বটিয়াঘাটা হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সহ করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী প্রদান

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : জাতীয় সংসদের হুইপ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি বলেছেন, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি জনিত কারনে গোটা বিশ্বের ব্যবসা-বানিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যখন মন্দা তৈরি হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একক দূরদর্শিতার কারনে আমাদের মত মধ্যম আয়ের দেশে চলমান মহামারি দূর্যোগসহ একেরপর এক সকল প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সচল রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। একাধিক স্বজন হারানোর ব্যাথা বুকে চাঁপা দিয়ে তিনি দেশের অসহায় মানুষের মনে হাঁসি ফুটানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। করোনাকালীন কোন মানুষকে তিঁনি না খেয়ে মারা যেতে দেননি। তিঁনি শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় বটিয়াঘাটা বাজার এলাকায় তাঁর নিজস্ব বাসভবনের অফিস কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় আলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সৌজন্যে বটিয়াঘাটা হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সহ করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী প্রদানকালে এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অপর্ণা বিশ্বাস, হুইপ তনয় সহকারী শিক্ষক পল্লব কুমার বিশ্বাস রিটু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, আরএমও ডাঃ সুকান্ত বিশ্বাস, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ অভিজিৎ মল্লিক, অধ্যাপক সুব্রত টিকাদার, আলীগনেতা নারায়ণ সরকার, বিধান হালদার, প্রদীপ টিকাদার, হুইপ এর ব্যক্তিগত সহকারী দেবাশীষ মন্ডল, দেবাশীষ হালদার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিঁনি পিপিই, পন্ডস ক্রীম, মাক্স, শ্যাম্পু, হ্যান্ডস সেনিটাইজার, ফেস ওয়াস ও সাবান সহ বিভিন্ন উপকরন প্রদান ও বিতরন করেন।

খুলনায় টনি খান হোটেল ম্যানেজম্যান্ট ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন

খুলনা অফিস : খুলনায় টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।  শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর ৭৩/৩ কেডিএ এভিনিউয়ে টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব বিখ্যাত শেফ টনি খান।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হোটেল ও পর্যটন শিল্পে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ কর্মীদের চাহিদা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক সেবা খাতে উপযুক্তভাবে নিজেকে তৈরি করতে এক আতিথেয়তার শিল্পকলা রপ্ত করতে আমরা খুলনায় প্রথম এ ইনস্টিটিউট তৈরি করেছি। যা বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রায় নতুন দুই লাখ ৮৮ হাজার কর্মীর চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশে বর্তমানে হসপিটালিটি সেক্টরের প্রকৃদ্ধিতে আমাদের এ প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার অপার সম্ভাবনা ১ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমার সাথে ৩ মাসের ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে দেশ বিদেশে ক্যারিয়ার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে হোটেল ম্যানেজমেন্ট শিল্পকে বেছে নেওয়া হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের সুনাম ছড়িয়ে দিতে। এখনে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিটি ছাত্র দেশের শুভেচ্ছা দূতের কাজ করবে।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম মালিক বলেন, খুলনার তরুণ শ্রমশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে টনি খান হোটেল ম্যানেজম্যান্ট ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হলো। দেশে হোটেল ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন শিল্পে প্রচুর কর্মসংস্থানে এ শিল্পের জন্য তরুণ শ্রমশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে এ ইনস্টিটিউটে। টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্টে রয়েছে হাউসকিপিং, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রডাকশন, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিস বিভাগ । বিখ্যাত হোটেল এক্সপার্ট প্রশিক্ষক দিয়ে এখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, বাবর, চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মিলন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম মালিক, পরিচালক সাকিব মালিক, সাইকা মালিক, সেলিম আমির, নাসিমুল হক রনি, করিম গ্রুপের সিইও সৈয়দ এনামুল করিম, হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির এক্সপার্ট ফিরোজ, সেফ সালেহ, আশফাক, খালেক, বোরহান, জাহিদি প্রমুখ।

এনসিবি-র জেরার মুখে ড্রাগ চ্যাটের কথা স্বীকার করে নিলেন দীপিকা

#মুম্বই : অবশেষে পর্দা ফাঁস । এনসিবি’র জেরার মুখে ড্রাগ চ্যাটের কথা স্বীকার করে নিলেন দীপিকা পাড়ুকোন । তবে মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেননি বলে জানা গিয়েছে । সূত্রের খবর, দীপিকার ট্যালেন্ট ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশের সঙ্গে নায়িকার যে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ্যে এসেছিল সেখানে ‘ডি’ নামের ব্যক্তি যে দীপিকাই তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন ‘পদ্মাবতী’ । তবে এর সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, মাদক সেবন তিনি করেননি ।

আগেই জানা গিয়েছিল, ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন ছিলেন দীপিকা । সেখানে ড্রাগস নিয়েই কথাবার্তা হত । সেই গ্রুপে ছিলেন করিশ্মা ও সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার জয়া সাহাও । সেই গ্রুপে মাদক সংক্রান্ত কথা বললেও মাদক গ্রহণ করেননি বলেই দাবি তুলেছেন নায়িকা ।

অন্যদিকে, এনসিবি’র অন্য একটি দফতরে জেরা চলছে শ্রদ্ধা কাপুর এবং সারা আলি খানেরও । সেখানেও ড্রাগ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন শ্রদ্ধা ও সারা । তাঁরা জানিয়েছেন, সুশান্তের লোনাভলার ফার্ম হাউজে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন । সেখানে ড্রাগস পার্টি হয়েছে । কিন্তু তাঁরা মাদক সেবন করেননি । সুশান্ত আর সারার পুরনো ফার্ম হাউজের ভিডিও দেখিয়ে জেরা করছে এনসিবি ।

রূপসায় কৃষি কার্যক্রম পরিদর্শনে উপজেলা কৃষি অফিসার

খুলনা অফিস : রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ফরিদুজ্জামান গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় আলাইপুর ব্লকে পারিবারিক কৃষির আওতায় স্থাপিত সবজি পুষ্টি বাগান , গাছের গোড়ায় চুই ঝালের চাষ এবং কাটিং এর মাধ্যমে পলিব্যাগে চুই চারা উৎপাদন , ধান , গম ও পাট বীজ উৎপাদন , সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আমন ধান উৎপাদন প্রদর্শনী (জাতঃ ব্রিধান-৮৭) ও রাজস্ব খাতের অর্থায়নে স্থাপিত রোপা আমন ধানের প্রদর্শনী (জাতঃ ব্রিধান -৭২ ) পরিদর্শন করেন। তিনি আলাইপুর গ্রামের কৃষির বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কৃষকদের সাথে রোপা আমন ধানের পোকামাকড় বিশেষ করে বাদামি গাছ ফড়িং দমন , সন্ধ্যায় ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদ স্থাপন এবং প্রদর্শনী ক্ষেতের রগিং ও বীজ সংরক্ষণের জন্য পরামর্শ প্রদান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলাইপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমান, প্রদর্শনী চাষী মোঃ মহব্বত শেখ, মোঃ ইশারত শেখ, মোঃ অহেদ সরদার , আঃ কাদের শেখ ও মোঃ লুৎফর রহমানসহ এলাকার ১০/১৫ জন কৃষক । প্রদর্শনীর সার্বিক অবস্থা ও আলাইপুর ব্লকের কৃষি কার্যক্রম পরিদর্র্শন পূর্বক উপজেলা কৃষি অফিসার মহোদয় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

কক্সবাজারের নির্যাতিত-নিপীড়িত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আবেদন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় বরখাস্ত হওয়া টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার ইন্ধনে দায়রেকৃত সব মামলা প্রত্যাহার, স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা এবং প্রদীপ সিন্ডিকেটের আনষিক নির্যাতনের বিচার দাবি করেছেন কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। একে একে ৬টি সাজানো মামলার কারণে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারও ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে লিখিত আবেদন করেছেন ফরিদুল মোস্তফা খান।

সরকারের চলমান মাদক ও ঘুষ-দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে সফল করতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেন ফরিদুল মোস্তফা। আপোষহীন লেখালেখির পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্রও তুলে ধরেন। উপস্থাপন করেন প্রদীপ ও তার লালিত সিন্ডিকেটের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড। তাতে ওসি প্রদীপ চড়াও হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করেন ফরিদ।
ফরিদুল মোস্তফার দাবি, মাদক নির্মূলের নামে বেপরোয়া মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা করেছেন টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ। তার কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের কারণে অবনতি ঘটেছে আইন শৃঙ্খলা।
বেপরোয়া ঘোষ লেনদেন, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি, নিরীহ মানুষ হত্যাসহ মানবতা বিরোধী টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ ও সদরের সাবেক ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের হরেক অপকর্মের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেন ফরিদুল মোস্তফা।
এতে দেশ বিদেশে তাদের বিপুল সহায় সম্পদ, টাকা পাচার, অপরাধ লালনপালনসহ সরকার বিরোধী নানা কর্মকান্ডের তথ্য ওঠে আসে। ফলে প্রদীপ-ফরিদ উদ্দিন খন্দকারসহ তাদের লালিত বাহিনীর সদস্য তথা বাঘা বাঘা মাদক ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়। সাংবাদিক ফরিদুলকে হত্যায় মরিয়া হয়ে উঠে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করার সুযোগও পান নি। জীবন বাঁচাতে চলে যান আত্মগোপনে। এই ফাঁকে কক্সবাজার শহরের মধ্যম কুতুবদিয়াপাড়ায় ফরিদের বসতবাড়িতে রাতের অন্ধকারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটতরাজ চালানো হয়। এ সময় রক্ষা পায়নি তার বৃদ্ধ মা ও বোনেরাও। পরে ঢাকা থেকে ধরে এনে ওই বাড়িতে ফরিদুল মোস্তফাকে ঢুকিয়ে অস্ত্র, ইয়াবা ও বিদেশী মদ উদ্ধার দেখানো হয়।

ফরিদুল মোস্তফা তার আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রাণ রক্ষায় তিনি ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপির সাথে দেখা করেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রদীপ সিন্ডিকেটের কুকীর্কির ২০ পৃষ্টার ডকুমেন্টসসহ লিখিত আবেদন দেন। ওই সময় সকল প্রকার সহযোগিতার আশ^াসও দেন মন্ত্রী।
কক্সবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। তার ওপর ঘটে যাওয়া অমানবিকতা সবাইকে নাড়া দেয়। পুলিশের হেফাজতে রেখে হাত-পায়ের নখ তুলে ফেলা আর চোখে মরিচের গুঁড়া ঢেলে বিভৎস দৃশ্যটি হতভম্ব করে দিয়েছে সব বিবেক।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের কাছে ফরিদুল মোস্তফার করা আবেদনে সেই করুণ চিত্র ফুটে ওঠে। ইতিহাসের এমন বর্বরতম ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।
দীর্ঘ ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর গত ২৭ আগস্ট জামিনে মুক্ত হন ফরিদুল মোস্তফা। তখন থেকে তিনি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। সব হারিয়ে মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। যেখানে থাকার জায়গা নেই, রয়েছে চরম অর্থ সংকটে সেখানে মিথ্যা মামলার ঘানি কিভাবে টানবেন? এ নিয়ে খুবই চিন্তিত ফরিদ ও তারপরিবার। প্রদীপের আগুনে পুড়লো ফরিদের সুখের জীবন। মিথ্যা মামলা আর সংসারের খরচ যোগাতে বসতভিটা বিক্রি করে নিঃস্ব। নেই মাথা গুজার ঠাঁই। সন্তানদের পড়ালেখাও বন্ধ। চিকিৎসার খরচ নিয়ে সংকটে। বৃদ্ধ মা আর স্ত্রী-সন্তানদের কোথায় রাখবে, তা ফেবে কিনারা পাচ্ছে না ফরিদ।

মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড ও দুদকের মামলায় প্রদীপ কারাগারে থাকলেও তার অন্যান্য সহযোগিরা বাইরে। তাই জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরমভাবে শঙ্কিত ফরিদুল মোস্তফা।
এমতাবস্থায় জীবনের নিরাপত্তা দাবীর পাশাপাশি মাথা গুজার ঠাঁই বসতবাড়ি, এবং আর্থিক সহযোগিতাসহ প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেছেন কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।
উল্লেখ্য, নির্যাতনের ঘটনায় প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত গত ৮ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সিনিয়র জুুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আদালতে ফৌজদারি দরখাস্ত করেন ফরিদুল মোস্তফা খান। যেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড না করে পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দেন বিচারক। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন ফরিদ। বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী ধার্য তারিখে শুনানির জন্য রাখে আদালত।
এদিকে, আইনের চেয়ারে বসে বেআইনি কাজ সংঘটিত করা এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার পেতে ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর উচ্চ আদালতে রীট করা হয়। যার নং-১২১২১।

ফরিদুল মোস্তফা খান জনতার বাণী বিডি ডটকম এবং দৈনিক কক্সবাজার বাণী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনি টেকনাফ হোয়াইক্যং সাতঘরিয়া পাড়ার বাসিন্দা মরহুম ডাঃ মোঃ ইছহাক খানের ছেলে। বর্তমানে শহরের ১ নং ওয়ার্ডের মধ্যম কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা।