চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। আটককৃতরা হচ্ছে মোঃ নুরুল ইসলাম  (৫০) এবং দিল মোহাম্মদ (২০)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, ২১ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো উপ অঞ্চলের উপ পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কোতোয়ালি  ও বন্দর সার্কেল পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদে ভিত্তিতে কোতোয়ালি  থানাধীন পুরাতন রেল স্টেশন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মৃত সিরাজ মিয়ার পুত্র  মোঃ নুরুল ইসলাম  পরিহিত লুঙ্গির ডান কোটরে তল্লাশি করে ৪শ’ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন। বন্দর সার্কেল পরিদর্শক মোঃ  সিরাজুল ইসলাম   বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী কোতোয়ালি  থানায় একটি    নিয়মিত মামলা দায়ের করেন ।
অপরদিকে কোতোয়ালি  সার্কেল পরিদর্শক মোঃ মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে নতুন রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল  সালামের পুত্র দিল মোহাম্মদ কাছ থেকে ২ হাজার ৪০০  পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন। কোতোয়ালি সার্কেলর সহকারী উপপরিদর্শক জনাব মোঃ লুৎফর রহমান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮অনুযায়ী কোতোয়ালি থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

ঝালকাঠিতে আ’লীগ পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ !

মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি : ঝালকাঠিতে এক খানদানী আ’লীগ পরিবারের রেকর্ডিয় ও ভোগ দখলিয় অর্ধকোটি টাকার সম্পত্তি আইনের মারপ্যাচে ও পেশী শক্তির বলে আ’লীগের এক নেতা দখল প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের প্রানকেন্দ্র কাপুড়িয়াপট্টি রোডে অর্ধকোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল প্রচেষ্টার বিষয়ে বাদি পক্ষ বিচারধীন অবস্থায় বিবাদীরা কাজ করছে অভিযোগে আনলে গত ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত বিবাদির আইনজীবীকে সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার মৌখিক নির্দেশ দিলেও তা মানছেনা বলে জানান ওই পরিবারটি। তবে মরহুম নুরুল ইসলাম খলিফার মত পরীক্ষিত ও খানদানী আওয়ামী পরিবারের রেকর্ডিয় ও ভোগ দখলিয় সম্পত্তি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি ও আ’লীগ নেতা মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ সালেকের জবর দখলের ঘটনায় ঝালকাঠি শহর জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
এ বিষয়ে খলিফার পরিবারের আইনজীবী জানায়, সাবেক বিচারপতি মরহুম সুলতান হোসেন খানের মালিকানাধীন ৩৯ সহস্রাংশ সম্পতি থেকে ০৭.০৯.১৯৯০ তারখি মরহুম নুরুল ইসলাম খলিফার অনুরোধে তার বাসা সংলগ্ন ১৯ ও মৌখিক অনুমতিতে ৫সহ ২৪ সহস্রাংশ সম্পতিএকটি আনরেজিষ্টার চুক্তির মাধ্যমে প্রদান করেন। ৯০দশকে বিএস রেকর্ড কার্যক্রম শুরু হলে উক্ত ভোগ দখল অনুযায়ী সুলতান হোসেন খানের ৩৯ সহস্রাংশ সম্পতি থেকে ১৫ সহস্রাংশ নিজ নামে রেকর্ড পান ও নূরুল ইসলাম খলিফা ২৪ সহস্রাংশ রেকর্ড পান। এক পর্যায় সুলতান হোসেন খান বিএস রেকর্ডকালে ৩০ ধারায় আপত্তি মামলা করলেও পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় আপত্তি মামলাটি তুলে নেয়ার আবেদন করলে মামলাটি খারিজ করা হয়। সে অনুযায়ী ৩১/০৭/২০১১ তারিখ ছাপা পর্চা ও গেজেট প্রকাশ হওয়ার পরবর্তী সময়কালে সাবেক বিচারপতি সুলতান হোসেন খান ও নুরুল ইসলাম খলিফা ইন্তেকাল করেন। তাদের অবর্তমানে উক্ত রেকর্ড ও ভোগ দখলের বিষয়টি গোপন রেখে সুলতান হোসেন খানের ওয়ারিশগন গোপনে মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ সালেক সাব কবলা দলিল করে নেন। ভুমি রেজিষ্ট্রি আইন অনুযায়ী সুদ্ধ রেকর্ড ও পর্চা ছাড়া সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় বেআইনী হলেও সুলতান হোসেন খানের ওয়ারিশগন ভুমিলোভী সালাউদ্দিন আহম্মেদ সালেকের কাছে তাদের রেকর্ডীয় ১৫ সহস্রাংশ জমির সাথে নুরুল ইসলাম খলিফার রেকর্ডিয় ২৪ সহস্রাংশ জমি সম্পত্তি পরাষ্পর যোগসাজসে কেনাবেচা করে। তাই বিতর্কিত দলিল বলে পেশীশক্তি খাটিয়ে দখল তৎপরাতর চালানোর কারনে আমরা নিষেদ্ধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছি যা আজ সোমবার রায়ের জন্য ধার্য রয়েছে।
এ বিষয়ে বর্তমান চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ সালেক তার বিরুদ্ধের অভিযোগ অস্ববীকার করে জানায়, তিনি সাবকবলা দলিল মুলে সাবেক বিচারপতি মরহুম সুলতান হোসেন খানের মালিকানাধীন ৩৯ সহস্রাংশ সম্পতি থেকে সাড়ে ৩২ সহস্রাংশ জমি ক্রয় করেছেন ও বাকী ৫.৭০ সহস্রাংশ সম্পতির মালিক সুলতান হোসেন খানের মেয়ে যা আমার কাছে বিক্রির চুক্তি হলেও এখোনও রেজিষ্টি হয়নি। উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখলে গেলে মরহুম নুরুল ইসলাম খলিফার পুত্র খোকন খলিফা কোন দলিলপত্র ছাড়াই অবৈধ ক্ষমতার বলে দখল করে রাখছে ও অকথ্য গালাগাল করছে। তারা একটি সাদা কাগজে সুলতান হোসেন খানের সাথে চুক্তিপত্র দেখিয়ে ২৪ সহস্রাংশ জমি বিএস রেকর্ড নিলেও আদালত সেই রেকর্ড বালিত করে আমার নামে সাড়ে ৩২ সহস্রাংশ, সুলতান হোসেন খানের মেয়ের নামে ৫.৭০ সহস্রাংশ রেকর্ড দিয়েছে। বর্তামানে তাদের বৈধকোন কাগজপত্র না থাকলেও আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করে গোপনে দেয়াল নির্মান ও প্লাষ্টারের কাজ করিয়েছে।

মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র (আবহাওয়া অফিস)। এর প্রভাবে সোমবার সকাল থেকে মোংলাসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এদিকে দুপুরের জোয়ারে বন্দরের পশুর চ্যানেল ও মোংলা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর পানি বাড়ায় শহরের কুমারখালী এলাকায় রাস্তা তলিয়ে গেছে। এছাড়া নদীর পাড়ের নিম্নাঞ্চলের রাস্তা ও বাঁধ উপচে পানি ভিতরে প্রবেশ করছে।
থেমে থেমে হওয়া হালকা মাঝারি বৃষ্টিতে বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও পরিবহণে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। ফলে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।