ডুমুরিয়ায় হরিণের মাংসবহনকারীর জরিমানা

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়ায় হরিনের মাংস বহনকারী এক ব্যাক্তিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।  রবিবার দুপুরে ডুমুরিয়া বড় বাজার এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জীব দাস এ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা যায়, বাগেরহাটের ফয়লা অধিবাসী আবু বক্কার (৫২) সুন্দরবন এলাকা থেকে অবৈধভাবে হরিনের মাংস সংগ্রহ করে তার শ্বশুরবাড়ি ডুমুরিয়ার চিংড়া গ্রামে নিয়ে যাচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সঞ্জীব দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হরিনের মাংসসহ বক্কারকে আটক করেন। পরে তার দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাকে দোষি সাব্যস্ত করে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইন ২০১২ এর ৩৪(খ) ধারায় ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি জব্ধকৃত ওই মাংস (৫কেজি) ভক্ষণযোগ্য বিবেচনায় স্থানীয় সাজিয়াড়া শামছুল উলুম মাদ্রাসার এতিমখানার অনুকুলে বিতরণ করা হয়।

খুমেক হাসপাতালে আইসিইউতে নিয়ম বহি:র্ভূত ফেসবুক লাইভ

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে আইসিইউতে মধ্যে ঢুকে ফেসবুকে লাইভ দেওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আইসিইউতে সাধারণত মুমূর্ষ রোগী ভর্তি হয়ে থাকেন। সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয় কিš‘ কোন ধরনের অনুমতি না নিয়ে জনৈক মো: আল মাসুম খান নামে ব্যক্তিটি। শুক্রবার তার ফেসবুকে এক জনরোগীর বিষয়ে ফেসবুকে লাইভ নিয়ে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা বিব্রত বোধ করেছেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যানসথেসিয়ান বিভাগ ও আইসিইউ ইউনিটের প্রধান ডা: শেখ ফরিদ আহমেদ শনিবার রাতে এ প্রতিবেদককে বলেন, আইসিইউতে সাধারণত মুর্মুষ রোগীদের ভর্তি করা হয়। যার কারণে কোন ব্যক্তি ই”ছা করলেই ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন না। তিনি বলেন, আইসিইউ এর মধ্যে আল মামুন খান ফেসবুকে লাইভ দেওয়ার বিষয় আমি যখন জানতে পেরেছি, তখন তাকে ফোন দিলে সে ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া লাইভে ডাক্তারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন তা সত্য নয়। আমার কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া সে আইসিইউতে ডুকে লাইভ করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজের উপধ্যক্ষ ডা: মেহেদী নেওয়াজ বলেন, হাসপাতালের যে কোন বিভাগে সংবাদ, বা তথ্য পেতে হলে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হয়। তিনি বলেন, আমার চিকিৎসার পেশায় কখনো আইসিইউতে লাইভ করতে দেখেনি। বিষয়টি নিয়ে আমি হাসপাতালের পরিচালককে অবহিত করেছি।

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা সহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা মো: নূরকামাল (২২), মো: রফিক(২০), আব্দুল মতলব (৫৩) এবং মো: ইকবাল হোসেন (২০)। শনিবার (৪ অক্টোবর) চট্টগ্রামে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, উক্ত সংস্থার চট্টগ্রাম মেট্রো: উপ অঞ্চল এর উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চান্দগাঁও সার্কেল পরিদর্শক  লোকাশীষ চাকমা এর নেতৃত্বে গঠিত রেইডিং টিম এর প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকালে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন মেরিনার্স রোড¯’ জামাল খানের ফোন ফ্যাক্সের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রোহিঙ্গা মৃত মাত আলমের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মো: নূরকামালকে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।  এছাড়া বশরুজ্জামান চত্বর এলাকায় অপর এক মাদক বিরোধী অভিযানে রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ী মৃত সৈয়দ আলমের পুত্র মো: রফিককে  ৩ হাজার ৩শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।  অন্যদিকে কোতোয়ালী সার্কেল পরিদর্শক মো: মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে গঠিত রেইডিং টিম এর প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকালে অপর এক মাদক বিরোধী অভিযানে শহরের কোতোয়ালী থানাধীন কদমতলী এলাকা থেকে মৃত আশ্রাফ আলীর পুত্র মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল মতলবকে ৩ হাজার ২শ পিস ইয়াবসহ গ্রেফতার করা  হয়।
এদিকে বন্দর সার্কেলের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ কামাল হোসেন এর নেতৃত্বে কোতয়ালী থানাধীন ৯৫ স্টেশন রোড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মৃত আবু তালেবের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মো: ইকবাল হোসেনকে ২ হাজার ৫শ  পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয় ।  উল্লিখিত আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকের আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফুলতলায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্ধোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সারাদেশে ন্যায় খুলনায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাস্পেইন উদ্ধোধন করা হয়েছে।  রবিবার (৪ অক্টোবর) ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকালে শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানোর মধ্যে দিয়ে কার্যক্রম টি শুরু করা হয়।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: সাবরিনা রহমান স্নিস্গ্ধা একটি শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলতলার ইউএইচএফপিও এর ডা: জহিরুল ইসলাম।

খুলনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মাদকের রমরমা ব্যবসা!

কামরুল হোসেন মনি : দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নগরীতে ফার্নিচারের ব্যবসার আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মাদক ব্যবসায়ী হেমায়েত শেখ হিমু (৪১)। নগরীর ৫৮, খানজাহান আলী রোড রূপসা এলাকায় তার মেসার্স হিমু ফার্ণিচার নামক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত ১ অক্টোবর নগরীতে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানকালে ফার্ণিচার ব্যবসায়ী হিমুকে ১১ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করেন প্রশাসন। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে হিমুর মাদক কারবারের বিষয় এলাকাবাসী মুখ খুলতে শুরু করেন। এর আগেও মাদক বিরোধী ট্রাস্ক বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মুদি দোকান ব্যবসায়ী ও কসমেটিক ব্যবসার ব্যক্তিদেরকে মাদকসহ আটক করেন।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে ২ এপ্রিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গঠিত টাস্ক ফোর্সের একটি টিম নগরীর দারোগাপাড়া ও মরিয়ম পাড়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১১৩ বোতল ফেনসিডিল, বিদেশী মদ, বিয়ার, একটি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, রিভলবারে ১৩ পিস গুলি ও শর্টগানের ১৭পিস গুলি উদ্ধার করে। এছাড়া অভিযানের সময় মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৫শ’ টাকা ও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল আর ওয়ান জব্দ করা হয়। এর আগে একই দিনে নগরীর দারোগাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় বাসিন্দা মৃৃত সৈয়দ আলীর পুত্র হামিদ স্টোরের দোকানে মালিক আঃ হামিদকে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হামিদ মুদিদোকানের আড়ালে ফেনসিডিল বিক্রি করে আসছিলেন। এরপর ৫৮নং খানজাহান আলী রোডে মরিয়ম পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্স। ওই এলাকার বাসিন্দা এ্যানোটনি সরকারের স্ত্রী মনিকা সরকার ও তার ছেলে রূপক সরকারকে ৬৩ বোতল ফেনসিডিল, একটি বিদেশী মদ, বিয়ার, একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, রিভলবারের ১৩ পিস ও সর্টগানের ১৭পিস গুলি উদ্ধার করা হয়। ওই সময় এলাকাবাসী জানিয়েছিলেন, এই মূল মাদককারবারীর মূল সিন্ডিকেটের হোতা হেমায়েত হোসেন হিমু। ওই সময় অভিযানের টের পেয়ে কিছুদিন সে পালিয়ে যেয়ে গা ঢাকা দেয়।
আটক মাদক ব্যবসায়ী রূপক সরকার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, যশোরে কসমেটিক ব্যবসায়ী আয়েশা নামে এক পাইকারি ফেনসিডিল বিক্রেতাদের কাছ থেকে এই ফেনসিডিল চালানটি খুলনায় আনা হয়েছে। মরিয়ম পাড়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, মেসার্স হিমু ফার্নিচারের মালিক হেমায়েত হোসেন হিমু এই এলাকায় মাদকের নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত রয়েছে। সে এই এলাকায় তার সহযোগিদের দিয়ে ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ নানা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তার সহযোগি হিসেবে রয়েছে ইয়াবা বিক্রেতা নগরীর গগণ বাবু রোডে এলাকার বাসিন্দা খাদেমের পুত্র মো: কামাল। সেই এই এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘ক’ সার্কেলের পরিদর্শক মো: আতাউর রহমান জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় গঠিত মাদক বিরোধী ট্রাস্ক ফোর্স গত ১ অক্টোবর রূপসা ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের মধ্যে থেকে হেমায়েত শেখ হিমুর কাছ থেকে ১১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। আটককৃত হিমু দক্ষিণ টুটপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা মৃত আহমেদ শেখের পুত্র।
খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা পরিদর্শক পারভিন আক্তার জানান, বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সে মধ্যে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী হিমু বসে ছিলেন। এ সময় সে পালানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে তাকে তল্লাশী চালিয়ে ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করা হয়। টাস্ক ফোর্সের অভিযানের নেতৃত্বদেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তারিফ-উল-হাসান।

কেরানি আবজালের বিদেশি সম্পদের হিসেব কষতে হিমশিম খাচ্ছে দুদক!

ঢাকা অফিস : স্বাস্থ্যের আলোচিত কেরানি আবজালের বিদেশে বিপুল সম্পদের তথ্য দুদকের হাতে, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় বিলাসবহুল বাড়ি। হিসেব কষতে হিমশিম তদন্তকারীরা।

কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় শুধু বিলাসবহুল বাড়িই নয়, বিদেশে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আছে ১৮টি ব্যাংক একাউন্ট। তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলোচিত কেরানি আবজালের বিদেশে এরকম বিপুল সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। তদন্তকারী কর্মকর্তারাও এখন হিমশিম খাচ্ছেন তার সম্পদের হিসেব কষতে।

কানাডার অন্টারিওতে একটি বাড়ি ছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বহিষ্কার হওয়া আলোচিত কেরানি আবজাল হোসেনের। গত বছরের ২৬শে মার্চ বাড়িটি ৩ লাখ ৮৩ হাজার কানাডিয়ান ডলারে বিক্রি করে দেন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রেস্টনে নিউ সাউথ ওয়েলসেও একটি রাজকীয় বাড়ি আছে আবজালের। কানাডার বাড়ি বিক্রির পর এ বাড়িটিও বিক্রি করতে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন আবজাল। কিন্তু দুদক গোপনে তার এই চেষ্টার বিষয়টি জানতে পেরে তা আটকাতে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে।

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, সে দুইটি বাড়ির মধ্যে একটি বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছে। আরেকটি বিক্রির অপেক্ষায় আছে। আমাদের আইনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাড়িটি যাতে সে বিক্রি করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে আমরা অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি।

শুধু বাড়ি নয়, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় তার আঠারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছে দুদক। দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, তার বিরুদ্ধে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে সে তথ্য অনুযায়ী আমরা আমাদের তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তার অবৈধ সম্পদ যাতে সে বেহাত, বিক্রি এবং হস্তান্তর করতে না পারে সে ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

বিদেশে শুধু বাড়ি আর ব্যাংক অ্যাকাউন্টই নয়, রয়েছে তার বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও। এরইমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ফাইভ ইন্টারন্যাশনালসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানের খোঁজ পেয়েছে দুদক। সংস্থাটি মনে করছে, তাদের তথ্যের বাইরেও আরো সম্পদ থাকতে পারে আবজালের।

দুর্নীতির দুই মামলায় আবজাল এখন কারাগারে। তার স্ত্রী রুবিনা খানমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে দুদক।

বটিয়াঘাটায় ভিপি সম্পত্তি ও লীজ গ্ৰহীতার নাম সম্বলিত সাইনবোর্ড বিতরণ

ইন্দ্রজিৎ টিকাদার , বটিয়াঘাটা : জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হেলাল হোসেন এর নির্দেশে বটিয়াঘাটা উপজেলার সরকারি ভিপি সম্পত্তি আয়ত্তে আনতে লীজ কেচ নবায়নের সাথে লীজ গ্ৰহীতার নাম সম্বলিত সাইনবোর্ড বিতরণ করছেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মোঃ রাশদুজ্জামান । ইতিমধ্যে তিনি এ বিষয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে । সূত্রে প্রকাশ, উপজেলায় ইতিপূর্বে সরকারি ভিপি সম্পত্তি খাতা কলমে থাকলেও বাস্তবে ফিল্ডে তার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না । কারণ প্লট ব্যবসায়ী নামধারী এক শ্রেনীর ভূমি দস্যু প্লটের রাস্তা ও জাল কাগজপত্র সৃষ্টি করে শ্রেনীর
পরিবর্তন পূর্বক বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । ছয়ঘরিয়া মৌজার এস এ ২৪১,২৪২ও ৩৫৫ খতিয়ানে দেবেন্দ্র নাথ মন্ডলের ৩.৭৬ একর সম্পত্তি ভূমি দস্যু চক্রাখালী গ্ৰামের প্রভাষ সরকার ও তার সহযোগী হীরা গং মিলে বালু ভরাট পূ্র্বক শ্রেনী পরিবর্তন করে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । যার লীজ কেচ নং ১০০৭/৭৪-৭৫ । ইতিমধ্যে এলাকার সচেতন মানুষের পক্ষ থেকে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি সহ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে । জুলাই মাস থেকে সরকারি ভিপি লীজ কেচ নবায়ন কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস । এ উপজেলায় মোট ৪০৩ টি ভিপি লীজ কেচ রয়েছে । এর মধ্যে প্রায় ২৫ টি ভিপি লীজ কেচ নবায়ন পূর্বক লীজ কেচ গ্ৰহীতাদের নাম সম্বলিত সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছে । তবে কিছু ভিসি লীজ কেচ ভূমি দস্যুরা আদালতে বিভিন্নভাবে ধরনের কৃত্রিম মামলা সৃষ্টি করে লীজ কেচ নবায়নে
প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে চলেছে । যে কারণে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । ইতিমধ্যে ভূমি দস্যুদের হাত থেকে সরকারি ভিপি সম্পত্তি রক্ষা করতে জেলা প্রশাসক দুটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস । মে কারণে বর্তমানে ভূমি দস্যুদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে । এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ রাশেদুজ্জামান এ প্রতিবেদককে বলেন, জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হেলাল হোসেনের নির্দেশে ও নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মোঃ নজরুল ইসলামের সহযোগিতায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি দখলে নিতে জেলা প্রশাসক ও লীজ কেচ নবায়ন গ্ৰহিতার নাম সম্বলিত সাইনবোর্ড বিতরণ করা হচ্ছে । এছাড়া সরকারি ভিপি সম্পত্তি আওয়ত্ত্বে নিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তা অব্যহত রয়েছে । তাছাড়া ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অব্যহত রয়েছে । তিনি সকলের সহযোগিতা ও কামনা করেন ।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তালার খোকন শেখের মৃত্যু

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত খোকন শেখ (৪৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার (০৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। খোকন তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) সন্ধ্যা রাতে খেশরা ইউনিয়নের বালিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে তাকে প্রথমে তালা হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ৮টার দিকে খোকন শেখের মৃত্যু হয়। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন