চট্টগ্রামে অবৈধ গ্যাস লাইনের কারণেই বয়লার বিস্ফোরণ; বাড়ির ভেতরে সুতার কারখানা

বিপ্লব দে, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ৮ মাস ধরে বন্ধ ছিল খোরশেদ ডাইং অ্যান্ড থ্রেড নামের একটি সুতার কারখানা। কারখানাটি বাড়ির ভেতর হলেও এর নামে কোন বৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল না। সম্প্রতি গ্যাস পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে ওই কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সময় এতে কোনো হতাহত না হলেও রাতে বয়লার বিস্ফোরিত হওয়ায় পুরো এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

সূত্র বলছে, খোরশেদসহ কয়েকজন মিলে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনা করে আসছিল খোরশেদ ডাইং অ্যান্ড থ্রেড কারখানাটি। ওই কারখানায় পরিবেশ দূষণরোধে ব্যবহার করা হয়নি ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি)। নেই পরিবেশের ছাত্রপত্রও। তাদের বৈধ কোনো গ্যাস সংযোগও ছিল না। সেখানে বাণিজ্যিক লাইনের অনুমোদন নিয়ে অবৈধভাবে ফ্যাক্টরিতে লাইন সরবরাহ করে আসছিল। জমানো গ্যাস থেকেই এই বিস্ফোরণ ঘটে।

কেজিডিসিএল বলছে, বিস্ফোরণের খরব পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে অবৈধ গ্যাস লাইনটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলমান রয়েছে।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বব রাত সোয়া ১ টার দিকে আবুল ফ্যাক্টরি প্রধান অফিসের পাশে একটি বাড়ির ভেতরে বয়লার বিষ্ফোরণের ঘটে। ওই সময় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় পুরো কারখানাটি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে আছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, কেউ জানতো না এখানে একটি এতবড় কারখানা রয়েছে। তাও বাড়ির ভেতরে। ঘটনার দিন মধ্যরাতে হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে প্রাণ বাঁচাতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। ছোটাছুটি করতে গিয়ে কয়েকজন আহতও হয়েছেন। খরব পেয়ে রাত ২ টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসেন। তবে ঘটনার পর মালিককে খোঁজে পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডাইং অ্যান্ড থ্রেড ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী মো. খোরশেদ বলেন, ‘আমার কারখানাটিতে ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন রয়েছে। আপনি চাইলে কাগজপত্র দেখাতে পারব। গ্যাস লাইন থেকে বিস্ফোরণ হয়নি। বয়লার বিস্ফোরণ হলেও আশাপাশের কেউই হতাহত হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার আগে থেকে কারখানাটি বন্ধ ছিল। বাড়ির মালিকের অনুমোদন রয়েছে। ওই বাড়ির নিচ তলায় কারখানাটি পরিচালনা করে আসছিলাম।’

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত সোয়া ১ টার দিকে সুতার কারখানার বয়লার বিস্ফোরনের খবর পেয়ে সেখানে দুটি গাড়ি পাঠানো হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে পুরো এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কারখানার কাগজপত্রসহ সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন ধরনের অনিয়ম পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, ‘বিস্ফোরণের পর পরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। করোনার আগে প্রায় ৮ মাস ধরে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। কারখানাটিতে সুতার ডাইং করা হতে। ধারণা করছি- গ্যাস লিকেজ থেকে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানের মালিক পতালক রয়েছে।’

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস) সায়োরার হোসেন বলেন, ‘ঘটনার পর ওইদিন সরেজমিনে গিয়ে কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তাদের কারখানার ভেতরে গ্যাস লাইনের কোনো অনুমতি ছিল না। গোপনে কমার্শিয়াল গ্যাস পাইপ লাইন থেকে কারখানায় গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ লাইন থেকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ১৪১ পুলিশের বদলী

রিটন দে লিটন, চট্টগ্রাম: কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিভিন্ন উপজেলার ১ হাজার ১৪১ কনস্টেবলকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে জেলা পুলিশের এতবড় বদলির নজির নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৩৪ জন ইনস্পেক্টরকে বদলি করা হয়। তারও আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে এবং ২১ সেপ্টেম্বর বদলি করা হয়েছিল আরও ৭ জন কর্মকর্তাকে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলার সব পুলিশ পরিদর্শককে (৩৪ জন) একযোগে বদলির পর থেকেই গুঞ্জন চলতে থাকে এবার কনস্টেবল পর্যায়ে বড়সড় বদলি করা হবে। ঠিকই একই দিন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এক আদেশে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত একহাজার ১৪১ জন পুলিশের কনস্টেবলকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়েছে।

