কেশবপুরে কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিবের গণসংযোগ

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) : যশোরের কেশবপুর পৌরসভার আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌর ২ নং ভোগতী নরেন্দ্রপুর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় হাবিবুর রহমান হাবিব ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন।
জানাগেছে, পৌরসভার ২ নং ভোগতী নরেন্দ্রপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব পৌরসভার আসন্ন কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় আগেভাগেই নেমে পড়েছেন। তিনি দলের নেতাকর্মী, ভোটার ও সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় ও তাদের পরিবার-পরিজনের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এলাকার মানুষের আপদে-বিপদে পাশে থাকা-সহ নানা সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত হাবিবুর রহমান হাবিব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ তার ব্যবহারে মুগ্ধ। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের সেবা ও ব্যক্তিগতভাবে অর্থ দিয়ে এলাকার অসহায়-গরিবদেরকে আর্থিক সেবা অব্যাহত রেখেছেন।
ভোগতি গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান হাবিব ২০০৫ সাল থেকে একটানা ১৫ সাল পর্যন্ত ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ স¤পাদক ছিলেন। রাজনীতিতে তার বলিষ্ঠ অবদানের কারণে বর্তমানে তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া তিনি শহিদ শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি, ২ নম্বর ওয়ার্ড পুলিশিং কমিটির সভাপতি, ভোগতী নরেন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, কেশবপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড ভোগতী গ্রাম বিএনপির এলাকা হিসেবে পরিচিত। আমি ২০১৪ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ভোগতী গ্রামে আওয়ামী লীগ খুব শক্তিশালী। ভোগতি গ্রাম এখন আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আগামী পৌর নির্বাচনে তিনি এই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে ভোগতি নরেন্দ্রপুর ওয়ার্ডকে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে পরিণত করবেন।

কেশবপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কেশবপুর : যশোরের কেশবপুরে উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামের মশিয়ার রহমান সরদার মাতা শিরিনা বেগমের ছেলে সন্তান নাঈম (২) নামের এক শিশুর পানিতে পড়ে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামে। ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল অনুমান ৭ ঘটিকায় শিশুটিকে মৃত অবস্থায় তার মা পানি থেকে উঠিয়েছে বলে জানান ওই পরিবারের সদস্য আব্দুল গফুর সরদার। এ ঘটনায় পরিবার সহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামের মশিয়ার রহমান সরদার মাতা শিরিনা বেগমের ছেলে সন্তান নাঈম (২) প্রতিদিনের ন্যায় খেলা করতে থাকে। মা শিরিনা বেগম উঠান ঝাড়ু দিতে থাকে। কিছুক্ষণ পর নাঈমকে ডাকতে থাকলে কোন সাড়া না মেলায় খোজা খুজির এক পর্যায়ে বাড়ির পিছনে টুটুল সরদারের মৎস্য ঘেরে নেমে তলাশ করতে থাকে। পরে তাকে পনির নিচে পাওয়া গেলে উঠায় তার মা। মা শিশু সন্তানকে উঠানোর পর থেকে বারবার ডাকছে আর মুছলিয়ে যাচ্ছেন। কিছু বলতে পারছেন না। বাবা হতবাগ হয়ে গেছে। পরিবার সহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ওই পরিবারের সদস্য আব্দুল গফুর সরদার জানান, আজ সকালে তার মার সাথে উঠানে খেলা করছিলো। কিছুক্ষণ পর তাকে না পেয়ে খুজাখুজির পর তাকে বড়ির পেছনে টুটুল সরদারের মৎস্য ঘেরের পনির নিচে থেকে তার মা নিজেই মৃত অবস্থায় উঠায়।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, নাঈম নামের এক শিশুর পানিতে পড়ে মৃত্যু হয়েছে শুনেছি।

তালার জমির মালিকরা স্বেচ্ছায় ঘের রেজিষ্ট্রি করে দেয় সরদার মশিয়ারকে

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় ঘেরের জমির হারির টাকা না দিয়ে জোরপূর্বক মৎস্য ঘের করে আসছিল সরদার ফিরোজ আহম্মেদ। তার কাছে হারির টাকা চাইতে গেলেও নানাভাবে হয়রানি করতো জমির মালিকদের। এমনকি বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেয়ার হুমকিও দিতো। পরে জমির মালিকরা একত্রিত হয়ে স্বেচ্ছায় তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমানকে পাঁচ বছরের জন্য রেজিষ্ট্রি দলিল করে নলবুনিয়া ঘের ডিড করে দেয়। সেই থেকে সরদার মশিয়ার রহমান শান্তিপূর্নভাবে ঘের পরিচালনা করে আসছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে তালা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের নলবুনিয়া মৎস্য ঘেরের জমির মালিকদের পক্ষ থেকে এসব কথা তুলে ধরেন আটারই গ্রামের সরদার বায়তুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, সম্প্রতি জেয়ালা নলতা গ্রামের লুৎফর নিকারীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি মহল তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রেসক্লাবের সাধাপরণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে ১২০ বিঘা মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ আনে একটি মহল। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এটি সরদার মশিয়ার রহমানের সুনাম নষ্ট করার বহিঃপ্রকাশমাত্র।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার ফিরোজ আহম্মেদ জমির মালিকদের হারির টাকা না দিয়ে জোরপূর্বক নলবুনিয়া মৎস্য ঘেরটি করছিলেন। জমির মালিকরা ঘেরের হারির টাকা চাইতে গেলে ক্ষমতা অপব্যবহার করে নানাভাবে হয়রানিসহ কয়েক জনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকিও দিয়েছিলেন সরদার ফিরোজ আহম্মেদ। শুধু তিনি নয়, তার ঘেরের ম্যানেজার রবিউল গাজী ঘের মালিকের পক্ষ নিয়ে নানাভাবে জমির মালিকদের হয়রানি করতো।
এ সময় তিনি আরও জানান, নলবুনিয়া ঘেরের জমিই তাদের একমাত্র সম্বল। কিন্তু হারির টাকা না পাওয়ায় কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করতে হয়েছে তাদের। আজও পূর্বের ঘের মালিক সরদার ফিরোজ আহম্মেদের কাছ থেকে হারির টাকা বুঝে পায়নি অনেকে। অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে ২০১৯ সালের ২৭ জুন জমির মালিকরা সরদার মশিয়ারকে পাঁচ বছরের জন্য রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন। সেই থেকে তিনি সুষ্ঠুভাবে হারির টাকা পরিশোধ করে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, সম্প্রতি লুৎফর নিকারীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমানকে অবৈধ দখলদার,সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ নানাবিধ অভিযোগ এনে বিভিন্ন দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু সরদার মশিয়ার রহমান ঘের দখল কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নয়। রাজনীতি থেকে সরাতে একটি মহল এসব ষড়যন্ত্র করছে। পূর্বের জবরদখলকারী ঘের মালিক সরদার ফিরোজ আহমেদ নানাভাবে সরদার মশিয়ারকে নিয়ে হয়রানির পাশাপাশি অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমরা এসব ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। এ সময় পূর্বের ঘের মালিক সরদার ফিরোজ আহম্মদের কাছে পাওনা হারির টাকার পেতে প্রশাসনের জরুরী হস্তেক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার ফিরোজ আহম্মেদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনের সময় উপস্থিত ছিলেন নলবুনিয়া মৎস্য ঘেরে জমির মালিক হাজরাকাটি গ্রামের আলহাজ্জ্ব আব্দুল ছাত্তার সরদার, হাবিবুর রহমান সরদার, সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, আটরই গ্রামের মতলেব শেখ, রফিকুল ইসলাম, মাসুম সরদার, ওবায়দুল সরদার, মিজানুর রহমানসহ অর্ধশতাধিক জমির মালিক।

কেশবপুরে যুব মহিলা লীগের মতবিনিময়

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) : যশোরের কেশবপুর সদর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের এক মতবিনিময় সভা শুক্রবার বিকালে ৭ নং ওয়াডের্র দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি মিনুরানীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা ফিরোজের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ স্বপন কুমার মুখার্জী, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপক মুথার্জী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় কেশবপুরের এমপি শাহীন চাকলাদারের নির্দেশনায় যুব মহিলা লীগকে গতিশীল করতে উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি মিনুরানীর ও সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা ফিরোজের নেতৃত্বে সকল কমিটি গঠনের জন্য সদস্যদের তালিকা চুড়ান্ত করা হচ্ছে।

কিশোরী আত্মহননের আসামী বখাটে যুবক গ্রেপ্তার

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় কলেজ ছাত্রী বিউটি মন্ডলের আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে আত্মহননের মামলায় অভিযুক্ত একমাত্র আসামী বখাটে যুবক মৃত্যুঞ্জয় রায়কে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে তালা থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ উপজেলার খেশরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে তালা থানায় আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে আত্মহত্যার প্রচারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং ৪, তারিখ- ০৯/০৯/২০ ইং। তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী রাসেল জানান, মৃত্যুঞ্জয় রায়কে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে বিবস্ত্র ছবির সাথে কিশোরীর ছবি জুড়ে ফেইসবুকে ভুয়া আইডি খুলে ছড়িয়ে দেয়ার অপমানে আত্মহননকারী তালার মেয়ে বিউটি মন্ডলের মত্যৃুর সাথে জড়িত বখাটে যুবকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে দলুয়া বাজারে শনিবার সকাল দশটা থেকে অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেতা মাধব দত্ত, শিক্ষক দিব্যেন্দু সরকার, শিক্ষক গাজী মোমিন উদ্দিনসহ স্থানীয় ছাত্রনেতৃবৃন্দ এবং বিউটির সহপাঠীরা।
উল্লেখ্য, তালার কলাগাছি গ্রামের জগদীশ রায়ের ছেলে মৃত্যুঞ্জয় রায় দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের নিতাই মন্ডলের মেয়ে স্থানীয় দলুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী বিউটি মন্ডলকে উত্ত্যক্ত করাসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাতে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় ইন্টারনেট থেকে অন্য মেয়ের নগ্ন ছবি সংগ্রহ করে সেই ছবিটি এডিট করে তাতে বিউটি মন্ডলের মুখের ছবি জুড়ে দেয় মৃত্যুঞ্জয়। আর গত ১ সপ্তাহ আগে এডিট করা ছবিটি ‘নীল নদী বিউটি’ নামের ফেসবুক আইডির মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় লম্পট মৃত্যুঞ্জয়। এ ঘটনায় গত রোববার থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিউটির বাবা নিতাই মন্ডল। এদিকে লজ্জায়, ক্ষোভে, অভিমানে গত ( ৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার দুপুরে নিজ ঘরের মধ্যে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বিউটি মন্ডল। বিষয়টি জানার পরপরই লম্পট মৃত্যুঞ্জয়সহ তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। আত্মহত্যার ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় তালা থানায় মৃত্যুঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা আইনে মামলা করে বিউটি মন্ডলের কাকা দিপঙ্কর মন্ডল।

রূপসায় ইয়াবাসহ আটক ২

বিজ্ঞপ্তি : খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে রূপসা থানা এলাকা হতে সর্বমোট ৭৯ (ঊনআশি) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, দুইটি কালো রংয়ের মোবাইল চার্জার, ০৩ টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোন, একটি লাল রংয়ের হিরো হোন্ডা হাঙ্ক মোটরসাইকেল সহ ০২ জন গ্রেফতার করা হয়েছ । জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ জনাব, সেখ কনি মিয়া এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল হক এবং সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনাকালে গত শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার ঘটনাস্থল রূপসা থানাধীন খুলনা টু বাগেরহাট গামী মহাসড়কের কাজী সোবহান পেট্রোল পাম্পের বিপরীত পার্শ্বে জনৈক শাওন এর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ১। মোঃ সুজন (৩২), পিং- মোঃ তৌহিদ সর্দার, মাতা- মোছাঃ ফাতেমা খাতুন, সাং- কাঠি, থানা ও জেলা- গোপালগঞ্জ, বর্তমানে- ৯নং ওয়ার্ড খালিশপুর, ফেয়ার ক্লিনিকের পিছনে মোঃ ইব্রাহীম আলী এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, কেএমপি, খুলনা, ২। মোঃ জাহিদুল ইসলাম(৩১), পিতা- মোঃ আহাদুল ইসলাম, মাতা- মোছাঃ নাজমা খাতুন, সাং- ২নং ক্রস রোড টুট পাড়া, ২৮ নং ওয়ার্ড, থানা- কোতয়ালি, কেএমপি, খুলনাদ্বয়কে ধৃত পূর্বক তাদের হেফাজত হতে দুইটি কালো রংয়ের মোবাইল চার্জারের ভিতরে অভিনব কায়দায় রক্ষিত সর্বমোট ৭৯ (ঊনআশি) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ০৩ টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোন, একটি লাল রংয়ের হিরো হোন্ডা হাঙ্ক মোটরসাইকেলসহ অত্র মামলার বাদী ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করে তাদের হেফাজত হতে উক্ত মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার পূর্বক ১১/০৯/২০২০ তারিখ ১৮.১৫ ঘটিকার সময় জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন। এ সংক্রান্তে জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার এসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল হক বাদী হয়ে আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।

মোংলায় হরিণের মাংসসহ পাচারকারী আটক

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতনিধি : মোংলায় ১০ কেজি হরিণের মাংসসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌর শহরের শেহলাবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মো: জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা শুক্রবার রাতে শেহলাবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় শেহলাবুনিয়ার রামপাল ষ্টোরের সামনে থেকে ১০ কেজি হরিণের মাংসসহ পাচারকারী বাচ্চু হাওলাদার (৪০) কে হাতেনাতে আটক করে অভিযানকারীরা। বাচ্চুর কাছে পাওয়া ব্যাগের মধ্যে হরিণের মাংস ছাড়াও মাথা এবং পা রয়েছে। বাচ্চু পৌর শহরের কুমারখালী এলাকার জনৈক দেলোয়ার হোসেনের বাড়ীর ভাড়াটিয়া বাসিন্দা। বাচ্চু বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার তেলিখালী গ্রামের মো: মজনু হাওলাদারের ছেলে।
এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বাচ্চু সুন্দরবনের সংঘবদ্ধ হরিণ শিকারী চক্রের অন্যতম সদস্য। সে দীর্ঘদিন ধরে হরিণ শিকারসহ হরিণের মাংস মোংলা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চড়া দামে সরবরাহ করে আসছিল।