বঙ্গোপসাগের লঘুচাপের সৃষ্টি, মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র (আবহাওয়া অফিস)। এর প্রভাবে মঙ্গলবার ভোররাত থেকে মোংলাসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে বৃষ্টিপাত বয়ে যাচ্ছে। এতে কয়েকদিনের টানা প্রচন্ড গরমের মধ্যে বৃষ্টিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি এসেছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন বলেন, তিন নম্বর সতর্ক সংকেতে বন্দরের কার্যক্রমে তেমন কোন প্রভাব পড়ে না। তবে বৃষ্টিপাতের কারণে বন্দরে অবস্থানরত বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য উঠা-নামায় কিছুটা বিঘিœত হলেও স্বাভাবিক রয়েছে বন্দর জেটির অভ্যন্তরের সকল কার্যক্রম।

ঈদ উপলক্ষে খুলনা সোসাইটির পক্ষ থেকে খাবার বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে খুলনা সোসাইটির পক্ষ থেকে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (ঈদের ৩য় দিন) দুপুরে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন খোড়া বস্তি এলাকায় এসব বিরিয়ানী বিতরণ করা হয়।
খুলনা সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম সোহেল ইসহাকের সভাপতিত্বে ও খাবার বিতরণ প্রজেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস জুয়েলের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে খাবার বিতরণ করেন বাংলাদশী পাসপোর্টে ১১৫ দেশ ভ্রমণকারী খুলনার কৃতিসন্তান নিউজিল্যান্ড প্রবাসী কাজী আসমা আজমেরী।
এসময় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যতম সদস্য সুবর্না রহমান খান, এস এম মিশকাতুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম সুমন, নাজমুল হাসান, মো: আলামিন মোল্যা, রফিকুল ইসলাম, তুরান শেখ প্রমুখ।

সাঁথিয়ায় নিখোঁজ ব্যাক্তির ঘর থেকে রক্তাক্ত চাকু ও পোশাক উদ্ধার

ফারুক হোসেন, পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলাধীন কাশীনাথপুরে শহিদুল ইসলাম (৩৮) নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি কাশীনাথপুর ইউনিয়নের কাবারীকোলা গ্রামের মৃত শওকত আলীর ছেলে। তবে তাঁর নিজ ঘর থেকে রক্তাক্ত চাকু ও পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি হত্যাকাÐের শিকার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানায় কাবারীকোলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নিজ ঘরে ফেরেন। স্ত্রী-সন্তান ঢাকা থাকাতে তিনি ঘরে একা ছিলেন।
মঙ্গলবার সকালবেলা শহিদুলের চাচি বাড়ির গেট খোলা পেয়ে ভিতরে ঢুকে ঘরে রক্তের দাগ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে রক্তাক্ত কিছু কাপড় চোপড় ও ১টি চাকু উদ্ধার করেন। এর মধ্যে শহীদুলের ব্যবহৃত একটি শার্ট রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা রাতে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছে।
সাঁািথয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার বাইরে অবস্থান করছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে সুদব্যবসার কারণে অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে তিনি গ্রাম ছাড়েন। ঈদ উপলক্ষে স্ত্রী সন্তান ঢাকায় রেখে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি আরও বলেন, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সমাজের কোরবানীর মাংসও তিনি আনতে যাননি। তাঁর ঘরের মধ্যে থাকা রক্তাক্ত শার্ট ও চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ রক্ত মানুষের নাকি পশুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন,যে চাকুটা উদ্ধার করা হয়েছে ওই চাকুটার বাট রক্তাক্ত ছিল। সাধারণত চাকু দ্বারা হত্যা সংঘটিত হলে বাটে রক্ত থাকার কথা না। সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে।

নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত সশ্রস্ত্রবাহিনী কল্যাণ সংস্থার সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ অবসরপ্রাপ্ত সশ্রস্ত্রবাহিনী কল্যাণ সংস্থা (অসকস) খুলনা জেলার প্রথম সাংগঠনিক ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর পিকসার প্যালেস মোড়স্থ হোটেল অতিথি ভবনে নিরপদ সামাজিত দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি সার্জেন্ট মহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার সভাপতি সার্জেন্ট মো. শাহজালাল মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা অনারারী লেফটেন্যান্ট মো. নুরুল ইসলাম, ফুলতলা উপজেলা সভাপতি সার্জেন্ট মো. জহুরুল হক সরদার, দিঘলিয়া উপজেলা সভাপতি ল্যান্স কর্পোরাল মো. ইদ্রিস আলি, বটিয়াঘাটা উপজেলা সভাপতি সার্জেন্ট শেখ বেলাল হোসেন ও কয়রা উপজেলা সভাপতি সার্জেন্ট তৈয়েবুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন অসকস খুলনার সাধারণ সম্পাদক পেটি অফিসার মো. জাকির হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট মিজানুর রহমান। এসময় সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি তার বক্তব্যে অসকস এর উদ্দেশ্যে, আর্দশ, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সবিস্তারে আলোচনা করেন। অন্যান্য বক্তাগণও অসকস খুলনার অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সর্বশেষ সভাপতি সমাপনী বক্তব্য ও দুপুরের প্রীতিভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করেন।

চকমুথরাবাদে জেসি ডেয়ারী ফার্মে আগুন : ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টারঃ হরিণটানা থানাধিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছনে চকমথুরাবাদ গ্রামের ইসলাম নগরে মেসার্স জেসি ডেয়ারী ফার্মে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোন মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও বেশ কিছু গরু আহত হয়েছে। এঘটনায় ফার্মের মালিক শেখ আসলাম আলি হরিণটানা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন যার নং-৯৩।
এলাকাবাসি জানায়, নগরীর ২০/১, পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মৃত. শেখ ইদ্রিস আলির ছেলে শেখ আসলাম আলির হরিণটানা থানাধিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছনে চকমথুরাবাদ গ্রামের ইসলাম নগরে ১৫ কাঠা জমির উপর মেসার্স জেসি ডেয়ারী ফার্ম রয়েছে। ফার্মে গাভী, ষাড় ও বাছুরসহ ১৪টি গরু ছিল। ২ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে ফার্মে কোন লোক ছিল না। তারা ঘাস আনতে বাইরে ছিল। ফার্মের যে দেখাশুনা করতো তার থাকার ঘর থেকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। পরে এলাকাবাসি ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে প্রায় ৩০/৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে গরু রাখার ঘর, গরুর খাবারসহ ঘর ও লোকদের বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ফার্মের মালিক শেখ আসলাম আলি জানান, ২ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে আমি বাসায় ছিলাম। ফার্মের কেয়ারটেকার রিপন গ্রামের বাড়িতে ছিল। আমার চাচাতো ভাই ফরিদ শেখ আমাকে ফোনে আগুন লাগার ঘটনা জানায়। আমি সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন করি ও দ্রæত ফার্মে হাজির হই। এসে দেখি এলাকাবাসি ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তাদের প্রচেষ্টায় গরুগুলো রক্ষা পেয়েছে। অসুস্থ হওয়া গরুগুলোকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে গরুর কোন ক্ষতি না হলেও গরুর খাবার, গরু রাখার ঘর, ও লোকদের বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যেখানে প্রায় ১৫/১৬ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
হরিণটানা থানার এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, মেসার্স জেসি ডেয়ারী ফার্মে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে আসি। এলাকাবাসি ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুন লাগার কারণ জানার চেষ্টা করি। ধারণা করা হচ্ছে ফার্মের কেয়ারটেকার রিপন যে ঘরে থাকতো সেই ঘরের বিদ্যুৎ সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুর লাগতে পারে।
সিনিয়র স্টেশন অফিসার (বয়রা) মো. সায়েদুজ্জামান জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছনে চকমথুরাবাদ গ্রামের মেসার্স জেসি ডেয়ারী ফার্মে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে যাই। ফার্মের গরু বা কোন লোকজনের ক্ষয়-ক্ষতি ছাড়াই দ্রæত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে ৩টি গরু সামান্য আহত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফার্মের কেয়ারটেকারের ঘর থেকে বিদ্যুৎ সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুর লাগতে পারে। ফার্মে রাখা গরুর খাবার ও ঘরবাড়ি পুড়ে কি পরিমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপণ করা হয়নি। তবে ৫লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হতে পারে।

তালায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১

তালা প্রতিনিধিঃ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সাতক্ষীরা তালায় দুই পক্ষের সংঘষের্র ঘটনায় রইজ ফকির (৩৫) নামে এক জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন রইজ ফকির । রইজ ফকির জেঠুয়া গ্রামের রেজাউল ফকির ছেলে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় তালা থানায় পৃথক দুইটি মামলা করা হয়েছে।
আতিয়ার পক্ষের মামলা নং ১, তারিখ ৩/৮/২০ এবং জাকির পক্ষের মামলা নং ২, তারিখ ৪/৮/২০ ইং।

স্থানীয় জানান, তালা উপজেলার নেহালপুর গ্রামের আতিয়ার রহমানের সাথে ২৭ শতক জমি নিয়ে প্রতিবেশি জাকির শেখ’র দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে রবিবার (২ আগষ্ট) সকালে জাকিরের ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে ঐ জমি দখল করতে যায়। এতে উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়।

আহতদের প্রথমে তালা তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু আহতদের মধ্যে রইজ ফকিরের অবস্থা আশংক্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার  দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু জানান, বিষয়টি মিমাংসার জন্য আগামী শনিবার ইউনিয়ন পরিষদে দিন ধার্য ছিল। এরমধ্যে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রইজ ফকির মারা গেছেন।

তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল জানান, মারা যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।

তালায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১

তালা প্রতিনিধি : জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সাতক্ষীরা তালায় দুই পক্ষের সংঘষের্র ঘটনায় রইজ ফকির (৩৫) নামে এক জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন রইজ ফকির । রইজ ফকির জেঠুয়া গ্রামের রেজাউল ফকির ছেলে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় তালা থানায় পৃথক দুইটি মামলা করা হয়েছে।
আতিয়ার পক্ষের মামলা নং ১, তারিখ ৩/৮/২০ এবং জাকির পক্ষের মামলা নং ২, তারিখ ৪/৮/২০ ইং।

স্থানীয় জানান, তালা উপজেলার নেহালপুর গ্রামের আতিয়ার রহমানের সাথে ২৭ শতক জমি নিয়ে প্রতিবেশি জাকির শেখ’র দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে রবিবার (২ আগষ্ট) সকালে জাকিরের ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে ঐ জমি দখল করতে যায়। এতে উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়।

আহতদের প্রথমে তালা তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু আহতদের মধ্যে রইজ ফকিরের অবস্থা আশংক্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার  দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু জানান, বিষয়টি মিমাংসার জন্য আগামী শনিবার ইউনিয়ন পরিষদে দিন ধার্য ছিল। এরমধ্যে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রইজ ফকির মারা গেছেন।

তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল জানান, মারা যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।