কক্সবাজারে নতুন যোগ দেওয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশের এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল মিলে এই বদলির আদেশ এসেছে। পুলিশ সদর দফতর এবং পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট যারা থাকবেন তাদেরও বদলি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা পুলিশের সূত্র মতে শুক্রবার পর্যন্ত এই বদলির সংখ্যা দাঁড়িয়ে এক হাজার ৩৪৭ জন। এর মধ্যে রয়েছে পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ শীর্ষ ৮ কর্মকর্তা, ৮ থানার ওসিসহ ৩৪ পরিদর্শক, ১৫৮ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই), ৯২ জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১০৫৫ জন নায়েক ও কনস্টেবল। সবাইকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বাইরে ভিন্ন রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এর আগে কক্সবাজারের থানাগুলোতে নতুন ৮ জনকে ওসির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আরও ২৯ জন পরিদর্শককে কক্সবাজারে পোস্টিং দেয়া হয়েছে। পৃথক দু আদেশে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। কক্সবাজারে পোস্টিং হওয়া অফিসারদের শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম রেঞ্জে যোগদান করতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজারে নতুনভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আট থানার ৮ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হলেন- সাতক্ষীরা জেলা থেকে শেখ মুনির উল গিয়াস, সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে মো. হাফিজুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা থেকে আহম্মদ সনজুর মোরশেদ, নওগাঁ জেলা থেকে মো. আব্দুল হাই, গোপালগঞ্জ জেলা থেকে শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের, নীলফামারী জেলা থেকে কেএম আজমিরুজ্জামান, ডিএমপি ঢাকা থেকে মো. সাইফুর রহমান মজুমদার ও মৌলভীবাজার জেলা থেকে মো. জালাল উদ্দিন।

এছাড়া কক্সবাজার জেলার জন্য যে ২৯ জন পুলিশ পরিদর্শক পোস্টিং হয়েছেন তারা হলেন- ঢাকা জেলা থেকে কানন সরকার, পিবিআই ঢাকা থেকে শেখ মো. আলী, মানিকগঞ্জ জেলা থেকে নুর মোহাম্মদ, মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে গাজী সালাউদ্দিন, রাজশাহী জেলা থেকে মো. আনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর জেলা থেকে মো. আশরাফ হোসেন, বাগেরহাট জেলা থেকে মো. মাহতাবুর রহমান, বাগেরহাট জেলা থেকে মো. সেলিম উদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলা থেকে আবদুল আলীম, রাজশাহী জেলা থেকে ফরহাদ আলী, বগুড়া জেলা থেকে আশিক ইকবাল, পিরোজপুর জেলা থেকে কামাল হোসেন, মৌলভীবাজার জেলা থেকে অরুপ কুমার চৌধুরী, সিলেট জেলা থেকে মো. লুৎফুর রহমান, গাইবান্ধা জেলা থেকে মো. এমরানুল কবির, পঞ্চগড় জেলা থেকে মো. রবিউল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা থেকে খোরশেদ আলম, শেরপুর জেলা থেকে মো. আশরাফুল কবির খান, নেত্রকোনা জেলা থেকে আনসারুল ইসলাম, সিআইডি ঢাকা থেকে মো. নাজমুল আলম চৌধুরী, এসবি ঢাকা থেকে মো. রুকনুজ্জামান, এসবি ঢাকা থেকে মাসুদুর রহমান, এসবি ঢাকা থেকে হাবিবুর রহমান, পিবিআই ঢাকা থেকে মো. জুয়েল ইসলাম, সিআইডি ঢাকা থেকে এবিএম মাইনুল হাসান, সিআইডি ঢাকা থেকে মো. আবদুল হালিম, সিআইডি ঢাকা থেকে বিপুল চন্দ্র দে, নারায়ণগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ থেকে চন্দন কুমার চক্রবর্তী ও পিবিআই ঢাকা থেকে ওয়ালী উদ্দিন আকবর।

এই বদলির আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারে পুলিশ সুপার (এসপি) এবি এম মাসুদ হোসেনকে রাজশাহীর পুলিশ সুপার হিসাবে বদলি করা হয়। আর ঝিনাইদহের এসপি হাসানুজ্জামানকে কক্সবাজার জেলা পুলিশের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নবাগত এসপি বুধবার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এসপি মাসুদ হোসেন কক্সবাজার থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর বদলি করা হয়েছে অপর সাত পুলিশ কর্মকর্তাকে।

যার মধ্যে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আদিবুল ইসলামকে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কক্সবাজার সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজওয়ান আহমেদকে গাজীপুর জিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এবং মহেশখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রতন কুমার দাশ গুপ্তকে চট্টগ্রাম নবম এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিককে চট্টগ্রাম আরআরএফের সহকারী পুলিশ সুপার, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলামকে নোয়াখালীর সহকারী পুলিশ সুপার এবং ডিএসবির সহকারী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলামকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসবে বদলি করা হয়েছে।

এদের পরিবর্তে পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলামকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুন আল ইসলামকে কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং চট্টগ্রামের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পংকজ বড়ুয়াকে কক্সবাজার সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহেদুল ইসলামকে মহেশখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার, চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার কাজি শাহবুদ্দিন আহমেদকে কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার ট্রাফিক, র‌্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. তফিকুল ইসলামকে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং খাগড়াছড়ির সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম শাহনেওয়াজকে ডিএসবি কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

দাকোপে যুবলীগের দোয়া মাহফিল

দাকোপ প্রতিনিধি : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে ও প্রধানমন্ত্রীর চাচি জাতীয় সংসদ সদস্য শেখ হেলাল, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেলের মাতা রিজিয়া নাসেরের সুস্তÍতা কামনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে দাকোপে উপজেলা যুবলীগনেতা শেখ জাহিদুর রহমান মিল্টনের নেতৃত্বে উপজেলা হেডকোয়াটার জামে মসজিদ, চালনা আরশাদ আলী এতিম খানা জামে মসজিদ, পার চালনা সরদার পাড়া জামে মসজিদ, পানখালী পূর্বপাড়া জামে মসজিদ, হোগলা বুনিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদসহ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জুম্মাবাদ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৃথক পৃথক দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক নিজামী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ গোলাম হোসেন, চালনা পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপন ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগনেতা শেখ জাহিদুর রহমান মিল্টন, চালনা পৌর যুবলীগনেতা আরাফাত আজাদ, ছাত্রলীগনেতা মাসুম হাওলাদার, ফয়সাল আহম্মেদ, আনোয়ারুল ইসলাম, শেখ হাবিবুর রহমান, আলামিন গাজী, অহিদুল ইসলাম প্রমুখ। প্রতিটি মসজিদের ইমাম বাদ জুম্মায় এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন। পরে সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়েছে।

মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় ও গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টির কারণে মোংলা বন্দরে শুক্রবারও তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। এর ফলে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা জুড়ে দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। এ এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে বৃষ্টিপতা ও ঝড়ো হাওয়া। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে এখানকার ব্যবসা বাণিজ্য ও জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিরুপ আবহাওয়ার কারণে সতর্ক সংকেত বলবৎ থাকায় গত কয়েকদিন ধরে বন্দরে অবস্থানরত বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য বোঝাই-খালাস ও পরিবহণের কাজ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে তার নিজস্ব ষ্টিভিডরিংয়ের সার ও মেশিনারী পণ্যের জাহাজ দুইটিতে গত ৩/৪ দিন ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে ক্যাপ্টেন জাহাজের হ্যাচ/হ্যাজ খুলতে না দেয়ায় পণ্য খালাস করা যাচ্ছেনা। ফলে শ্রমিক-কর্মচারীদের জাহাজে বেকার বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট বন্দর ব্যবহারকারীরা। শুক্রবার বন্দরে সার, কিংক্লার, মেশিনারী, পাথর ও গ্যাস বিভিন্ন পণ্যবাহী ১০টি জাহাজের অবস্থান রয়েছে। এদিকে বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবী করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত হারবার মাষ্টার প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) কমান্ডার জাহিদুর রহমান।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকা ও ট্রলার নিরাপদে ফিরে এসে উপকূলের কাছাকাছি নদী খালসহ মোংলার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে।

রূপসায় কৃষি কার্যক্রম পরিদর্শনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব

খুলনা অফিস : কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনাব মশিউর রহমান আজ ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪.০০ টায় রূপসা উপজেলার স্বল্পবাহিরদিয়া ব্লকে প্রণোদনার আওতায় স্থাপিত সবজি পুষ্টি বাগান,ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন প্রকল্পের এসএমই’র রোপা আমন ধানের বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী (জাতঃ ব্রিধান-৮৭) ও জিকেবিএসপি প্রকল্পের বারি হলুদ -৪ ও ব্রিধান-৮৭ প্রদর্শনীপরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি,খুলনা এর উপপরিচালক জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান, রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ ফরিদুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জনাব শেখ সাখাওয়াত হোসেন, এসএপিপিও মমতাজ উদ্দিন মোল্যা, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুনা কান্ত সরকার , প্রদর্শনী চাষি মোক্তার হোসেন,লোকমান হাকিম, হাসিবুর রহমান ও ইদ্রিস গোলদারসহ এলাকার ১০\১৫ জন কৃষক। প্রদর্শনীর সার্বিক অবস্থা ও মাঠ কার্যক্রম পরিদর্শনপূর্বক কর্মকর্তাগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।